আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লি:
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড-এর লোগো.png
গঠিত২৮ জুন ২০০০
সদরদপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা
প্রধান প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ বিভাগ
ওয়েবসাইটআশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এর সদর দপ্তর ঢাকার পল্টনে অবস্থিত।[১][২] এটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন।[৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০০ সালের ২৮ জুন বাংলাদেশের সরকারের বিদ্যুৎখাত উন্নয়ন ও পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী গঠন করা হয়। কোম্পানি আইন ১৯৯০ অনুসারে এটি বাস্তবায়িত করা হয়। কোম্পানির শেয়ারের ৯৯.৯৯% নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে এর মালিকানা রাখা হয়। অবশিষ্ট ০.০১% শেয়ারের মালিক হয় বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। ১৯৮৭ সালে কমিশনকৃত তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের নিকটে অবস্থিত আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রকে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে।[৪] ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠানটি আশুগঞ্জে একটি নতুন ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে।[৫] ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠানটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১৯৩ মিলিয়ন ডলার এবং এইচএসবিসি ব্যাংক থেকে ৪২০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ নেয়।[৬][৭]

২০১৭ সালের জুলাই মাসে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের সাথে পটুয়াখালী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য চুক্তি করে।[৮] ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী ৮টি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের সাথে ৪.১৫ বিলিয়ন টাকার বন্ডের জন্য চুক্তি করে। নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য এই বন্ড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।[৯][১০] ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেঘনা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠানের টিএসকে স্প্যানযুক্ত ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে।[১১] জায়গাটি ইলিশের প্রজননস্থল হওয়ায় ইলিশ মাছের সংরক্ষণে বিঘ্ন হওয়ার আশংকায় আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী ব্যাপক সমালোচিত হয়।[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ashuganj Power Station Company Ltd."apscl.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  2. "Written tests of Ashuganj Power Station Company postponed"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  3. "Ashuganj Power Company runs on ad hoc basis"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  4. "Ashuganj Power Station Company Ltd."apscl.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  5. "50 MW power plant opens at Ashuganj"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ এপ্রিল ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  6. "StanChart signs $193m loan deal with Ashuganj Power"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  7. "HSBC arranges $420m loans for Ashuganj Power Station"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  8. "Govt to build three more power plants"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  9. "Ashuganj Power Station moves to raise Tk 415cr thru bonds"theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  10. "APSCL moves to raise Tk 415cr through bonds"unb.com.bd (English ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  11. "Landing station size cut to ensure navigability"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 
  12. "Hilsa habitats under threat"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৯