বিষয়বস্তুতে চলুন

আবদুস সাত্তার (রাষ্ট্রপতি)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আব্দুস সাত্তার
বাংলাদেশের ৮ম রাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
৩০ মে ১৯৮১  ২৪ মার্চ ১৯৮২
প্রধানমন্ত্রীশাহ আজিজুর রহমান
উপরাষ্ট্রপতিমির্জা নূরুল হুদা
মোহাম্মদ মোহাম্মদুল্লাহ
পূর্বসূরীজিয়াউর রহমান
উত্তরসূরীআ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী
বাংলাদেশের ৩য় উপরাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
জুন ১৯৭৭  ৩০ মে ১৯৮১
রাষ্ট্রপতিজিয়াউর রহমান
পূর্বসূরীসৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরসূরীমির্জা নূরুল হুদা
বাংলাদেশের পরিকল্পনা মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৭ নভেম্বর ১৯৮১  ২৪ মার্চ ১৯৮২
রাষ্ট্রপতিআবদুস সাত্তার
পূর্বসূরীফসিউদ্দিন মাহতাব
উত্তরসূরীআবুল মাল আবদুল মুহিত
বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২১ জানুয়ারি ১৯৭৭  ২০ নভেম্বর ১৯৮১
রাষ্ট্রপতিজিয়াউর রহমান
পূর্বসূরীমনোরঞ্জন ধর
উত্তরসূরীটি এইচ খান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ২য় সভাপতি
কাজের মেয়াদ
৩০ মে ১৯৮১  ৩০ মে ১৯৮৪
মহাসচিবনুরুল ইসলাম শিশু
পূর্বসূরীজিয়াউর রহমান
উত্তরসূরীখালেদা জিয়া
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১৭ মার্চ ১৯৫৬  ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬
প্রধানমন্ত্রীচৌধুরী মোহাম্মদ আলী
পূর্বসূরীএ. কে. ফজলুল হক
উত্তরসূরীমীর গুলাম আলী তালপুর
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
৭ জুলাই ১৯৫৫  ৭ অক্টোবর ১৯৫৮
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯০৬-০৩-০১)১ মার্চ ১৯০৬
বীরভূম জেলা, বাংলা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৫ অক্টোবর ১৯৮৫(1985-10-05) (বয়স ৭৯)
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
প্রাক্তন শিক্ষার্থীকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

আব্দুস সাত্তার (১ মার্চ ১৯০৬ - ৫ অক্টোবর ১৯৮৫) ছিলেন বাংলাদেশের অষ্টম রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি ছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময়ে তার বয়স ছিল ৭৬ বছর। পরে তিনি ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর তারিখে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৬% ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।[] তার শাসনকালে সরকারের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ১৯৮২ সালে তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তার জায়গায় সামরিক আইন জারীর মাধ্যমে প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের হাতে চলে যায়।[][][][][][]

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

আবদুস সাত্তার ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বীরভূম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবিএলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৩১ সালে এ.কে. ফজলুল হকের চেম্বারে জুনিয়র হিসেবে কলকাতা হাইকোর্ট বারে যোগদান করেন। তিনি পৌরনীতিতে বিশেষজ্ঞ হন। তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হকের অনুগামী হয়ে ওঠেন। তিনি কৃষক প্রজা পার্টির একজন কর্মী হিসেবে কলকাতার বিভিন্ন পৌর সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫০ সালে, ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির পর, আবদুস সাত্তার পাকিস্তান অধিরাজ্যের ঢাকায় চলে আসেন। তিনি ঢাকা হাইকোর্ট বারে যোগদান করেন। তিনি ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫৭ সালে প্রধানমন্ত্রী ইবরাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়ের মন্ত্রিসভায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।[] তিনি ঢাকা হাইকোর্টে একজন বিচারক নিযুক্ত হন এবং ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।[] তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টেও মামলার শুনানি পরিচালনা করেন।[]

১৯৬৯ সালে, আবদুস সাত্তারকে পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত করা হয়। তিনি ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন সংগঠিত করেন, যাতে সরকার গঠনের জন্য আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিক সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর সে সময় জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বাধীন সামরিক জান্তা দ্বারা অস্বীকার করা হয়। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বাঙালি বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার মধ্য দিয়ে, আবদুস সাত্তার ইসলামাবাদ, পশ্চিম পাকিস্তানে আটকা পড়েন, সরকারি পদ থেকে অপসারিত হন এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক নির্বাসিত হন। ১৯৭৩ সালে, আবদুস সাত্তার আটকে পড়া বাঙালি কর্মকর্তাদের প্রত্যাবাসনের অংশ হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি ঢাকায় ক্রমবর্ধমান প্রাধান্য উপভোগ করেন, কিন্তু তার স্ত্রীর সাথে একটি শান্ত জীবনযাপন করেন এবং তার কোন সন্তান ছিল না।[]

আবদুস সাত্তার বাংলাদেশ জীবন বীমা কর্পোরেশনের (১৯৭৩–১৯৭৪) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক মজুরি বোর্ডের (১৯৭৪–১৯৭৫) চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে, তাকে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের একজন উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয় এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ন্যস্ত করা হয়।[] ১৯৭৭ সালে, নতুন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান আবদুস সাত্তারকে উপরাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন। বহুদলীয় রাজনীতি পুনর্বহালের সাথে সাথে, আবদুস সাত্তার ১৯৭৮ সালে নতুনভাবে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেন। জিয়া সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আবদুস সাত্তার বলেছিলেন, "তিনি আমার ছেলের মতো ছিলেন। আমি তাকে খুব ভালোবাসতাম। আমি তাকে ভালোবাসতাম কারণ তিনি এই ছোট্ট দেশটিকে আরও ভালোভাবে গড়ে তুলছিলেন।"[১০]

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৯৮১

[সম্পাদনা]

আব্দুস সাত্তার ১৯৮১ সালের১৫ নভেম্বর[] তারিখে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৬% ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ নির্বাচন ৮৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাদ পড়ে এবং কারো আপীল গৃহীত না হওয়ার বৈধভাবে মনোনয়ন প্রার্থীর সংখ্যা দাড়ায় ৭২ জন। এই ৭২ জনের মধ্যে ৩৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৩৯ জন ছিল। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৯জন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেনঃ ১। জনাব আফতাব উদ্দিন শেখ ২। জনাব আবদুর রহমান খান ৩। জনাব আব্দুস সাত্তার ৪। আলহাজ্ব গোলাম মোর্শেদ ৫। আলহাজ্ব মাওলানা খায়রুল ইসলাম যশোরী ৬। আলহাজ্ব মাওলানা শেখ মোঃ ওয়াবদুল্লাহ বিন্ সাঈদ জালালাবাদী ৭। জনাব আলী হোসেন আক্তার ৮। জনাব এ বি এ মসিউদ্দৌলা ৯। জনাব এম এ মজিদ ১০। কাজী মোঃ শাহজাহান ১১। জনাব এম কে এম আবুল কালাম আজাদ ১২। জনাব কে এইচ নূরুল ইসলাম ১৩। জনাব সাইফুর রহমান ১৪। জনাব সাদেক মিঞা ১৫। জনাব জাকির হোসাইন ১৬। জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, পি,এস,সি (অবঃ) ১৭। ডঃ আলীম আল রাজী ১৮। ডঃ কামাল হোসেন ১৯। জনাব নূরুল হক ২০। প্রফেসর মোজাফ্ফর আহমেদ ২১। মাওলানা মোহাম্মদউল্লাহ ২২। জনাব মনরঞ্জন দাস ২৩। মাওলানা গোলাম মোস্তফা খান ২৪। মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম ২৫। মেজর (অবঃ) এম এ জলিল ২৬। জনাব মোঃ আকরাম হোসেন মোল্লা ২৭। জনাব মোঃ আব্দুল জব্বার ২৮। জনাব মোঃ খলিলুর রহমান মজুমদার ২৯। জনাব মোঃ জিল্লুর রহমান ৩০। জনাব মোঃ তোহা ৩১। জনাব মোঃ শরিফ নূর মোহাম্মদ ৩২। জনাব মোহাম্মদ রওশন আলী ৩৩। জনাব শাহজাহান চৌধুরী ৩৪। জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ৩৫। জনাব সিদ্দিকুর রহমান ভূঞা ৩৬। জনাব সিরাজুল ইসলাম ৩৭। মিসেস সেলিনা মজুমদার ৩৮। জনাব সৈয়দ শামসুর রহমান ৩৯। জনাব হারুনর রশিদ

রাষ্ট্রপতিত্ব

[সম্পাদনা]

যখন জিয়াকে মে ১৯৮১ সালে হত্যা করা হয়, তখন উপ-রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠেন।[১০] ৪ জুন বঙ্গভবনে বিদেশি সংবাদদাতাদের সাথে কথা বলতে গিয়ে, তিনি ঘোষণা করেন যে সংবিধান অনুযায়ী প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হবে, যাতে "দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করা যায়।" এসময় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। ২১ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে ১৫ নভেম্বর করা হয়, কারণ বিরোধী দলগুলো প্রচারণার জন্য আরও সময় দাবি করে। জিয়ার হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ১২ জন সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি কার্যকর হলে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে, আব্দুস সাত্তার ১৯৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল হোসেনকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে। কামাল এবং অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠী নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে। নির্বাচনের পর জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয়। আব্দুস সাত্তার জিয়ার বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমানকে তার দায়িত্বে বহাল রাখেন। তিনি অর্থনীতিবিদ মির্জা নূরুল হুদাকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সাত্তার ৪২ সদস্যের একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। তিনি নিজে প্রতিরক্ষা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আব্দুস সাত্তারের রাষ্ট্রপতিত্বকালে প্রতিবেশী ভারতের আসামে বাঙালিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চরমে ওঠে।[১১]

আব্দুস সাত্তার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন করেন এটা বিবেচনা করার জন্য যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কিভাবে জাতির উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। ১৯৮২ সালের জানুয়ারিতে তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়। আব্দুস সাত্তার তারপর একটি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন।[১১] উপ-রাষ্ট্রপতি নুরুল হুদা ২১ মার্চ ১৯৮২-এ পদত্যাগ করেন, দাবি করেন যে বিএনপির অভ্যন্তরে একটি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তিনি।[১২] আব্দুস সাত্তার নুরুল হুদার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোহাম্মদ মোহাম্মদুল্লাহ-কে নিয়োগ দেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৯৮২ সালের সামরিক অভ্যুত্থান

[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালে সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে একটি সামরিক অভ্যুত্থান আব্দুস সাত্তারের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। ২৪ মার্চ সকালে, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ রাইফেলসের প্রধান এবং রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব বঙ্গভবনে প্রবেশ করে আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতা ত্যাগের একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।[১৩] ফলশ্রুতিতে সারাদেশে সামরিক আইন জারি করা হয়। আব্দুস সাত্তারের স্থলাভিষিক্ত হন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৮
  2. "সাত্তার, বিচারপতি আবদুস - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  3. "জেনারেল এরশাদের ক্ষমতাগ্রহণ"বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  4. "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি)"election.jagoroniya.com। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  5. "গণপরিবহনের গল্প"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  6. "সাবেক রাষ্ট্রপতিগণ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  7. "বৈধ রাষ্ট্রপতিদের আমরা কতটা সম্মান দিয়েছি?"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  8. 1 2 3 Khan, Mofakkhar Hossain (২০১২)। "Sattar, Justice Abdus"Sirajul Islam; Jamal, Ahmed A. (সম্পাদকগণ)। Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh (Second সংস্করণ)। Asiatic Society of Bangladesh। ২৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২৪
  9. 1 2 Kolbert, Elizabeth (৬ অক্টোবর ১৯৮৫)। "Abdus Sattar, Ex-Leader of Bangladesh, Dies"The New York Times। ৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  10. 1 2 "Acting President in Dacca Promises New Elections"The New York Times। ৫ জুন ১৯৮১। ২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  11. 1 2 Preston, Ian, সম্পাদক (২০০৫) [First published 2001]। A Political Chronology of Central, South and East Asia। Europa Publications। পৃ. ১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫-৩৫৬৮০-৪। ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  12. Preston, Ian, সম্পাদক (২০০৫) [First published 2001]। A Political Chronology of Central, South and East Asia। Europa Publications। পৃ. ২০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫-৩৫৬৮০-৪। ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  13. Liton, Shakhawat; Halder, Chaitanya Chandra (৩ মার্চ ২০১৪)। "Ershad wanted to grab power after Zia killing"The Daily Star। ৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
পূর্বসূরী:
জিয়াউর রহমান
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
১৫ নভেম্বর, ১৯৮১- ২৪ মার্চ, ১৯৮২
উত্তরসূরী:
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ