বরিশাল জিলা স্কুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বরিশাল জিলা স্কুল
অবস্থান
সদর রোড,
বরিশাল, বাংলাদেশ
তথ্য
ধরন সরকারি স্কুল
নীতিবাক্য পড় তোমার প্রভুর নামে
প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৯
প্রধান শিক্ষকা সাবিনা ইয়াসমিন

বরিশাল জিলা স্কুল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি সমগ্র বরিশাল বিভাগের ভিতর সর্বশ্রেষ্ঠ স্কুল এবং বাংলাদেশের বিখ্যাত স্কুল গুলোর ভিতর একটি। এটি দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বরিশাল জিলা স্কুল বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য স্কুল এবং এটি বরিশাল বিভাগে প্রতিষ্ঠিত প্রথম স্কুল। মূলত ঐতিহাসিক বরিশাল জিলা স্কুল তৎকালীন ব্রিটিশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মি. গ্যারেট এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নির্মিত হয়। তাঁর নির্দেশনায় ১৮২৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর স্থানীয় জনসাধারণের আর্থিক সহায়তায় শ্রীরামপুর মিশন বরিশাল ইংলিশ স্কুল নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। মাত্র আটজন ছাত্র নিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। সেসময় বিদ্যালয়টি (প্রোটেস্ট্যান্ট গীর্জার পশ্চিম দিকে) স্থানীয় জমিদার মি. লুকাসের জমির মধ্যে অবস্থিত ছিল। পরবর্তীতে ব্রাউন কম্পাউন্ড এবং ১৮৪২ সালে বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত হয়। ওই জমির মালিক ছিলেন মি. স্পেনসার। তৎকালীন বাংলার গভর্নর এর নির্দেশ মোতাবেক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্কুলের সেক্রেটারি ই জে বার্টন সরকারকে বিদ্যালয়টি উন্নয়নের জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দিতে থাকেন। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় অভিজাত ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে ৩৮,৮১৭ টাকা চাঁদা তোলেন এবং তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করেন। ফলাফল স্বরূপ বিশাল পরিমাণ জমির উপর বরিশাল জিলা স্কুল নির্মিত হয়। এটি বর্তমানে পুনঃসংস্কারের জন্য ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।
১৯৫৩ সাল থেকে লর্ড মেকলের শিক্ষানীতির অধীনে সরকার এই বিদ্যালয়ের ব্যয়ভার গ্রহণ করে এবং তখন থেকে এর নামকরণ হয় বরিশাল জিলা স্কুল
১৮২৯ সালে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মি. জন স্মিথ। ১৯৬১ সাল থেকে এই স্কুলকে পাইলট স্কুলে পরিণত করা হয়। তখন আমেরিকান বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে এর নানাবিধ পরিবর্তন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে এই স্কুলের ছাত্ররা গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখে।

সাবেক ছাত্রদের মধ্যে কয়েকজন[সম্পাদনা]

যে সব খ্যাতিনামা ব্যাক্তিরা এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলঃ

সহকারী প্রধান শিক্ষক[সম্পাদনা]

প্রভাতী:জনাব মাহমুদ চৈাধুরী। দিবা:জনাব পাপিয়া জেসমিন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বরিশাল জিলা স্কুলের ‘দৈনিক পাঠের বিবরন’ বই।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]