জোহরা বেগম কাজী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডা. জোহরা বেগম কাজী
চিত্র:Dr. Johora Begam Kazi.jpg
জন্ম১৫ অক্টোবর, ১৯১২
মৃত্যু৭ নভেম্বর, ২০০৭
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পরিচিতির কারণচিকিৎসক
পুরস্কারএকুশে পদক

ডাক্তার জোহরা বেগম কাজী (জন্ম:১৫ অক্টোবর, ১৯১২ - মৃত্যু:৭ নভেম্বর, ২০০৭) প্রথম বাঙালি মুসলিম মহিলা চিকিৎ‍সক ছিলেন।[১]

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

জোহরা বেগম কাজী ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷ তার পিতার নাম ডাক্তার কাজী আব্দুস সাত্তার ও মায়ের নাম মোসাম্মদ আঞ্জুমান নেসা। তার আদি পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের মাদারিপুর জেলার কালকিনি থানার গোপালপুর গ্রামে।[২] তিনি ১৯২৯ সালে আলিগড় মুসলিম মহিলা স্কুল থেকে প্রথম বাঙালি মুসলিম আলিগড়িয়ান হিসাবে এসএসসি পাশ করেন। ২৩ বছর বয়সেই তিনি দিল্লীর 'লেডি হাডিং মেডিক্যাল কলেজ' থেকে১৯৩৫ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমবিবিএস পাস করেন৷[৩]। এজন্য পুরস্কার হিসেবে পান ভাইসরয় পদক।[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৩৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করার পর জোহরা বেগম কাজী কর্মজীবনে প্রবেশ করেন৷ তিনি প্রথমে ইয়োথমাল ওয়েমেন্স(পাবলিক) হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে যোগদেন৷ এরপর বিলাসপুর সরকারি হসপিটালে যোগ দেন৷ পরবর্তীকালে মানুষের সেবার জন্য মহাত্মা গান্ধী নির্মাণ করেন সেবাগ্রাম৷ এই সেবাগ্রামে অবৈতনিকভাবে কাজ করেন জোহরা বেগম কাজী৷ এছাড়াও তিনি ভারতের বিভিন্ন বেসরকারী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর তিনি ঢাকায় চলে আসেন৷ [৫] ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে যোগ দেন৷ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় অবসর সময়ে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অনারারি কর্ণেল হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন৷ মিডফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি গাইনোকোলজি বিভাগের প্রধান ও অনারারি প্রফেসর ছিলেন৷ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় অবসর সময়ে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অনারারি কর্নেল হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন৷ ১৯৭৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর বেশকিছু বছর হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসাবে চিকিৎ‍সা সেবা প্রদান করেন৷ পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেলে অনারারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন৷

ঢাকা মেডিকেলে দায়িত্ব পালন করার সময় নারী রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কুসংস্কার তাকে আহত করে। তিনি তাদের সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের ভুল ধারণা দূর করতেন। তার কারণে পরবর্তীতে চিকিৎসা শাস্ত্রে এদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। [৬]

পুরস্কার ও স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80,_%E0%A6%9C%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A6%AE
  2. দৈনিক আমারদেশ[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. দৈনিক প্রথম আলো
  4. দৈনিক কালের কন্ঠ
  5. দৈনিক জনকন্ঠ
  6. http://www.thedailystar.net/news-detail-62300

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]