বিষয়বস্তুতে চলুন

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
গঠিত১৯৯৮
সদরদপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা
মন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
সচিব
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
ওয়েবসাইটemrd.gov.bd

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিভাগ।[][][][] জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দায়িত্বরত বর্তমান সচিব ড. মোঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৯৮ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অঙ্গসংগঠন হিসেবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।[][]

অধীনস্থ দপ্তর/বিভাগসমূহ

[সম্পাদনা]
  1. বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন
  2. বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
  3. বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর
  4. বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট
  5. খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো
  6. হাইড্রোকার্বন ইউনিট
  7. বিস্ফোরক পরিদপ্তর

অধীন কোম্পানি

[সম্পাদনা]
গ্যাস অনুসন্ধান এবং উৎপাদন কোম্পানি
[সম্পাদনা]
  1. বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিমিটেড (বাপেক্স)
  2. বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেড (বিজিএফসিলি)
  3. সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেড (এসজিএফএল)[]
গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি
[সম্পাদনা]
  1. গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)[]
গ্যাস বিপণন কোম্পানি
[সম্পাদনা]
  1. তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল)
  2. বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিডিসিএল)
  3. জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)
  4. পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড (পিজিসিএল)
  5. কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (কেজিডিসিএল)
  6. সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড (এসজিসিএল)[]
এলএনজি, সিএনজি ও এলপিজি এবং মাইনিং কোম্পানি
[সম্পাদনা]
  1. রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড (আরপিজিসিএল)
  2. বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল)
  3. মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)[১০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Functions"emrd.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  2. "Promising sectors under blue economy identified"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  3. "Tamim for digging new wells in gas fields"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ মে ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  4. "What about our "loss"?"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  5. Riaz, Ali; Rahman, Mohammad Sajjadur (২০১৬)। Routledge Handbook of Contemporary Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮১৩১৭৩০৮৭৬৮। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  6. "Body formed to review draft coal policy"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৯
  7. "গ্যাস অনুসন্ধান এবং উৎপাদন কোম্পানিসমূহ"petrobangla.org.bd। পেট্রোবাংলা। ১৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১
  8. "গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি"petrobangla.org.bd। পেট্রোবাংলা। ১৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১
  9. "গ্যাস বিপণন কোম্পানিসমূহ"petrobangla.org.bd। পেট্রোবাংলা। ১৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. "এলএনজি, সিএনজি ও এলপিজি এবং মাইনিং কোম্পানিসমূহ"petrobangla.org.bd। পেট্রোবাংলা। ১৫ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১