অস্টিওপোরোসিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অস্টিওপোরোসিস
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিঃস্থ সম্পদ
বিশিষ্টতা বাতবিদ্যা[*]
আইসিডি-১০ M৮০-M৮২
আইসিডি-৯-সিএম ৭৩৩.০
ওএমআইএম ১৬৬৭১০
ডিজিসেসডিবি ৯৩৮৫
মেডলাইনপ্লাস ০০০৩৬০
ইমেডিসিন med/1693 ped/১৬৮৩ pmr/৯৪ pmr/৯৫
পেশেন্ট ইউকে অস্টিওপোরোসিস
মেএসএইচ D০১০০২৪ (ইংরেজি)

অস্টিওপোরোসিস এক ধরনের হাড়ের অসুখ যাতে হাড় ক্ষয়িষ্ণু এবং শেষাবধি দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।[১][২] বিশ্বে প্রথম কয়েকটি মারাত্মক রোগের ভেতর অস্টিওপোরোসিসের অবস্থান তৃতীয়। অস্টিওপোরোসিস সরাসরি মৃত্যুর কারণ নয় ; তবে অস্টিওপোরোসিসজনিত জটিলতার কারণে মানুষের মৃত্যু হয়। প্রধানত দুই ধরনের অস্টিওপোরোসিস হয়: প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি অস্টিওপোরোসিস। প্রাইমারি অস্টিওপোরোসিস দুটি কারণে হয়। একটি বয়সের বৃদ্ধির ফলে। একে বলা হয় "সিনাইল অস্টিওপোরোসিস"। আরেকটি হলো মহিলাদের মাসিক রজ:স্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সূচিত পোস্টমেনোপোজাল অস্টিওপোরোসিস। বিভিন্ন রকম ওষুধ গ্রহণজনিত কারণে সেকেন্ডারি অস্টিওপোরোসিস হয়ে থাকে। যেমন:- অ্যাজমা রোগীরা প্রচুর স্টেরয়েড গ্রহণ করার কারণে অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ ছাড়া বিভিন্ন হরমোনের বৈষম্যতা জাতিয় অসুখ যেমন- হাইপোথাইরয়ডিসম, হাইপারথাইরয়ডিসম, ডায়াবেটিস খেলাইটাস হলেও ধীরে ধীরে সেকেন্ডারি অস্টিওপোরোসিস হয়ে থাকে। মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন হাড়কে মজবুত করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়ায় হাড়ের ক্ষয় বেড়ে যায় এবং হাড়ের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। "বোন মিনারেল ডেনসিটি টেস্ট" এবং "এক্স-রে" ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগের আক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Golob, AL; Laya, MB (মে ২০১৫)। "Osteoporosis: Screening, Prevention, and Management."। The Medical clinics of North America 99 (3): 587–606। পিএমআইডি 25841602 
  2. "Handout on Health: Osteoporosis"। আগস্ট ২০১৪। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]