প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গণ
মূল যুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
Tsingtao battle lithograph 1914.jpg
টেসিংটো অবরোধ
তারিখ৩ আগস্ট, ১৯১৪ – ৫ জানুয়ারি, ১৯১৯a
(৪ বছর, ৫ মাস ও ২ দিন)
অবস্থান
ফলাফল মিত্র শক্তি জয়লাভ করে
বিবাদমান পক্ষ

মিত্র শক্তি:
 জাপান
 যুক্তরাজ্য

 ফ্রান্স
 রাশিয়া
 চীন
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

থাইল্যান্ড থাইল্যান্ড

কেন্দ্রীয় শক্তি:
 জার্মানি

 অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি
a Surrender of Hermann Detzner's unit.

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময় এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেশ কিছু নৌ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং মিত্র শক্তি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং চীনের জার্মান ঔপনিবেশিক ঘাঁটিগুলো দখল করে নিয়েছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানটি বর্তমান চীনের টেসিংটোতে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এবং সুপরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছিল। কিন্তু জার্মান নিউ গিনির বিটা পেকা এবং টোমাতেও ছোট ছোট আক্রমণ চালানো হয়েছিল।

এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য জার্মান এবং অস্ট্রেলিয়ান ঘাঁটিগুলো কোন প্রকার রক্তপাত ছাড়াই পতিত হয়েছিল। নৌপথে যুদ্ধ বিগ্রহ ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা। ভারত অথবা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দখলকারী শক্তিদের নৌ ঘাঁটি ছিল। এই নৌ বহর জার্মান অঞ্চলকে সুরক্ষা দিয়েছিল এবং পূর্ব এশীয় বাহিনীকে ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিলো।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মিত্রশক্তির অভিযান[সম্পাদনা]

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম স্থল আক্রমণগুলোর একটি হলো ১৯১৪ সালের ২৯ এবং ৩০ আগস্ট নিউজিল্যান্ড বাহিনী কর্তৃক জার্মান সামোয়া দখল। এক হাজারেরও বেশি নিউজিল্যান্ড সৈন্য অস্ট্রেলিয়ান এবং ফ্রেঞ্জ নৌ বাহিনীর সুরক্ষায় জার্মান কলোনীতে পদার্পণ করেছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ান বাহিনী ১৯১৪ সালের সেপ্টেম্বরে জার্মান নিউ গিনি আক্রমণ করেছিলঃ বিটা পেকার যুদ্ধে ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান সৈন্য ৩০০ জার্মান এবং স্থানীয় পুলিশের মোকাবেলা করেছিল। মিত্র শক্তি সেদিন জয়লাভ করেছিলো এবং জার্মানরা পিছু হটে টোমায় চলে গিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার একটি দল এবং একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ জার্মান এবং তাদের ঔপনিবেশিক অঞ্চল অবরুদ্ধ করে ফেলেছিল। অবশেষে জার্মান বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

টোমা পতনের পর অল্প সংখ্যক জার্মান সৈন্য নিউ গিনিতে অবশিষ্ট ছিল যারা পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ান বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। ১৯১৪ সালের ডিসেম্বরে এঙ্গোরাম নামের এক জার্মান অফিসার ৩০ জন স্থানীয় পুলিশ সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গঠনের চেষ্টা করে। কিন্তু তার সৈন্যরা একটি অস্ট্রেলিয়ার স্কাউট দলের সাথে গোলাগুলির সময় তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি আটক হন।

১৯১৫ সালে হেরমান ডিজনারের নেতৃত্বে অভিযানে যাওয়া দলটি ছিল একমাত্র জার্মান বাহিনী যারা তখনও আটক হয়নি। তারা অস্ট্রেলিয়ান বাহিনীর কাছ থেকে পালিয়ে যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত একটি দ্বীপে পালিয়ে ছিল। এর জন্য তারা প্রশংসিতও হয়েছিল।

যুদ্ধের সময় জার্মান মাইক্রোনেশিয়া, মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ, ক্যারোলাইনা দ্বীপপুঞ্জ এবং মার্শাল দ্বিপপুঞ্জেরও পতন ঘটেছিলো।

জার্মান নৌ অভিযান[সম্পাদনা]

জার্মান পূর্ব এশীয় বাহিনীর পিছু হটা[সম্পাদনা]

প্রশান্ত মহাসাগরে[সম্পাদনা]

১৯১৪ সালে যখন জার্মানিতে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল তখন পূর্ব এশীয় জার্মান বাহিনী তাদের টেসিংটো ঘাঁটি থেকে সরে পূর্বদিকে প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে জার্মানিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে অধিকাংশ সৈন্য যখন পেগান দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়, তখন তারা মিত্র বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়।

বিচ্ছিন্ন কিছু ক্রুইজার ফেন্নিং এর কেবল স্টেশনে আক্রমণ চালিয়ে পুনরায় দলের সাথে যোগ দেয়। পরবর্তীতে জার্মান বাহিনী পাপেটে আক্রমণ চালায় যেখানে এ্যাডমিরাল ম্যাক্সিমিলিয়ান ভন স্পী তার দুটি সশস্ত্র ক্রুইজারের সাহায্যে পাপেটের তীরের গোলান্দাজেরা তৈরি হওয়ার আগেই একটি ফরাসি গানবোট এবং একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেন।

চিলি এবং ফকল্যান্ড[সম্পাদনা]

পরবর্তীতে ১৯১৪ সালের ১লা নভেম্বর চিলির বিরুদ্ধে করোনেলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ্যাডমিরাল স্পী তাকে পরাস্ত করতে আসা ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাজিত করে এই যুদ্ধে জয়লাভ করেন। তার দুটি সশস্ত্র যুদ্ধজাহাজ এবং তিনটি হালকা ক্রুইজার রাজকীয় নৌবাহিনীর দুটি সশস্ত্র ক্রুইজার ডুবিয়ে দেয়। সেই সাথে একটি ব্রিটিশ হালকা ক্রুইজার এবং একটি সাহায্যকারী ক্রুইজারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। যেখানে মাত্র তিনজন জার্মান আহত হয়েছিল সেখানে ১,৫০০ এর বেশি ব্রিটিশ নাবিক (উভয় ক্রুইজার থেকে) মারা গিয়েছিল। এই বিজয় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। শীঘ্রই জার্মান বাহিনী ১৯১৪ সালের ডিসেম্বরে আটলান্টিক মহাসাগরে ফকল্যান্ডের যুদ্ধে পরাজিত হয়। স্পী নিজেও তার নিজের জাহাজ এসএমএস স্কার্নহোস্টের সাথে তলিয়ে যান।

শুধুমাত্র ক্রুইজার ড্রেসডেন এবং সাহায্যকারী জাহাজ সেইডলিটজ ছিল ফকল্যাণ্ডের যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম জার্মান জাহাজ। সেইডলিটজ আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে পালিয়ে নিরপেক্ষ আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করে এবং ড্রেসডেন প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে পালিয়ে যায়। খুব বেশি সফল না হলেও ড্রেসডেন পরবর্তীতে ১৯১৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত তার ইঞ্জিন বিকল হওয়ার আগে পর্যন্ত বাণিজ্য কাজে নিয়োজিত ছিল।

কোনরকম মেরামত ছাড়াই জার্মান হালকা ক্রুইজারটি জলপথে নিরপেক্ষ চিলির জলসীমায় মাস ই টিয়েরা দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়। সেখানে ব্রিটিশ নৌবাহিনী তাদের কোণঠাসা করে ফেলে। ছোট একটি লড়াইয়ের পর ড্রেসডেনে ফুটো হয়ে যায় এবং এর ক্রুরা চিলি কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। এই যুদ্ধে ড্রেসডেনের চারজন ক্রু মারা যায়।

ভারত মহাসাগরে এসএমএস এমডিন[সম্পাদনা]

এমডিনের অভিযান

যখন অ্যাডমিরাল গার্ফ ম্যাক্সিমিলিয়ান ভন স্পী প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে পিছু হটা শুরু করেছিলেন তখন তখন এসএমএস এমডিন পেছনে পরে যায়। এই জাহাজটি পেনাঙ্গের যুদ্ধে জয়লাভ করেছিলো। সেখানে এটি একটি রাশিয়ান ক্রুইজার এবং একটি ফরাসী ধ্বংসকারী ডুবিয়ে দিয়েছিল। এমডিন মিত্রশক্তির বাণিজ্য জাহাজের উপরও নিপীড়ন চালিয়েছিল এবং ত্রিশটির উপর বাণিজ্য জাহাজ ধ্বংস করেছিলো। তারা ব্রিটিশ তেলের ট্যাঙ্কের ক্ষতি করার জন্য ভারতের মাদ্রাজে বোমা ছুঁড়েছিল এবং মিত্রশক্তির একটি বাণিজ্য জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছিল। এতে করে শহরে প্রচণ্ড আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং হাজার হাজার লোকজন উপকূল ছেড়ে পালিয়ে যায়। তারা মনে করেছিলো জার্মানরা হয়তো পুরো ভারতে অভিযান পরিচালনা করবে।

খুব সফলভাবে বাণিজ্য জাহাজ হিসেবে কাজ করার পর এমডিন এইচএমএএস সিডনির সাথে কোকোসের যুদ্ধে অংশ নেয় এবং সেখানে জার্মান জাহাজটি ধ্বংস হয়ে যায়। হেলমুথ ভন মুচকের নেতৃত্বে নাবিকদের একটি দল আরব উপদ্বীপের দিকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মান মিত্রশক্তি অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।

এসএমএস সিয়েডলারের সমুদ্রাভিযান[সম্পাদনা]

ফেলিক্স ভন লুকনারের নেতৃত্বে সাহায্যকারী ক্রুইজার এবং বাণিজ্যতরী এসএমএস সিয়েডলার সফলতার সাথে আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরে মিত্রশক্তির সরবরাহকারী জাহাজে আক্রমণ করে। এটি সেই সময়ে ষোলোটি জাহাজ আটক করে এবং বেশিরভাগই ডুবিয়ে দেয়।

১৯১৭ সালের আগস্ট মাসে এসএমএস সিয়েডলার ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার কাছে মোপেলিয়া দ্বীপপুঞ্জে বিধ্বস্ত হয়। তখন এই এলাকায় জার্মান বাহিনী কলোনী স্থাপন করেছিলো। মিত্রশক্তির বন্দীদের এখানে আটকে রাখা হতো যাদের বেশিরভাগ ছিল আমেরিকান। যখন অনাহার উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছায় তখন লুকনার এবং তার নাবিকরা বন্দীদের সেই জনমানবহীন দ্বীপে ফেলে একটি পালতোলা জাহাজে করে ফিজির দিকে যাত্রা করে। সেপ্টেম্বরের ৫ তারিখ লুকনার লুটেক নামের একটি ফ্রেঞ্চ স্কোনার আটক করেন এবং তার নতুন নাম দেন ফরচুনা

তারপর তারা ইস্টার্ন দ্বীপের দিকে যাত্রা করে এবং একটি প্রবালপ্রাচীরের সাথে ধাক্কা খেয়ে তাদের জাহাজ আবার বিধ্বস্ত হয়। পরবর্তীতে ১৯১৭ সালের ৫ই আগস্ট এই জার্মানরা শেষবারের মত চিলি বাহিনীর কাছে আটক হয়। এই সম্পূর্ণ অভিযানে একজনমাত্র মানুষ দুর্ঘটনায় পরে মারা যায়।

গুয়ামে এসএমএস কর্মোরানের পালিয়ে যাওয়া[সম্পাদনা]

এসএমএস কর্মোরান

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত একবার প্রশান্ত মহাসাগরে জার্মানদের কোণঠাসা করতে পেরেছিল। ১৯১৭ সালের ৭ই আগস্ট সাহায্যকারী ক্রুইজার ইউএসএস সাপ্লাইয়ের হাত থেকে আটক এড়ানোর জন্য এসএমএস কর্মোরান গুয়ামের আপ্রা হারবোরে পালিয়ে গিয়েছিল। আমেরিকানরা জার্মানদের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত তাদের জাহাজ ডুবানোর লক্ষ্যে গোলাবর্ষণ করেছিলো। শেষপর্যন্ত জার্মানরা কর্মোরানে করে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছিল। তাদের নয়জন লোক মারা গিয়েছিল।

চীনে[সম্পাদনা]

টেসিংটো অবরোধ[সম্পাদনা]

টেসিংটোতে জার্মানদের সামনের অংশ

টেসিংটো ছিল চীনে অবস্থিত জার্মান বাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। ৩,৬৫০ জন জার্মান সৈন্য ১,০০০ চায়নিজ ঔপনিবেশিক সৈন্য, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সৈন্য এবং সুগঠিত নাবিকদলের সহযোগিতায় এই দুর্গের সুরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। সুরক্ষাবাহিনীর সহযোগিতায় খুব অল্প সংখ্যক ইম্পেরিয়াল জার্মান নৌবাহিনী এবং অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় নৌবাহিনীর জাহাজ নিয়োজিত ছিল।

জাপানিরা তাদের প্রায় সম্পূর্ণ নৌবহর এই এলাকায় পাঠিয়ে দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ছয়টি যুদ্ধজাহাজ এবং ২৩,০০০ সৈন্য। ব্রিটিশরা থিয়েনচিন থেকে তাদের ১,৫০০ সৈন্যের দুটি মিলিটারি ইউনিট প্রেরণ করেছিলো। চীনের যেসব অঞ্চল জার্মান দখলমুক্ত ছিল তারা মিত্রশক্তির সাথে কয়েক হাজার সৈন্য প্রেরণ করেছিলো।

৩১শে অক্টোবর থেকে দুর্গে বোমাবর্ষণ শুরু হয়। ৬ নভেম্বর রাতে ইম্পেরিয়াল জাপান সেনাবাহিনী একটি আক্রমণ চালায়। পরদিন সৈন্য সরবরাহকারীরা আত্মসমর্পণ করে। জার্মান বাহিনীর ৭০৩ জন হতাহত হয়েছিল এবং ৩,৬০০ জন যুদ্ধবন্দী হয়েছিল। মিত্রশক্তির হতাহতের পরিমাণ ছিল ২,০৬৬ জন। মিত্রশক্তির একটি সুরক্ষা ক্রুইজার জার্মান টর্পেডো বোটের আঘাতে ডুবে গিয়েছিল। পরাজয় যখন সুনিশ্চিত, তখন জার্মান এবং অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়রা তাদের যুদ্ধজাহাজ নিজেরাই ডুবিয়ে দেয়।

মাঞ্চু পুনরূদ্ধার[সম্পাদনা]

চীনে জুয়ান জুনের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান এবং মিত্রশক্তির সহযোগিতায় দুয়ান কিরুয়ির যুদ্ধ পূর্ব কর্মকাণ্ডে জন্য জার্মান সরকারকে অভিযুক্ত করা হয়। ১৯১৭ সালের জুলাই মাসে অভ্যুত্থান ব্যার্থ হউয়ার পর দুয়ান এইসব ঘটনাকে জার্মানির যুদ্ধকে অস্বীকার করার অজুহাত হিসেবে উল্লেখ করে।

জার্মান এবং অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়রা তাদের দখলকৃত তিয়ানজিং এবং হেনকভের দখল ছেড়ে দেয় এবং তাদের বন্দীদের মুক্তি দেয়। এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো জার্মান বাহিনী সাংবিধানিক সুরক্ষা আন্দোলনে অর্থ প্রদান করে যেটি ভৌগলিকভাবে চীনকে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারের মধ্যে এগারো বছর ধরে বিভক্ত করে রেখেছিল।

গ্যালারী[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • Falls, Cyril (1960). The Great War, pgs. 98–99.
  • Keegan, John (1998). World War One, pgs. 205–206.