অস্টিওপোরোসিস
অস্টিওপোরোসিস বা অস্টিওপোরেসিস (ইংরেজি: Osteoporosis) হল ক্যালসিয়াম এর অভাব জনিত একটা রোগ।অস্থির বৃদ্ধির জন্য চাই ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের সাধারণত এ রোগটা হয়ে থাকে। যেসব বয়স্ক পুরুষ বহুদিন যাবত স্টেরয়েড ঔষুধ সেবন করেন তাদের এবং মহিলাদের মেনোপস হবার পর এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি। তাছাড়া যারা অলস জীবন যাপন করে, পরিশ্রম কম করে তাদের এই রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে। আর যারা অনেক দিন ধরে আর্থ্রাইটিসে ভুগে তাদের ও এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
| অস্টিওপোরোসিস, | |
|---|---|
| অস্টিওপোরোসিস আক্রান্ত বৃদ্ধা্র মেরুদন্ডের কম্প্রেশন ফ্রাকচার পরবর্তী কার্ভড ব্যাক | |
| উচ্চারণ | |
| বিশেষত্ব | রিউমাটোলজি, অর্থোপেডিক্স। |
| লক্ষণ | হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বৃদ্ধি [৩] |
| জটিলতা | দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা[৩] |
| রোগের সূত্রপাত | বৃদ্ধাবস্থা [৩] |
| ঝুঁকির কারণ | মদ্যাসক্তি, অ্যানোরেক্সিয়া, হাইপারথাইরয়েডিজম, গ্যাসট্রোইন্টেস্টাইনাল ডিজিজ সমূহ, শল্যচিকিৎসা দ্বারা ডিম্বাশয় অপসারণ, কিডনীর অসুখ, ধূমপান, কিছু ওষুধের প্রভাব[৩] |
| রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি | বোন ডেনসিটি স্ক্যান[৪] |
| চিকিৎসা | পুষ্টিকর খাদ্য, ব্যায়াম, ফল প্রিভেনশন, ধূমপান বন্ধ করা[৩] |
| ঔষধ | বিসফসফোনেটসমূহ[৫][৬] |
| সংঘটনের হার | ১৫% (৫০ এর ঘরে), ৭০% (৮০ বছরের ওপরে)[৭] |
অস্টিওপরোসিস এমন একটি রোগ যেখানে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙা র ঝুঁকি বেড়ে যায়। বয়ষ্ক মানুষদের মধ্যে হাড় ভাঙার সবচেয়ে সাধারণ কারণ এটি।[৩] যে হাড় সাধারণত বেশি ভাঙ্গে, তা হল মেরুদণ্ড এর মধ্যে কশেরুকার হাড়, হাতের হাড়, এবং কোমরের হাড়।[৮] হাড় না ভাঙা পর্যন্ত সাধারণত কোন উপসর্গ দেখা দেয় না। হাড় এতোটাই দুর্বল হয়ে যেতে পারে যে, সামান্য জোর দিলে বা এমনিই ভেঙ্গে যায়। হাড় ভাঙলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হতে পারে এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
স্বাভাবিক সর্বোচ্চ হাড়ের ভর এর তুলনায় কম ভর, এবং স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হাড়ের ক্ষয়ের কারণে অস্টিওপরোসিস হতে পারে। রজঃনিবৃত্তির পর ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাবার জন্য হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি পায়। নানা রকম অসুখ ও চিকিৎসা, যথা মদাসক্তি, ক্ষুধাহীনতা, থাইরয়েড গ্রন্থির অতি সক্রিয়তা, কিডনি রোগ, এবং অস্ত্রোপচার করে ডিম্বাশয় অপসারণ এর কারণেও অস্টিওপরোসিস হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধ, যেমন, কিছু খিঁচুনি নিবারক ওষুধ, কর্কট রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু মিশ্র রাসায়নিক ওষুধ , পাকস্থলীর অম্ল নিবারক মিশ্র, অতিরিক্ত বিষন্নতা কাটানোর ওষুধ এবং নিজ শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আক্রমনকারী অস্বাভাবিক কিছু অসুখের ওষুধ হাড়ের ক্ষয়ের হার বৃদ্ধি করে। ধূমপান এবং খুব কম শারীরিক পরিশ্রমও ক্ষতির কারণ।তরুণ প্রাপ্তবয়স্কের হাড়ের ঘনত্ব ২.৫ মান বিচ্যুতি র নিচে হলে অস্টিওপরোসিস রোগ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এটি সাধারণত মাপা হয় দ্বারা দ্বি-শক্তি রঞ্জন রশ্মি শোষণমিতি দ্বারা।[৪]
শৈশবে সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং যে ওষুধগুলি হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি করে সেগুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টাই অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধের উপায়।যাদের অস্টিওপরোসিস আছে, তাদের হাড় ভাঙ্গা প্রতিরোধ করার জন্য যা চাই তা হল ভাল খাদ্য, ব্যায়াম, এবং পতন প্রতিরোধ। জীবনধারায় পরিবর্তন, যেমন ধূমপান বন্ধ করা এবং মদ্যপান না করা, সাহায্য করতে পারে.যাদের অস্টিওপরোসিসের কারণে আগে হাড় ভাঙেছে হাড়ের ক্ষয় রোধক ওষুধ তাদের জন্য উপকারী। যাদের অস্টিওপরোসিস আছে কিন্তু আগে হাড় ভাঙেনি, তাদের জন্য এগুলি কম কার্যকরী।[৫][৬][৯] অন্যান্য অনেক ওষুধ কার্যকরী হতে পারে.[১০]
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্টিওপরোসিস আরো সার্বজনীন হয়ে দাঁড়ায়।৫০ বছর বয়সে প্রায় ১৫% শ্বেতাঙ্গ এবং ৮০ বছরের ওপরে ৭০% এই রোগে আক্রান্ত।[৭] পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে এটা আরো সাধারণ। উন্নত বিশ্বে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি উপর নির্ভর ক'রে, ২% থেকে ৮% পুরুষ এবং ৯%, ৩৮% নারী আক্রান্ত। উন্নয়নশীল বিশ্বে রোগের হার স্পষ্ট নয়।[১১] ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর প্রায় ২২ মিলিয়ন নারী এবং ৫.৫ মিলিয়ন পুরুষের মধ্যে অস্টিওপরোসিস ছিল।[১২] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১০ সালে প্রায় আট মিলিয়ন নারী এবং এক থেকে দুই মিলিয়ন পুরুষের অস্টিওপরোসিস ছিল।[১৩][১৪] সাদা এবং এশিয়ান মানুষেরা অধিক ঝুঁকিতে আছে।"অস্টিওপরোসিস" শব্দটি এসেছে "ঝাঁঝরা হাড়" এর গ্রিক শব্দ থেকে।[১৫]
কারণ
[সম্পাদনা]দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়।মহিলাদের মেনোপস হওয়ার পর অস্থির ঘনত্ব ও পুরুত্ব কমতে থাকে।
লক্ষণ ও উপসর্গ
[সম্পাদনা]- অস্থি ভঙ্গুর হয়ে যায়,পুরুত্ব কমতে থাকে।
- পেশির শক্তি কমতে থাকে।
- পিঠের পিছনে ব্যথা অনুভব হয়।
- অস্থি তে ব্যাথা অনুভব হয়।

অস্টিওপরোসিসের নিজের কোন উপসর্গ নেই; এর প্রধান ক্ষতিকর দিক হল হাড় হাড় ভেঙ্গে যাবার ঝুঁকি বৃদ্ধি। যে পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবান মানুষের হাড় সাধারণত ভাঙবেনা সেখানে ভঙ্গুর হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে, অতএব সেগুলি ভঙ্গুরতার জন্য অস্থিভঙ্গ হিসাবে গণ্য করা হয়।সাধারণত মেরুদন্ড, পাঁজর, নিতম্ব এবং কব্জি তে ভঙ্গুরতার অস্থিভঙ্গ ঘটে।
অস্থি ভঙ্গ
[সম্পাদনা]অস্টিওপরোসিসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হল অস্থি ভঙ্গ। বয়স্কদের মধ্যে দুর্বল করে দেওয়া তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা প্রায়ই অস্থি ভঙ্গের জন্য হতে পারে, এর থেকে আরও অক্ষমতা এবং তাড়াতাড়ি মৃত্যু হতে পারে।[১৬] হাড় ভাঙ্গা কোন লক্ষণহীনও হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ ভঙ্গুর অস্থি ভঙ্গ হয়, কব্জি, মেরুদণ্ড, কাঁধ ও নিতম্বে। আকস্মিক মেরুদণ্ডীয় পতন ("সংকোচন অস্থিভঙ্গ") এর উপসর্গ হল হঠাৎ পিছনে ব্যথা, প্রায়ই তীব্র ব্যথা নিয়ে (নার্ভ মূলের সংকোচনের কারণে প্রচন্ড ব্যথা), যা খুব কমই সুষুম্না কান্ডের সংকোচন বা সুষুম্না কান্ডের নিচে নার্ভ গুচ্ছের ক্ষতি র কারণে হয়।মেরুদন্ডের একাধিক হাড় ভেঙ্গে গিয়ে ঝুঁকে পড়া ভঙ্গি হয়, উচ্চতা কমে যায়, এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সঙ্গে গতিশীলতা হ্রাস পায়।[১৭]
বড় হাড় ভাঙ্গা গতিশীলতার দ্রুত ক্ষতি করে এবং শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে নিতম্বে অস্থি ভঙ্গ হলে সাধারণভাবে শল্যচিকিৎসার প্রয়োজন, না হলে গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা এবং ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার মত গুরুতর ঝুঁকি থেকে যায় এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
অস্থি ভঙ্গ হলে কতটা ঝুঁকি আছে তা বিভিন্ন মানদন্ডের ওপর নির্ভর করে, যার মধ্যে আছে হাড়ের মজ্জার ঘনত্ব, বয়স, ধূমপানের অভ্যাস, মদ্যপানের অভ্যাস, ওজন, এবং লিঙ্গ। স্বীকৃত গণক হিসাবে ধরা হয় এফআরএক্স বা হাড় ভাঙার ঝুঁকি [১৮] এবং ডাব্বোকে।
যখন অস্টিওপরোসিসের কারণে অস্থি ভঙ্গ হয় তখন অস্টিওপরোসিস প্রতিষ্ঠিত বলা হয়।[১৯] অস্টিওপরোসিসকে দুর্বলতার লক্ষণ বলেই ধরা হয়।
পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি
[সম্পাদনা]বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে পড়ে গেলে কব্জি, মেরুদন্ড, এবং নিতম্বের অস্থি ভঙ্গের ঝুঁকি বেড়ে যায়।যে কোন কারণেই, যেমন দুর্বল দৃষ্টিশক্তি (যেমন গ্লকোমা, বয়সজনিত কারণে দৃষ্টির স্বল্পতা), ভারসাম্যে অসুবিধা, চলাফেরায় অসুবিধা (যেমন পার্কিনসন্স বা হাত পা কাঁপা), ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ, এবং সার্কোপেনিয়া (কাঠামোর পেশীর বয়সজনিত ক্ষয়), পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।. হঠাৎ পায়ে জোর কমে যাওয়া (অস্থায়ী ভাবে হৃত দেহভঙ্গিমা, সজ্ঞান অথবা অজ্ঞানে) বিশেষভাবে পড়ে যাবার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়; রক্তচাপের নিম্নতাহেতু সাময়িক সংজ্ঞাহীনতা অনেক কারণে হয় কিন্তু বিশেষভাবে ধরা যায় কার্ডিয়াক অ্যারিথমিয়াস বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, ভ্যাসোভেগাল সিংকোপ বা স্নায়ু দৌর্বল্যে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া , অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন (দাঁড়ালে অস্বাভাবিক ভাবে রক্তচাপ কমে যাওয়া) এবং সীজার বা মস্তিষ্কে স্নায়ুর অস্বাভাবিক কার্যকারিতা।বসবাসের জায়গা বাধাহীন করে এবং আলগা মাদুর জাতীয় জিনিস সরিয়ে রাখলে পড়ে যাবার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়।যারা আগে পড়ে গেছে এবং যাদের চলেনে ভারসাম্যের অভাব আছে তাদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।[২০]
ঝুঁকির কারণগুলি
[সম্পাদনা]ভঙ্গুর হাড়ের কারণে অস্থি ভঙ্গের ঝুঁকির কারণগুলি অসংশোধনযোগ্য এবং সংশোধনযোগ্য এই দুই ভাগে ভেঙে ফেলা যায়।এ ছাড়াও, অস্টিওপরোসিস কিছু বিশেষ অসুখের একটি স্বীকৃত জটিলতা এবং অসুস্থতা। তাত্ত্বিকভাবে সংশোধনযোগ্য অসুখে ওষুধ ব্যবহার করা হয়, যদিওঅনেক সময়, ওষুধ ব্যবহারে অস্টিওপরোসিস বৃদ্ধির সম্ভাবনা আটকানো যায়না। ক্যাফিন এর মত উত্তেজক পানীয় অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায় না।[২১]
এই অসুখ পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
অসংশোধনযোগ্য
[সম্পাদনা]
- অস্টিওপরোসিসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ বয়সের বৃদ্ধি (পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের মধ্যে) এবং মহিলাদের মেনোপজ বা অস্ত্রোপচার করে ডিম্বাশয় অপসারণের ফলে যৌন হরমোন ইস্ট্রোজেন এর অভাব দেখা দেয় যার ফলে হাড়ের খনিজ ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পায়, আবার পুরুষদের মধ্যে, টেসটোটেরন হরমোনের মাত্রা কমে গেলেও, কিছু প্রভাব পড়ে (কিন্তু তুলনায় কম)।[২৩][২৩]
- জাতি: মানুষের সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে অস্টিওপরোসিস দেখা যায়, তবে ইউরোপীয় বা এশিয়ান দের অস্টিওপরোসিসের প্রবণতা আছে।[২৪]
- বংশগতি: যাদের অস্থি ভঙ্গ বা অস্টিওপরোসিসের পারিবারিক ইতিহাস আছে তাদের ঝুঁকি অনেক বেশি; উত্তরাধিকার পাওয়া থেকে অস্থি ভঙ্গ বা কম হাড়ের খনিজ ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত বেশি দেখা যায়, যা ২৫% থেকে ৮০% হতে পারে। অন্তত ৩০ টি বংশগতির জিন অস্টিওপরোসিস হবার জন্য দায়ী।[২৫]
- যাদের ইতোমধ্যে একবার অস্থি ভঙ্গ হয়েছে তাদের আবার অস্থি ভঙ্গ হবার সম্ভাবনা, সমবয়সী এবং সমলিঙ্গের অন্য একজনের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ।[২৬] তাড়াতাড়ি রজোনিবৃত্তি/ডিম্বাশয় বাদ যাওয়া আরেকটি পূর্ব নির্ধারিত কারণ।
- কাঠামো: ছোট খাট গড়ন অস্টিওপরোসিস তৈরী হবার একটি অসংশোধনযোগ্য ঝুঁকিপূর্ণ কারণ ।[২৭]
সংশোধনযোগ্য
[সম্পাদনা]- অতিরিক্ত মদ্যপান: যদিও স্বল্প পরিমাণে মদ্যপান সম্ভবত উপকারী (হাড়ের ঘনত্ব মদ্যপানের সাথে বেড়ে যায়), দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মদ্যপান (প্রতিদিন তিন এককের বেশি মদ্যপান) হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে উপকারী হলেও সম্ভবত হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।[২৮][২৯]
- ভিটামিন ডি এর অভাব:[৩০][৩১] সারা পৃথিবীতে বয়ষ্কদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি খুব সাধারণ ব্যাপার। [৪] প্যারাথাইরয়েড হরমোন (পিটিএইচ) এর অধিক উৎপাদনে অল্প ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হয়।[৪] পিটিএইচ হাড়ের রিসরপশন বাড়িয়ে দেয়, এতে হাড়ের ক্ষয় হয়। সিরাম ১,২৫-ডাইহাইড্রক্সিকোলক্যালসিফেরল এর মাত্রা এবং হাড়ের খনিজ ঘনত্বের মধ্যে সরাসরি একটি সম্পর্ক আছে, যেখানে পিটিএইচ ঋণাত্মকভাবে হাড়ের খনিজ ঘনত্বের সঙ্গে সংযুক্ত।[৪]
- ধূমপান: অনেক গবেষণাতে দেখা গেছে ধূমপানের সঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্যক্ষয় সংযুক্ত, কিন্তু তা কীভাবে হয় সেটি পরিষ্কার নয়। মনে করা হয় ধূমপান করলে অস্টিওব্লাস্ট এর কার্যক্ষমতা কমে যায়, এবং সেটি অস্টিওপোরোসিসের জন্য একটি ঝুঁকির কারণ। [২৮][৩২] ধূমপান করলে এক্সোজেনাস ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভেঙ্গে যাওয়া বৃদ্ধি পায়,ওজন কমে যায় এবং সময়ের পুর্বে রজোনিবৃত্তি হয়ে যায়, এই সব গুলি হাড়ের খনিজ ঘনত্ব কমার কারণ।[৪]
- অপুষ্টি: হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল ভূমিকা আছে। পরিচিত ঝুঁকির কারণগুলিতে আছে খাদ্যে ক্যালসিয়াম এবং/অথবা ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, বোরন, আয়রন, ফ্লোরাইড, কপার, ভিটামিন এ, কে, ই এবং সি (এবং ডি যেখানে সূর্যালোকের ঘাটতি ত্বকে যথেষ্ট ভিটামিন দিতে পারেনা) এর ঘাটতি। অতিরিক্ত সোডিয়াম একটি ঝুঁকির কারণ। রক্তে অম্লের বৃদ্ধি খাদ্য সম্পর্কিত হতে পারে, এবং এটি হাড়ের একটি জানা অ্যান্টাগনিস্ট[৩৩] কেউ কেউ দেখেছেন প্রোটিন কম খাওয়া কৈশোরে চূড়ান্ত হাড়ের ভর কম হবার সঙ্গে এবং বয়ষ্ক মানুষদের হাড়ের খনিজ ঘনত্ব কম হবার সঙ্গে সংযুক্ত।[৪] বিপরীতক্রমে, কেউ দেখেছেন কম প্রোটিন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, খাদ্যে অম্লতার কারণগুলির একটি হল প্রোটিন। ওমেগা-৬ থেকে ওমেগা-৩ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এ ভারসাম্যহীনতা একটি পরিচিত ঝুঁকির কারণ।[৩৪]
- বেশি পরিমাণে খাদ্যে প্রোটিন যা পশু থেকে প্রাপ্ত বা আমিষ: গবেষণা করে খাদ্যে বেশি পরিমাণে আমিষ প্রোটিন এবং মূত্রে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধির একটি সম্পর্ক পাওয়া গেছে,[৩৫][৩৬][৩৭] এবং অস্থিভঙ্গ বৃদ্ধির সঙ্গে সংযুক্ত করা গেছে। [৩৮] যাহোক,হাড়ের ঘনত্বের সঙ্গে এই পর্যবেক্ষণের প্রাসঙ্গিকতা খুব একটা পরিষ্কার নয়,[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] যেহেতু খাদ্যে বেশি পরিমাণে প্রোটিন খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে এবং সেটি হাড়ের ঘনত্ব বাড়ানোর সঙ্গে সংযুক্ত। [৩৯] প্রকৃতপক্ষে, সম্প্রতি এই নিয়ে বিতর্ক হয়েছে যে খাদ্যে প্রোটিনের পরিমাণ কম হলে হাড়ের স্বাস্থ্যও খারাপ হয়।[৪০] অস্টিওপোরোসিসের প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় খাদ্যে প্রোটিনের কি ভূমিকা তা বিচার করা হয়নি। ।[৪১]
- কম ওজন/নিষ্ক্রিয়: শারীরিক পরিশ্রম হলে হাড়ের পুনর্গঠন হয়, তাই শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকলে উল্লেখযোগ্যভাবে হাড়ের ক্ষয় হতে পারে।[৪] কৈশোরে ভারত্তোলন ব্যায়াম করলে চূড়ান্ত হাড়ের ভর অর্জন করা যায়,[৪] এবং হাড়ের ক্ষমতা ও পেশীর ক্ষমতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক নির্ধারণ করা গেছে।[৪২] যাদের ত্তজন বেশি তাদের মধ্যে অস্টিওপোরোসিস হবার ঘটনা খুব কম।[৪৩]
- সহনশীলতা প্রশিক্ষণ: মহিলা সহনশীল ক্রীড়াবিদদের মধ্যে, প্রচুর প্রশিক্ষণ করান হলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যেতে পারে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।[৪৪] রজঃস্রাব চেপে রেখে তীব্র প্রশিক্ষণের প্রভাবে ঘটতে পারে ঋতুবন্ধ রোগ, এবং এটি মহিলা ক্রীড়াবিদ ট্রায়াডএর অন্তর্গত।[৪৫] যাহোক, পুরুষ ক্রীড়াবিদদের মধ্যে, অবস্থাটা একটু অস্বচ্ছ, যদিও কিছু গবেষণাতে অভিজাত পুরুষ সহনশীল ক্রীড়াবিদদের মধ্যে হাড়ের ঘনত্ব কম পাওয়া গেছে [৪৬] অন্যদের তার পরিবর্তে পায়ের হাড়ের ঘনত্ব বাড়তে দেখা গেছে।[৪৭][৪৮]
- ভারি ধাতু সমূহ: ক্যাডমিয়াম এবং সীসার সাথে হাড়ের অসুখের গভীর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অল্প পরিমাণ ক্যাডমিয়ামের মুখোমুখি হলে উভয় লিঙ্গের মধ্যেই হাড়ের খনিজ ঘনত্বের ক্ষয়বৃদ্ধি হতে দেখা যায়, যা থেকে বিশেষত বয়ষ্ক ও মহিলাদের মধ্যে ব্যথা এবং অস্থিভঙ্গের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অধিক পরিমাণ ক্যাডমিয়ামের সম্মুখীন হলে অস্টিওম্যালাশিয়া (হাড় নরম হয়ে যাওয়া) রোগ হয়।[৪৯]
- নরম পানীয়: কিছু গবেষণা ইঙ্গিত করেছে কোমল পানীয়গুলি (যাদের অনেকগুলিতে ফসফরিক অ্যাসিড আছে) অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষত নারীদের।[৫০] অন্য অনেকে বলেছেন নরম পানীয় সরাসরি অস্টিওপোরোসিস ঘটানোর বদলে খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম-ধারণকারী পানীয় অংশ সরিয়ে দেয়।[৫১]
- প্রোটন পাম্প ইনহিবিটির (যেমন ল্যানসোপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, অথবা ওমিপ্রাজল) যেগুলি পাকস্থলীর অ্যাসিড কমায়, যদি দুই বা তার বেশি বছর ধরে নেওয়া হয়, পাকস্থলীতে ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যাবার ফলে সেগুলিতে অস্থিভঙ্গের ঝুঁকি থাকে।[৫২]
চিকিৎসা সংযুক্ত ব্যাধি
[সম্পাদনা]
অনেক অসুখ এবং ব্যাধি অস্টিওপোরোসিসের সঙ্গে সংযুক্ত।[৫৩] অনেকের জন্য, হাড়ের বিপাকের ওপর তাদের অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়ার প্রভাব সোজাসুজি, আবার অন্যদের জন্য কারণ একাধিক বা অজানা।
- সাধারণভাবে, পক্ষাঘাত হলে হাড়ের ক্ষয় হয় (অব্যবহারে ক্ষয় এই নীতি অনুসরণ করে)। উদাহরণস্বরূপ, প্রত্যঙ্গ প্লাস্টার হয়ে থাকায় বহুদিন ধরে অচল হয়ে থাকলে স্থানীয়ভাবে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। এটি, অতি সক্রিয় মানুষ যাদের হাড়ের ব্যবহার বেশি (উদাহরণস্বরূপ, ক্রীড়াবিদ) তাদের ক্ষেত্রে খুব সাধারণ। অন্য উদাহরণের মধ্যে পড়তে পারে মহাকাশ উড্ডয়ন এর সময় অথবা শয্যাশায়ী মানুষদের অথবা বিভিন্ন কারণে যাঁরা হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন তাদের হাড়ের ক্ষয়।
- হাইপোগোনাডাল অবস্থায় গৌণ অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। এর মধ্যে আছে টার্নার সিনড্রোম, ক্লিনেফেল্টার সিনড্রোম, কলমান সিনড্রোম, অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা, অ্যান্ড্রোপজ,[৫৪] হাইপোথ্যালামিক অ্যামেনোরিয়া অথবা হাইপারপ্রোল্যাক্টিনেমিয়া.[৫৪] মহিলাদের মধ্যে, হাইপোগোনাডিজমের প্রভাব দেখা যায় ইস্ট্রোজেনের অভাবে। এটি দেখা দিতে পারে পারে সময়ের আগে রজোনিবৃত্তি (<৪৫ বছর) হিসাবে অথবা দীর্ঘায়িত প্রাক রজোনিবৃত্তি অ্যামেনোরিয়া (>১ বছর) হিসাবে। দ্বিপার্শ্বীয় উফোরেকটমি (শল্যচিকিৎসা দ্বারা ডিম্বাশয় দূরীকরণ) এবং প্রিম্যাচিওর ওভারিয়ান ফেলিওর ইস্ট্রোজেনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। পুরুষদের মধ্যে, টেস্টোস্টেরনের অভাব এর কারণ (উদাহরণস্বরূপ, অ্যান্ড্রোপজ অথবা শল্যচিকিৎসা দ্বারা শুক্রাশয় দূরীকরণ এর পর)।
- অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের অসুখ যেগুলি হাড়ের ক্ষয় ঘটায় তার মধ্যে আছে কুশিং সিনড্রোম,[৪] হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম,[৪] হাইপারথাইরয়েডিজম,[৪] হাইপোথাইরয়েডিজম, বহুমূত্র রোগ টাইপ ১ এবং ২,[৫৫] অ্যাক্রোমেগালি, এবং অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি.[৫৩]
- অপুষ্টি, প্যারেন্টাল নিউট্রিশন[৪] এবং ম্যালঅ্যাবসর্পশন এর কারণে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। পুষ্টিগত এবং গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল অসুখ সমূহ যথা অ-নির্ণীত এবং অ-চিকিৎসিত কোলিক ডিজিজ (লক্ষণ সহ এবং লক্ষণ ছাড়া উভয়শ্রেণীর মানুষই),[৪][৫৬] ক্রোন্স ডিজিজ,[৫৭] আলসারেটিভ কোলাইটিস,[৫৭] সিস্টিক ফাইব্রোসিস,[৫৭] শল্যচিকিৎসা[৫৪] ( গ্যাসট্রেকটমি র পর, আন্ত্রিক বাইপাস সার্জারি অথবা বাওয়েল রিসেকশন) এবং তীব্র লিভার ডিজিজ (বিশেষত প্রাথমিক বাইলারি সিরোসিস) হল অস্টিওপোরোসিসের প্রাথমিক ধাপ।[৫৪] যে সব মানুষের ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা অথবা দুধে এলার্জি আছে তাদের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারে সীমাবদ্ধতার কারণে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে।[৫৮] বুলিমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিরও অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। অনেকেরই আবার পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলেও ক্যালসিয়াম ও/অথবা ভিটামিন ডি শোষণে অসমর্থ হওয়ায় অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। অন্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট যেমন ভিটামিন কে বা ভিটামিন বি১২ অভাব হলেও হতে পারে।
- রিউমেটোলজিক অসুখ যথা রিউমাটোয়েড আরথ্রাইটিস,[৫৪] এঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস,[৫৪] সিস্টেমিক লুপাস এরিথেম্যাটোসাস এবং পলিআর্টিকুলার জুভেনাইল ইডিওপ্যাথিক আরথ্রাইটিস আক্রান্ত ব্যক্তিরা অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকিতে থাকেন, হয় তাদের রোগের অংশ হিসাবে অথবা অন্যান্য ঝুঁকির কারণে (বিশেষত কর্টিকোস্টেরয়েড চিকিৎসায়)। শারীরিক অসুখ যথা অ্যামাইলয়েডোসিস এবং সার্কোইডোসিস থেকেও অস্টিওপোরোসিস হয়।
- রেনাল ইনসাফিসিয়েন্সি থেকে রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি হয়।
- হেমাটোলজিক ব্যাধি যা অস্টিওপোরোসিসের সঙ্গে সংযুক্ত তা হল মজ্জাকোষার্বুদ[৫৪] এবং অন্যগুলি মোনোক্লোনাল গ্যামোপ্যাথি সমূহ,[৫৫] লিমফোমা, লিউকিমিয়া, ম্যাস্টোসাইটোসিস,[৫৪] হিমোফিলিয়া, কাস্তে-কোষ ব্যাধি এবং থ্যালাসেমিয়া।
- অনেক বংশগতির রোগ অস্টিওপরোসিসের সাথে সংযুক্ত। এর মধ্যে আছে অস্টিওজেনেসিস ইমপারফেক্টা,[৫৪] মার্ফান সিনড্রোম,[৫৪] লৌহ সঞ্চয় ব্যাধি,[৪] হাইপোফসফেটাসিয়া[৫৯] (এটি প্রায়ই ভুল নির্ণীত হয়),[৬০] গ্লাইকোজেন সঞ্চয় ব্যাধি সমূহ, হোমোসিস্টিনুরিয়া,[৫৪] এহলারস–ডানলস সিনড্রোম,[৫৪] পরফাইরিয়া, মেনকেস' সিনড্রোম, এপিডার্মোলাইসিস বুলোসা এবং গশারের ব্যাধি ।
- যে সব মানুষের অজানা কারণে স্কোলিওসিস আছে তাদের অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি থাকে। কমপ্লেক্স রিজিওনাল পেন সিনড্রোম এর একটি বৈশিষ্ট্য হতে পারে হাড়ের ক্ষতি। পার্কিনসন রোগ এবং ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ যুক্ত লোকেদের মধ্যে এটি আরও বেশি দেখা যায়।
- পার্কিনসন রোগ যুক্ত মানুষের হাড় ভাঙার ঝুঁকি অনেক বেশি। এটি ত্রুটিপূর্ণ ভারসাম্য এবং ঘাটতিপূর্ণ হাড়ের ঘনত্বের সাথে সম্পর্কিত।[৬১] পার্কিনসন রোগে ডোপামিনার্জিক নিউরন সমূহের ক্ষয় এবং পরিবর্তিত ক্যালসিয়াম বিপাক (এবং আয়রন বিপাক) এর মধ্যে একটি সম্পর্ক থাকতেও পারে,[৬২] যার জন্য কঙ্কাল কাঠামো নাড়াতে কষ্ট হয় এবং কাইফোসিস ব্যাধি হয়।
চিকিৎসা
[সম্পাদনা]রোগ নির্ণয়
[সম্পাদনা]ঘনত্বমাপক যন্ত্রের সাহায্যে অস্থির খনিজ পদার্থের এই রোগটি নির্ণয় করা হয়।রোগের প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না।হঠাত করেই সামান্য আঘাতে কোমরের বা অন্য কোনো হার ভেংগে যায়।
প্রতিকার
[সম্পাদনা]- পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও মহিলাদের দৈনিক ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।
- ননী তোলা দুধ ও দুগ্ধযাত দ্রব্য গ্রহণ করা।
- কমলার রস, সবুজ শাকসবজি, সয়া দ্রব্য ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
প্রতিরোধ
[সম্পাদনা]- ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
- নিয়মিত ব্যায়াম করা।
- সুষম আশ যুক্ত খাবার গ্রহণ করা।
আর এভাবেই এই খনিজ লবণের অভাব জনিত রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| শ্রেণীবিন্যাস | |
|---|---|
| বহিঃস্থ তথ্যসংস্থান |
- কার্লিতে অস্টিওপোরোসিস (ইংরেজি)
- Handout on Health: Osteoporosis – US National Institute of Arthritis and Musculoskeletal and Skin Diseases
- Osteoporosis – l NIH Osteoporosis and Related Bone Diseases – National Resource Center
- Office of the Surgeon General (২০০৪)। Bone Health and Osteoporosis: A Report of the Surgeon General। Rockville, MD: U.S. Department of Health and Human Services। পিএমআইডি 20945569। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৬।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Jones, Daniel (২০০৩) [1917], English Pronouncing Dictionary, Cambridge: Cambridge University Press, আইএসবিএন ৯৭৮-৩-১২-৫৩৯৬৮৩-৮
{{citation}}: অজানা প্যারামিটার|editors=উপেক্ষা করা হয়েছে (|editor=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) - ↑ "Osteoporosis"। মেরিয়াম-ওয়েবস্টার ডিকশনারি (ইংরেজি ভাষায়)।
- 1 2 3 4 5 6 "Handout on Health: Osteoporosis"। আগস্ট ২০১৪। ১৮ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৫।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 WHO Scientific Group on the Prevention and Management of Osteoporosis (2000 : Geneva, Switzerland) (২০০৩)। Prevention and management of osteoporosis : report of a WHO scientific group (PDF)। পৃ. ৭, ৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯২৪১২০৯২১২। ১৬ জুলাই ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - 1 2 Wells GA, Cranney A, Peterson J, Boucher M, Shea B, Robinson V, Coyle D, Tugwell P (জানুয়ারি ২০০৮)। "Alendronate for the primary and secondary prevention of osteoporotic fractures in postmenopausal women"। The Cochrane Database of Systematic Reviews (1): CD০০১১৫৫। ডিওআই:10.1002/14651858.CD001155.pub2। পিএমআইডি 18253985।
- 1 2 Wells G, Cranney A, Peterson J, Boucher M, Shea B, Robinson V, Coyle D, Tugwell P (জানুয়ারি ২০০৮)। "Risedronate for the primary and secondary prevention of osteoporotic fractures in postmenopausal women"। The Cochrane Database of Systematic Reviews (1): CD০০৪৫২৩। ডিওআই:10.1002/14651858.CD004523.pub3। পিএমআইডি 18254053।
- 1 2 "Chronic rheumatic conditions"। World Health Organization। ২৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৫।
- ↑ Golob AL, Laya MB (মে ২০১৫)। "Osteoporosis: screening, prevention, and management"। The Medical Clinics of North America। ৯৯ (3): ৫৮৭–৬০৬। ডিওআই:10.1016/j.mcna.2015.01.010। পিএমআইডি 25841602।
- ↑ Wells GA, Cranney A, Peterson J, Boucher M, Shea B, Robinson V, Coyle D, Tugwell P (জানুয়ারি ২০০৮)। "Etidronate for the primary and secondary prevention of osteoporotic fractures in postmenopausal women"। The Cochrane Database of Systematic Reviews (1): CD০০৩৩৭৬। ডিওআই:10.1002/14651858.CD003376.pub3। পিএমআইডি 18254018।
- ↑ Nelson, H. D; Haney, E. M; Chou, R; Dana, T; Fu, R; Bougatsos, C (২০১০)। "Screening for Osteoporosis: Systematic Review to Update the 2002 U.S. Preventive Services Task Force Recommendation [Internet]"। Agency for Healthcare Research and Quality। পিএমআইডি 20722176।
- ↑ Handa R, Ali Kalla A, Maalouf G (আগস্ট ২০০৮)। "Osteoporosis in developing countries"। Best Practice & Research. Clinical Rheumatology। ২২ (4): ৬৯৩–৭০৮। ডিওআই:10.1016/j.berh.2008.04.002। পিএমআইডি 18783745।
- ↑ Svedbom A, Hernlund E, Ivergård M, Compston J, Cooper C, Stenmark J, McCloskey EV, Jönsson B, Kanis JA (২০১৩)। "Osteoporosis in the European Union: a compendium of country-specific reports"। Archives of Osteoporosis। ৮ (1–2): ১৩৭। ডিওআই:10.1007/s11657-013-0137-0। পিএমসি 3880492। পিএমআইডি 24113838।
- ↑ Wade SW, Strader C, Fitzpatrick LA, Anthony MS, O'Malley CD (২০১৪)। "Estimating prevalence of osteoporosis: examples from industrialized countries"। Archives of Osteoporosis। ৯ (1): ১৮২। ডিওআই:10.1007/s11657-014-0182-3। পিএমআইডি 24847682।
- ↑ Willson T, Nelson SD, Newbold J, Nelson RE, LaFleur J (২০১৫)। "The clinical epidemiology of male osteoporosis: a review of the recent literature"। Clinical Epidemiology। ৭: ৬৫–৭৬। ডিওআই:10.2147/CLEP.S40966। পিএমসি 4295898। পিএমআইডি 25657593।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) - ↑ King, Tekoa L.; Brucker, Mary C. (২০১১)। Pharmacology for women's health। Sudbury, Mass.: Jones and Bartlett Publishers। পৃ. ১০০৪। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৬৩৭৫৩২৯০। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|নামের-তালিকার-বিন্যাস=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Old JL, Calvert M (২০০৪)। "Vertebral compression fractures in the elderly"। American Family Physician। ৬৯ (1): ১১১–১৬। পিএমআইডি 14727827। ৫ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১১।
- ↑ Kim DH, Vaccaro AR (২০০৬)। "Osteoporotic compression fractures of the spine; current options and considerations for treatment"। The Spine Journal। ৬ (5): ৪৭৯–৮৭। ডিওআই:10.1016/j.spinee.2006.04.013। পিএমআইডি 16934715।
- ↑ Susan Ott। "Fracture Risk Calculator"। ১৪ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ WHO (১৯৯৪)। "Assessment of fracture risk and its application to screening for postmenopausal osteoporosis. Report of a WHO Study Group"। World Health Organization Technical Report Series। ৮৪৩: ১–১২৯। পিএমআইডি 7941614।
- ↑ Ganz DA, Bao Y, Shekelle PG, Rubenstein LZ (২০০৭)। "Will my patient fall?"। JAMA। ২৯৭ (1): ৭৭–৮৬। ডিওআই:10.1001/jama.297.1.77। পিএমআইডি 17200478।
- ↑ Waugh EJ, Lam MA, Hawker GA, McGowan J, Papaioannou A, Cheung AM, Hodsman AB, Leslie WD, Siminoski K, Jamal SA (জানুয়ারি ২০০৯)। "Risk factors for low bone mass in healthy 40–60 year old women: a systematic review of the literature"। Osteoporosis International : A Journal Established as Result of Cooperation Between the European Foundation for Osteoporosis and the National Osteoporosis Foundation of the USA। ২০ (1): ১–২১। ডিওআই:10.1007/s00198-008-0643-x। পিএমসি 5110317। পিএমআইডি 18523710।
- ↑ "6.6 Exercise, Nutrition, Hormones, and Bone Tissue"। Anatomy & Physiology। Openstax CNX। ২০১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৩৮১৬৮-১৩-০। ১০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 Sinnesael M, Claessens F, Boonen S, Vanderschueren D (২০১৩)। "Novel insights in the regulation and mechanism of androgen action on bone"। Current Opinion in Endocrinology, Diabetes and Obesity। ২০ (3): ২৪০–৪৪। ডিওআই:10.1097/MED.0b013e32835f7d04। পিএমআইডি 23449008।
- ↑ Melton LJ (২০০৩)। "Epidemiology worldwide"। Endocrinol. Metab. Clin. North Am.। ৩২ (1): v, ১–১৩। ডিওআই:10.1016/S0889-8529(02)00061-0। পিএমআইডি 12699289।
- ↑ Raisz L (২০০৫)। "Pathogenesis of osteoporosis: concepts, conflicts, and prospects"। J Clin Invest। ১১৫ (12): ৩৩১৮–২৫। ডিওআই:10.1172/JCI27071। পিএমসি 1297264। পিএমআইডি 16322775। ২৪ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Ojo F, Al Snih S, Ray LA, Raji MA, Markides KS (২০০৭)। "History of fractures as predictor of subsequent hip and nonhip fractures among older Mexican Americans"। Journal of the National Medical Association। ৯৯ (4): ৪১২–১৮। পিএমসি 2569658। পিএমআইডি 17444431।
- ↑ Brian K Alldredge; Koda-Kimble, Mary Anne; Young, Lloyd Y.; Wayne A Kradjan; B. Joseph Guglielmo (২০০৯)। Applied therapeutics: the clinical use of drugs। Philadelphia: Wolters Kluwer Health/Lippincott Williams & Wilkins। পৃ. ১০১–০৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৮১৭-৬৫৫৫-৮।
- 1 2 Poole KE, Compston JE (ডিসেম্বর ২০০৬)। "Osteoporosis and its management"। BMJ। ৩৩৩ (7581): ১২৫১–৫৬। ডিওআই:10.1136/bmj.39050.597350.47। পিএমসি 1702459। পিএমআইডি 17170416।
- ↑ Berg KM, Kunins HV, Jackson JL, Nahvi S, Chaudhry A, Harris KA, Malik R, Arnsten JH (২০০৮)। "Association between alcohol consumption and both osteoporotic fracture and bone density"। Am J Med। ১২১ (5): ৪০৬–১৮। ডিওআই:10.1016/j.amjmed.2007.12.012। পিএমসি 2692368। পিএমআইডি 18456037।
- ↑ Nieves JW (২০০৫)। "Osteoporosis: the role of micronutrients"। Am J Clin Nutr। ৮১ (5): ১২৩২S – ৩৯S। ডিওআই:10.1093/ajcn/81.5.1232। পিএমআইডি 15883457। ২৪ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Gielen E, Boonen S, Vanderschueren D, Sinnesael M, Verstuyf A, Claessens F, Milisen K, Verschueren S (২০১১)। "Calcium and vitamin d supplementation in men"। Journal of Osteoporosis। ২০১১: ১–৬। ডিওআই:10.4061/2011/875249। পিএমসি 3163142। পিএমআইডি 21876835।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) - ↑ Wong PK, Christie JJ, Wark JD (২০০৭)। "The effects of smoking on bone health"। Clin. Sci.। ১১৩ (5): ২৩৩–৪১। ডিওআই:10.1042/CS20060173। পিএমআইডি 17663660।
- ↑ Ilich JZ, Kerstetter JE (২০০০)। "Nutrition in Bone Health Revisited: A Story Beyond Calcium"। Journal of the American College of Nutrition। ১৯ (6): ৭১৫–৩৭। ডিওআই:10.1080/07315724.2000.10718070। পিএমআইডি 11194525। ৭ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০০৯।
- ↑ Weiss LA, Barrett-Connor E, von Mühlen D (২০০৫)। "Ratio of n−6 to n−3 fatty acids and bone mineral density in older adults: the Rancho Bernardo Study"। Am J Clin Nutr। ৮১ (4): ৯৩৪–৩৮। ডিওআই:10.1093/ajcn/81.4.934। পিএমআইডি 15817874। ২৪ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Abelow BJ, Holford TR, Insogna KL (১৯৯২)। "Cross-cultural association between dietary animal protein and hip fracture: a hypothesis"। Calcified Tissue International। ৫০ (1): ১৪–১৮। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.674.9378। ডিওআই:10.1007/BF00297291। পিএমআইডি 1739864।
- ↑ Hegsted M, Schuette SA, Zemel MB, Linkswiler HM (১৯৮১)। "Urinary calcium and calcium balance in young men as affected by level of protein and phosphorus intake"। The Journal of Nutrition। ১১১ (3): ৫৫৩–৬২। ডিওআই:10.1093/jn/111.3.553। পিএমআইডি 7205408।
- ↑ Kerstetter JE, Allen LH (১৯৯০)। "Dietary protein increases urinary calcium" (পিডিএফ)। Journal of Nutrition। ১২০ (1): ১৩৪–৩৬। ডিওআই:10.1093/jn/120.1.134। পিএমআইডি 2406396।
- ↑ Feskanich D, Willett WC, Stampfer MJ, Colditz GA (১৯৯৬)। "Protein consumption and bone fractures in women"। Am. J. Epidemiol.। ১৪৩ (5): ৪৭২–৭৯। ডিওআই:10.1093/oxfordjournals.aje.a008767। পিএমআইডি 8610662।
- ↑ Kerstetter JE, Kenny AM, Insogna KL (২০১১)। "Dietary protein and skeletal health: A review of recent human research"। Current Opinion in Lipidology। ২২ (1): ১৬–২০। ডিওআই:10.1097/MOL.0b013e3283419441। পিএমসি 4659357। পিএমআইডি 21102327।
- ↑ Bonjour JP (২০০৫)। "Dietary protein: An essential nutrient for bone health"। Journal of the American College of Nutrition। ২৪ (6 Suppl): ৫২৬S – ৩৬S। ডিওআই:10.1080/07315724.2005.10719501। পিএমআইডি 16373952।
- ↑ Kerstetter JE, O'Brien KO, Insogna KL (২০০৩)। "Dietary protein, calcium metabolism, and skeletal homeostasis revisited"। Am. J. Clin. Nutr.। ৭৮ (3 Suppl): ৫৮৪S – ৯২S। ডিওআই:10.1093/ajcn/78.3.584S। পিএমআইডি 12936953।
- ↑ Schönau E, Werhahn E, Schiedermaier U, Mokow E, Schiessl H, Scheidhauer K, Michalk D (১৯৯৬)। "Influence of muscle strength on bone strength during childhood and adolescence"। Hormone Research। ৪৫ (Suppl. 1): ৬৩–৬৬। ডিওআই:10.1159/000184834। পিএমআইডি 8805035।
- ↑ Shapses SA, Riedt CS (১ জুন ২০০৬)। "Bone, body weight, and weight reduction: what are the concerns?"। J. Nutr.। ১৩৬ (6): ১৪৫৩–৫৬। ডিওআই:10.1093/jn/136.6.1453। পিএমসি 4016235। পিএমআইডি 16702302। ১০ মার্চ ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Pollock N, Grogan C, Perry M, Pedlar C, Cooke K, Morrissey D, Dimitriou L (২০১০)। "Bone-mineral density and other features of the female athlete triad in elite endurance runners: A longitudinal and cross-sectional observational study"। International Journal of Sport Nutrition and Exercise Metabolism। ২০ (5): ৪১৮–২৬। ডিওআই:10.1123/ijsnem.20.5.418। পিএমআইডি 20975110।
- ↑ Gibson JH, Mitchell A, Harries MG, Reeve J (২০০৪)। "Nutritional and exercise-related determinants of bone density in elite female runners"। Osteoporosis International। ১৫ (8): ৬১১–১৮। ডিওআই:10.1007/s00198-004-1589-2। পিএমআইডি 15048548।
- ↑ Hetland ML, Haarbo J, Christiansen C (১৯৯৩)। "Low bone mass and high bone turnover in male long distance runners"। The Journal of Clinical Endocrinology and Metabolism। ৭৭ (3): ৭৭০–৭৫। ডিওআই:10.1210/jcem.77.3.8370698। পিএমআইডি 8370698।
- ↑ Brahm H, Ström H, Piehl-Aulin K, Mallmin H, Ljunghall S (১৯৯৭)। "Bone metabolism in endurance trained athletes: A comparison to population-based controls based on DXA, SXA, quantitative ultrasound, and biochemical markers"। Calcified Tissue International। ৬১ (6): ৪৪৮–৫৪। ডিওআই:10.1007/s002239900366। পিএমআইডি 9383270।
- ↑ MacKelvie KJ, Taunton JE, McKay HA, Khan KM (২০০০)। "Bone mineral density and serum testosterone in chronically trained, high mileage 40–55 year old male runners"। British Journal of Sports Medicine। ৩৪ (4): ২৭৩–৭৮। ডিওআই:10.1136/bjsm.34.4.273। পিএমসি 1724199। পিএমআইডি 10953900।
- ↑ Staessen JA, Roels HA, Emelianov D, Kuznetsova T, Thijs L, Vangronsveld J, Fagard R (১৯৯৯)। "Environmental exposure to cadmium, forearm bone density, and risk of fractures: prospective population study. Public Health and Environmental Exposure to Cadmium (PheeCad) Study Group"। Lancet। ৩৫৩ (9159): ১১৪০–৪৪। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(98)09356-8। পিএমআইডি 10209978।
- ↑ Tucker KL, Morita K, Qiao N, Hannan MT, Cupples LA, Kiel DP (২০০৬)। "Colas, but not other carbonated beverages, are associated with low bone mineral density in older women: The Framingham Osteoporosis Study"। Am. J. Clin. Nutr.। ৮৪ (4): ৯৩৬–৪২। ডিওআই:10.1093/ajcn/84.4.936। পিএমআইডি 17023723।
- ↑ American Academy of Pediatrics Committee on School Health (২০০৪)। "Soft drinks in schools"। Pediatrics। ১১৩ (1 Pt 1): ১৫২–৫৪। ডিওআই:10.1542/peds.113.1.152। পিএমআইডি 14702469।
- ↑ Zhou B, Huang Y, Li H, Sun W, Liu J (জানুয়ারি ২০১৬)। "Proton-pump inhibitors and risk of fractures: an update meta-analysis"। Osteoporosis International। ২৭ (1): ৩৩৯–৪৭। ডিওআই:10.1007/s00198-015-3365-x। পিএমআইডি 26462494।
- 1 2 Simonelli, C; এবং অন্যান্য (জুলাই ২০০৬)। "ICSI Health Care Guideline: Diagnosis and Treatment of Osteoporosis, 5th edition"। Institute for Clinical Systems Improvement। ১৮ জুলাই ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০০৮।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 Kohlmeier, Lynn Kohlmeier (১৯৯৮)। "Osteoporosis – Risk Factors, Screening, and Treatment"। Medscape Portals। ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০০৮।
- 1 2 Ebeling PR (২০০৮)। "Clinical practice. Osteoporosis in men"। N Engl J Med। ৩৫৮ (14): ১৪৭৪–৮২। ডিওআই:10.1056/NEJMcp0707217। পিএমআইডি 18385499।
- ↑ Mirza F, Canalis E (সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Management of endocrine disease: Secondary osteoporosis: pathophysiology and management"। Eur J Endocrinol (Review)। ১৭৩ (3): R১৩১–৫১। ডিওআই:10.1530/EJE-15-0118। পিএমসি 4534332। পিএমআইডি 25971649। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 3 Henwood MJ, Binkovitz L (২০০৯)। "Update on pediatric bone health"। The Journal of the American Osteopathic Association। ১০৯ (1): ৫–১২। পিএমআইডি 19193819। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ Beto JA (জানুয়ারি ২০১৫)। "The role of calcium in human aging"। Clin Nutr Res (Review)। ৪ (1): ১–৮। ডিওআই:10.7762/cnr.2015.4.1.1। পিএমসি 4337919। পিএমআইডি 25713787।
- ↑ Mornet, PhD, Etienne; Nunes, MD, Mark E (২০ নভেম্বর ২০০৭)। GeneReviews: Hypophostasia। NCBI। ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Hypophosphatasia Case Studies: Dangers of Misdiagnosis"। Hypophosphatasia.com। ৮ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৪।
- ↑ Invernizzi M, Carda S, Viscontini GS, Cisari C (২০০৯)। "Osteoporosis in Parkinson's disease"। Parkinsonism & Related Disorders। ১৫ (5): ৩৩৯–৪৬। ডিওআই:10.1016/j.parkreldis.2009.02.009। পিএমআইডি 19346153।
- ↑ Celsi F, Pizzo P, Brini M, Leo S, Fotino C, Pinton P, Rizzuto R (২০০৯)। "Mitochondria, calcium and cell death: A deadly triad in neurodegeneration"। Biochimica et Biophysica Acta (BBA) - Bioenergetics। ১৭৮৭ (5): ৩৩৫–৪৪। ডিওআই:10.1016/j.bbabio.2009.02.021। পিএমসি 2696196। পিএমআইডি 19268425।
| শ্রেণীবিন্যাস | |
|---|---|
| বহিঃস্থ তথ্যসংস্থান |