ফেরদৌস আহমেদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফেরদৌস
Ferdous Ahmed.jpg
জন্ম ফেরদৌস আহমেদ
(১৯৭২-০৬-০৭) জুন ৭, ১৯৭২ (বয়স ৪২)
বনানী,ঢাকা,বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
বংশোদ্ভূত বাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশী
পেশা অভিনেতা
মডেল
চলচ্চিত্র প্রযোজক
টিভি উপস্থাপক
কার্যকাল ১৯৯৭ – বর্তমান
দম্পতি তানিয়া ফেরদৌস (বর্তমান)
সন্তান ছেলে নুজহাত ফেরদৌস ও মেয়ে নুজরান ফেরদৌস [১]
পুরস্কার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

ফেরদৌস আহমেদ (ইংরেজি: Ferdous Ahmed, জুন ৭, ১৯৭২)[২] বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে আবির্ভূত একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা। তাঁর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র বুকের ভিতর আগুন এটি পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ।[২] পাশাপাশি তিনি কলকাতার চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন নিয়মিত। মিট্টি নামে একটি বলিউড এর চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।[২] ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত হঠাৎ বৃষ্টি ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশপাশি তিনি মডেলিং, টিভি উপস্থাপনা ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পূরস্কার-এ ভূষিত করেছে। এগুলো হচ্ছে: হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৯) এবং গঙ্গাযাত্রা (২০০৯)।[২]

ফেরদৌস অভিনীত সফল চলচ্চিত্রের মধ্যে; হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৯), চুপি চুপি (২০০১), প্রেমের জ্বালা (২০০২), বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ ও চন্দ্রকথা (২০০৩), ফুলের মত বউ (২০০৪), দুই নয়নের আলো (২০০৬), খায়রুন সুন্দরী (২০০৭), বাবা আমার বাবা (২০০৯) এবং গোলাপী এখন বিলেতে ও গেরিলা (২০১০) অন্যতম।[১]

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (ঢাবি)

মডেলিং[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রে আসার আগে ফেরদৌস র‌্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেছেন ফ্যাশন সেক্টরে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলের হাত ধরে র‌্যাম্পে তার হাতেখড়ি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বড় বড় বেশ কিছু ফ্যাশন শোর র‌্যাম্পিংয়ে তিনি অংশ নেন।[১] সুন্দর মুখাবয়বের সংঙ্গে পুরুষালী দৈহিক কাঠামো তাকে দর্শপ্রিয় করে তুলেছে।

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

ফেরদৌস আহমেদ, চলচ্চিত্র জগতে পরিচিত পান ফেরদৌস হিসেবে। তাঁর চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে প্রয়াত নৃত্য পরিচালক আমির হোসেন বাবু'র হাত ধরে।[২] তখন আমির হোসেন বাবু পরিচালক হিসেবে নাচভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র নাচ ময়ূরী নাচ নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলেন। একসময় তিনি আকর্ষণীয় দৈহিক সৌষ্ঠবের অধিকারী ফেরদৌসকে আবিস্কার করেন। কিন্তু আমির হোসেন বাবু সেই ছবির কাজ আর শুরু করতে পারেননি।[২] প্রয়াত জননন্দিত অভিনেতা সালমান শাহের এর আকস্মিক মৃত্যুর করনে তার অভিনীত অসমাপ্ত একটি ছবিতে কাজ করতে ফেরদৌস প্রথম ক্যামেরার সামনে আসেন ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে, ছটকু আহমেদ পরিচালিত বুকের ভিতর আগুন ছবির মাধ্যমে। সালমান শাহের মৃত্যুর পর ছটকু আহমেদ ছবির গল্পে কিছুটা পরিবর্তন করে ফেরদৌসকে কাজ করার সুযোগ দেন।[২] এরপর ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে এককভাবে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অঞ্জন চৌধুরী পরিচালিত পৃথিবী আমারে চায় না ছবির মধ্য দিয়ে।[২] এরপর তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের চলচ্চিত্রকার বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার ছবি হঠাৎ বৃষ্টি ছবির মাধ্যমে।[২] এই ছবির অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[২] এরপর থেকে তিনি একাধারে বাংলাদেশভারতের বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। এছাড়াও মিট্টি নামের একটি বলিউড এর হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।[২]

বাসু চ্যাটার্জির পরিচালনায় চুপি চুপি (২০০১) ও টক ঝাল মিষ্টি (২০০২) ছবি দুটিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ২০০৩-এ ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদের চন্দ্রকথাআমজাদ হোসেনের নির্মিত কাল সকালে অভিনয় করেন। ২০০৪-এ অভিনয় করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নির্মিত ব্যাচেলর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্যের প্রথম চলচ্চিত্রায়ন মৌসুমী-গুলজার এর মেহের নেগার। এছাড়া, ২০০৫-এ মতিন রহমান পরিচালিত জাতীয় কবির সাহিত্যের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রায়ন রাক্ষুসী ছবিতেও তিনি জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী রোজিনার বিপরীতে চমৎকার অভিনয় করেছেন। একই বছর জনপ্রিয় অভিনেত্রী কবরী পরিচালিত প্রথম ছবি আয়না-তেও তিনি অভিনয় করেছেন।[১]

২০০৬-এ চলচ্চিত্রকার দিদারুল আলম বদলের প্রযোজনায় দুটি ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। প্রথমটি হুমায়ুন আহমেদ-এর জনপ্রিয় উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত চলচ্চিত্র নন্দিত নরকে, এটি পরিচালনা করেছেন বেলাল আহমেদ। দ্বিতীয়টি দিদারুল আলম বদলের নিজের পরিচালনায় না বোলনা, এটিতে তিনি প্রথম ও শেষ অংশে একটি বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ২০০৭-এ বহুল আলোচিত গ্রাম বাংলার পটভূমিতে নির্মিত খায়রুন সুন্দরী চলচ্চিত্র অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য লোভ করে, এটি পরিচালনা করেছেন এ কে সোহেল।

২০০৮-এ খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার আবু সাইয়িদ এর রূপান্তর চলচ্চিত্রে তিনি অসাধারণ অভিনয় করেন। ২০০৯-এ সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড এর গঙ্গাযাত্রা ছবিতে অভিনয় করে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন (যৌথভাবে চঞ্চল চৌধুরী'র সাথে মনপুরা ছবির জন্য) এবং ওয়াকিল আহমেদের কে আমি চলচ্চিত্রে একটি আইটেম গানে অভিনয় করেন।

২০১০ সালে তিনি বেশ কয়েকটি আলোচিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন. এর মধ্যে; খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন এর গোলাপী এখন বিলেতে, খিজির হায়াৎপরচালিত ক্রীড়া ভিত্তিক চলচ্চিত্র জাগো এবং নাসির উদ্দিন ইউসুফ এর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র গেরিলা অন্যতম। ২০১১ সালে প্রথম মুক্তি পায় মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত কুসুম কুসুম প্রেম এবং শাহীন-সুমন এর কে আপন কে পর ছবিতে বিশেষ অতিথি একটি গানে দৃশ্যে এবং ভারতীয় বাংলা ফাইটার ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ২০১২-এর খোকাবাবু নামের ভারতীয় ছবিতেও তিনি আছেন।

নিজের প্রথম প্রযোজনায় নির্মানাধীন আছে এক কাপ চা এটি পরিচালনা করছেন ইমতিয়াজ নেয়ামুল এবং দ্বিতীয়টি বাসু চ্যাটার্জি পরিচালনায় হঠাৎ সেদিন। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত এমনোতো প্রেম হয় এবং জাকির হোসেন রাজুযুগে যুগে তুমি আমারই ছবি দুটিতে তিনি চুক্তুবদ্ধ হয়েছেন।[৩][৪]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র ভূমিকা পরিচালক সহশিল্পী নোট
১৯৯৭ বুকের ভিতর আগুন আগুন ছটকু আহমেদ শাবনূর অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র
১৯৯৮ পৃথিবী আমারে চায়না অঞ্জন চৌধুরী স্নিগ্ধা
১৯৯৮ হঠাৎ বৃষ্টি অজিত চৌধুরী বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী বিজয়ী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
১৯৯৯ জবাবদিহি
২০০০ এই মন চায় যে...! মতিন রহমান শাবনূর
২০০০ আমাদের সংসার ঋতুপর্ণা
২০০০ হার জিত
২০০১ মিট্টি দেবা বলিউড এর চলচ্চিত্র
২০০১ চুপি চুপি বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী
২০০১ চুড়িওয়ালা শাহ আলম কিরণ ঋতুপর্ণা
২০০১ দাদাঠাকুর
২০০১ মাস্টার মশাই
২০০১ ওস্তাদ ঋতুপর্ণা
২০০১ সুয়োরানী দুয়োরানী ঋতুপর্ণা
২০০১ কেন ভালোবাসলাম রত্না
২০০২ স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সুব্রত সেন
২০০২ মধু পূর্ণিমা পূর্ণিমা
২০০২ বস্তির মেয়ে আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনূর
২০০২ জনম জনমের সাথী ঋতুপর্ণা
২০০২ ফুল আর পাথর
২০০২ প্রতিহিংসা
২০০২ প্রেম শক্তি
২০০২ সাঁঝবাতির রূপকথারা
২০০২ টক ঝাল মিষ্টি বাসু চ্যাটার্জি প্রিয়াঙ্কা ত্রিভেদী
২০০২ প্রেমের জ্বালা শাবনূর
২০০২ সন্তান যখন শত্রু রাজ্জাক পূর্ণিমা
২০০২ কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি মৌসুমী মৌসুমী
২০০২ যত প্রেম তত জ্বালা শাবনূর
২০০৩ সবার উপরে প্রেম শাবনূর, শাকিব খান
২০০৩ পরদেশী বাবু
২০০৩ মিস ডায়না মৌসুমী
২০০৩ চন্দ্রকথা হুমায়ুন আহমেদ মেহের আফরোজ শাওন
২০০৩ বৃষ্টি ভেজা আকাশ মৌসুমী
২০০৩ বউ-শাশুড়ির যুদ্ধ শাবনূর
২০০৩ ঘর জামাই শাহ আলম কিরণ শাবনূর
২০০৩ কাল সকালে আমজাদ হোসেন শাবনূরঅপু বিশ্বাস
২০০৪ অকৃতজ্ঞ ঋতুপর্ণা
২০০৪ দাদু নাম্বার ওয়ান
২০০৪ মন যাকে চায় ঋতুপর্ণা
২০০৪ প্রাণের স্বামী রচনা ব্যানার্জী
২০০৪ ব্যাচেলর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী শাবনূরঅপি করিম
২০০৪ সাগর কিনারে দেবশ্রী রায় ও ঋতুপর্ণা
২০০৪ তুমি বড় ভাগ্যবতী আবুল কালাম আজাদ শাবনূর
২০০৪ মেহের নেগার ইউসুফ মৌসুমী ও মুশফিকুর রহমান গুলজার মৌসুমী ও ইরিন নজরুল সাহিত্যের প্রথম চলচ্চিত্রায়ন
২০০৪ প্রাণের মানুষ আমজাদ হোসেন শাবনূর, ষাকিব খান
২০০৫ আমার শপ্ন তুমি আবুল কালাম আজাদ শাবনূর, শাকিব খান
২০০৫ ফুলের মত বউ আবুল কালাম আজাদ শাবনূর
২০০৫ ক্ষুদে যোদ্ধা পপি
২০০৫ রাক্ষুসী মতিন রহমান রোজিনাপূর্ণিমা নজরুল সাহিত্যের দ্বিতীয় চলচ্চিত্রায়ন
২০০৫ ঘরের লক্ষী আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনূর
২০০৬ খেয়া ঘাটের মাঝি শাবনূর
২০০৫ আয়না কবরী সোহানা সাবা
২০০৫ স্বামী নিয়ে যুদ্ধ আজাদী হাসনাত ফিরোজ শাবনুর
২০০৫ এক বুক জালা আজাদী হাসনাত ফিরোজ মৌসুমি, শাকিব খান
২০০৬ না বোলনা সজল দিদারুল আলম বাদল সুমনা সোমা
২০০৬ নন্দিত নরকে বেলাল আহমেদ সুমনা সোমা
২০০৬ দুই নয়নের আলো মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
২০০৬ বলোনা ভালোবাসি শাবনূরপূর্ণিমা
২০০৬ এ চোখে শুধু তুমি শাবনূর
২০০৭ খায়রুন সুন্দরী মৌসুমী
২০০৭ দজ্জাল শাশুড়ি শাবনূর
২০০৭ রানীকুঠির বাকী ইতিহাস সামিয়া জামান পপি
২০০৭ ওরে সাম্পানওয়ালা মৌসুমী
২০০৭ বাংলার বউ মৌসুমী
২০০৭ কারাগার কালাম কায়সার পপি
২০০৮ তুই জদে আমার হতি রে কালাম কায়সার মৌসুমি, শাকিব খান
২০০৮ আয়নাতে দুলাল দে মৌসুমী
২০০৮ গোলাপজান মৌসুমী
২০০৮ বিয়ের লগ্ন এফ এই মানিক রচনা ব্যানার্জী
২০০৮ বধূবরণ মৌসুমী
২০০৮ সোনার ময়না পাখি মৌসুমী
২০০৮ রূপান্তর আবু সায়ীদ শাকিবা
২০০৮ দজ্জাল শ্বাশুড়ি মৌসুমী
২০০৯ কে আমি: Who am I বিশেষ অতিথি (গানে) ওয়াকিল আহমেদ রিয়াজপূর্ণিমা
২০০৯ শুভ বিবাহ রাজীব দেবাশীষ বিশ্বাস অপু বিশ্বাস
২০০৯ গঙ্গাযাত্রা প্রকাশ পপি বিজয়ী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
২০০৯ বাবা আমার বাবা ইলিয়াস কাঞ্চন মৌসুমী
২০১০ ওপারে আকাশ পপি
২০১০ মায়ের স্বপ্ন ইলিয়াস কাঞ্চন পপি
২০১০ গোলাপী এখন বিলেতে আমজাদ হোসেন শাবনূর
২০১০ জাগো খিজির হায়াৎ আফসান আর বিন্দু
২০০১০ গেরিলা নাসির উদ্দিন ইউসুফ জয়া আহসান
২০১১ কুসুম কুসুম প্রেম হাশেম মুশফিকুর রহমান গুলজার মৌসুমী
২০১১ কে আপন কে পর বিশেষ অতিথি (গানে) শাহিন-সুমন অমিত হাসান ও অপু বিশ্বাস
২০১১ অবুঝ বউ নার্গিস আক্তার প্রিয়াঙ্কা
২০১১ ফাইটার রবি কিনাগী জিৎ,শ্রাবন্তী
২০১২ খোকাবাবু শংকার দাস ডি. শংকার দেব,শুভশ্রী
২০১২ খোলা হাওয়া অনুপ দাশ ঋতুপর্ণা
২০১২ এক কাপ চা ইমতিয়াজ নেয়ামুল মৌসুমীঋতুপর্ণা ফেরদৌস প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র
২০১২ হঠাৎ সেদিন বাসু চ্যাটার্জি ঋতুপর্ণা প্রযোজিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র
২০১২ পূত্র আমার পয়সাওয়ালা নার্গিস আক্তার পপি
২০১২ এমনোতো প্রেম হয় মোস্তাফিজুর রহমান মানিক শাবনূর
২০১২ যুগে যুগে তুমি আমারই জাকির হোসেন রাজু অপু বিশ্বাস, শাকিব খান
২০১২ ফিরে এসো আবার সাঈদুর রহমান সাঈদ পূর্ণিমা

প্রযোজক[সম্পাদনা]

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

টেলিভিশন উপস্থাপক[সম্পাদনা]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার[সম্পাদনা]

মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

২০১২ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারী মাসে বাংলানিউজ২৪ এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ফেরদৌস জানান কুয়াকাটা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে তিনি দুটি অবকাশযাপন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছেন। সেন্টমার্টিনের অবকাশযাপন কেন্দ্রটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের সাথে যৌথউদ্যোগে তাঁর মালিকানাধীন জমিতে তৈরী। একই সাক্ষাতকারে ফেরদৌস জানান হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তার প্রিয় অভিনেত্রী এবং তার সাথে একবার অভিনয় করার সুযোগ পেলে তিনি ধন্য হতেন ফেরদৌসের ব্যক্তিগত লাইফস্টাইল সম্পর্কে জানা যায় যে পোশাক আশাকের ক্ষেত্রে ট্রু রিলিজিওন, ডি অ্যান্ড জি, আরমানি, এক্সপ্রেশনস ও স্পাইকার ব্র্যান্ডের জিনস পছন্দ করেন। আরমানি, গুচির সাধারণ নকশার রংচটা ধরনের টি-শার্ট সব সময় পরেন ভাসাভি, নাবিলা, মান্যবর বা মানিশ মালহোত্রার বিশেষ নকশার পাঞ্জাবি যেমন পরেন। আবার পরিবেশ ভেদে সুতি বা খদ্দরের পাঞ্জাবিও পরে থাকেন। ফরমাল অনুষ্ঠানে প্রিন্স কোট বেছে নিচ্ছেন। কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে সানমুনের দূত।তিনি সানমুনের বাইরে আরমানি ও গুচির স্যুট-কোট পরেন। ফেরদৌসের রামিম রাজ নামের একজন নিজস্ব ডিজাইনার আছেন। ব্র্যান্ডের বাইরে বেশির ভাগ পোশাকের নকশা তিনি করে থাকেন। নাইকি, রিবোক ও অ্যাডিডাসের রং-বেরঙের স্নিকারস পরতে ভালোবাসেন। নটিকা, ইসে মিয়াকে, গুচি ও ব্ল্যাক ব্র্যান্ডের সুগন্ধি ঘুরে-ফিরে ব্যবহার করেন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]