কুরআনীয় আরবি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কুরআনীয় আরবি
Large Koran.jpg
কুরআন থেকে আয়াতগুলি একটি পাঠের ঐতিহ্যে কণ্ঠস্বর করা হয়েছে যা আদর্শ ধ্রুপদী আরবি হিসাবে বিবেচিত, টানা আরবি তে লেখা।
দেশোদ্ভবঐতিহাসিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য
যুগখ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দী থেকে ৯ম শতাব্দী পর্যন্ত; ইসলাম এর একটি ধর্মীয় ভাষা হিসাবে চলমান থাকে, একটি আধুনিক উচ্চারণ সহও কথা বলা হয়।
আফ্রো-এশিয়াটিক
পূর্বসূরী
ভাষা কোডসমূহ
আইএসও ৬৩৯-৩
গ্লোটোলগনেই[১]
এই নিবন্ধটিতে আইপিএ ফনেটিক চিহ্নসমূহ রয়েছে। সঠিক পরিবেশনার সমর্থন ছাড়া, আপনি প্রশ্ন বোধক চিহ্ন, বক্স, অথবা অন্যান্য চিহ্ন ইউনিকোড অক্ষরের পরিবর্তে দেখতে পারেন।

শাস্ত্রীয় বা ধ্রুপদী আরবি (আরবি: ٱلْعَرَبِيَّةُ ٱلْفُصْحَىٰ‎, প্রতিবর্ণী. আল-আরাবিয়াহ আল-ফুসহা‎) বা কুরআনীয় আরবি হল আরবি ভাষার প্রমিত সাহিত্যিক রূপ যা সপ্তম শতক থেকে শুরু করে সমগ্র মধ্যযুগ ব্যাপী ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষত উমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফতকালীন সাহিত্যলেখনীসমূহে যেমন কবিতা, উচ্চমানের গদ্য ও বক্তৃতা, এবং পাশাপাশি এটি ইসলামের উপাসনামূলক ধর্মীয় ভাষা।

আল-আরাবিয়াহ নামক এই আরবির প্রথম বিশদ বিবরণ পাওয়া যায় সিবাওয়াইহ'র আল কিতাব নামক গ্রন্থে, যা একটি কাব্যসংকলনের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছিল, পাশাপাশি এতে ছিল কুরআন ও বেদুঈন তথ্যদাতাদের কথা যাদেরকে তিনি শাস্ত্রীয় আরবির নির্ভরযোগ্য বক্তা হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।[২] আধুনিক আদর্শ আরবি হল এর সরাসরি উত্তরসূরী, যা আজ সারা আরব বিশ্বে লেখনী এবং আনুষ্ঠানিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, উদাহরণস্বরূপ উপস্থিত বক্তৃতা, কিছু রেডিও সম্প্রচার এবং অ-বিনোদন সামগ্রী।[৩] যদিও আধুনিক প্রমিত/আদর্শ আরবির শব্দভাণ্ডার এবং শৈলীবিদ্যা ধ্রূপদী আরবি থেকে আলাদা, তবুও এর শব্দতত্ত্ব এবং বাক্যতত্ত্ব মূলত অপরিবর্তিত রয়েছে (যদিও আধুনিক আদর্শ আরবিতে শাস্ত্রীয় আরবির বাক্য কাঠামোকে আংশিকভাবে ব্যবহার করা হয়)।[৪] আরব বিশ্বে ধ্রুপদী আরবি এবং আধুনিক আদর্শ আরবির মধ্যে সামান্য পার্থক্য করা হয় এবং উভয়কেই সাধারণত আরবীতে আল-ফুসা (আরবি: الفصحى‎‎) বলা হয়, যার অর্থ 'বাকপটু'।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. হ্যামারস্ট্রোম, হারাল্ড; ফোরকেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যাথ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "কুরআনীয় আরবি"গ্লোটোলগ ৩.০ (ইংরেজি ভাষায়)। জেনা, জার্মানি: মানব ইতিহাস বিজ্ঞানের জন্য ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট। 
  2. Al-Jallad, Ahmad (২০১১-০৫-৩০)। "Polygenesis in the Arabic Dialects"Encyclopedia of Arabic Language and Linguistics (ইংরেজি ভাষায়)। 
  3. Bin-Muqbil 2006, পৃ. 14।
  4. Bin-Muqbil 2006, পৃ. 15।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]