নয়আনী জমিদার বাড়ি
| নয়আনী জমিদার বাড়ি | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | হিন্দুধর্ম |
| জেলা | শেরপুর জেলা |
| অবস্থান | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| স্থাপত্য | |
| সৃষ্টিকারী | নয়আনী জমিদার |
| বাংলার জমিদার |
|---|
| ধারাবাহিকের অংশবিশেষ |
নয়আনী জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলা সদরে অবস্থিত তৎকালীন একটি জমিদার বাড়ি।[১][২] জমিদার বাড়িটি বর্তমানে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ২০১৪ সালে স্থাপনাবিহীন এই পুরাকীর্তিকে প্রত্নতত্ত্বের তালিকায় লিপিবদ্ধ করে।[৩][৪][৫][৬]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]আনুমানিক উনিশ শতকের শুরুর দিকে অথবা আঠারোশ' শতকের শেষের দিকে নয়আনী জমিদার বাড়িটি স্থাপন করা হয়ে থাকে। তৎকালীন সময়ে বাড়িটির চারপাশে জলাধার দিয়ে ঘেরা ছিলো ও আশেপাশে প্রার্থনার উদ্দেশ্যে আরও বেশ কয়েকটি মন্দিরও নির্মাণ করা হয়েছিলো। এছাড়াও এর পাশেই ছিলো রঙ মহল। উপমহাদেশে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর ও ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় নয়আনীর তৎকালীন জমিদার বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারত চলে যান।[৭][৮]
১৯৪৭ সালের পর থেকে জমিদার বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে থাকে। এরপর ১৯৬৪ সালে শেরপুর কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে নয়আনী জমিদার বাড়ি ও এর রঙমহল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত করে সেটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।[৭][৯][১০]
১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত জমিদার বাড়িটি প্রথমে শেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৯০-এর দশকের শুরুর দিকে জমিদার বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলা হয় ও সেখানে নতুন করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন তৈরি হয়।[৭][১১]
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "List of Heritage Sites: Noyani Zamindar Bari"। Department of Archaeology, Government of Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ রেজা, সাইফুল (২০১৮)। বাংলার জমিদার ও তাঁদের বাড়ি [Zamindars of Bengal and Their Houses]। নওরোজ কিতাবিস্তান। পৃ. ১২৩–১২৫। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৮০৪৩২১৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: চেকসাম পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "ময়মনসিংহ বিভাগের পুরাকীর্তি"। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত ২০১৪ সালের জুন সংখ্যার ‘প্রত্নচর্চা’ সংকলনের ৭৯নং পৃষ্ঠায় শেরপুরের তিনটি অবকাঠামোকে সংরক্ষিত প্রত্নতত্ত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ↑ "নয়আনী জমিদার বাড়ি [Nayani Zamindar Bari]"। Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh। Asiatic Society of Bangladesh। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Rahman, Tamanna (২০২১)। "Conservation Issues of Zamindar Estates: The Case of Nayani Zamindar Bari"। Bangladesh Journal of Heritage Studies (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ (2): ৫৪–৬৭।
- 1 2 3 রায়, দেবাশীষ সাহা (১ মার্চ ২০২১)। "ঐতিহ্যের সাক্ষী শেরপুরের চারু ভবন"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "নয়আনী জমিদার বাড়ি: গ্রামবাংলার গৌরব [Nayani Zamindar Bari: Pride of Rural Bengal]"। Jugantor। ৫ ডিসেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Shahriar Kabir (১৫ মার্চ ২০২৩)। "Nayani Zamindar Bari: A Heritage Site in Danger"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ প্রশাসন, শেরপুর জেলা। "জেলার পটভূমি শেরপুরের ঐতিহাসিক পটভূমি"। www.sherpur.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ Khan, Farhana Yasmin (২০২০)। Preservation of Zamindar Bari: A Case Study on Nayani Zamindar Bari (অভিসন্দর্ভ) (ইংরেজি ভাষায়)। Department of Architecture, BUET। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
