আলাপ:আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ভাষা আন্দোলন নিবন্ধে ভাষা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের বর্ণনা রয়েছে। এ নিবন্ধটিতে মূলত একুশে ফেব্রয়ারি কিভাবে আন্তর্জাতি মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পেযেছে তার বর্ণনা যোগ করা হোক।--ফজলে রাব্বি দায়ীন ১০:৪২, ৯ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

আলাদা অনুচ্ছেদ করে শুরু করে দিন।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৬:২২, ৯ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)


শিরোনাম[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধটার সাথে ফেব্রুয়ারি ২১-এর একটা দ্ব্যর্থতার অবকাশ আছে। যদিও দিনটাকে আমরা "একুশে ফেব্রুয়ারি" হিসেবেই বেশি জানি, এর প্রাতিষ্ঠানিক নাম ভাষা শহীদ দিবস। তাই বাংলাদেশের ভাষা শহীদ দিবস-এ এই নিবন্ধটা সরিয়ে দিলেই মনে হয় ভাল হয়। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ০৩:৪৬, ১২ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

সেক্ষেত্রে আমার প্রস্তাব আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ এটি সরিয়ে নেয়া হোক (আমি আগে সেটা তৈরি করে এদিকে রিডাইরেক্ট করেছিলাম)--Đ̪αўєєи ১০:২১, ১২ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)
'একুশে ফেব্রুয়ারি' নামীয় নিবন্ধকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' নামীয় নিবন্ধে পুনর্নিদেশ করা একটি অমার্জ্জনীয় ঐতিহাসিক ভুল। দুটো নিবন্ধেরই প্রয়োজন আছে। —Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১০:১৭, ৪ জুন ২০১৪ (ইউটিসি)

'একুশে ফেব্রুয়ারি' কিংবা 'শহীদ দিবস' হোক[সম্পাদনা]

২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি আমাদের কাছে একই সাথে 'একুশে ফেব্রুয়ারি', 'শহীদ দিবস' এবং 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃত। সেক্ষেত্রে এটা আমাদের দায়িত্ব হবে যথেষ্ট সাজুয্যপূর্ণ নামটিই শিরোনাম হিসেবে দেয়া। এক্ষেত্রে আমি যে নীতির পক্ষে, সেটা হলো 'বাংলাদেশকে তুলে ধরতে হবে বাংলাদেশের মতো করে।' যদি এই নীতির অনুসরণ করেন, তবে বাঙালি সাংস্কৃতিক নাম 'একুশে ফেব্রুয়ারি'-ই মূল শিরোনাম হওয়া উচিত। তবে এই নীতিতে আভিধানিক 'শহীদ দিবস'-ও মূল শিরোনাম হতে পারে। ...কিন্তু কোনোভাবেই 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' মূল শিরোনাম হতে পারে না। আমরা বিদেশীর চোখে বাংলাদেশকে দেখাবো না, আমরা বাঙালির চোখে বাংলাদেশকে দেখাবো বিশ্ববাসীকে। তাছাড়া যদি মৌলিকত্বের প্রশ্ন আসে, তাহলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নামটা মূল নয়, মূল হলো একুশে ফেব্রুয়ারি। তাই আমার মতে 'একুশে ফেব্রুয়ারি' কিংবা 'শহীদ দিবস'-কে মূল রেখে, 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে' redirect করা যেতে পারে...নয়ন (talk) ০৭:৫০, ২ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (UTC)

নিবন্ধে কিছু দ্বিমত[সম্পাদনা]

ভাষা আন্দোলনের সংগঠন হয়েছিলো বাংলা ভাষার রাষ্ট্রিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্য । একারনে "বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালি মুসলমানের আত্ম-অম্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়।" এই লাইনটি সঠিক নয় । প্রথমত বঙ্গীয় সমাজ বললে ভারতের বাংলাভাষি সমাজ ও তৎকালের পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাভাষি জনসমাজকে বোঝায় । রাষ্ট্রিক স্বীকৃতির টানাপোড়েন ভারতের বাংলাভাষিদের তখন আলোড়িত করেনি । দ্বিতীয়ত, বলা হয়েছে "সমাজে বাংলাভাষার অবস্থান বিষয়ে" ।, কিন্তু একটু ভাবলেই বুঝবেন আসলে বাংলাভাষার রাষ্ট্রিক স্বীকৃতিই সেখানে মুখ্য ছিলো । তৃতীয়ত, এখানে "বাঙালি মুসলমান" কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে । আমরা একটা ধর্মীয় পরিচয়ে বিষয়টা আবদ্ধ করতে চাচ্ছি কেন ? বাঙালি হিন্দুসমাজের চেতনায় কি ভাষাচেতনার উম্মেষ ঘটেনি ? হাসিব (আলাপ) ০৮:৪২, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (UTC)

ওপরের অনুচ্ছেদে যে দুশ্চিন্তার প্রতিফলন আছে তার উত্তরে প্রথমে বলা যেতে পারে যে, ভাষাগত সমস্যা কিছু রয়েছে সন্দেহ নেই। তবে ১৯৪৭-এ ভারত বিভাগের সূত্রে পূর্ব বাংলার বাঙালী এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে একটি চেতনাগত পাথর্ক্য সূচিত হয় যা অস্বীকার করার উপায় নেই। এই পার্থক্য ক্রমশ গাঢ় হয়েছে। হালে এই পার্থক্য যোজন-যোজন। তদুপরি ঊনবিংশ-বিংশ শতাব্দীর "বাঙালি মুসলমান" কথাটির একটি ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা আছে, এটি কোন সাম্প্রদায়িক বিষয় নয়। স্থান ও সময়াভাবে কেবল একটি কথা বলি: 'বাঙালি মুসলমান' কথাটির বিপরীতার্থ 'বাঙালি হিন্দু' নয়। আশা করি এটুকু বলাই যথেষ্ট। —Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১০:১৫, ৪ জুন ২০১৪ (ইউটিসি)


বাঙালি মুসলমান কথাটার ঐতিহাসিক ও ব্যাখ্যাগত পার্থক্য রয়েছে ঠিকই, বিভিন্ন স্থানে নৃতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে তা ব্যবহৃতও হয়েছে, হচ্ছেও| কিন্তু যে বিষয়টাকে কেন্দ্র করে এই আলোচনার সূত্রপাত, সেখানে এই বিষয়টির প্রয়োগ সঠিক মনে হচ্ছে না| কেননা আলোচনার মধ্যে হয়তো তাহলে বাঙালি মুসলমান আর উর্দু মুসলমান এ ধরনের বিষয়ও সামনে এসে যাবে, যা মোটেও ঠিক নয়| আর পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যে পার্থক্য সূচিত করার চেষ্টা হচ্ছে, তার কেন্দ্রবিন্দু অনেকটা কলকাতাকে মনে করেই| কিন্তু কলকাতা মানেই বাংলাদেশের বাইরের বাঙালিদের প্রচ্ছদ নয়| সে হিসেবে পার্থক্য যাচাই করতে গেলে চট্টগ্রাম আর সিলেটের ভাষা ও অনুভুতির মধ্যে এবং এদের সঙ্গে ত্রিপুরা বা বরাক উপত্যকা বা পশ্চিমবঙ্গেরই গ্রামীণ বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন স্থানের ভাষার পার্থক্য সূচিত করা যায়| তা সে ভাষাগত তো বটেই, প্রয়োজনগত, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক দিক দিয়েও| অথচ বাঙালি এখন আর বাংলাদেশের স্থানিকতায় আবদ্ধ না থাকলেও বাংলাদেশকে ঘিরেই এর সমস্ত মূল অনুভূতি| সেই বাংলাদেশে পশ্চিম বা পূর্ব নেই| ভৌগলিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়ে সে চেতনা যাচাই করলে হবে না| ঠিক যেমনটা পাঞ্জাবের ক্ষেত্রেও সত্যি| যে কারণে ভাষার দাবিতে শিলচরেও যে মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, সেটার স্মরণ হলেও ভাষাদিবসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিষয়টিকেই একমাত্র গুরুত্ব দেওয়া হয়| আর যে সময় বিশেষ করে ভাষার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়, সে সময় বাংলাদেশ থেকে বাঙালি হিন্দুরা ব্যাপক সংখ্যায় উদ্বাস্তু হননি| ভাষার দাবিতে এই স্থানিক অনুভব ছাড়াই সবাই লড়াই করেছেন| আর বাংলাদেশের বাইরে থাকা অন্য স্থানের বাঙালিদের ততটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি, তাও সম্পূর্ণ ঠিক নয়| বাংলাদেশের বা বাঙালিদের ভাষার আন্দোলনই তাদেরকেও রক্ষা করেছে| (অপূর্ব) ইউজার... (অপূর্ব রায়বাহাদুর)