বিষয়বস্তুতে চলুন

নয়া দৌর (১৯৫৭-এর চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নয়া দৌর
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকবি. আর. চোপড়া
প্রযোজকবি. আর. চোপড়া
রচয়িতাকামিল রশিদ
চিত্রনাট্যকারআখতার মির্জা
কাহিনিকারআখতার মির্জা
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারও. পি. নয়্যর
চিত্রগ্রাহকএম. মলহোত্রা
সম্পাদকপ্রাণ মেহরা
পরিবেশকবি. আর. ফিল্মস
মুক্তি
  • ১৫ আগস্ট ১৯৫৭ (1957-08-15)
স্থিতিকাল১৬২ মিনিট
দেশভারত
ভাষাহিন্দি
নির্মাণব্যয়১.৪ মিলিয়ন[]
আয়৫৪ মিলিয়ন[]

নয়া দৌর (হিন্দি: नया दौर) বি. আর. চোপড়া প্রযোজিত ও পরিচালিত ১৯৫৭ সালের ভারতীয় হিন্দি ভাষার সামাজিক নাট্য চলচ্চিত্র। এটি রচনা করেছেন আখতার মির্জা। তারকাবহুল এই চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন দিলীপ কুমারবৈজয়ন্তীমালা এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন অজিত খান, জনি ওয়াকার, চাঁদ উসমানি, নজির হুসেইন, মনমোহন কৃষ্ণ, লীলা চিটনিস, প্রতিমা দেবী, ডেইজি ইরানি ও রাধাকিষণ।

১৯৫৭ সালের ১৫ই আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত নয়া দৌর চলচ্চিত্রটি মাদার ইন্ডিয়া-এর পর ১৯৫৭ সালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র এবং সেই দশকের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।[] মুক্তির পর এটি স্বল্প সময়ের জন্য ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র ছিল, যে রেকর্ডটি একই বছর মাদার ইন্ডিয়া ছাড়িয়ে যায়। অনেকের মতে টিকেটের মূল্যমানের মুদ্রাস্ফীতি গণনা করলে এটি এখনও ভারতের শীর্ষ ১০ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় থাকবে।[][] মুক্তির সময়ে এটি সর্বোচ্চ আয়কারী ক্রীড়াভিত্তিক চলচ্চিত্র ছিল এবং শুধুমাত্র ভারতে মুক্তি সত্ত্বেও এটি এখনও অন্যতম শীর্ষ টিকেট বিক্রীত ক্রীড়াভিত্তিক চলচ্চিত্র।[]

এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দিলীপ কুমার টানা তৃতীয়বার এবং সবমিলিয়ে চতুর্থবারের মত শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া চলচ্চিত্রটি আরও দুটি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে। এটি পরবর্তীকালে ১৯৫৮ সালে তামিল ভাষায় পাট্টালিইন সাবাথম নামে ডাবিং করা হয়।[] নয়া দৌর আমির খান অভিনীত একাডেমি পুরস্কারে মনোনীত লগান (২০০১) চলচ্চিত্রটিকে অনুপ্রাণিত করে।

অভিনয়শিল্পীদল

[সম্পাদনা]

পুরস্কার ও মনোনয়ন

[সম্পাদনা]
৫ম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ১৯৫৮[]

জয়

মনোনয়ন

পুনঃমুক্তি

[সম্পাদনা]

নয়া দৌর চলচ্চিত্রটিকে রঙ্গিন করা হয়[] এবং ২০০৭ সালে দিলীপ কুমার অভিনীত আরেকটি চলচ্চিত্রটি মুঘল-ই-আজম-এর সাথে পুনরায় মুক্তি দেওয়া হয়।[১০] তবে চলচ্চিত্রটির পুনঃমুক্তি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয় এবং প্রচারণার অভাবকে এই ব্যর্থতার প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়।[১১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. রাঘবেন্দ্র, নন্দিনী (১২ মে ২০০৭)। "Naya rang, naya daur"দি ইকোনমিক টাইমস। টাইমস নিউজ এজেন্সি। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  2. "Top Earners of 1957"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  3. "Box Office 1957"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  4. টোমবেয়ার, সুপর্ণা (২৩ জুলাই ২০১৯)। "Which is the Highest Grossing Indian Film of All Time?"দ্য কুইন্ট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  5. শ্রীবাস্তব, হিমানী (৯ মার্চ ২০১৮)। "Highest Grossing Films of Indian Cinema, Ever"ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইনস্টিটিউট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  6. মিত্তল, অশোক (১৯৯৫)। Cinema Industry in India: Pricing and Taxation। ইন্দুস পাবলিশিং। পৃ. ৭১, ৭৭। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৩৮৭০২৩১
  7. পিল্লাই, স্বর্ণাবেল ঈশ্বরন (২০১৫)। Madras Studios: Narrative, Genre, and Ideology in Tamil Cinema। ভারত: সেজ পাবলিকেশন্স। পৃ. ৮৪। আইএসবিএন ৯৭৮৯৩৫১৫০২১২৮
  8. "Filmfare Awards 1958 Winners"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  9. চ্যাটার্জি, শর্মিষ্ঠা (২৬ জুন ২০০৩)। "Naya Daur gets coat of colour"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  10. মুখার্জী, রাম কমল (৩০ এপ্রিল ২০০৭)। "Naya Daur in colour"মুম্বই মিরর (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩
  11. সিনহা, মীনাক্ষী (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Classic in colour: 50 years on, 'Hum Dono' fails to light up BO"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]