বিষয়বস্তুতে চলুন

বেলকুচি কলেজ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

নিরপেক্ষতা
(নিরপেক্ষতা)
}}
 
'''বেলকুচি কলেজ''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] [[বেলকুচি উপজেলা| বেলকুচি উপজেলার]] [[সিরাজগঞ্জ জেলা]]য় [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]]অবস্থিত একটি [[সরকারি কলেজ ]]। এই কলেজটি "বেলকুচি ডিগ্রী কলেজ" নামে পরিচিত। <ref>http://belkuchi.sirajganj.gov.bd/site/view/college</ref> আধুনিক সুবিধা সহ শ্রেণীবিন্যাস, ল্যাবরেটরিজ, লাইব্রেরি এবং সাধারণ রুম রয়েছে। কলেজ রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত ফলে কলেজটি উপজেলার সেরা কলেজের স্বীকৃতি পেয়েছে।
 
==ইতিহাস==
স্থানীয় আবু কোরাইশী খাঁন বেলকুচি ডিগ্রি কলেজটি স্থানীয়দের সহযোগীতায় ১৯৭০ ইংসালে মুকুন্দগাঁতী মৌজায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৭০ সালের ৫ মে তৎকালীন পাবনা জেলার [[জেলা প্রশাসক]] শামসুদ্দীন আহম্মেদ কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কলেজটি ১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিক কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭২ ইং সালে কলেজটিতে বি.এ. (পাস) ও বি.কম. (পাস) কোর্স চালু করা হয়। ১৯৮৬ সালে বি.এস.সি. (পাস) কোর্স চালুর মাধ্যমে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
সিরাজগঞ্জ জেলার তাঁত শিল্প সমৃদ্ধ যমুনা বিধৌত বেলকুচি উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ 'বেলকুচি ডিগ্রি কলেজ' এলাকার শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম 'আবু কোরাইশী খাঁন', এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণের সহযোগীতায় ১৯৭০ সালে মুকুন্দগাঁতী মৌজায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৭০ ইং সালের ৫ মে তৎকালীন পাবনা জেলার [[জেলা প্রশাসক]] জনাব শামসুদ্দীন আহম্মেদ পি.এস.সি কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
কলেজটি ১৯৭০ ইং সালে উচ্চমাধ্যমিক কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭২ ইং সালে কলেজটিতে বি.এ. (পাস) ও বি.কম. (পাস) কোর্স চালু করা হয়। ১৯৮৬ সালে বি.এস.সি. (পাস) কোর্স চালুর মাধ্যমে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
 
পরবর্তীতে ২০১০-২০১১ ইং শিক্ষাবর্ষ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ব্যবস্থাপনা অনার্স কোর্স খোলার মাধ্যমে কলেজটি অনার্স কলেজ হিসেবে গৌরবের আসনে আসীন হয়। <ref>https://belkuchi.sirajganj.gov.bd/site/education_institute/12aa5f01-1aba-11e7-8120-286ed488c766/বেলকুচি%20ডিগ্রি%20কলেজ</ref>
 
 
==প্রতিষ্ঠা ==
১৯৭০ সালে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন থানায় কলেজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণার একটি মহান জোয়ার ছিল। তৎকালীন মো। মোফায়েজ উদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে কামরখাঁদের (জামাতাইল) একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেলকুচি এর একটি বড় সংখ্যকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আহ্বায়ক দ্বারা আমন্ত্রণ জানানো হয়, বেলকুচি এর অভিজাত সরকার এমনকি সরকার দ্বারা পরোক্ষভাবে চাপ তৈরি করে একটি বড় পরিমাণ অর্থ দান ছিল। সিরাজগঞ্জের কর্মকর্তা বেলকুচির তৎকালীন কো (রেভ), সুভাষচন্দ্র ভৌমিক বেলকুচি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কলেজ খুঁজে বের করার জন্য বেলাকুচি অভিজাতদের উৎসাহিত করেছিলেন। তারপর একটি উদ্যোগ আবু কুরাইশি খান দ্বারা গৃহীত হয়। বেলকুচি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে একটি বড় সভা সভাপতিত্ব করেন মৌলভী গোলজার হোসেন তালুকদার। একটি সিদ্ধান্ত সর্বজনীনভাবে গৃহীত হয়েছিল যে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হতে হবে এবং অবিলম্বে ফাউন্ডেশন আইন লেট আবু কোরেশি খানের নেতৃত্বে গ্রহণ করা হয়েছিল। সরকার। অফিসার সুভাষ চন্দ্র ভৌমিক তাকে টাস্কের অগ্রগতিতে অনেক সাহায্য করেছিলেন। বিপুলসংখ্যক স্থানীয় মানুষ দান করে এবং একত্রে কাজ করে। তাদের মধ্যে নিম্নলিখিত উল্লেখযোগ্য।
==বিভাগ সুমহ==
 
 
'''ডিগ্রি পর্যায়ে'''
* বি.এ. (পাস),
* বি.এস.এস.(পাস),
* বি.বি.এস.(পাস),
* বি.এস.সি(পাস),
* [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] (অনার্স),
* [[হিসাববিজ্ঞান]] (অনার্স),
 
==অর্জন==
অত্র প্রতিষ্ঠান ১৯৯৬ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়।{{তথ্যসূত্র}} ২০১১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩৭ জন A+ প্রাপ্ত হয়ে জেলায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত স্নাতক (ডিগ্রি) পরীক্ষায় ০৮ জন ছাত্র-ছাত্রী প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়। চতুর্থ জাতীয় কমডেকা-২০০৭ এ জাতীয় মান অর্জন। ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষ হতে অনার্স কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
 
==ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
==বহিঃসংযোগ==
 
[[বিষয়শ্রেণী:সিরাজগঞ্জ জেলার কলেজ]]