পুপুল জয়াকর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পুপুল জয়াকর
জন্ম(১৯১৫-০৯-১১)১১ সেপ্টেম্বর ১৯১৫
ইটাওয়া, উত্তর প্রদেশ
মৃত্যু২৯ মার্চ ১৯৯৭(1997-03-29) (বয়স ৮১)

পুপুল জয়াকর, বিবাহপূর্ব মেহতা (১১ই সেপ্টেম্বর ১৯১৫ – ২৯শে মার্চ ১৯৯৭), ছিলেন একজন ভারতীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও লেখক। তিনি, স্বাধীনতার পর, ভারতের ঐতিহ্যগত ও গ্রাম্য শিল্প, তাঁত এবং হস্তশিল্পের পুনরুজ্জীবনের ওপর তাঁর কাজের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি ১৯৮০র দশকে ফ্রান্স, আমেরিকা ও জাপানে ধারাবাহিক ভাবে ভারতীয় শিল্প উৎসবগুলির আয়োজন করেছিলেন, যা, পশ্চিমের দুনিয়ায় ভারতীয় শিল্পকে জনপ্রিয় করতে সাহায্য করেছিল। তিনি নেহরু-গান্ধী পরিবার এবং জে কৃষ্ণমূর্তি, উভয়ের বন্ধু এবং জীবনীকার ছিলেন। তিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জয়কারের: জওহরলাল নেহ্‌রু, তাঁর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী এবং তাঁর ছেলে রাজীব গান্ধী। তিনি পরবর্তী দুজনের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছেন, যা সাংস্কৃতিক বিষয়ে তাঁর বিশিষ্টতা নিশ্চিত করে। তিনি "প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশের সাংস্কৃতিক পটের ওপর বিশাল মূর্তির মত প্রতিষ্ঠিত," মূল শিল্প ও কারুশিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, প্রতিভাবান শিল্পীদের প্রচার, এবং বিশ্বব্যাপী উৎসব এবং প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভারতীয় শিল্প ও কারুশিল্পের প্রচার করেছেন।[১][২]

১৯৫০ সালে, জওহরলাল নেহ্‌রু তাঁকে, তন্তুবায় বিভাগের পর্যালোচনা এবং তার পুনরুজ্জীবনের পরিকল্পনা প্রণয়নের আমন্ত্রণ জানান। শেষে তিনি অল ইন্ডিয়া হ্যান্ডলুম বোর্ড এবং হস্তশিল্প ও হ্যান্ডলুম এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মধুবনী চিত্রকলার পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।[৩] স্মৃতিস্তম্ভ পুনঃস্থাপন এবং পরিচালনা করা এবং ঐতিহ্যগত সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য, জয়াকর ১৯৫৬ সালে জাতীয় কারুশিল্প জাদুঘর এবং ১৯৮৪ সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ (আই এন টি এ সি এইচ) প্রতিষ্ঠা করেন।[১] তিনি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত, ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস (আইজিএনসিএ)এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ছিলেন এবং ১৯৯০ সালে দিল্লিতে ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেন।[২][৪] ১৯৬৭ সালে তিনি পদ্ম ভূষণ সম্মানে (ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান) ভূষিত হন।[৫]

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

জয়াকর ১৯১৫ সালে, যুক্ত প্রদেশ (পরবর্তীকালে উত্তর প্রদেশ নামে পরিচিত) রাজ্যের ইটাওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন উদার বুদ্ধিজীবী এবং ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের বরিষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর মা ছিলেন সুরাটের এক গুজরাটি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান, যেখানে পুপুল তাঁর বার্ষিক গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটাতে যেতেন। [৬] তাঁর এক ভাই ছিলেন কুমারিল মেহতা এবং চার বোন ছিলেন পূর্ণিমা, প্রেমলতা, অমরগঙ্গা ও নন্দিনী মেহতা। তাঁর পিতার কাজের সুবাদে তাঁর পরিবারকে ভারতের অনেক অংশে ঘুরতে হয়েছিল, যেখানে তিনি জীবনের প্রথম দিকে স্থানীয় কারুশিল্প এবং ঐতিহ্যকে আত্মস্থ করার সুযোগ পান।

এগারো বছর বয়সে, তিনি বেনারস (বারাণসী) গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ব্রহ্মজ্ঞানী ব্যক্তি এবং ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় অ্যানি বেসান্ত প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীকালে, তাঁর বাবার কর্মস্থল হয় এলাহাবাদ, যেখানে তিনি প্রথম, পনেরো বছর বয়সে, নেহরু পরিবারের সংস্পর্শে আসেন, তাঁর বাবা মতিলাল নেহেরুর বন্ধু হওয়ার সুবাদে। পরে, তাঁর সঙ্গে, জওহরলাল নেহ্‌রুর কন্যা, ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনীর (পরে, ইন্দিরা গান্ধী) বন্ধুত্ব হয়।[৩]

তিনি প্রথমে লন্ডনের বেডফোর্ড কলেজে পড়াশোনা করেন এবং তারপর ১৯৩৬ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে তাঁর স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।[২] বাড়ি ফেরার পর তিনি, একজন ব্যারিস্টার, মনমোহন জয়াকরকে বিবাহ করেন এবং বোম্বের (এখন মুম্বই) অধিবাসী হয়ে ওঠেন।

কর্ম জীবন[সম্পাদনা]

বোম্বের অধিবাসী হওয়ার পর, তিনি, ইংরেজি ভাষায় শিশুদের একটি পত্রিকা, "টয় কার্ট" চালু করেন। সুপরিচিত চিত্রশিল্পী যামিনী রায় এবং মকবুল ফিদা হুসেন এই পত্রিকার জন্য ছবি এঁকে দিতেন। ১৯৪০ সালে, কস্তুরবা ট্রাস্টে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্মী মৃদুলা সারাভাইয়ের সহকারী হওয়ার পর, তিনি রাজনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। তিনি, জাতীয় পরিকল্পনা কমিটিতে, মহিলা বিষয়ক ক্ষেত্রে, সহকারী সচিব নিযুক্ত হন। সেই সময় এটির নেতৃত্বে ছিলেন জওহরলাল নেহ্‌রু।[৭] ১৯৪০ এর দশকের শেষ দিকে, তাঁর জে. কৃষ্ণমূর্তির সাথে বন্ধুত্ব হয় এবং তিনি তন্তুবায় শিল্পেও জড়িয়ে পড়েন। তিনি বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাদ্রাজের (চেন্নাই) বসন্ত নগরে, তন্তুবায়ী সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।[৮]

প্রথমদিকে, তিনি ইন্দিরা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। ১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইন্দিরা, জয়াকরকে তাঁর সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেন। তিনি ভারতের হস্তশিল্প ও তন্তুবায় কর্পোরেশনে নির্বাহী পরিচালক এবং পরে সভাপতি হয়ে ওঠেন। ১৯৭৪ সাল থেকে, তিন বছর ধরে, তিনি অল ইন্ডিয়া হ্যান্ড্রিকাফ্টস বোর্ড (এইচএইচইসি)এর সভাপতিত্ব করেন।[৩]

১৯৮০ এর দশকের প্রথম দিকে লন্ডন, প্যারিস ও আমেরিকাতে বহুমাস ধরে চলা ভারতবর্ষের উৎসবগুলি, এবং রাজীব গান্ধীর প্রধানমন্ত্রীত্ব কালে চলা 'আপনা উৎসব' (আমাদের উৎসব) আয়োজনের পিছনে তিনি ছিলেন। তিনি রাজীব গান্ধীর সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা এবং তাঁর পরিষদ ভুক্ত মন্ত্রী ছিলেন।[৯] ১৯৮২ সালে, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হওয়া ছাড়াও, তিনি, ভারতীয় কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) এর সহ-সভাপতি নিযুক্ত হন, এবং ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান থাকেন (১৯৮৫-১৯৮৯)। তাঁর বন্ধু ইন্দিরা গান্ধীর অনুরোধে, তিনি ১৯৮৪ সালে শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য ভারতীয় জাতীয় ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন।[৭]

পুলুল জয়াকর, বাংলার একটি সাহিত্য আন্দোলন, 'হাংরি জেনারেশন' এর স্থায়ী সমর্থক ছিলেন, এবং ১৯৬১ সালে হাংরিলাইটস (ঐ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী)দের বিচারের সময় তাঁদের সাহায্য করেন। তিনি আমৃত্যু ভারতের কৃষ্ণমূর্তি ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি ভারত, ইংল্যান্ড, এবং লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে কৃষ্ণমূর্তি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিলেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার মদনপল্লীতে ঋষি ভ্যালি স্কুল চালানোর ক্ষেত্রেও একটি বড় ভূমিকা নেন।

তাঁর অনন্য নাম, বহু অল্প বয়স্ক মেয়েকে অনুপ্রাণিত করে তাঁর নামে নামাংকৃত হতে। শ্রীমতি নন্দিনী পুস্কর ত্রিবেদী, বিবাহপূর্ব শ্রীমতি নন্দিনী ভ্যাস, তাঁদের মধ্যে একজন। তিনি একজন বিখ্যাত শিক্ষাবিদ, যিনি, ব্রিগেডিয়ার ত্রিবেদী মেমোরিয়াল একাডেমীর নামে ভোপাল-বেরাসিয়া রোডে গ্রামীণ শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয় চালান। তাঁর জনপ্রিয় নামটি হল পুপুল। তাঁর বাবা-মা, যাঁরা বারাণসী অঞ্চলের মানুষ, তাঁরা পুপুল জয়াকরের কাজ ও তাঁর বোন নন্দিনী মেহতাকে দেখে প্রভাবিত হয়েছিলেন। নন্দিনী ত্রিবেদী তাঁর ভাইঝি রাধিকা ভ্যাসের নাম রাখেন পুপুল জয়াকরের মেয়ের নামে। পুপুল ও নন্দিনী উভয়ই মুম্বইয়ে বসবাস করছিলেন।

পরিবার[সম্পাদনা]

১৯৩৭ সালে, তিনি একজন ব্যারিস্টার, মনমোহন জয়াকরকে বিবাহ করেন, ১৯৭২ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তার মেয়ে রাধিকা হেরবার্গার ১৯৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এখন মদনপল্লীর ঋষি ভ্যালি স্কুল, রাজগুরুনগর (পুনে)র সহ্যাদ্র্রী স্কুল, রাজঘাট বসন্ত স্কুল (বারাণসী) এবং অন্যান্য কেএফআই স্কুলগুলি পরিচালনা করেন। কত্থক নর্তকী, অদিতি মঙ্গলদাস তাঁর ভাইঝি।[১০]

২৯শে মার্চ ১৯৯৭, সালে স্বল্প রোগভোগের পর, তিনি মুম্বাইয়ে মারা যান।

রচিত বইগুলি[সম্পাদনা]

তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই হল তাঁর লেখা দুটি জীবনী: জে. কৃষ্ণমূর্তি: এ বায়োগ্রাফি (১৯৮৮) এবং ইন্দিরা গান্ধী: অ্যান ইন্টিমেট বায়োগ্রাফি (১৯৯২)। পরেরটিতে, জয়াকর প্রকাশ করেন যে অপারেশন ব্লু স্টার ঘটনার জেরে, তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইন্দিরা গান্ধী ব্যক্তিগতভাবে নিজের মৃত্যুর পূর্বাশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।[১১]

হাংরিলিস্ট আন্দোলন[সম্পাদনা]

হাংরিলিস্ট আন্দোলনের সদস্যদের গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে, পপুল জয়াকর ইন্দিরা গান্ধীর সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন, যার ফলে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, বিনয় মজুমদার, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শৈলেশ্বর ঘোষ, সুভাষ ঘোষ, শুভ আচার্য, ত্রিদিব মিত্র, ফাল্গুনী রায়, বাসুদেব দাশগুপ্ত, সুভাষ ঘোষ, অবনী ধরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। মামলাটি শুধুমাত্র মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল, কারণ তিনি আন্দোলনের নেতা ছিলেন এবং সাহিত্য জগতে তাঁর অত্যন্ত খ্যাতি ছিল। তবে মলয় রায়চৌধুরী শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে মুক্তিলাভ করেন।

তাঁর বই[সম্পাদনা]

  • গড ইজ নট এ ফুলস্টপ: অ্যান্ড আদার স্টোরিজ। কুতুব, ১৯৪৯।
  • টেক্সটাইলস অ্যান্ড এমব্রয়ডারিজ অফ ইন্ডিয়া। মার্গ পাবলিকেশন, ১৯৫৬।
  • টেক্সটাইলস অ্যান্ড অর্নামেন্টস অফ ইন্ডিয়া: এ সিলেকশনস অফ ডিজাইনস, জন আরউইনের সঙ্গে। ১৯৭২।
  • দ্য আর্থেন ড্রাম: অ্যান ইনট্রোডাকশন টু দ্য রিচুয়াল আর্টস অফ রুরাল ইন্ডিয়া। ন্যাশনাল মিউজিয়াম, ১৯৮০।
  • দ্য বুদ্ধ: এ বুক ফর দ্য ইয়াং. ভাকিলস, ফেফার অ্যান্ড সিমনস, ১৯৮২।
  • হোয়াট আই অ্যাম: ইন্দিরা গান্ধী ইন কনভার্সেশন উইথ পুপুল জয়াকর। ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, ১৯৮৬।
  • দ্য আর্থ মাদার। পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৮৯। আইএসবিএন ০-১৪-০১২৩৫২-০
  • ইন্দিরা গান্ধী: অ্যান ইন্টিমেট বায়োগ্রাফি। প্যান্থেয়ন বুকস, ১৯৯২। আইএসবিএন ০-৬৭৯-৪২৪৭৯-২
  • দ্য চিলড্রেন অফ ব্যারেন উইমেন: এসেজ, ইনভেস্টিগেশনস, স্টোরিজ। পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৯৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৪-০২৪০৬৮-৯
  • ফায়ার ইন দ্য মাইন্ড: ডায়ালগস উইথ জে. কৃষ্ণমূর্তি। পেঙ্গুইন বুকস, 1995। আইএসবিএন ০-১৪-০২৫১৬৬-৯
  • জে. কৃষ্ণমূর্তি: এ বায়োগ্রাফি। পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৮৬। আইএসবিএন ০-১৪-০১৯৫১৯-X

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • ডাইমেনশনস অফ ইন্ডিয়ান আর্ট: পুপুল জয়াকর সেভেন্টি, ভলিউম 1, লোকেশ চন্দ্র এবং পুপুল জয়াকর রচিত। অগম কলা প্রকাশন, ১৯৮৬।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Burns, John F. (২ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Pupul Jayakar, 81; Led Revival of Arts and Handicrafts in India"The New York Times 
  2. Singh, Kuldip (২ এপ্রিল ১৯৯৭)। "Obituary: Pupul Jayakar"The Independent। London। 
  3. Mrázek, Jan; Morgan Pitelka (২০০৮)। What's the use of art?: Asian visual and material culture in context। University of Hawaii Press। পৃষ্ঠা 84। আইএসবিএন 0-8248-3063-6 
  4. "About IGNCA"। IGNCA website। ৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৯ 
  5. "Padma Bhushan Awardees"Ministry of Communications and Information Technology। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০০৯ 
  6. Malvika Singh (২০০৪)। "The tapestry of her life"। Seminar। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৪ 
  7. The tapestry of her life Malvika Singh, Indian Seminar, 2004.
  8. "Past perfect"The Hindu। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৪। 
  9. Weisman, Steven R. (২৭ অক্টোবর ১৯৮৭)। "Many Faces of the Mahabharata"New York Times 
  10. "Fleet feat"The Hindu। ১ জানুয়ারি ২০১০। ৩ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  11. "Archived copy"। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৬-০৭