আরাধনা (১৯৭৯-এর চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আরাধনা
পরিচালকরাজু সিরাজ
প্রযোজকআঞ্জুমান হক
বশীরুল হক (নিবেদিত)
চিত্রনাট্যকাররাজু সিরাজ
কাহিনীকারবশীরুল হক
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারআলম খান
চিত্রগ্রাহকঅরুণ রায়
সম্পাদকআমিনুল ইসলাম মিন্টু
পরিবেশকচিত্রদূত
মুক্তি১৯৭৯
দৈর্ঘ্য১৩৬ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা ভাষা

আরাধনা ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার নাট্য-প্রণয়ধর্মীধর্মী চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজু সিরাজ। ছায়াছবিটির কাহিনী লিখেছেন বশীরুল হক এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পরিচালক রাজু সিরাজ নিজেই। বশীরুল হক নিবেদিত এবং আঞ্জুমান হক প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবরী সারোয়ার, বুলবুল আহমেদ, শর্মিলী আহমেদ, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।[১] চলচ্চিত্রটি ৫ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।[২]

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

ভাইয়ের আদুরে বোন রূপা ভালোবেসে বিয়ে করে ডাক্তার আশিককে। কিন্তু বিয়ের রাতেই এক দুর্ঘটনায় মারা যায় আশিক। এই সংবাদ সহজভাবে নিতে পারে না রূপা। সে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে। ভাই আবুল হাসান তাকে মিথ্যে আশ্বাস দেয় যে আশিক ফিরে আসবে। একদিন আশিক আসে কিন্তু সে রূপার স্বামী আশিক না বরং তার মত দেখতে ডাক্তার মাসুদ। রূপা তাকে তার স্বামী ভেবে নেয়। মাসুদ সব জানার পর রূপাকে প্রফেসর কাদেরের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য শহরে নিয়ে যেতে বলে। আবুল হাসান রূপাকে নিয়ে শহরে যায়। তারা হোটেলে থাকা শুরু করে যেখানে মাসুদ প্রতিদিন তাকে এসে দেখে যায়। অন্যদিকে মাসুদের স্ত্রী পারুল তা জানতে পেরে হোটেলে এসে আবুল হাসান ও রূপাকে শাসায়। পরে সে তার ভুল বুঝতে পেরে তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নতুন ঘটনার উদয় হয়।

শ্রেষ্ঠাংশে[সম্পাদনা]

সঙ্গীত[সম্পাদনা]

আরাধনা ছায়াছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আলম খান। গীত রচনা করেছেন মুকুল চৌধুরী। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন, খুরশিদ আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশীশাম্মী আখতার[৩]

গানের তালিকা[সম্পাদনা]

নং.শিরোনামগীতিকারসুরকারকণ্ঠশিল্পীদৈর্ঘ্য
১."তুমি বলে ডাকলে"মুকুল চৌধুরীআলম খানখুরশিদ আলম৪:১৬
২."আমি তোমার বধূ"মুকুল চৌধুরীআলম খানশাম্মী আখতার৩:২১
৩."চিঠি আসবে জানি আসবে"মুকুল চৌধুরীআলম খানসাবিনা ইয়াসমিন৩:৩৫
৪."আমি না জানিলাম"মুকুল চৌধুরীআলম খানইন্দ্রমোহন রাজবংশী৪:২২

পুরস্কার[সম্পাদনা]

৫ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক - আব্দুস সবুর।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মঈন আব্দুল্লাহ্ (১৫ জুলাই ২০১০)। "অভিনেতা বুলবুল আহমেদ আর নেই"দৈনিক সমকাল। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. রাশেদ শাওন (অক্টোবর ২৪, ২০১২)। "চার দশকে আমাদের সেরা চলচ্চিত্রগুলো"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৮ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৬ 
  3. রওশন আরা বিউটি (১৮ জুন ২০১৫)। "জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শাম্মী আখতার"দৈনিক আজাদী। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]