বিষয়বস্তুতে চলুন

পঞ্চনিবন্ধে শপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সনদ শপথ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর

সনদ শপথ (五箇条の御誓文, Gokajō no Goseimon, আরও আক্ষরিক নাম পঞ্চনিবন্ধে শপথ) ৬ এপ্রিল ১৮৬৮ সালে কিয়োতো রাজকীয় প্রাসাদে জারি করা হয়েছিল।[১][২] শপথটি সম্রাট মেইজির শাসনামলে অনুসৃত প্রধান লক্ষ্য ও পদক্ষেপের রূপরেখা তুলে ধরে, যা জাপানের আধুনিকায়নের জন্য একটি আইনি মাত্রা নির্ধারণ করে। এটি একটি নগরায়ন প্রক্রিয়াও স্থির করেছিল যাতে করে সকল শ্রেণির লোকেরা চাকরি পরিবর্তন করার স্বাধীনতা পায়, ফলে লোকেরা আরও ভালো কাজের জন্য শহরে গমন করতে শুরু করে। এটি শাসনের তুলনায় "অনুপ্রেরণা প্রদানের" জন্য পুরো মেইজি যুগে ও বিংশ শতাব্দী জুড়ে জাপানের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী ছিল এবং এটিকে আধুনিক জাপানের প্রথম সংবিধান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।[৩]

ধারাসমূহ

[সম্পাদনা]

নাম থেকেই বোঝা যায় শপথের পাঠ্য মোট পাঁচটি ধারা নিয়ে গঠিত:

এই শপথের মাধ্যমে, আমরা আমাদের লক্ষ্য হিসেবে জাতীয় সম্পদকে বিস্তৃত ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা এবং একটি সংবিধান ও আইন প্রণয়ন করেছি।

  1. সুচিন্তিত সমাবেশগুলো ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সকল বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
  2. সকল শ্রেণি, উচ্চ হোক বা নিম্ন, সবলে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ঐক্যবদ্ধ হবে।
  3. আমজনতা বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের চেয়ে কম নয়, সবাইকে তাঁদের নিজস্ব জীবিকা নির্বাহ করার অনুমতি প্রদান করা হবে যাতে কোনো অসন্তোষ না হয়।
  4. অতীতের কুপ্রথার অবসান করা হবে এবং সবকিছু প্রকৃতির ন্যায্য আইনের উপর ভিত্তি করে।
  5. রাজকীয় শাসনের ভিত্তি মজবুত করার জন্য সারা বিশ্বে জ্ঞান অন্বেষণ করা হবে।[৪]

উৎস ও পরবর্তী প্রভাব

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Keene, p. 137. Other translations are seen in the literature, such as Five-Article Oath or Charter Oath in Five Articles.
  2. http://www.meijijingu.or.jp/about/3-3.html ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১০-০১-২৫ তারিখে 慶応4年(明治元年)3月14日、明治天皇は京都御所紫宸殿に公卿・諸侯以下百官を集め、維新の基本方針を天地の神々にお誓いになりました。The Charter Oath was promulgated on the fourteenth day of the third month by the old calendar, equivalent to April 6.
  3. Keene, p. 340, notes that one might "describe the Oath in Five Articles as a constitution for all ages."
  4. McLaren, p. 8, quoted in De Bary et al., p. 672.

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]