এশিয়া কাপ
| এ নিবন্ধে যথেষ্ট সংখ্যায় বানান ভুল রয়েছে। অনুগ্রহ করে অভিধানের সহায়তা নিন, উইকিপিডিয়ায় বাংলা বানানের নিয়ম ও প্রয়োগবিধি জেনে নিন এবং নিবন্ধে ব্যবহৃত বিদেশী শব্দের প্রতিবর্ণীকরণের নিদের্শনা অনুসরণ করে বানান শুদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সহায়তা করুন। কোন বানান সম্বন্ধে দ্বিমত পোষণ করলে অনুগ্রহ করে বানান প্রকল্প পাতায় আলোচনা করুন। (নভেম্বর ২০১২) |
| এসিসি এশিয়া কাপ | |
|---|---|
এসিসি এশিয়া কাপের লোগো |
|
| ব্যবস্থাপক | এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল |
| খেলার ধরন | একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট |
| প্রথম টুর্নামেন্ট | ১৯৮৪ |
| শেষ টুর্নামেন্ট | ২০১২ এশিয়া কাপ |
| প্রতিযোগিতার ধরন | রাউন্ড-রবিন টুর্নামেন্ট |
| দলের সংখ্যা | এসিসি সদস্য রাষ্টসমূহ |
| বর্তমান চ্যাম্পিয়ন | |
| সর্বাধিক সফল | |
| সর্বাধিক রান | |
| সর্বাধিক উইকেট | |
এশিয়া কাপ হলো আন্তর্জাতিক একদিনের পুরুষ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালে যখন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এশিয়ান দেশ গুলোর সুনাম পরিমাপ করার জন্য প্রতিষ্ঠিত করেন। এটি প্রকৃত পক্ষে প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহ তে যেখানে কাউন্সিলের ভিত্তি ছিল ১৯৯৫ পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল নিয়ম করে দিয়েছে যে এশিয়া কাপের সকল খেলা অনুষ্ঠিত হবে অফিসিয়াল একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হিসেবে। ভারত এশিয়া কাপ জিতেছে সর্বোচ্ছ বার (পাঁচ) তার পরে আছে শ্রীলংকা (চার)। ভারত প্রতিটি এশিয়া কাপ এ অংশ গ্রহন করেছে ১৯৮৪ সাল থেকে।(ভারত বের হয়ে যায় শ্রীলংকার সাথে আন্তরিকতা হীন ক্রিকেটের কারনে।), ১৯৯৩ সালে (যখন এটি বাতিল হয়ে যায় ভারত ও পাকিস্তান এর মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে)। কিন্তু শ্রীলংকা এশিয়া কাপ শুরু থেকে অংশ গ্রহন করে আসছে। এসিসি ঘোষনা করেছে যে প্রতি দুই বছর পর পর টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ২০০৮ সাল থেকে।[৩]
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
১৯৮৪–১৯৮৮ [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: ১৯৮৪ এশিয়া কাপ, ১৯৮৬ এশিয়া কাপ, এবং ১৯৮৮ এশিয়া কাপ
এশিয়া কাপের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮৪ তে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহ শহরে, যা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের নতুন সদর দফতর। প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তান বনাম আইসিসির নতুন সদস্য শ্রীলংকার সাথে। টুর্নামেন্ট টি অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাউন্ড-রবিন টুর্নামেন্ট, খেলা হয়েছিল ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মধ্যে। ভারত এই টুর্নামেন্ট টি জয়ী হয়েছিল দুটি বিজয়ের সাথে।
১৯৮৬ সালের দ্বিতীয় পর্বের খেলার হোস্ট ছিল শ্রীলংকা, এটা ছিল প্রথম কোন বহুজাতিক ক্রিকেট সিরিজ যা সেখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ভারত সে টুর্নামেন্ট থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল শ্রীলংকার সাথে আগের বছরের বিতর্কিত সিরিজের হীন ক্রিকেট সম্পর্কের কারনে।[৪] বাংলাদেশ সেখানে প্রথমবার যোগ দিয়েছিল। ফাইনাল খেলায় শ্রীলংকা জয়ী হয়েছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে।
তৃতীয় পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশে ১৯৮৮ সালে, সেটি ছিল সেখানের প্রথম কোন বহুজাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। ফাইনালে ভারত শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলে ৬ উইকেটে জয়ী হয়েছিল, এবং দ্বিতীয় বারের মত এশিয়া কাপ জয় করে।
১৯৯০–৯১ – ১৯৯৭ [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: ১৯৯০–৯১ এশিয়া কাপ, ১৯৯৩ এশিয়া কাপ, ১৯৯৫ এশিয়া কাপ, এবং ১৯৯৭ এশিয়া কাপ
চতুর্থ পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ভারতে ১৯৯০-৯১ তে। পাকিস্তান সে টুর্নামেন্ট থেকে বের হয়ে গিয়েছিল ভারতের সাথে হীন রাজনৈতিক কারনে। ভারত টুর্নামেন্ট টি স্থগিত না করে শ্রীলংকার সাথে ফাইনালে খেলে কাপ বিজয়ী হয়েছে।
১৯৯৩ সালের টুর্নামেন্ট টি বাতিল হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের হীন রাজনৈতিক সম্পর্কের কারনে।
পঞ্চম পর্বের টুর্নামেন্ট টি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে, সিরিজটি ১১ বছর পর আবার শারজাহ তে ফিরিয়ে নেয়া হয়। কর্তব্যপনায়ণ খেলে পাকিস্ভাতানের চেয়ে ভাল রান নিয়ে ভারত ও শ্রীলংকা ফাইনালে পৌছে ছিল, যেখানে তিনটি দলের ই পয়েন্ট ছিল সমান। ধারাবাহিক ভাবে তৃতীয় বারের মত এশিয়া কাপ জয়ী হয় ফাইনালে ভারত শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলে।
ষষ্ঠ পর্বের টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় শ্রীলংকাতে ১৯৯৭ সালে। ফাইনালে শ্রীলংকা ৮ উইকেটে কাপ বিজয়ী হয় ভারতের বিপক্ষে খেলে, দ্বিতীয় বারের মত কাপ জয়ী হয়ে ভারতকে ধারাবাহিক কাপ বিজয় থেকে রুখে দেয়।
২০০০–২০১০ [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: ২০০০ এশিয়া কাপ, ২০০৪ এশিয়া কাপ, ২০০৮ এশিয়া কাপ, এবং ২০১০ এশিয়া কাপ
সপ্তম পর্বের টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয়বারের মত বাংলাদেশে ২০০০ সালে। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ফাইনাল খেলেছিল, যখন ভারত শুধু মাত্র একটি ম্যাচ জয়ী হয়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং প্রথম বারের মত ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ফাইনালে পাকিস্তান কাপ বিজয়ী হয়েছিল শ্রীলংকার বিপক্ষে, এবং প্রথমবার এশিয়া কাপ বিজয়ী হয়।
অষ্টম পর্বের টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০০ সালের সপ্তম পর্বের চার বছর পর আবার শ্রীলংকায়। সে সময় টুর্নামেন্ট ফরম্যাট পরিবর্তন করা হয়েছিল। অন্যান্য এশীয় দল যেমন ইউএই এবং হংকং অংশ নিয়েছিল প্রথমবারের মত, এবং টুর্নামেন্ট তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছিল- "গ্রুপ পর্যায়", "রাউন্ড-রবিন সুপার ফোর", এবং ফাইনাল। গ্রুপ পর্যায়টি তিনটি করে দল নিয়ে দুটি গ্রুপ গঠন করা হয়েছিল, প্রত্যেকে অপর গ্রুপের সাথে খেলেছিল। প্রতি গ্রুপ থেকে সেরা দুটি দল "সুপার ফোর" এর খেলার যোগ্য হয়েছিল, এখানেও একদল অন্য গ্রুপ এর দলের সাথে খেলেছে। "সুপার ফোর" এর সেরা দুটি দলই ফাইনালে খেলেছে। স্বাগতিক শ্রীলংকা, ভারত এবং ইউএই ছিল গ্রুপ এ তে, তারা খেলেছিল বি গ্রুপের আগের বারের চ্যাম্পিয়ান পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং হংকং এর বিপক্ষে।
শ্রীলংকা এবং পাকিস্তান প্রত্যাশিতভাবে নিজেদের গ্রুপ সেরা হয়, ইউএই এবং হংকং গ্রুপ থেকে বাদ পরে যায়। বাংলাদেশ বড় ধরনের কোন টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মত দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌছে যায়, কিস্তু সুপার ফোর এ খুবই দূর্বল খেলে বাদ পরে যায়। ভারত ও শ্রীলংকা সুপার ফোর এ সেরা হয়ে ফাইনালে পৌছে যায়। ফাইনালে শ্রীলংকা ২৫ রানে ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ বিজয়ী হয়।
নবম পর্বের এশিয়ান কাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তানে। আবার ২০০৪ সালের ফরম্যাট অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। টৃর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল ২৪শে জুন ২০০৮ এ এবং শেষ হয় ৬ই গুলাই ২০০৮ এ।[৫] শ্রীলংকা গ্রুপ এ থেকে সেরা হয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের সাথে খেলেছে। গ্রুপ বি তে ভারত গ্রুপ সেরা হয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেছে। শ্রীলংকা এবং ভারত "সুপার ফোর" এ সেরা হয়ে ফাইনালে পৌছে যায়। ফাইনালে শ্রীলংকা খুব সহজেই ভারতকে হারিয়ে চারবারের মত এশিয়া কাপ ট্রফি বিজয়ী হয়ে ভারতের সমান হয়ে যায়। সনথ জয়াসুরিয়া থেঁথলে দেয় তরিৎ ১১৪ বল থেকে ১২৫ রান বানিয়ে যখন শ্রীলংকা ধসে গিয়ে সংগ্রহ ছিল ৬৬/৪। শ্রীলংকার নতুন স্পিনার মাষ্টার অজন্তা মেন্ডিস, এর পরিসংখ্যান হলো ৬/১৩।
দশম পর্বের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল শ্রীলংকায়, যা ছিল এশিয়া কাপের চতুর্থ বারের মত স্বাগতিক দেশের মর্যাদা, সময়কাল ছিল ১৫-২৪ জুন ২০১০। এটাতে শুধু মাত্র চারটি টেষ্টের মর্যাদা পাওয়া রাষ্ট্র খেলেছে, এবং মাত্র সাতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (ফাইনাল সহ) শ্রীলংকা এবং ভারত গ্রুপ সেরা হয়ে ফাইনালে পৌঁছে যায়। ফাইনালে ভারত সহজেই শ্রীলংকাকে হারিয়ে পঞ্চম বারের মত এশিয়া কাপ বিজয়ী হয়, কিন্তু জয় পায় ১৫ বছর পর।[৬]
২০১২ [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: ২০১২ এশিয়া কাপ
একাদ্বশ তম পর্বের এশিয়া কাপ সম্প্রতি বাংলাদেশের ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১১ থেকে ২২ মার্চ ২০১২ পর্যন্ত। এটা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ তে চুরান্ত করেছিল।[৭] পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছিল, যা অনুষ্ঠিত হয় ২২ই মার্চ ২০১২ তে, যেখানে পাকিস্তান একটুর জন্য রোমাঞ্চকর ২ রানে বিজয়ী হয়। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৪ রান যখন ব্যাট করছিল নতুন একজন ব্যাটসম্যান, বাংলাদেশ নিয়েছিল এক রান, যার ফলে পাকিস্তানের কাছে হস্থান্তরিত হল এশিয়া কাপের ট্রফি সেই ২০০০ সালের প্রথম ট্রফির পরে। সর্বমোট ২ বার। প্রথম বারের মত টুর্নামেন্টের ইতিহাসে বাংলাদেশ ফাইনালে জায়গা করতে ভারত ও শ্রীলংকাকে হারিয়েছিল।[৮] ফাইনাল ম্যাচে , পাকিস্তান জয়ের জন্য সংগ্রহ করেছিল কষ্টসাধ্য ব্যাট করে এবং বাংলাদেশকে দিয়েছিল খুব ছোট টার্গেট ২৩৬ রান, যা ছিল মাত্র ২ রান বেশী।[৯][১০][১১][১২] পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে মিসবাহ উল হক ছিল এশিয়া কাপের দ্বিতীয় অধিনায়ক, প্রথমে ছিল মঈন খান। একটা আলাদা বিষয় বস্তু আছে পাকিস্তানি অধিনায়ক মিসবাহ উল হক এর যে সে স্বাভাবিক ভাবে উঠে দাড়াতে পারেন। এটা হলো পাকিস্তানের দ্বিতীয় বারের এশিয়া কাপ বিজয়। [১৩][১৪][১৫]
পরিসংখ্যানগত সারসংক্ষেপ [সম্পাদনা]
ফলাফল [সম্পাদনা]
দলের পারফরমেন্স [সম্পাদনা]
নিচের টেবিলে গত এশিয়া কাপ গুলোতে দলের ক্রিয়াকলাপ এর একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র প্রদান করা হলো।
| দল | উপস্থিত | শ্রেষ্ঠ ফলাফল | পরিসংখ্যান[১৬] | ||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| মোট | প্রথম | নতুন | অভিনীত | বিজয়ী | হার | Tie | NR | ||
| ৯ | ১৯৮৪ | ২০১২ | চ্যাম্পিয়নস (১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯০-৯১, ১৯৯৫, ২০১০) |
৩৯ | ২৪ | ১৪ | ০ | ১ | |
| ১০ | ১৯৮৪ | ২০১২ | চ্যাম্পিয়নস (১৯৮৬, ১৯৯৭, ২০০৪, ২০০৮) |
৪৩ | ২৯ | ১৪ | ০ | ০ | |
| ৯ | ১৯৮৪ | ২০১২ | চ্যাম্পিয়নস (২০০০) | ৩৪ | ২০ | ১৩ | ০ | ১ | |
| ৯ | ১৯৮৬ | ২০১২ | চূড়ান্ত প্রতিযোগীরা (২০১২) | ৩২ | ৪ | ২৮ | ০ | ০ | |
| ২ | ২০০৪ | ২০০৮ | প্রথম রাউন্ড (২০০৪, ২০০৮) | ৪ | ০ | ৪ | ০ | ০ | |
| ২ | ২০০৪ | ২০০৮ | প্রথম রাউন্ড (২০০৪, ২০০৮) | ৪ | ০ | ৪ | ০ | ০ | |
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Records / Asia Cup / Most runs
- ↑ Records / Asia Cup / Most wickets
- ↑ "Asia Cup to be held biennially"। Cricinfo। http://content-usa.cricinfo.com/ci/content/story/251057.html?CMP=OTC-RSS। সংগৃহীত 2006-06-22।
- ↑ "Asia Cup Cricket 2008 History"। Cricket Circle। http://www.cricketcircle.com/asia-cup-cricket-2008/asia-cup-cricket-2008-history.php।
- ↑ "Pakistan to host ninth Asia Cup"। Cricinfo। http://content-uk.cricinfo.com/pakistan/content/story/221836.html। সংগৃহীত 2005-10-13।
- ↑ [১] Smaylive:ndia defeat Sri Lanka to win Asia Cup
- ↑ "Asia Cup rescheduled"। ESPN Cricinfo। http://www.espncricinfo.com/ci/content/story/524481.html। সংগৃহীত 21 December 2011।
- ↑ "Bangladesh beat Sri Lanka to face Pakistan in Asia Cup final"। The Dawn। 22 March 2012। http://www.dawn.com/2012/03/20/bangladesh-beat-sri-lanka-to-face-pakistan-in-asia-cup-final.html। সংগৃহীত 22 March 2012।
- ↑ "Pakistan prevail over gutsy Bangladesh"। ESPNCricinfo। 22 March 2012। http://www.espncricinfo.com/asia-cup-2012/content/story/558267.html। সংগৃহীত 22 March 2012।
- ↑ "Cheema delivers to help Pakistan lift Asia Cup"। The Dawn। 22 March 2012। http://www.dawn.com/2012/03/22/cheema-delivers-to-help-pakistan-lift-asia-cup.html। সংগৃহীত 22 March 2012।
- ↑ "Pakistan clinch Asia Cup"। skysports.com। 22 March 2012। http://www.skysports.com/cricket/match_report/0,,11066_87489,00.html। সংগৃহীত 22 March 2012।
- ↑ "Asia Cup: Pakistan beat Bangladesh in thrilling final"। BBC Sports। 22 March 2012। http://www.bbc.co.uk/sport/0/cricket/17479746। সংগৃহীত 22 March 2012।
- ↑ "Pakistan wins 2nd Asia Cup title in 2-run thriller over Bangladesh"। Star Tribune। 22 March 2012। http://www.startribune.com/world/143862456.html। সংগৃহীত 23 March 2012।
- ↑ "Pakistan wins Asia Cup tournament in a nail biting final"। Asian Tribune। 22 March 2012। http://www.asiantribune.com/news/2012/03/22/pakistan-wins-asia-cup-tournament-nail-biting-final। সংগৃহীত 23 March 2012।
- ↑ "PPak edge Bangladesh to lift Asia Cup"। Oman Daily Observer। 22 March 2012। http://main.omanobserver.om/node/87903। সংগৃহীত 23 March 2012।
- ↑ "Statsguru"। Cricinfo। http://stats.cricinfo.com/statsguru/engine/stats/index.html?class=2;filter=advanced;orderby=won;template=results;trophy=14;type=team। সংগৃহীত 30 April 2009।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Asia Cup 2012 Schedule
- Asia Cup Cricket 2012 Live News
- Asia Cup Cricket 2010 Schedules – Yahoo! Cricket
- Asia Cup 2010 News Samaylive
- Ganguly backs Sachin's inclusion in Asia Cup
|
|||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||