দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি
চিত্র:South Aisan University.jpg
নীতিবাক্যসীমানা ছাড়া জ্ঞান
ধরনআন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত২০১০ (2010)
সভাপতিকবিতা এ শর্মা
উপ-সভাপতিসন্তোষ সি পান্ডা এবং শশাঙ্ক পেরেরা
শিক্ষার্থী৬০০
অবস্থান,
্ভারত

২৮°২২′ উত্তর ৭৩°২৬′ পূর্ব / ২৮.৩৭° উত্তর ৭৩.৪৩° পূর্ব / 28.37; 73.43স্থানাঙ্ক: ২৮°২২′ উত্তর ৭৩°২৬′ পূর্ব / ২৮.৩৭° উত্তর ৭৩.৪৩° পূর্ব / 28.37; 73.43
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
অধিভুক্তিসকল সার্ক দেশগুলি দ্বারা স্বীকৃত
ওয়েবসাইটsau.int

সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি বা দক্ষিণ এশিয় বিশ্ববিদ্যালয় (এসএইউ) হল দক্ষিণ এশিয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) আট সদস্য রাষ্ট্র দ্বারা মনোনীত একটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়। [১] আটটি দেশ হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তানশ্রীলংকা। সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ২০১০ সালে ভারতের আকবর ভবনের একটি অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ছাত্র ভর্তি শুরু করে। [১] এর স্থায়ী ক্যাম্পাস হবে [১] ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (ইগনৌ) এর পাশে ভারতের দক্ষিণ দিল্লির ময়দান গাঢ়ি তে। [২] বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষাবর্ষ আগস্ট ২০১০ সালে অর্থনীতি এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান এই দুটি স্নাতকোত্তর একাডেমিক প্রোগ্রামের দ্বারা শুরু হয়েছিল। ২০১৪ সাল পর্যন্ত এসএইউ, মাস্টার্স এবং এমফিল/পিএইচডি ডিগ্রী প্রদান করেছে ফলিত গণিত, বায়োটেকনোলজি, কম্পিউটার বিজ্ঞান, উন্নয়ন অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন এবং সমাজবিজ্ঞানে। [৩] সার্কের আট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকার চুক্তির ভিত্তিতে সকল সদস্য দেশ দ্বারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীগুলি স্বীকৃত।

দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রধানত আটটি সার্কভুক্ত দেশ থেকে শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করে, যদিও অন্যান্য মহাদেশের শিক্ষার্থীরাও এখানে ভর্তি হয়। শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে সদস্য দেশের জন্য কোটা ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতি বছর দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয়টি আটটি সদস্য দেশের একাধিক কেন্দ্রে ভর্তির পরীক্ষা পরিচালনা করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জি কে চড্ডা, ১ মার্চ ২০১৪ সালে মারা যান। দক্ষিণ এশিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য উপদেষ্টা পদে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়টি (এসইউ) একটি প্রকল্প পর্যায়ে ছিল, এবং পরবর্তীকালে এর সভাপতি পদে যোগদানের পূর্বে তিনি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি নিউ দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবেও কিছুদিন কর্মরত ছিলেন। [৪] ৩রা নভেম্বর ২০১৪ সালে, ডাঃ কবিতা শর্মা [৫] এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সার্ক সম্মেলনে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সার্কের সদস্য দেশগুলির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের কাছে বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা ও পেশাদার অনুষদ প্রদানের জন্য দক্ষিণ এশিয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিলেন। [২] ১৪ তম সার্ক সম্মেলনে "দক্ষিণ এশিয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তঃসরকার চুক্তি" স্বাক্ষরিত হয় এবং সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলিও সিদ্ধান্ত নেয় যে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ভারতে প্রতিষ্ঠিত হবে। [২] অধ্যাপক জি কে চাড্ডা, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের সিইও নিযুক্ত হন। [৬]

ভারত বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠার জন্য প্রায় ২৩.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল প্রদান করে, যা ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার মোট ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "India-Pak visa row casts shadow on PM's dream project"The Indian Express। ৪ এপ্রিল ২০১০। 
  2. "India to give 240-mn dollars for South Asian University"Thaindian News। ২ জুলাই ২০০৯। 
  3. "SAU Annual Report 2012" (PDF)SAU। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "Renowned Academician G K Chadha passes away in New Delhi"Biharprabha News। IANS। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৪ 
  5. "New President SAU"Kathmandu Post। ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ 
  6. "South Asian University dream to turn real by 2010"Thaindian News। ২৬ মে ২০০৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]