জন ইভান্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন ইভান্স
জন ইভান্স.jpg
১৯৫৩ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে জন ইভান্স
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামআলফ্রেড জন ইভান্স
জন্ম(১৮৮৯-০৫-০১)১ মে ১৮৮৯
হাইক্লার, হ্যাম্পশায়ার
মৃত্যু১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬০(1960-09-18) (বয়স ৭১)
মেরিলেবোন, লন্ডন
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
সম্পর্কএ. এইচ. ইভান্স (বাবা)
রাল্ফ ইভান্স (ভাই)
মাইকেল ইভান্স (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১৯৭)
১১ জুন ১৯২১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯০৮–১৯২০হ্যাম্পশায়ার
১৯০৯–১৯২১অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
১৯২১–১৯২৮কেন্ট
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৯০
রানের সংখ্যা ১৮ ৩,৪৯৯
ব্যাটিং গড় ৯.০০ ২৪.৬৪
১০০/৫০ ০/০ ৬/১৮
সর্বোচ্চ রান ১৪ ১৪৩
বল করেছে ৬,০৮৫
উইকেট ১১০
বোলিং গড় ২৭.৮৩
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৭/৫০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/– ৯৪/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৫ জুলাই ২০১৮

আলফ্রেড জন ইভান্স, এমসি (ইংরেজি: John Evans; জন্ম: ১ মে, ১৮৮৯ - মৃত্যু: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০) হ্যাম্পশায়ারের হাইক্লার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ১৯২১ সালে একটিমাত্র টেস্টে ইংল্যান্ড দলের পক্ষে খেলার সুযোগ হয় তার। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে কেন্ট ও হ্যাম্পশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন জন ইভান্স

বাবা আলফ্রেড ইভান্স ও সহোদর ভাই রাল্ফ ইভান্স প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন। এছাড়াও, পুত্র মাইকেল ইভান্স অভিনয় কর্মে জড়িত ছিলেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ - উভয়টিতেই জন ইভান্স অংশগ্রহণ করেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে রয়্যাল ফ্লাইং কোরে যোগ দেন। এ পর্যায়ে দুইবার যুদ্ধ বন্দী হন। তিনি ক্রমাগত মুক্ত হবার চেষ্টা চালান। দুইবারই এতে সফলকাম হয়েছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এমআই৯-এ যুক্ত থেকে রূপরেখা প্রণয়ন ও যুদ্ধকালীন বন্দী হবার পর করণীয় সম্পর্কে উপদেশ প্রদানের দায়িত্বে ছিলেন।

এছাড়াও, সর্বক্রীড়ায় দক্ষতা ছিল তার। গল্ফ ও র‌্যাকেট খেলায় সমধিক সফলতা পেয়েছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

১৮৮৯ সালে হ্যাম্পশায়ারের হাইক্লার এলাকায় জন ইভান্সের জন্ম। বাবা এএইচ ইভান্স প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন ও ১৮৮৮ সালে হরিস হিল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।[১] এ বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে উইনচেস্টারে স্থানান্তরিত হন ও ১৯০৯ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত অক্সফোর্ডের অরিয়েল কলেজে অধ্যয়ন করেন। উইনচেস্টারে থাকাকালে প্রথম একাদশ ক্রিকেট দলে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, বিদ্যালয়ের পক্ষে র‌্যাকেট ও গল্ফে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।[১][২]

অক্সফোর্ডে থাকাকালে ক্রিকেটে অংশ নিয়ে ১৯০৯ সালে ব্লু লাভ করেন। এছাড়াও, র‌্যাকেট ও গল্ফে ব্লু পেয়েছিলেন জন ইভান্স। ১৯১২ সালে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। প্রথম বছর জার্মানিতে অবস্থান করার শর্তে এটন কলেজে শিক্ষকতায় যোগদানের প্রস্তাবনা পান। জার্মান ভাষায় দক্ষ ইভান্স ঐ দেশে এক বছর পার করেন। এরপর এটনে একবছর শিক্ষাদানের পর ব্যবসায়িক দায়বদ্ধতায় এ চাকুরী ছেড়ে দেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

অক্সফোর্ডে যাবার পূর্বে আগস্ট, ১৯০৮ সালে হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে জন ইভান্সের। অক্সফোর্ডের পক্ষে নিয়মিতভাবে খেলেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় দলটির পক্ষে ৩০ খেলায় অংশ নিয়েছেন। তন্মধ্যে, চারটি বিশ্ববিদ্যালয় খেলায় মারকুটে ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও মিডিয়াম-পেস বোলার হিসেবে খেলেছেন।[২][৩] ১৯১১ সালে অক্সফোর্ড দলের পক্ষে অধিনায়কত্ব করেন। ১৯০৯ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে খেলায় অংশ নিলেও ১৯১২ সালের শেষদিকে ও ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুরদিকে ফ্রি ফরেস্টার্সের পক্ষে একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

যুদ্ধের পর জন ইভান্স মাঝে-মধ্যে খেলার জগতে ফিরে আসতেন। ১৯১৯ সালে শৌখিন খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া জেন্টলম্যান ও ১৯২০ সালে হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে একটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১১ জুন, ১৯২১ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে জন ইভান্সের। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। ১৯২১ সালে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এমসিসি’র সদস্যরূপে অংশ নিয়ে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। মে মাসে কেন্টের সদস্য হিসেবে খেলে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকান। এ সকল গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ জুনে লর্ডসে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলার জন্য মনোনীত হন তিনি।[২][৪] ৩২ বছর বয়সে এটিই ইভান্সের একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।[৫] দুই ইনিংসে অংশ নিয়ে ৪ ও ১৪ রান তুলেন। উইজডেনের ভাষ্য মোতাবেক, টেস্টটি তার জন্য বেশ বোঝাস্বরূপ ছিল।[৬] অন্যান্য প্রতিবেদনে জানা যায় যে, তিনি এতোটাই বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন যে, তার দুই হাঁটু ঠকঠক করে কাঁপছিল। তিনি স্নায়ুবৈকল্যে ভুগছিলেন।[৫][৭]

এরপর কেবলমাত্র মাঝে-মধ্যে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশ নিতেন জন ইভান্স। ১৯২৭ সাল পর্যন্ত কখনোবা কেন্ট, আবার কখনোবা হার্লিকুইন্সের ন্যায় দলগুলোয় খেলতেন। ১৯২৭ সালে কেন্টের অধিনায়কের দায়িত্ব পান ও ২৩টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। ১৯২৭ মৌসুমে ২৫.২১ গড়ে তিন সেঞ্চুরি সহযোগে ৮৩২ রান তুলেন। এ সময় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪৩ রান তুলেন ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে। একই মৌসুমে কেন্টের ক্যাপ লাভ করেন। পরের বছর নিজস্ব শেষ নয়টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।[৩] সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে কেন্টের পক্ষে ৩৬টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন ও প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ৩,৫০০ রানেরও বেশী সংগ্রহ করেন।[১][৩]

বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে নতুন প্রতিষ্ঠিত ইন্টিলিজেন্স কোরে যোগ দেন। অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর জার্মানিতে অবস্থান করার প্রেক্ষিতে তিনি উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে নিয়োগ পান। শুরুতে পর্বতসঙ্কুল এলাকায় অবস্থান করেন। কিন্তু, সেপ্টেম্বর, ১৯১৪ সালে ফ্রান্সে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। ফেব্রুয়ারি, ১৯১৫ সালে রয়্যাল ফ্লাইং কোরের ৩নং স্কোয়াড্রনে পর্যবেক্ষক হিসেবে সংযুক্তি লাভ করেন। শুরুরদিকে স্কোয়াড্রনটিকে পর্যবেক্ষকদের সাহায্যে শত্রু সেনাদের অবস্থানের বিষয়ে বিস্তৃত স্থির চিত্র ধারনের জন্য ব্যবহার করা হয়। ফলে, ইভান্স খুবই কাছাকাছি অবস্থানে থেকে, এমনকি যুদ্ধকালীন ছবি ধারন করতে থাকেন। সেপ্টেম্বর, ১৯১৫ সালে নিজ বিমানে পর্যবেক্ষণকালে শত্রু বিমানের ধাওয়ার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করার প্রেক্ষিতে মিলিটারি ক্রস প্রাপক হন।[১]

১৯১৬ সালের শুরুতে পাইলট হন ও সোমের যুদ্ধে জার্মান আর্টিলারি অবস্থান চিহ্নিতকরণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ও অপর পর্যবেক্ষক লেফট্যানেন্ট লংয়ের উপর জুলাই মাসে ক্রমাগত বিমান চালনার দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ১৬ জুলাই তাঁদের বিমান অচল হয়ে পড়লে তারা শত্রুসেনা এলাকায় অবতরণ করতে বাধ্য হন। ফলে শত্রুদের হাতে ধরা পড়ার পূর্বে অবতরণ করলেও জার্মান সেনাবাহিনীর হাতে ধৃত হন। ইভান্স যুদ্ধবন্দী হন। শুরুতে তাকে জার্মানির ক্লসথল এলাকায় রাখা হয়। যে সকল কর্মকর্তা মুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন তারা ওলন্দাজ সীমানায় পুণরায় ধরা পড়েন ও ইঙ্গোলস্তাদে প্রেরণ করা হয়। তিনি বেশ কয়েকবার পলায়ণের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রত্যেকবারই ধরা পড়েন। ১৯১৭ সালে আরেক কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বাকলি ধরা পড়লে আরেকটি বন্দীশিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। এবার সফলতার সাথে এ দুজন ১৮ রাত ক্রমাগত হেঁটে সুইজারল্যান্ড সীমান্তে পৌঁছেন।

যুদ্ধবন্দী হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ায় একই রণাঙ্গনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়। ফলে ইভান্স মিশরে চলে যান ও তারপর ফিলিস্তিনে বোমা স্কোয়াড্রন ১৪২ স্কোয়াড্রনে জানুয়ারি, ১৯১৮ সালে নেতৃত্বে থাকেন। মার্চ, ১৯১৮ সালে আবারো বিমান অচল হয়ে পড়ায় ভূমিতে অবতরণ করতে বাধ্য হন। আরব উপজাতিরা তাকেসহ আরও দুই অস্ট্রেলীয় বৈমানিককে তুর্কি সামরিকবাহিনীর হাতে তুলে দেয়। পলায়ণের চেষ্টা চালালে ইভান্সকে কনস্টান্টিপোলে পাঠানো হয় ও বন্দীশিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। অসুস্থ ঘোষণা করার জন্য তিনি এক চিকিৎসককে ঘুষ দেন। ফলে, তুরস্ক ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বিনিময়ে তিনিও যুক্ত হন। নভেম্বর, ১৯১৮ সালে জাহাজযোগে আলেকজান্দ্রিয়ায় পৌঁছেন। বেশ কয়েকবার আত্মরক্ষার্থের চেষ্টা চালানোয় মিলিটারি ক্রসের সাথে ‘বার’ পুরস্কার দেয়া হয়।[১] পরবর্তীকালে নিজের যুদ্ধবন্দীর বিষয় নিয়ে ‘দি এসকাপিং ক্লাব’ শিরোনামে গ্রন্থ রচনা করেন তিনি।[৪]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুদ্ধ কার্যালয়ের শাখা এমআই৯-এ ইভান্সকে রাখা হয়। সেখানে তিনি অস্থিতিশীল কার্যকলাপের সমন্বয়কারী ও শত্রু সীমানায় বৈমানিকদের ধরা পড়া ও যুদ্ধবন্দী থেকে মুক্তি লাভের বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানে যুদ্ধবন্দীত্ব থেকে মুক্তিলাভের দিক-নির্দেশনার উন্নয়নে কাজ করেন। জুলাই, ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডিতে অবতরণ করেন। উত্তর পশ্চিম ইউরোপে যুদ্ধবন্দী ও পলায়ণপর মিত্র বাহিনীর সৈনিকদেরকে রক্ষায় সহায়তা করেন তিনি।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

জন ইভান্সের পিতা আলফ্রেড ইভান্স ৪৪টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছেন। কনিষ্ঠ ভ্রাতা রাল্ফ ইভান্স পাঁচটি খেলায় অংশ নিয়েছেন। তন্মধ্যে, একটি ছিল হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত জন ইভান্স আইরিশ কনসার্টের পিয়ানোবাদক মেরি গলব্রেইদের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। তাঁদের সন্তান মাইকেল ইভান্স অভিনেতা ছিলেন।[৮]

১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ তারিখে ৭১ বছর বয়সে লন্ডনের মেরিলেবোন এলাকায় দেহাবসান ঘটে জন ইভান্সের।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Lewis P (2014) For Kent and Country, pp.165–169. Brighton: Reveille Press.
  2. Evans, Mr Alfred John, Obituaries in 1961, Wisden Cricketers' Almanack, 1961. Retrieved 2017-07-10.
  3. John Evans, CricketArchive. Retrieved 2017-07-11.
  4. Bull A (2013) The England cricketer who escaped from two prisoner of war camps, The Guardian, 2013-11-12. Retrieved 2017-07-11.
  5. Williamson M (2005) Chopping and changing, CricInfo, 2005-07-23. Retrieved 2017-07-11.
  6. England v Australia 1921 – Second Test Match, Wisden Cricketers' Almanack, 1922. Retrieved 2017-07-11.
  7. Quoted in Bull Op. cit.
  8. "Young and Restless" actor Michael Evans dies at 87, Mercury News, 2007-09-26. Retrieved 2013-04-05.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
স্ট্যানলি কর্নওয়ালিস
কেন্ট ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯২৭
উত্তরসূরী
জিওফ্রে লেগ