ডিম (খাদ্য)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাঙালি রন্ধনশৈলীতে ইলিশ মাছের ডিম গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
মুরগীর ডিম (বামে) এবং কোয়েল পাখির ডিম (ডানে) জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত খাদ্য

ডিম (বাংলা উচ্চারণ: [ডিম] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন)) হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রানীর স্ত্রী জাতির পাড়া একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার জিনিস যা মেমব্রেনের স্তর দ্বারা ঘিরে থাকা ডিম্বক এবং বহিরাবরণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। বহিরাবরণের মূল কাজ হলো এর অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ভ্রূণকে এবং ভ্রূণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকে রক্ষা করা। মুরগী ও কচ্ছপের ডিমসহ বেশীরভাগ মুখরোচক ডিমই শক্ত বহিরাবরণ বা ডিমের খোসা, অ্যালবুমেন (সাদা অংশ),ডিমের কুসুম এবং কিছু মেমব্রেন দিয়ে তৈরী। ডিমের সকল অংশই খাদ্যপোযোগী, যদিও খোসা সাধারণত বাদ দেয়া হয়। পুষ্টিগতভাবে ডিম প্রোটিন ও কোলিনের উৎকৃষ্ট উৎস।

মুখরোচক রো এবং ক্যাভিয়ার হচ্ছে মাছের ডিম।

ডিমের গঠন[সম্পাদনা]

একটি মুরগীর ডিমের বিভিন্ন অংশ:
১. ডিমের খোসা
২. বহিঃমেমব্রেন
৩. অন্তঃমেমব্রেন
৪. চালাযা (Chalaza)
৫. বহিঃঅ্যালবুমেন
৬. মধ্য-অ্যালবুমেন
৭. ভিটেলাইন মেমব্রেন
৮. নিউক্লিয়াস অব প্যান্ডার
৯. গার্মিনাল চাকতি
১০. হলুদ কুসুম
১১. সাদা কুসুম
১২. অন্তঃঅ্যালবুমেন
১৩. চালাযা
১৪. বায়ু কোষ
১৫. কিউটিকল

পুষ্টিগুণ[সম্পাদনা]

সম্পূর্ণ সেদ্ধ করা আস্ত মুরগীর ডিম
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স)-এ পুষ্টিমান
শক্তি৬৪৭ কিজু (১৫৫ kcal)
১.১২ g
১০.৬ g
১২.৬ g
ভিটামিনপরিমাণ দৈপ%
ভিটামিন এ সমতুল্য
১৮%
১৪০ μg
থায়ামিন (বি)
৬%
০.০৬৬ মিগ্রা
রাইবোফ্লেভিন (বি)
৪২%
০.৫ মিগ্রা
প্যানটোথেনিক
অ্যাসিড (বি)
২৮%
১.৪ মিগ্রা
ফোলেট (বি)
১১%
৪৪ μg
খনিজপরিমাণ দৈপ%
ক্যালসিয়াম
৫%
৫০ মিগ্রা
লৌহ
৯%
১.২ মিগ্রা
ম্যাগনেসিয়াম
৩%
১০ মিগ্রা
ফসফরাস
২৫%
১৭২ মিগ্রা
পটাসিয়াম
৩%
১২৬ মিগ্রা
জিংক
১১%
১.০ মিগ্রা
অন্যান্য উপাদানপরিমাণ
পানি৭৫ g
Choline225 mg
Cholesterol424 mg

খাদ্যপোযোগী অংশের জন্য। খোসার জন্য ১২% বাদ
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মার্কিন সুপারিশ ব্যবহার করে শতাংশ অনুমান করা হয়েছে।
উৎস: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]