উদ্যান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অ্যাডিলেড, অস্ট্রেলিয়ায় ভ্যালি বাগান
স্লোভাকিয়ার ব্র্যাটিস্লাভাতে সাদ জাঙ্কা ক্রিয়া পার্ক
নেদারল্যান্ডস ইউট্রেটের পার্ক ডি গ্যাগেল

উদ্যান বা পার্ক বলতে সাধারণত প্রাকৃতিক বা প্রায় প্রাকৃতিক এমন একটি সংরক্ষিত অঞ্চলকে বোঝানো হয়ে। শুধু প্রাকৃতিক নয় এর বাইরেও হতে পারে অর্থাৎ কৃত্রিম উপায়েও উদ্যান তৈরি করা হয়ে থাকে। যদি কোন স্থানকে উদ্যান হিসেবে চিহ্নিত করা হয় তবে সেই স্থানে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা রোপণ করা হয়। এভাবেও বলা যায় উদ্যান একটি প্রাকৃতিক রোপিত স্থান যেখানে লোকজন তাদের বিনোদন উপভোগ করে এবং উদ্যান বন্যপ্রাণী বা প্রাকৃতিক আবাস রক্ষা করার জন্য তৈরি করা একটি এলাকা। জাতীয় উদ্যানসহ দেশের বিভিন্ন উদ্যানগুলোতে গ্রামাঞ্চলের মতো বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত সবুজ স্থান। উদ্যান বলতে বোঝানো হতে পারে ঘাস আচ্ছাদিত অঞ্চলের সাথে শিলাময় অঞ্চল। উদ্যানে জীবন্ত মাছ ও বিভিন্ন গাছপালা বা উদ্ভিদ সংরক্ষণের জন্য নির্মিত কৃত্রিম জলাধার । উদ্যানে ঘাস কাটার যন্ত্র থাকে। বিভিন্ন বনভোজন, খেলাধুলার জন্য ঘাস কাটা হয়। একটি উদ্যানের নামকরণ কোন অঞ্চল বা বিশিষ্ট ব্যক্তির সাধারণত নামে নামকরণ করা হয়ে থাকে। [১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৫ শতাব্দীর একটি পাণ্ডুলিপি থেকে পাওয়া মধ্যযুগীয় শিকার উদ্যানের চিত্র

ইংল্যান্ডের হরিণ উদ্যান মধ্যযুগীয় সময়ে শিকারের জন্য অভিজাতদের মাধ্যমে ব্যবহৃত হয়েছিল। এই উদ্যানে দেয়াল ছিল বা প্রাণীদের দিয়ে খেলা করার জন্য চারপাশে পুরু বেড়া দিয়ে রাখা হয়েছিল। এই হরিণ উদ্যানে পশুদের শিকার করা সাধারণভাবে নিষিদ্ধ ছিল।

উদ্যানগুলো সংরক্ষণ করে ল্যান্ডস্কেপ উদ্যানগুলো চারপাশের নির্মাণ করা প্রাসাদ এবং দেশের বাড়িগুলো। এগুলো ষোলতম শতাব্দীর সামনের দিকে বিকাশ লাভ করে। এগুলি শিকারের ভিত্তিতে পরিবেশিত হতে পারে। তবে তারা উৎকীর্তিত ছিল মালিকের সম্পদ এবং মর্যাদায়। প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপগুলি ক্যাপিবিলিটি ব্রাউন এর মতো ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেক্টদের দ্বারা উন্নত করা হয়েছিল। এই প্রাকৃতিক উদ্যান বাড়ি প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ নকশার একটি নান্দনিকতা শুরু হয়েছিল। ফরাসি ফর্মাল বাগান এর একটি বিস্তৃত উদাহরণ। শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যক্তিগত শিকারের ক্ষেত্রগুলি জনসাধারণের কাছে যায়গা করে নিয়েছিল।

ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় শহরে উদ্যান তৈরির প্রাথমিক সুযোগগুলি মধ্যযুগীয় অনুশীলনের ফলে গ্রাম ও শহরগুলির নিরাপদ সীমানার মধ্যে চারণভূমিগুলিকে সুরক্ষিত করার জন্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। ম্যাসাচুসেটস এর বোস্টনের বোস্টন কমন্স (১৬৩৪) এই অনুশীলন থেকে বিকশিত শহরের উদ্যান সর্বাধিক বিখ্যাত মার্কিন উদাহরণ। [২]

শিল্প বিপ্লব উদ্যানগুলি শহর ও শহরগুলিতে প্রকৃতির অনুভূতি সংরক্ষণের জন্য আলাদা অঞ্চল হিসাবে একটি নতুন অর্থ গ্রহণ করেছে। এই শহুরে উদ্যানগুলির জন্য ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপ একটি বড় ব্যবহার হয়ে উঠেছে। অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক বিকাশে নষ্ট হওয়া রোধ করার জন্য অসামান্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ক্ষেত্রগুলিকে জাতীয় উদ্যান হিসাবে আলাদা করা হয়।

নকশা[সম্পাদনা]

উদ্যানের নকশা নির্ধারণ করতে পারে কে এটি ব্যবহার করতে ইচ্ছুক। [৩]

উদ্যানগুলি নগর অবকাঠামোর অংশ। এটিতে শারীরিক ক্রিয়াকালাপের সময় পরিবার এবং সম্প্রদায়ের জন্য একত্রিত হওয়ার যায়। এছাড়া এটি সামাজিকীকরণের জন্য বা কোনও সাধারণ অবকাশের জন্য খুবই ভালো । গবেষণা থেকে জানা গেছে যে সবুজ-স্থানে শরীরচর্চা কারী অনুশীলনকারীরা আরও বেশি মানসিক স্বাস্থ্য সুবিধা পান। [৪] জনগণের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য সব বয়সের ক্ষমতা এবং শক্তি যোগানের জন্য এই ক্রিয়াকলাপ সরবরাহ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। [৫] [৬]

শহর পুনরুজ্জীবনের ভূমিকা[সম্পাদনা]

সিটি উদ্যানের শহরগুলির উন্নতি এবং বাসিন্দাদের এবং দর্শনার্থীদের জন্য ভবিষ্যতের উন্নতিতে ভূমিকা রাখে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে শিকাগোর মিলেনিয়াম উদ্যান, ইলিনয় [৭] বা স্টিমফোর্ডের মিল রিভার উদ্যান এবং গ্রিন ওয়ে, সিটি। [৮] শহরগুলির জন্য উদ্যানের শক্তিশালী সমর্থনকারী একটি দল হলো আমেরিকান সোসাইটি অফ ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেক্টস। তাদের যুক্তি যে উদ্যানগুলি পৃথক ভাবে এবং বিস্তৃত ভাবে ভুমিকা রাখে। যেমন পুরো পাড়া, শহর জেলা বা শহর উদ্যান সিস্টেমগুলিতে সম্প্রদায়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। [৯]

সুরক্ষার জন্য নকশা[সম্পাদনা]

দেহলি গার্ডেন অফ ফাইভ ইন্সেজে একটি সু-আলোকিত পথ।

উদ্যানগুলির ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বোধ করা উচিত। গবেষণা দেখায় যে প্রকৃতির অসুরক্ষা পরিসংখ্যানের তুলনায় সুরক্ষা সম্পর্কে উপলব্ধি মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। [১০] নাগরিকরা যদি কোন উদ্যানকে অনিরাপদ হিসাবে বুঝতে পারেন তবে তারা এটিকে মোটেই ব্যবহার করবেন না। [১১]

চারটি শহরে একটি গবেষণা করা হয়েছে। শহরগুলি হলো আলবুকার্ক, এনএম, চ্যাপেল হিল / ডারহাম, এনসি, কলম্বাস, ওএইচ, এবং ফিলাডেলফিয়া, পিএ, ৩৮১৫ জন অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট একটি জরিপে যারা উদ্যানের অর্ধ মাইলের মধ্যে বসবাস করেন তাদের ইঙ্গিত দেয় যে সুরক্ষা ছাড়াও উদ্যানের সুবিধাগুলিও উদ্যান ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং নিরাপদ উদ্যানের চিত্র তৈরির পরিবর্তে সুবিধাগুলি বাড়ানো উদ্যানের ব্যবহার বাড়িয়ে দিবে। [১২]

উদ্যানটিকে নিরাপদ মনে করা বা না করার অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য উদ্যানে রয়েছে। একটি উদ্যানের নকশার অঙ্গের মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার, উদ্যানে ভালো দৃশ্যমানতা এবং উপযুক্ত আলো চলাচল করে এমন পরিবেশ। নিয়মিত উদ্যানের রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি প্রোগ্রামিং এবং সম্প্রদায়ের জড়িততা সুরক্ষার অনুভূতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। [১৩]

ক্রাইম প্রিভেনশন থ্রু এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (সিপিটিইডি) সুবিধাদির নকশায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু উদ্যানগুলিতে সিপিটিইডি ব্যবহার করা হয়নি। ইকবাল এবং সেকাচো সুইডেনের স্টকহোমে একটি গবেষণা করেছিলেন যা উদ্যানগুলিতে সিপিটিইডি প্রয়োগ করে কার্যকর হবে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য। [১৪] তাদের সমীক্ষায় পাওয়া গেছে যে উদ্যানে প্রকৃতির কারণে সিপিটিইডি দরকারী হতে পারে। নিরাপত্তার বাড়ানো উদ্যানের নান্দনিকতার উপর অনিচ্ছাকৃত পরিণতি ঘটাতে পারে। যেমন ঘটতে পারে উদ্যান বন্ধ করে সুরক্ষিত অঞ্চল তৈরি করা বা উদ্যানটির সৌন্দর্য কমিয়ে দেওয়া এবং পাশাপাশি জনসাধারণ পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব নেওয়া এবং পর্যবেক্ষণ হওয়ার অনুভূতিও তার প্রকৃতি । [১৪]

জাতীয় উদ্যান[সম্পাদনা]

জাতীয় পার্ক বলতে বোঝানো হয় স্থানীয় ও দেশীয় প্রাণী এবং উদ্ভিদের জন্য সংরক্ষিত কোন এলাকা। এই এলাকাতে অক্ষত অবস্থায় প্রাণীরা বসবাস করতে পারে। পৃথিবীর সব চাইতে বড় জাতীয় পার্ক হচ্ছে নর্থ-ইস্ট গ্রিনল্যান্ড জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যান ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে ইয়োসোসাইট জাতীয় উদ্যান যা নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন-এর সেন্ট্রাল উদ্যান। এই দুইটি উদ্যান সুপরিচিত জাতীয় উদ্যান। এছাড়া নেপালে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সাগরমাথা ন্যাশনাল পার্ক হলো একটি অনন্য জাতীয় উদ্যান । এই উদ্যানের আয়তন ১১৪৮ বর্গ কিলোমিটার। এই উদ্যানের চারটি সংরক্ষিত পরিবেশ অঞ্চল আছে। সেগুলোর নাম হল - নিম্নতরাই বন অঞ্চল, অ্যালপাইন স্ক্রাফ অঞ্চল, গিরিশৃঙ্গ বা অ্যালপাইন অঞ্চল এবং তুষাররাকৃত অঞ্চল। এই অঞ্চলগুলোতে রয়েছে ১১৮ জাতীয় দুর্লভ উদ্ভিদ ও পাখি। [১]

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান[সম্পাদনা]

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান,বাংলাদেশ

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যানটি রাজধানী ঢাকা থেকে উত্তরে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন (১৯৭৪) আইন অনুসাররে বাংলাদেশ সরকার ৫,০২২ হেক্টর জায়গা জুড়ে পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশের মতো করে ভাওয়াল শালবনে এই উদ্যান গড়ে তোলে। তবে এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা পেলেও ১৯৮২ সালের আগে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। [১৫]

মধুপুর জাতীয় উদ্যান[সম্পাদনা]

মধুপুর জাতীয় উদ্যান,বাংলাদেশ

মধুপুর জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের অন্যতম একটি জীববৈচিত্র্যপূর্ণ উন্মুক্ত উদ্যান, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে এই বনকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা দেয়া হয়।[১৬]

বলধা গার্ডেন[সম্পাদনা]

এই উদ্যান ব্যক্তিবর্গদের একটি নিজস্ব বিনোদনের এলাকা। বিনোদনের জন্য এই এলাকা সংরক্ষিত করা হয়েছে। এই এলাকায় দেশি ও বিদেশি উভয় জাতের উদ্ভিদ পাওয়া যায়। এবং পাওয়া যায় জলাধার এবং কিছু বন্য প্রাণী ও পাখি এবং এই এলাকাতে মৎস্য চাষ করা হয়। বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উদ্যানের মধ্যে বলধা গার্ডেন অন্যতম। [১]

ব্যক্তিগত উদ্যান[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত উদ্যানগুলি ব্যক্তি বা ব্যবসায়ের মালিকানাধীন এবং মালিকের বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়। কয়েক ধরণের ব্যক্তিগত উদ্যান রয়েছে এবং কিছু কিছু এমন উদ্যান রয়েছে যা আগে একাই ব্যক্তিগতভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার করা হয়েছে। এখন তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

শিকার উদ্যানগুলি মূলত এমন জায়গাগুলি ছিল যেখানে খোলা জায়গা হিসাবে রক্ষণাবেক্ষণ, শিল্প এবং কৃষিকাজের অনুমতি ছিল না। প্রায়শই মূলত যাতে আভিজাত্যের শিকারের জায়গা থাকতে পারে   (মধ্যযুগীয় হরিণ উদ্যান দেখুন)। এগুলির উদাহরণস্বরূপ হরিণ উদ্যান হিসাবে পরিচিত ছিল । গ্রেট ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের অনেক দেশের বাড়িগুলিতে এখনও এই ধরণের উদ্যান রয়েছে। এগুলো ১৮ শতকের পর থেকে প্রায়শই নান্দনিক প্রভাবের জন্য ল্যান্ডস্কেপ করা হয়েছে। এগুলি সাধারণত ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গাছ এবং কাঠের জায়গাগুলির সাথে খোলা তৃণভূমির মিশ্রণ এবং প্রায়শই একটি উঁচু প্রাচীর দ্বারা আবদ্ধ থাকে। বাড়ির আশেপাশের অঞ্চলটি বাগান কিছু ক্ষেত্রে এর মধ্যে রয়েছে ঝরঝরে লন এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গাছ। দেশের বাড়ির উদ্যান এবং তার বাগানের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো পার্কটি প্রাণী দ্বারা চারণ করা হয় তবে সেগুলি বাগান থেকে বাদ দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বাংলাপিডিয়ায় উদ্যান" 
  2. Caves, R. W. (২০০৪)। Encyclopedia of the City। Routledge। পৃষ্ঠা 505–506। আইএসবিএন 9780415252256 
  3. Foran, Clare (সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৩)। "How to Design a City for Women"CityLab 
  4. Kaplan, Rachel; Kaplan, Stephen (১৯৮৯)। The Experience of Nature: A Psychological PerspectiveCambridge University Pressআইএসবিএন 978-0-521-34139-4 
  5. Friedman, Daniel; Dannenberg, Andrew (জুলাই ২৯, ২০১৩)। "Design and Public Health: Working Hand-in-Hand for Better Built Environments"। ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  6. "Issue Brief: Creating Safe Park Environments to Enhance Community Wellness" (PDF)National Recreation and Park Association। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩১, ২০১৪ 
  7. "ASLA 2008 Professional Awards"www.asla.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১১-১৭ 
  8. "2015 ASLA PROFESSIONAL AWARDS"www.asla.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১১-১৭ 
  9. "Designing Our Future: Sustainable Landscapes"www.asla.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১১-১৭ 
  10. Morgan, J. D.; Snyder, J. A. (২০১৭)। "Mapping Perceptions of Safety in Parks" (PDF)SemanticScholar.org। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৯ 
  11. "Issue Brief: Creating Safe Park Environments to Enhance Community Wellness" (PDF)National Recreation and Park Association। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩১, ২০১৪ 
  12. Lapham, Sandra C.; Cohen, Deborah A. (২০১৬-০৯-০১)। "How important is perception of safety to park use? A four-city survey" (ইংরেজি ভাষায়): 2624–2636। doi:10.1177/0042098015592822আইএসএসএন 0042-0980 
  13. "Key Factors in Planning, Designing and Maintaining Safer Parks"Project for Public Spaces। ডিসেম্বর ৩১, ২০০৮। 
  14. Iqbal, Asifa; Ceccato, Vania (২০১৬-০৬-০১)। "Is CPTED Useful to Guide the Inventory of Safety in Parks? A Study Case in Stockholm, Sweden" (ইংরেজি ভাষায়): 150–168। doi:10.1177/1057567716639353আইএসএসএন 1057-5677 
  15. https://www.bd-pratidin.com/various/2014/01/09/36886
  16. পাভেল পার্থ। "মধুপুর শালবনে রক্তের দাগ শুকোবে না?"দৈনিক সমকাল। ঢাকা। ২৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল (ওয়েব) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৩, ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]