পানানমল পাঞ্জাবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পানানমল পাঞ্জাবী
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামপানানমল হোচাঁদ পাঞ্জাবী
জন্ম২০ সেপ্টেম্বর, ১৯২১
করাচী, সিন্ধু প্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৪ অক্টোবর, ২০১১
মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৭১)
১ জানুয়ারি ১৯৫৫ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ বনাম পাকিস্তান
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩২
রানের সংখ্যা ১৬৪ ১৯৫৩
ব্যাটিং গড় ১৬.৪০ ৩৮.২৯
১০০/৫০ -/- ৬/৫
সর্বোচ্চ রান ৩৩ ২২৪*
বল করেছে - ১৩২
উইকেট -
বোলিং গড় - ৫০.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ১/১০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/- ১৬/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

পানানমল হোচাঁদ পাঞ্জাবী (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; জন্ম: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯২১ - মৃত্যু: ৪ অক্টোবর, ২০১১) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৫ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে গুজরাত দলের প্রতিনিধিত্ব করেন পানানমল পাঞ্জাবী। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৩-৪৪ মৌসুম থেকে ১৯৫৯-৬০ মৌসুম পর্যন্ত পানানমল পাঞ্জাবী’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন ও প্রভূতঃ সুনাম কুড়িয়েছেন। এছাড়াও উইকেট-রক্ষণে সবিশেষ দক্ষ ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশে নিয়েছেন। দেশ বিভাজনের পূর্বে সিন্ধু দলের পক্ষে দুইটি খেলায় অংশ নেন। এরপর ১৯৫১ সাল থেকে গুজরাতের পক্ষে নিয়মিতভাবে খেলতে থাকেন।

১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে তিন খেলায় তিনটি সেঞ্চুরি করে বসেন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হন ও পরের মৌসুমে পাকিস্তান গমনের সুযোগ লাভ করেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন।[১] ১ জানুয়ারি, ১৯৫৫ তারিখে ঢাকায় তৎকালীন স্বাগতিক পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৬ মার্চ, ১৯৫৫ তারিখে করাচীতে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। এ সফরে ২৩.১১ গড়ে ৩৯৩ রান তুলেন।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে ভারত দল পাকিস্তান গমন করে। পাঁচ টেস্টে নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যকটিতেই পঙ্কজ রায়ের সাথে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে মাঠে নেমেছিলেন। সর্বমোট ১৬৪ রান তুলে দলের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। তবে, বাহাওয়ালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান করেছিলেন মাত্র ৩৩। এ ইনিংস খেলাকালীন পঙ্কজ রায়ের সাথে ৫৮ রান যুক্ত করেন। সিরিজে এটিই এ জুটির সেরা সংগ্রহ ছিল। লাহোরে পরের টেস্টেও বেশ ভালো করেন। এ পর্যায়ে ৫২ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

এ সিরিজে সামগ্রীকভাবে রক্ষণাত্মক মেজাজে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সবগুলো টেস্টই ড্রয়ে পরিণত হয় ও পাঁচ খেলা নিয়ে গড়া সিরিজে ড্রয়ের প্রথম ঘটনা ছিল।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৫৯-৬০ মৌসুম পর্যন্ত ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নিতে থাকেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ২২৪ রান তুলেন। তাসত্ত্বেও তাকে আর কখনো টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত করা হয়নি। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে জীবনের অধিকাংশ সময়ই গুজরাতের পক্ষে খেলেছেন।

পাঞ্জাবী নামে হলেও করাচী থেকে এসেছেন তিনি। সিন্ধী ভাষায় কথা বলতেন। বার্মা সেলের পরিদর্শকে হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন। ৪ অক্টোবর, ২০১১ তারিখে ৯০ বছর বয়সে মহারাষ্ট্রের মুম্বই এলাকায় পানানমল পাঞ্জাবী’র দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Pananmal Punjabi"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-২৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]