২০১৯–২০ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০১৯–২০ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী
COVID-19 Outbreak World Map-Deaths.svg
নিশ্চিতভাবে মৃত্যুর সংখ্যার বৈশ্বিক মানচিত্র ( ০২ এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী):
  ন্যূনতম ১ জনের মৃত্যু
  এখনও কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় নি
COVID-19 Outbreak World Map.svg
নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের বৈশ্বিক মানচিত্র (০২ এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী):
  ১০,০০০+ নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত
  ১,০০০-৯৯৯৯ নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত
  ১০০-৯৯৯ নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত
  ১০-৯৯ নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত
  ১-১৫ নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত
Coronavirus patients at the Imam Khomeini Hospital in Tehran, Iran -- بخش ویژه بیماران کرونا در بیمارستان امام خمینی تهران -- March 1, 2020.jpg
2020 coronavirus task force.jpg
蔡總統視導33化學兵群 02.jpg
Emergenza coronavirus (49501382461).jpg
Dried pasta shelves empty in an Australian supermarket.jpg
(উপরে থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে)
  • ইরানের তেহরান হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা
  • তাইওয়ানের তাইপেই-এ জীবাণু প্রতিরোধী যানবাহন
  • আতঙ্ক সৃষ্টিতে অত্যাধিক কেনাকাটার কারণে অস্ট্রেলীয় একটি সুপারমার্কেটে খালি তাকগুলি
  • ইতালির মিলানে লিনেট বিমানবন্দর-এ স্বাস্থ্য পরীক্ষা
  • ইতালীয় সরকারের গঠিত প্রাদুর্ভাব কালীন কার্যনির্বাহী দল
রোগ২০১৯ সালের করোনাভাইরাসঘটিত ব্যাধি (COVID-19)
ভাইরাসের প্রজাতিগুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২ (SARS-CoV-2)
প্রথম সংক্রমণের ঘটনা১লা ডিসেম্বর ২০১৯[১][২](৪ মাস)
উৎপত্তিউহান নগরী, হুপেই প্রদেশ, চীন[৩]
নিশ্চিত ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি৯,৩৫,০০০+[৪]
সুস্থ হয়েছে১,৯৩,০০০+[৪]
মৃতের সংখ্যা
৪৭,২০০+[৪]
অঞ্চল
২০০+[৪]

২০১৯-২০২০ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী বলতে করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (কোভিড-১৯)-এর বিশ্বব্যাপী প্রাদুর্ভাব ও দ্রুত বিস্তারের চলমান ঘটনাটিকে নির্দেশ করা হয়েছে। ব্যাধিটি একটি ভাইরাসের কারণে সংঘটিত হয়, যার নাম গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২ (SARS-CoV-2)[৫] ব্যাধিটির প্রাদুর্ভাব প্রথমে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের হুপেই প্রদেশের উহান নগরীতে শনাক্ত করা হয়। ২০২০ সালের ১১ই মার্চ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যাধিটিকে একটি বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।[৬] ২০২০ সালের ২৯শে মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ১৯৯টিরও বেশি দেশ ও অধীনস্থ অঞ্চলে ৮,৬০,০০০ (ছয় লক্ষ আটষট্টি হাজার তিনশত)-এরও বেশি ব্যক্তি করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন বলে সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে। এদের মধ্যে ৪২ হাজার জনের বেশী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে এবং ১ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছে।[৪]

করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এ আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দেবার ফলে বাতাসে নিক্ষিপ্ত বহু লক্ষ অতিক্ষুদ্র শ্লেষ্মাকণা বাতাসে ভাসতে শুরু করলে নিকটবর্তী অপর কোনও ব্যক্তি সেই ভাইরাসযুক্ত বাতাস শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে তার দেহেও ভাইরাসটি সংক্রমিত হতে পারে।[৭][৮][৯][১০] সাধারণ শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণেও খুবই স্বল্প পরিমাণ ভাইরাস কণা বাতাসে ভাসতে পারে। এছাড়া ভাইরাস কণা টেবিলে বা অন্য কোনও পৃষ্ঠে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে কিংবা ভাইরাসযুক্ত হাত দিয়ে স্পর্শের মাধ্যমে পৃষ্ঠের উপাদানভেদে কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন লেগে থাকতে পারে, যেই পৃষ্ঠ আরেকজন ব্যক্তি স্পর্শ করে তারপরে নাকে, মুখে বা চোখে হাত দিলে ঐ ব্যক্তির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির মধ্য দিয়ে ভাইরাস দেহে প্রবেশ করতে পারে।[৯] যখন কোনও রোগী ব্যাধিটির লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ করা শুরু করে, তখনই এটি সবচেয়ে বেশী সংক্রামক থাকে, তবে লক্ষণ-উপসর্গ দেখা দেবার আগেও ব্যাধিটি সংক্রমণ হওয়া সম্ভব।[১১] ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হবার সময় থেকে লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পাবার গড় সময় সাধারণত পাঁচ দিন, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুই থেকে ১৪ দিন বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।[১০][১২] ব্যাধিটির সাধারণ লক্ষণ-উপসর্গগুলি হল জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট।[১০][১২] ব্যাধিটি জটিল রূপ ধারণ করলে প্রথমে ফুসফুস প্রদাহ (নিউমোনিয়া) হতে পারে এবং আরও গুরুতর রূপ ধারণ করলে তীব্র শ্বাসকষ্টমূলক রোগলক্ষণসমষ্টি প্রকাশ পেতে পারে, যাতে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই ব্যাধির জন্য কোনও প্রতিষেধক টীকা কিংবা বিশেষভাবে কার্যকর কোনও ভাইরাস নিরোধক ঔষধ এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত হয়নি। এই ব্যাধির চিকিৎসাতে মূলত উপসর্গসমূহের উপশম করা হয় এবং সহায়ক চিকিৎসা প্রদান করা হয়, যাতে রোগী নিজে থেকেই ধীরে ধীরে সেরে উঠতে পারে। ব্যাধিটি প্রতিরোধের জন্য অন্য ব্যক্তিদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশি দেবার সময় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মুখ ঢাকা, হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করা, পর্যবেক্ষণে রাখা এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আত্ম-পৃথকীকরণ (সঙ্গনিরোধ) করার পরামর্শ দেওয়া হয়।[৯][১০][১৩]

ভাইরাসটির বিস্তার প্রতিরোধের প্রচেষ্টাতে ভ্রমণের উপরে নিষেধাজ্ঞা, সঙ্গনিরোধ (কোয়ারেন্টিন), সান্ধ্য আইন (কারফিউ), অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া বা বাতিল করা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। যেমন হুপেই প্রদেশের সঙ্গনিরোধ, সমগ্র ইতালির সঙ্গনিরোধ, সীমান্ত বন্ধকরণ, বিদেশী পর্যটক ও অন্যান্য বিদেশীদের আগমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, চীনের অন্যান্য প্রদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়াতে কারফিউ, [১৪][১৫][১৬][১৭][১৮] বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনগুলিতে উপসর্গ ও দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষার ব্যবস্থা,[১৯] ব্যাপকভাবে আক্রান্ত অঞ্চলে ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কতামূলক বার্তা, ইত্যাদি।[২০] [২১][২২] [২৩][২৪] বিশ্বের প্রায় ১১৫টি দেশে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে জাতীয় কিংবা স্থানীয় পর্যায়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে প্রায় ১২০ কোটি ছাত্রছাত্রীর জীবনে এর প্রভাব পড়েছে।[২৫]

এই বৈশ্বিক মহামারীর কারণে সারা বিশ্বের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়েছে।[২৬] বহু ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বা বাতিল করা হয়েছে।[২৭] অনেক দেশে দ্রব্যের (যেমন খাদ্য বা ঔষধ) যোগানের স্বল্পতার ব্যাপারে ব্যাপক ভীতি থেকে আতঙ্কগ্রস্ত মানুষের কেনাকাটার হিড়িক লেগেছে।[২৮][২৯] ভাইরাসটিকে নিয়ে ভুল বা মিথ্যা তথ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব আন্তর্জাল বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।[৩০][৩১] এছাড়া চীন, পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জাতিবিদ্বেষ ও বিদেশীভীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।[৩২]

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে কর্তৃপক্ষের দ্বারা গৃহীত জরুরি পদক্ষেপ ও ব্যবস্থাসমূহ

সংক্রমণের শীর্ষ হ্রাস করলে, অর্থাৎ সংক্রমণের সংখ্যা দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তৃত করলে (মহামারী বক্ররেখা সমতলকরণ) রোগীদের সেবাপ্রদান স্বাস্থ্যব্যবস্থার ধারণক্ষমতার আয়ত্তে থাকে।[৩৩][৩৪]

যেহেতু ২০২১ সালের আগে করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এর কোনও টিকা সুলভ হবার সম্ভাবনা কম,[৩৫] সেহেতু এই রোগের বৈশ্বিক মহামারী আয়ত্তে রাখার একটি অন্যতম চাবিকাঠি হলো মহামারীর শীর্ষ (অর্থাৎ এক দিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের সংখ্যা) কমিয়ে আনা, যাকে "মহামারী বক্ররেখার সমতলকরণ" নাম দেওয়া হয়েছে; এজন্য নতুন সংক্রমণের হার হ্রাস করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।[৩৪] ভাইরাস সংক্রমণের হার কমাতে পারলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ধারণক্ষমতার উপর মাত্রাতিরিক্ত চাপের ঝুঁকি হ্রাস করা যায়, ফলে বর্তমান রোগীদের উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার অভাবজনিত কারণে মৃত্যু হ্রাস বা রোধ করা যায়, এবং এর পাশাপাশি টিকা বা নিরাময়ী ঔষধ উদ্ভাবনের আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় যাবৎ ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা আয়ত্তে রাখা যায়।[৩৪] এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরীক্ষণ, অন্তরণ, সঙ্গনিরোধ এবং অবরুদ্ধকরণের মতো পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

প্রায় সব দেশের সরকার জনগনকে ঘরেই অবরুদ্ধ থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। নিজে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখতে এটা মেনে চলা খুবই দরকার

পরীক্ষণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে করোনাভাইরাস মহামারীর বিস্তার রোধের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হল সংক্রামিত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করা ও সম্প্রদায় থেকে তাদেরকে অন্তরিত (বিচ্ছিন্ন) করা। এ কারণে যতদ্রুত সম্ভব একটি ব্যাপক ও নিবিড় পরীক্ষণ কর্মসূচি সম্পাদন করা অত্যাবশ্যক। এজন্য পরীক্ষণ সরঞ্জাম উৎপাদনকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে উৎপাদনের পরিমাণ বহুগুণে বাড়াতে হবে যেন বিশ্বের সিংহভাগ দেশে ঐসব সরঞ্জামের যে তীব্র ঘাটতি আছে, তা পূরণ করা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আদহানোম গেব্রিয়েসুস বলেন যে "সকল দেশের প্রতি আমরা একটিমাত্র সরল বার্তা জ্ঞাপন করছি - পরীক্ষা করুন, পরীক্ষা করুন, পরীক্ষা করুন।" তাঁর মতে "সকল দেশের সকল সন্দেহজনক [করোনাভাইরাসঘটিত] রোগ সংক্রমণ-ঘটনা পরীক্ষা করার সামর্থ্য থাকা উচিত। চোখে পট্টি বেঁধে অন্ধের মতো এই রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা সম্ভব নয়।" পরীক্ষণ ছাড়া সংক্রমিত ব্যক্তিদেরকে অন্তরণ বা বিচ্ছিন্নকরণ করা এবং এর সাহায্যে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভঙ্গ করা সম্ভব নয়। পরীক্ষণ, শনাক্তকরণ ও অন্তরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস মহামারীর বিস্তার রোধে সফলতার দেখা পাওয়া গেছে।[৩৬]

তবে অনেক দেশেই সীমিতভাবে কেবলমাত্র সন্দেহজনক ক্ষেত্রে বিদেশফেরত, বৃদ্ধ বা রোগগ্রস্ত ব্যক্তিদের পরীক্ষণ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং যেসব ব্যক্তিদের মৃদু উপসর্গ আছে বা কোনই উপসর্গ নেই, তাদেরকে পরীক্ষণে অংশগ্রহণ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর একটি কারণ হল বেশিরভাগ দেশেই ব্যাপক সংখ্যায় পরীক্ষণ করার সামর্থ্য অর্জন করেনি। দক্ষিণ কোরিয়া এক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম, কেননা তারা বর্তমান করোনাভাইরাস মহামারীর অনেক আগে থেকেই বেশ কয়েক বছর ধরে সাবধানতাবশত পরীক্ষণ সরঞ্জাম উৎপাদন ও গুদামজাত করে রেখেছিল (এর আগে সেখানে মার্স নামের ভাইরাসের আক্রমণ হয়েছিল বলে)।

অন্তরণ (আইসোলেশন)

যেসমস্ত ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে, তাদেরকে কোনও হাসপাতালে বা স্থাস্থ্যকেন্দ্রের বিশেষ বিভাগে আলাদা বা অন্তরণ (আইসোলেশন) করে রাখা হয়, যাতে তারা সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাইরাস ছড়াতে না পারে। অন্তরণ সম্পূর্ণ সফল হতে হলে কোনও সম্প্রদায়ের সবাইকে জোর করে সম্ভব হলে একাধিকবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হয়। যদি ব্যক্তিদের উপরে স্বেচ্ছায় পরীক্ষা জন্য এগিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়, তাহলে অন্তরণ পদক্ষেপটি সাধারণত সফল হয় না। ইতালির ভেনেতো অঞ্চলের কিছু ছোট শহরে (কয়েক হাজার বাসিন্দাবিশিষ্ট) অন্তরণ পদক্ষেপটি সফল হয়েছে।

সঙ্গনিরোধ (কোয়ারেন্টিন)

যেসমস্ত ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি, কিন্তু যাদের মধ্যে করোনাভাইরাস ব্যাধির একাধিক উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিশেষ ভবনে বা নিজ বাসভবনে সঙ্গনিরোধ (কোয়ারেন্টিন) অবস্থায় থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এখানে স্মরণীয় যে, দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি স্বল্প খরচে ও দ্রুত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা বিশ্বের সিংহভাগ দেশেই এখনও সুলভ নয়। এছাড়া নিরব বাহকদের কাছ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি বলে কেবল বিদেশফেরত বা করোনা-আক্রান্ত এলাকায় ভ্রমণজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ করোনাভাইরাসবাহী ব্যক্তির স্বেচ্ছায় বা আরোপিত সঙ্গনিরোধের ব্যবস্থা এককভাবে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে আদৌ যথেষ্ট কার্যকর কি না, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে।

অবরুদ্ধকরণ (লকডাউন)

যখন অন্তরণ ও সঙ্গনিরোধের ব্যবস্থাগুলি ব্যর্থ হয়, তখন সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সমগ্র দেশের উপর অবরুদ্ধকরণ (লকডাউন) ব্যবস্থা জারি ও বলবৎ করতে পারে। এক্ষেত্রে লোকদের বাসগৃহ থেকে বের হওয়া, পরিবহন ব্যবহার করা, কর্মস্থলে গমন করা, জনসমাগম হয় এমন স্থলে গমন করা, অত্যাবশ্যক নয় এমন সমস্ত কর্মকাণ্ড নির্বাহ করা, ইত্যাদির উপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। বিশ্বের অনেক দেশে যেমন, চীন, ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, ইত্যাদিতে সমগ্র দেশজুড়ে বা নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবরুদ্ধকরণের পদক্ষেপটি কার্যকর করা হয়েছে, তবে ততদিনে ঐসব দেশের বহু হাজার লোকের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রামিত হয়ে গিয়েছিল এবং অবরুদ্ধকরণের আগেই কয়েক শত রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।

উপসর্গহীন নিরব সংক্রমণ-বাহক অনুসন্ধান

মর্যাদাবাহী নেচারসায়েন্সসহ আরও কিছু গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত নির্ভরযোগ্য গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছে যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বিরাট অংশ (ক্ষেত্রভেদে প্রায় ৬০% বা তারও বেশি) কোনও উপসর্গই প্রকাশ করে না, এবং নিরবে ও নিজের অজান্তে রোগটি ছড়াতে থাকে। যেমন চীনে পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত হওয়া করোনাভাইরাসবাহী প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তিই কোনও উপসর্গ প্রকাশ করেনি।[৩৭] এছাড়া ইতালির ভেনেতো অঞ্চলের ভো শহরের সমস্ত অধিবাসীদের পরীক্ষা করে যে ৩% সংক্রমণের ঘটনা নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল, তাদের সিংহভাগই ছিল উপসর্গহীন নিরব বাহক।[৩৮] এই সব নিরব সংক্রমণ-বাহকেরা প্রতিনিয়ত নিজের অজান্তেই করোনাভাইরাস তাদের সম্প্রদায়ে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যা কিনা করোনাভাইরাস বিস্তারের অন্যতম প্রধান একটি নিয়ামক। এই তত্ত্বের স্বপক্ষে বিশ্বখ্যাত মর্যাদাবাহী সায়েন্স গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে যে, চীনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে যে সংক্রমণের ঘটনাগুলি হয়েছিল, তাদের ৮৬%-ই উপসর্গের অনুপস্থিতির কারণে নথিভুক্ত করা হয়নি। অথচ বিজ্ঞানীদের পরিসংখ্যানিক মডেলে বেরিয়ে এসেছে যে এই উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গের নথি-বহির্ভূত ব্যক্তিরাই চীনের ৭৯% সংক্রমণের ঘটনার জন্য দায়ী।[৩৯] যেসব ব্যক্তি উপসর্গহীন কিংবা বহুদিন যাবৎ ধীরে ধীরে মৃদু উপসর্গ প্রকাশ করেন, তাদের ঊর্ধ্ব শ্বাসপথে অর্থাৎ নাকে, মুখে ও গলায় অসংখ্য ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, এবং তারা খুব সহজেই অনিয়মিতভাবে ও কম সংখ্যায় হলেও হাঁচি-কাশি দিয়ে এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে নিজের অজান্তে আশেপাশে ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এই গুরুতর ব্যাপারটি সরকার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সাথে নেওয়া উচিত। গণমাধ্যমগুলিতে এই নিরব সংক্রমণ-বাহকদের ভূমিকা গুরুত্বের সাথে অবিরতভাবে প্রচার করা উচিত। প্রথমত বাইরের সমাজ ও গৃহের যেকোনও ব্যক্তির সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা উচিত। দ্বিতীয়ত সংক্রমণ-বাহক অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যতদ্রুত সম্ভব সম্ভাব্য উপসর্গহীন সংক্রমণ-বাহকদের খুঁজে বের করে তাদের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষণের পর নিশ্চিত হলে সেই উপসর্গহীন ব্যক্তিকে সমাজ থেকে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত অন্তরিত বা বিচ্ছিন্ন করে রাখা --- এগুলি নিরব সংক্রমণ-বাহকদের প্রতিহত করার একটি উপায়।[৪০] কিছু কিছু ব্রিটিশ চিকিৎসকের মতে যদি কোনও উপসর্গহীন ব্যক্তির একাধিক দিন যাবৎ ঘ্রাণ ও স্বাদের ক্ষমতা হ্রাস পায় বা একেবারে লোপ পায়, তাহলে তার দেহে অজান্তে করোনাভাইরাস উপস্থিত থাকতে পারে এবং সম্ভবত ৩০% বা তারও বেশী উপসর্গহীন ব্যক্তি এরূপ ঘ্রাণশক্তি লোপ জাতীয় উপসর্গ প্রকাশ করতে পারে।[৪১][৪২][৪৩]

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় (ব্যক্তি পর্যায়ে)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা কর্তৃক ইনফোগ্রাফিক, কীভাবে জীবাণুর বিস্তার বন্ধ করতে হবে তা বর্ণনা করা হয়েছে।
ভাইরাসের বিস্তার রোধে জনসচেতনতার প্রভাব।

সমগ্র দেশব্যাপী সমস্ত জনগণকে পরীক্ষণের সুযোগসুবিধার অনুপস্থিতিতে জনসচেতনতা, অন্তরণ, সঙ্গনিরোধ এমনকি অবরুদ্ধকরণের পরেও উপসর্গহীন (Asymptomatic) ভাইরাসবাহক ব্যক্তিদের কারণে নিরবে বহু সংখ্যক সংক্রমণ হবার ভয়াবহ ঝুঁকি থেকে যায়। তাই ব্যাপক ও দ্রুত করোনাভাইরাস পরীক্ষণের ব্যবস্থা অলভ্য থাকলে উপসর্গ বা লক্ষণের প্রকাশ না পেলেও সবাইকে ঘরে বসে অবরুদ্ধ অবস্থাতে এবং সীমিত চলাচল ও সামাজিক আন্তঃক্রিয়া সম্পাদনের সময়েও সমাজের প্রতিটি মানুষের সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করা, নাকে-মুখে-চোখে হাত না দেওয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা, ইত্যাদি পদ্ধতিগুলি অত্যন্ত সাবধানতার সাথে মেনে চলতে হবে।

সমাজের সাধারণ ব্যক্তি পর্যায়ে করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (কোভিড-১৯) তথা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলি নিচে তুলে ধরা হল। করোনাভাইরাস মানুষ-থেকে-মানুষে প্রধানত দুই প্রক্রিয়াতে ছড়াতে পারে। সংক্রমণের প্রথম প্রক্রিয়াটি দুই ধাপে ঘটে। প্রথম ধাপ: করোনাভাইরাস-সংক্রমিত ব্যক্তি ঘরের বাইরে গিয়ে মুখ না ঢেকে হাঁচি-কাশি দিলে করোনাভাইরাস তার আশেপাশের (১-২ মিটার পরিধির মধ্যে) বাতাসে কয়েক ঘণ্টা ভাসমান থাকতে পারে। দ্বিতীয় ধাপ: সেই করোনাভাইরাস কণাযুক্ত বাতাসে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করলে অন্য ব্যক্তিদের ফুসফুসেও শ্বাসনালী দিয়ে করোনাভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটিও কয়েক ধাপে ঘটে। প্রথম ধাপ: করোনাভাইরাস-সংক্রমিত ব্যক্তি যদি কাশি শিষ্টাচার না মানেন, তাহলে তার হাতে বা ব্যবহৃত বস্তুতে করোনাভাইরাস লেগে থাকবে। দ্বিতীয় ধাপ: এখন যদি উক্ত ব্যক্তি তার পরিবেশের কোথাও যেকোনও বস্তুর পৃষ্ঠতলে সেই করোনাভাইরাসযুক্ত হাত দিয়ে স্পর্শ করেন, তাহলে সেই পৃষ্ঠতলে করোনাভাইরাস পরবর্তী একাধিক দিন লেগে থাকতে পারে। তৃতীয় ধাপ: এখন যদি অন্য কোনও ব্যক্তি সেই করোনাভাইরাসযুক্ত পৃষ্ঠ হাত দিয়ে স্পর্শ করে, তাহলে ঐ নতুন ব্যক্তির হাতে করোনাভাইরাস লেগে যাবে। চতুর্থ ধাপ : হাতে লাগলেই করোনাভাইরাস দেহের ভেতরে বা ফুসফুসে সংক্রমিত হতে পারে না, তাই এখন নতুন ব্যক্তিটি যদি তার সদ্য-করোনাভাইরাসযুক্ত হাতটি দিয়ে নাকে, মুখে বা চোখে স্পর্শ করে, কেবল তখনই করোনাভাইরাস ঐসব এলাকার উন্মুক্ত শ্লেষ্মাঝিল্লী দিয়ে দেহের ভিতরে প্রবেশ করবে ও প্রথমে গলায় ও পরে ফুসফুসে বংশবিস্তার করা শুরু করবে। এজন্য উপরে লিখিত করোনাভাইরাস ছড়ানোর দুইটি প্রক্রিয়ার শুরুতেই এবং কিংবা ছড়ানোর প্রতিটি অন্তর্বতী ধাপেই যদি করোনাভাইরাসকে প্রতিহত করা যায়, তাহলে সফলভাবে এই ভাইরাস ও রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় আচরণের ব্যাপারে নিচের পরামর্শগুলি অবশ্যপাঠ্য।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা

তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং-ওয়েন করমর্দনের বদলে হাত ও মুঠো যোগ করে ঐতিহ্যবাহী অভিবাদন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন।

করোনাভাইরাস কোনও লক্ষণ-উপসর্গ ছাড়াই দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যেকোনও ব্যক্তির দেহে তার অজান্তেই বিদ্যমান থাকতে পারে। এরকম করোনাভাইরাস বহনকারী ব্যক্তি যদি কোনও কারণে হাঁচি বা কাশি দেন, তাহলে তার আশেপাশের বাতাসে ৩ থেকে ৬ ফুট দূরত্বের মধ্যে করোনাভাইরাসবাহী জলীয় কণা বাতাসে ভাসতে শুরু করে এবং ঐ পরিধির মধ্যে অবস্থিত অন্য যেকোনও ব্যক্তির দেহে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। এ কারণে জনসমাগম বেশি আছে, এরকম এলাকা অতি-আবশ্যক প্রয়োজন না হলে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে যাতে বাতাসে ভাসমান সম্ভাব্য করোনাভাইরাস কণা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ না করতে পারে।

হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্তকরণ

পরিবেশে অবস্থিত বিভিন্ন বস্তুতে করোনাভাইরাস লেগে থাকতে পারে, তাই এগুলি কেউ হাত দিয়ে স্পর্শ করলে তার হাতেও করোনাভাইরাস লেগে যেতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে করোনাভাইরাস কাঠ, প্লাস্টিক বা ধাতুর তৈরী বস্তুর পৃষ্ঠে গড়ে চার থেকে পাঁচ দিন লেগে থাকতে পারে। মানুষকে জীবনযাপনের প্রয়োজনে এগুলিকে প্রতিনিয়তই হাত দিয়ে স্পর্শ করতে হয়। তাই এগুলি স্পর্শ করার পরে হাত ভাল করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী। নিম্নলিখিত হাত স্পর্শ করার ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির ব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে হবে।

  • অন্য কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত বস্তু যা হাত দিয়ে ঘনঘন স্পর্শ করা হয়, যেমন মোবাইল ফোন (মুঠোফোন), ল্যাপটপ, ইত্যাদি নিজ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • বহুসংখ্যক ব্যক্তি স্পর্শ করে এমন যন্ত্র, যেমন এটিএম যন্ত্র (নগদ টাকা প্রদানকারী যন্ত্র) ও অন্য কোনও যন্ত্রের (যেমন দোকানের বা অন্য কোনও স্থানের ল্যাপটপ, কম্পিউটারের মনিটর) বোতাম, চাবি, কিবোর্ড ও হাতল হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • নিজ বাসগৃহের বাইরের যেকোনও আসবাবপত্র (চেয়ার, টেবিল, ইত্যাদি) হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • নিজ বাসগৃহের বাইরের যেকোনও কামরা বা যানবাহনের দরজার হাতল হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • কাগজের টাকা, ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, ইত্যাদি এবং এগুলি যেখানে রাখা হয়, যেমন ওয়ালেট বা পার্স ইত্যাদির অভ্যন্তরভাগ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • রেস্তোরাঁ বা অন্য যেকোনও খাবার বিক্রয়কারী দোকানের থালা-বাসন-বাটি-পাত্র বা বোতল-গেলাস হাত দিয়ে স্পর্শ করা। এইসব তৈজসপত্র বহু ব্যক্তি স্পর্শ করেন এবং এগুলিকে সবসময় সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে কি না, তা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
  • ঘরের বাইরে যেকোনও স্থানের হাত মোছার তোয়ালে বা রুমাল যা একাধিক ব্যক্তি স্পর্শ করে, সেগুলিকে হাত দিয়ে স্পর্শ করা।
  • ঘরের বাইরে রাস্তায় বা অন্যত্র কারও সাথে করমর্দন করা (হাত মেলানো) বা কোলাকুলি করা বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা।
হাত সঠিকভাবে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করার ভিডিও

উপরোক্ত ক্ষেত্রগুলিতে হাত দিয়ে স্পর্শের পরে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং যত ঘনঘন সম্ভব হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। নিম্নলিখিত হাত ধোয়ার পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে[৪৪]:

  • প্রথমে হাত কল থেকে পড়ন্ত পরিষ্কার পানিতে ভাল করে ভিজিয়ে নিতে হবে।[৪৪] গরম বা ঠাণ্ডা পানিতে কোনও পার্থক্য হয় না।[৪৫] বালতি বা পাত্রে রাখা পানিতে হাত না ভেজানো ভাল, কারণ সেটি পরিস্কার ও জীবাণুমুক্ত না-ও হতে পারে।[৪৫]
  • এর পর হাতে বিশেষ জীবাণুমুক্তকারক সাবান (সম্ভব না হলে সাধারণ সাবান) যথেষ্ট পরিমাণে প্রয়োগ করতে হবে ও ফেনা তুলে পুরো হাত ঘষতে হবে।[৪৪] সাবান জীবাণুকে হাত থেকে বের করে নিয়ে আসে।
  • হাতের প্রতিটি আঙুলে যেন সাবান লাগে, তা নিশ্চিত করতে হবে, এজন্য এক হাতের আঙুলের ফাঁকে আরেক হাতের আঙুল ঢুকিয়ে ঘষে কচলাতে হবে।[৪৪]
  • দুই হাতের বুড়ো আঙুল ও কবজিও সাবান দিয়ে ঘষা নিশ্চিত করতে হবে।[৪৬]
  • এক হাতের তালুর সাথে আরেক হাতুর তালু ঘষতে হবে এবং এক হাতের তালু দিয়ে আরেক হাতের পিঠও সম্পূর্ণ ঘষতে হবে।[৪৪]
  • প্রতিটি নখের নিচেও ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।[৪৪]
  • ঘড়ি, আংটি বা অন্য যেকোন হাতে পরিধেয় বস্তু খুলে সেগুলির নিচে অবস্থিত পৃষ্ঠও পরিষ্কার করতে হবে।
  • কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে, সম্ভব হলে ৩০ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় ধরে ফেনা তুলে ভাল করে হাত ঘষতে হবে।[৪৪] যত বেশীক্ষণ ধরে হাত ঘষবেন, হাত তত বেশী জীবাণুমুক্ত হবে।[৪৫]
  • পাত্রে রাখা স্থির পানিতে নয়, বরং পড়ন্ত পরিষ্কার পানির ধারাতে হাত রেখে ভাল করে হাত ধুয়ে সম্পূর্ণ সাবানমুক্ত করতে হবে।[৪৪] বেসিনে, গামলা, বালতি বা পাত্রে রাখা পানিতে হাত সাবানমুক্ত করলে হাতে পুনরায় জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে।[৪৫]
  • হাত ধোয়ার পরে তোয়ালে কিংবা রুমাল নয়, বরং একবার ব্যবহার্য কাগজের রুমাল দিয়ে সম্পূর্ণরূপে হাত শুকিয়ে নিতে হবে, কেননা গবেষণায় দেখা গেছে যে ভেজা হাতে জীবাণু ১০০ গুণ বেশী বংশবিস্তার করে।[৪৭] ভেজা হাতে খুব সহজেই জীবাণু পুনঃসংক্রমিত হতে পারে।[৪৫] একাধিক ব্যক্তির ব্যবহৃত তোয়ালে দিয়ে হাত শুকানো যাবে না, এবং একই তোয়ালে দিয়ে বারবার হাত শুকানো যাবে না, তাই একবার-ব্যবহার্য কাগজের রুমাল ব্যতীত অন্য যেকোনও ধরনের তোয়ালে বা রুমাল ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • হাত শুকানোর কাগজের রুমালটি দিয়ে ধরেই পানির কল বন্ধ করতে হবে এবং শৌচাগারের দরজার হাতল খুলতে হবে। পানির কল ও শৌচাগারের দরজার হাতলে ভাইরাস লেগে থাকতে পারে।এরপর কাগজের রুমালটি ঢাকনাযুক্ত বর্জ্যপাত্রে ফেলে দিতে হবে।
  • যেহেতু দিনে বহুবার হাত ধুতে হবে, তাই ত্বকের জন্য কোমল সাবান ব্যবহার করা শ্রেয়। বেশি করে সাবান লাগানোর কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে এবং এর ফলে ত্বকে অপেক্ষাকৃত সহজে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে।[৪৬]
  • সাবান-পানির ব্যবস্থা না থাকলে কমপক্ষে ৬০% অ্যালকোহলযুক্ত বিশেষ হাত জীবাণুমুক্তকারক দ্রবণ (হ্যান্ড স্যানিটাইজার) দিয়ে হাত কচলে ধুতে হবে। এক্ষেত্রেও কমপক্ষে যথেষ্ট পরিমাণ দ্রবণ হাতে প্রয়োগ করে ৩০ সেকেন্ড ধরে হাতের তালু, পিঠ, আঙুল, আঙুলের ফাঁক, আঙুলের মাথা, নখের তলা, সবকিছু ভাল করে ভিজিয়ে ঘষতে হবে, যতক্ষণ না সবটুকু দ্রবণ না শুকায়।[৪৮] তবে সুযোগ পেলেই নোংরা হাত সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া সবচেয়ে বেশী উত্তম।
  • যদি হাত-জীবাণুমুক্তকারক দ্রবণ ও সাবান উভয়েই লভ্য না থাকে বা সরবরাহ কম থাকে, কিংবা এগুলি যদি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না থাকে, তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ছাই, বালি বা কাদামাটি ও পানি দিয়ে একই পদ্ধতিতে ঘষে ঘষে হাত ধোয়া একটি ভালো বিকল্প।[৪৯] গবেষণায় দেখা গেছে যে ছাই বা কাদামাটি দিয়ে হাত ধোয়া ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার জীবাণুমুক্তকরণ ক্ষমতার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই।[৫০]

কখন হাত ধুতে হবে, তা জানার জন্য নিচের নির্দেশনাগুলি মনে রাখা জরুরি:

  • নাক ঝাড়ার পরে, কাশি বা হাঁচি দেবার পরে হাত ধোবেন।
  • যেকোনও জনসমাগমস্থল যার মধ্যে গণপরিবহন, বাজার কিংবা উপাসনাকেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত, সেগুলিতে পরিদর্শন করার পরেই হাত ধোবেন।
  • বাসা থেকে কর্মস্থলে পৌঁছাবার পর হাত ধোবেন।
  • কর্মস্থল থেকে বাসায় পৌঁছাবার পর হাত ধোবেন।
  • ঘরের বাইরের যেকোনও বস্তুর পৃষ্ঠতল হাত দিয়ে স্পর্শ করার পরে হাত ধোবেন। (উপরে হাত স্পর্শ করার ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রগুলি দেখুন)
  • যেকোনও রোগীর সেবা করার আগে, সেবা করার সময়ে বা তার পরে হাত ধোবেন।
  • খাবার আগে ও পরে হাত ধোবেন।
  • শৌচকার্য করার পরে হাত ধোবেন।
  • বর্জ্যপদার্থ ধরার পরে হাত ধোবেন।
  • পোষা প্রাণী বা অন্য যে কোনও প্রাণীকে স্পর্শ করার পরে হাত ধোবেন।
  • বাচ্চাদের ডায়পার (বিশেষ জাঙ্গিয়া) ধরার পরে বা বাচ্চাদের শৌচকার্যে সাহায্য করার পরে হাত ধোবেন।
  • হাত যদি দেখতে নোংরা মনে হয়, তাহলে সাথে সাথে হাত ধোবেন।
  • হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেন এক রোগী থেকে আরেক রোগী বা অন্য যেকোনও ব্যক্তির দেহে যেন করোনাভাইরাস সংক্রমিত হতে না পারে, সেজন্য সেখানে কর্মরত সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে নিম্নের ৫টি মুহূর্তে অবশ্যই হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে : রোগীকে স্পর্শ করার আগে, পরিষ্কারকরণ বা জীবাণুমুক্তকরণ পদ্ধতি প্রয়োগের আগে, রোগীর দেহজ রস বা তরল গায়ে লাগার সম্ভাবনা থাকলে ঠিক তার পরপর, রোগীকে স্পর্শ করার পর এবং রোগীর আশেপাশের পরিবেশ স্পর্শ করার পর।
  • হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করার সুব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ:
    • রেস্তোরাঁ, চা ও কফিঘর, দোকানপাট, বাজার, বিপণিবিতান, শপিং মল, ইত্যাদি সমস্ত স্থানে হাঁচি-কাশিতে মুখ ঢাকার জন্য ও ভেজা হাত শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে কাগজের রুমাল বা টিস্যু পেপারের ব্যবস্থা করতে হবে। হাত জীবাণুমুক্তকারক দ্রবণ (হ্যান্ড স্যানিটাইজারের) এবং/কিংবা সাবান-পানিতে হাত ধোবার ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যবহারের পর কাগজের রুমাল ফেলে দেবার জন্য (খোলা নয়, বরং) ঢাকনাযুক্ত বর্জ্যপাত্র বা বিনের ব্যবস্থা করতে হবে।
    • সম্ভব হলে ঘরের বাইরে যাতায়াত বা ভ্রমণের সময় সর্বদা হাত জীবাণুমুক্তকারকের বোতল ও কাগজের রুমাল (টিস্যু পেপার) সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে হবে।

নাক, মুখ ও চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ না করা

হংকং এর জনগন ফেসমাস্ক পরে আছেন

করোনাভাইরাস কেবলমাত্র নাক, মুখ, চোখের উন্মুক্ত শ্লেষ্মাঝিল্লী দিয়ে দেহে প্রবেশ করতে পারে। পরিবেশে উপস্থিত করোনাভাইরাস স্পর্শের মাধ্যমে হাতে লেগে থাকতে পারে। তাই আধোয়া জীবাণুযুক্ত হাতে কখনোই নাক, মুখ, চোখ স্পর্শ করা যাবে না। যদি একান্তই নাকে মুখে চোখে হাত দিতে হয়, তাহলে অবশ্যই হাত ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে তা করতে হবে, কিংবা কাগজের রুমাল ব্যবহার করে নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ করতে হবে। এজন্য সবসময় হাতের কাছে সাবান-পানি বা অ্যালোকোহলভিত্তিক হস্ত জীবাণুমুক্তকারক কিংবা কাগজের রুমালের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়মটি মেনে চলা অনেকের জন্য কঠিন হতে পারে। নাক, মুখ ও চোখে হাত দেওয়া খুবই সাধারণ ও স্বাভাবিক একটি ঘটনা এবং বহুদিনের অভ্যাসের বশে প্রায় সবাই কারণে-অকারণে এ কাজটি করে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে মানুষ ঘণ্টায় ২০ বারেরও বেশি মুখের বিভিন্ন অংশে হাত দিয়ে স্পর্শ করে। কিন্তু নিজদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হলে এই অভ্যাসের ব্যাপারে অনেক বেশী সচেতন হতে হবে। অনেকে মানসিক চাপের কারণে, গভীর চিন্তা করার সময়, অন্য কোনও অজ্ঞাত মানসিক কারণে কিংবা চুলকানির জন্য নাকে, মুখে, চোখে হাত দিয়ে থাকেন। তাই প্রথমে প্রতিটি ব্যক্তিকে নিজেকে বেশ কিছু সময় ধরে নিয়মিত আত্ম-পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে কোন্‌ কোন্‌ সময়ে বা কারণে সে নিজের নাক, চোখ বা মুখে হাত দিচ্ছে। কারণগুলি চিহ্নিত করার পর এবং এগুলি সম্বন্ধে সচেতন হবার পরে একে একে এগুলিকে দূর করার চেষ্টা করতে হবে এবং নাকে,মুখে, চোখে হাত দেয়ার মাত্রা যথাসর্বোচ্চ সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে।

পরিবেশ পরিষ্কার করে করোনাভাইরাস মুক্তকরণ

    • গৃহ ও কার্যালয়ে যেসব বস্তু অনেক বহিরাগত মানুষ হাত দিয়ে স্পর্শ করে, যেমন দরজার হাতল, কম্পিউটারের কিবোর্ড ও মনিটরের পর্দা, ল্যাপটপ কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, বা অন্য কোনও বহুল ব্যবহৃত আসবাব, ইত্যাদি নিয়মিতভাবে কিছু সময় পরপর জীবাণুনিরোধক স্প্রে বা দ্রবণ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
    • বাইরে থেকে আসার পর পরিধেয় পোষাক ও অন্যান্য বহুল ব্যবহৃত কাপড় যেমন-বিছানার চাদর, ইত্যাদি নিয়মিত ধুতে হবে।

করোনাভাইরাস-বহনকারী সম্ভাব্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে করণীয়

    • যে ব্যক্তির জ্বর, সর্দি, কাশি ও হাঁচি হচ্ছে, তার থেকে ন্যূনতম ৩ থেকে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, যাতে বাতাসে ভাসমান ভাইরাস কণা শ্বাসগ্রহণের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ না করে।
    • রাস্তায় ও যত্রতত্র থুতু ফেলা যাবে না, কেননা থুতু থেকে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
    • হাঁচি-কাশি দেওয়া ব্যক্তিকে অবশ্যই কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় অস্থায়ী কাগজের রুমাল বা টিস্যুপেপার দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখতে হবে এবং সেই কাগজের রুমাল সাথে সাথে বর্জ্যে ফেলে দিতে হবে। খালি হাত দিয়ে কাশি-হাঁচি ঢাকা যাবে না, কেন না এর ফলে হাতে জীবাণু লেগে যায় (হাত দিয়ে হাঁচি-কাশি ঢাকলে সাথে সাথে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে)। কাগজের রুমাল না থাকলে কনুইয়ের ভাঁজে বা কাপড়ের হাতার উপরের অংশে মুখ ঢেকে হাঁচি-কাশি দিতে হবে।
    • পরিচিত কারও করোনাভাইরাসের লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে সাথে সাথে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা জরুরী ফোনে যোগাযোগ করতে হবে যাতে তাকে দ্রুত পরীক্ষা করা যায় এবং প্রয়োজনে সঙ্গনিরোধ (কোয়ারেন্টাইন) করে রাখা যায়।

বিবিধ

    • রাস্তায় বা অন্যত্র অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুতকৃত ও পরিবেশনকৃত খাবার খাওয়া পরিহার করতে হবে, কারণে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুতকৃত ও অস্বাস্থ্যকর থালা-বাসন-বাটি-পাত্র বা গেলাসে পরিবেশনকৃত খাবার ও পানীয়ের মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে।
    • রাস্তায় চলাফেরার পথের ধারে উপস্থিত উন্মুক্ত বর্জ্য কিংবা হাসপাতাল ও অন্যত্র উপস্থিত চিকিৎসা বর্জ্যের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।
    • হাসপাতালে ও অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে অবশ্যই বিশেষ চিকিৎসা মুখোশ ও হাতমোজা পরিধান করতে হবে, যাতে ভাইরাস এক রোগী থেকে আরেক রোগীতে না ছড়ায়।

উদ্ভব ও ইতিহাস

লগারিদমিক স্কেলে বিভিন্ন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা

২০১৯ সালের শেষের দিকে উহান নগরীর হুয়ানান সামুদ্রিক খাদ্যের পাইকারি বাজারের দোকানদারদের মধ্যে প্রথম ভাইরাসটির সংক্রমণ ঘটে বলে ধারণা করা হয়।[৫১][৫২] বাজারটিতে সামুদ্রিক খাদ্যদ্রব্যের পাশাপাশি জীবন্ত বাদুড়, সাপ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী ও তাদের সদ্য জবাইকৃত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি হত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় যে হয়ত কোনও প্রাণীদেহ হতে করোনাভাইরাসটি বিবর্তিত হয়ে আরেকটি মধ্যবর্তী পোষক প্রাণীর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়েছে। চীনা সরকারি নথির বরাতে পাওয়া অন্য এক সূত্রমতে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন ৫৫ বছর বয়স্ক ব্যক্তি যিনি ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ সালে আক্রান্ত হন।[৫৩] পরের মাসের মধ্যে হুপেই প্রদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে উহানে অজানা কারণে আক্রান্ত নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে[৫৪] পরের মাসের শুরুতেই এ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু হয়।[৫৫] চীনা বিজ্ঞানীরা ২০২০ সালের ৭ই জানুয়ারি তারিখে এটিকে একটি নতুন ধরনের করোনাভাইরাস হিসেবে ঘোষণা দেন এবং এর বংশাণুসমগ্র বা জিনোমের তথ্যগুলি বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের কাছে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের কাছে বিতরণ করেন।

প্রথমদিকে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি সাড়ে সাতদিনে দ্বিগুণ হতে যেত।[৫৬] জানুয়ারি, ২০২০ এর শুরু এবং মাঝামাঝি দিকে ভাইরাস অন্যান্য চীনা প্রদেশেও পৌঁছে যায়। চীনা নববর্ষের কারণে এবং উহান চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হওয়ায় চীনের গুরুত্বপূর্ণ সকল স্থানে এ ভাইরাস পৌঁছে যায়।[৫৭] ২০ জানুয়ারি একদিনে চীন ১৪০ নতুন আক্রান্তের ঘটনা রেকর্ড করে। এর মধ্যে একজন বেইজিংয়ের এবং অপরজন শেনঝেন প্রদেশের।[৫৮] ২০ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় ৬,১৭৪ জন নতুন আক্রান্তের ঘটনা রেকর্ড হয় বলে জানা যায়।[৫৯]

৩০ জানুয়ারি ডব্লিউএইচও এই প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য উদ্বেগজনক জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে।[৬০] ২৪ ফেব্রুয়ারি এর পরিচালক টেড্রোস আধানম সতর্ক করেন এই বলে, এই ভাইরাস চীনের বাইরে আশঙ্কাজনকভাবে ক্রমবৃদ্ধিমান সংখ্যার কারণে বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত হতে পারে।[৬১]

১১ মার্চ ডব্লিউএইচও এই প্রাদুর্ভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সম্প্রদায়ে সঞ্চালন ঘটায় বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে।[৬] ১৩ মার্চ ডব্লিউএইচও ইউরোপকে এই ভাইরাসের নতুন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে। কারণ ইউরোপে চীন বাদে বিশ্বের অন্যান্য স্থানের চেয়ে অনেক বেশি আশঙ্কাজনক হারে এই রোগ ছড়ায়।[৬২] ১৬ মার্চ ২০২০ তারিখে চীনের মূল ভূখণ্ড বাদে সারা বিশ্বে আক্রান্তর সংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে যায়।[৬৩] ১৯ মার্চ ২০২০ (2020-03-19) অনুযায়ী, ২৪১,০০০ জন আক্রান্তের ঘটনা বিশ্বজুড়ে নথিবদ্ধ হয়েছে।; ৯,৯০০০ এরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে; এবং ৮৮,০০০ জন সুস্থ হয়েছে।[৬৪]

করোনাভাইরাস একই ধরনের অনেকগুলি ভাইরাসের একটি বৃহৎ পরিবার যা প্রাণী ও মানুষে সংক্রমিত হতে পারে। ২১শ শতকের আগ পর্যন্ত করোনাভাইরাসগুলি মানুষের দেহে সাধারণ সর্দি-কাশি ব্যতীত অন্য কোনও উপসর্গ বা রোগব্যাধি সৃষ্টি করত না। কিন্তু ২১শ শতকে এসে এ পর্যন্ত ৩টি নতুন ধরনের করোনাভাইরাসের উদ্ভব হয়েছে (সার্স, মার্স ও উহান করোনাভাইরাস) যেগুলি মানব সম্প্রদায়ে ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে প্রাণঘাতী আকার ধারণ করার ঝুঁকি বহন করে।[৬৫]

উহান করোনাভাইরাসটির বংশাণুসমগ্রের অনুক্রম (জিনোম সিকোয়েন্স) ও সার্স করোনাভাইরাসের বংশাণুসমগ্রের অনুক্রমের মধ্যে প্রায় ৭০% মিল পাওয়া গেছে। এর আগে ২০০২ সালেও চীনদেশেই একই ধরনের জীবন্ত প্রাণী বিক্রির বাজার থেকে ("গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস"; "Severe Acute Respiratory Syndrome-related Coronavirus", সংক্ষেপে SARS‐CoV) সার্স করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, প্রাদুর্ভাব ও বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটেছিল। বিশ্বের ৩০টি দেশে সার্স ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে, এতে ৮৪৩৭ জন ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত হয় এবং ৮১৩ জনের মৃত্যু হয়।[৬৬] এর ১০ বছর পরে ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব থেকে মার্স (মধ্যপ্রাচ্যীয় শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস; "Middle Eastern Respiratory Syndrome-related Coronavirus", সংক্ষেপে MERS‐CoV) নামের আরেকটি বিপজ্জনক প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস উট থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়েছিল। ভাইরাসটি ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে, এতে ২৪৯৪ জন নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত হয় এবং এদের মধ্যে ৮৫৮ জনের মৃত্যু হয়।[৬৬]

Countries and territories[ক] আক্রান্ত[খ] মৃত্যু[গ] সুস্থ[ঘ] সূত্র
২১৬ 741,030 35,114 156,838 [৬৮]
যুক্তরাষ্ট্র[ঙ] ২,৪৫,১৭৫ ৬,০৫৯ ১০,৪০৩ [৬৯][৭০]
ইতালি[চ] ১১৫,২৪২ ১৩,৯১৫ ১৮,২৭৮ [৭৩]
স্পেন[ছ] ১১২,০৬৫ ১০,৩৪৮ ২৬,৭৪৩ [৭৪]
জার্মানি[জ] ৮৪,৭৮৯ ১,১০৯ ১৩,৫৯৭ [৭৬][৭৫]
China (mainland)[ঝ] ৮১,৬২০ ৩,৩২২ ৭৬,৫৭১ [৭৭]
ফ্রান্স‌[ঞ] ৫৮,৪৪১ ৫,৩৮০ ১০,৯৩৫ [৭৮][৭৯]
ইরান[ট] ৫০,৪৬৮ ৩,১৬০ ১৬,৭১১ [৮০]
যুক্তরাজ্য[ঠ] ৩৩,৭১৮ ২,৯২১ ১৯১ [৮১]
সুইজারল্যান্ড ১৮,৮২৩ ৫৪১ ৪,৮৪৬ [৮২]
তুরস্ক ১৮,১৩৫ ৩৫৬ ৪১৫ [৮৩][৮৪]
বেলজিয়াম ১৫,৩৪৮ ১,০১১ ২,৪৯৫ [৮৫]
নেদারল্যান্ডস[ড] ১৪,৬৯৭ ১,৩৩৯ [৮৬]
কানাডা ১১,২৬৮ ১৩৮ ১,৯৭১ [৮৭]
অস্ট্রিয়া ১১,১২৯ ১৫৮ ১,৭৪৯ [৮৮][৮৯]
দক্ষিণ কোরিয়া‌ ১০,০৬২ ১৭৪ ৬,০২১ [৯০]
পর্তুগাল ৯,০৩৪ ২০৯ ৬৮ [৯১]
ব্রাজিল ৮,০৬৬ ৩২৭ ১২৭ [৯২][৯৩]
ইসরায়েল ৬,৮০৮ ৩৩ ২৪১ [৯৪]
সুইডেন[ঢ] ৫,৫৬৮ ৩০৮ ১০৩ [৯৫]
অস্ট্রেলিয়া[ণ] ৫,৩১৫ ২৮ ৪২২ [৯৬][৯৭]
নরওয়ে[ত] ৫,১৪২ ৫০ [৯৮]
চেক প্রজাতন্ত্র ৩,৮৫৮ ৪৪ ৬৭ [৯৯]
আয়ারল্যান্ড ৩,৮৪৯ ৯৮ ১০ [১০০]
রাশিয়া[থ] ৩,৫৪৮ ৩০ ২৩৫ [১০১]
চিলি ৩,৪০৪ ১৮ ৩৭৩ [১০২]
ডেনমার্ক[দ] ৩,৩৮৬ ১২৩ ১,০৮৯ [১০৩]
ইকুয়েডর ৩,১৬৩ ১২০ ৬৫ [১০৪]
মালয়েশিয়া ৩,১১৬ ৫০ ৭৬৭ [১০৫][১০৬]
পোল্যান্ড ২,৯৪৬ ৫৭ ৫৬ [১০৭][৯২]
রোমানিয়া ২,৭৩৮ ১১৫ ২৬৭ [১০৮][১০৯]
ফিলিপিন্স ২,৬৩৩ ১০৭ ৫১ [১১০][১১১]
জাপান ২,৫৫৬ ৬৩ ৪৭২ [১১২]
লুক্সেমবুর্গ ২,৪৮৭ ৩০ ৮০ [১১৩][৯২]
পাকিস্তান ২,৩৮৬ ৩৩ ১০৭ [১১৪]
ভারত‌ ২,৩০১ ৫৬ ১৫৭ [১১৫]
সৌদি আরব ১,৮৮৫ ২১ ৩২৮ [১১৬]
থাইল্যান্ড ১,৮৭৫ ১৫ ৫০৫ [১১৭]
ইন্দোনেশিয়া ১,৭৯০ ১৭০ ১১২ [১১৮]
ফিনল্যান্ড[ধ] ১,৫১৩ ১৭ [১১৯][১২০]
গ্রিস ১,৪১৫ ৫৩ ৫৩ [১২১][১২২]
দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৪৬২ ৩১ [১২৩]
পেরু ১,৪১৪ ৫৫ ৫৩৭ [৬৯][১২৪]
ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ১,৩৮০ ৬০ ১৬ [১২৫]
মেক্সিকো ১,৩৭৮ ৩৭ ৩৫ [১২৬][৯২]
পানামা ১,৩১৭ ৩২ [১২৭][১২৮]
আইসল্যান্ড‌ ১,৩১৯ ২৮৪ [১২৯]
সার্বিয়া[ন] ১,১৭১ ৩১ ৫৪ [১৩১][৬৯]
কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫ [১৩২]
আর্জেন্টিনা ১,১৩৩ ৩২ ২৪০ [৯২][১৩৩]
সিঙ্গাপুর ১,০৪৯ ২৬৬ [১৩৪][১৩৫]
আরব আমিরাত ১,০২৪ ৯৬ [১৩৬][১৩৭]
ক্রোয়েশিয়া ১,০১১ ৮৮ [১৩৮]
Flag of Algeria.svg আলজেরিয়া ৯৮৬ ৮৬ ৬১ [১৩৯]
ইউক্রেন[প] ৮৯৭ ২২ ১৯ [১৪০]
স্লোভেনিয়া ৮৯৭ ১৬ ১০ [১৪১]
এস্তোনিয়ায় ৮৫৮ ১১ ৩৩ [১৪২]
কাতার ৮৩৫ ৭১ [১৪৩]
হংকং ৮০২ ১৫৪ [১৪৪]
মিশর[ফ] ৮৫০ ৫২ ১৭৯ [১৪৫][১৪৬]
ইরাক‌ ৭৭২ ৫৪ ২০২ [১৪৭]
নিউজিল্যান্ড ৭৭২ ১০৩ [১৪৮]
ডায়ামন্ড প্রিন্সেস[ব] ৭১২ ১২ ৬১৯ [১৪৯]
মরক্কো ৭০৮ ৪৪ ৩১ [১৫০]
লিথুনিয়া ৬৯৬ [১৫১]
আর্মেনিয়া ৬৬৩ ৩১ [১৫২]
বাহরাইন ৬৪৩ ৩৮১ [১৫৩]
হাঙ্গেরি‌ ৫৮৫ ২০ ৪২ [১৫৪]
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫৩৩ ১৬ ২০ [১৫৫]
মলদোভা ৫০৫ ২৫ [১৫৬]
লেবানন ৪৯৪ ১৬ ৪৩ [১৫৭]
লাটভিয়া ৪৫৮ [৯২][১৫৮]
তিউনিসিয়া ৪৫৫ ১৪ [১৫৯]
বুলগেরিয়া ৪৪৯ ১০ ২০ [১৬০]
অ্যান্ডোরা ৪২৮ ১৫ ১৪ [১৬১]
কাজাখাস্তান ৪২৩ ২৭ [১৬২]
আজারবাইজান ৪০০ ২৬ [১৬৩][১৬৪]
স্লোভাকিয়া ৪০০ [১৬৫][১৬৬]
কোস্টারিকা‌ ৩৯৬ [১৬৭]
উত্তর মেসিডোনিয়া ৩৮৪ ১১ ১৭ [১৬৮][১৬৯]
উরুগুয়ে‌ ৩৫০ ৬২ [১৭০]
তাইওয়ান ৩৩৯ ৫০ [১৭১][১৭২]
কুয়েত ৩১৭ ৮০ [১৭৩]
সাইপ্রাস[ভ] ৩১৫ ১৮ [১৭৪]
Réunion[ম] ৩০৮ ৪৮ [১৭৫][৭৯]
ক্যামেরুন ৩০৬ ১০ [৯২][১৭৬]
বেলারুশ ৩০৪ ৪৬ [১৭৭]
জর্ডান ২৯৯ ৪৫ [১৭৮]
বুরকিনা ফ্যাসো ২৮৮ ১৬ ৫০ [১৭৯]
Puerto Rico ২৮৬ ১১ [৭০]
আলবেনিয়া ২৭৭ ১৬ ৭৬ [১৮০]
আফগানিস্তান ২৭৩ ১০ [৯২][১৮১]
সান মারিনো‌ ২৪৫ ৩০ ২১ [১৮২]
কিউবা[য] ২৩৩ ১৩ [১৮৩]
ওমান ২৩১ ৫৭ [১৮৪]
ভিয়েতনাম ২২৭ ৭৫ [১৮৫]
হন্ডুরাস ২১৯ ১৪ [১৮৬]
উজবেকিস্তান ২০৫ ২৫ [১৮৭]
ঘানা ২০৪ ৩১ [১৮৮]
মাল্টা ১৯৫ [১৮৯][১৯০]
সেনেগাল ১৯৫ ৫৫ [১৯১]
আইভরি কোস্ট ১৯৪ [৬৯]
নাইজেরিয়ায় ১৮৪ ২০ [১৯২]
Faroe Islands ১৭৭ ৮১ [১৯৩]
মৌরিতাস ১৬৯ [১৯৪]
ফিলিস্তিন ১৫৫ ১৮ [১৯৫]
শ্রীলংকা ১৫১ ২১ [১৯৬]
ভেনেজুয়েলা ১৪৪ ৪৩ [১৯৭]
মন্টেনিগ্রো ১৪০ [১৯৮][১৯৯]
গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গো ১৩৪ ১৩ [২০০]
জর্জিয়া[র] ১৩৪ ২৬ [২০১]
ব্রুনেই ১৩৩ ৫৬ [২০২]
Martinique ১৩১ ২৭ [২০৩]
কসভো[ল] ১২৫ ১০ [২০৪][২০৫]
Guadeloupe ১২৫ ২৪ [২০৬]
বলিভিয়া ১২৩ [২০৭]
কিরগিজিস্তান ১১৬ [২০৮][২০৯]
Mayotte ১১৬ ১০ [২১০]
কম্বোডিয়ায় ১১৪ ৩৫ [২১১]
কেনিয়া ১১০ [২১২]
গার্নসি ৯৭ [২১৩]
জার্সি (দ্বীপপুঞ্জ) ৯৬ [২১৪]
আইল অফ ম্যান ৯৫ [২১৫]
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৯০ [২১৬]
Gibraltar ৮৮ ৪২ [২১৭]
রুয়ান্ডা ৮৪ [৬৯]
Guam ৮২ [২১৮]
উত্তর সাইপ্রাস ৭৭ ২৯ [২১৯]
প্যারাগুয়ে ৭৭ [২২০][৯২]
নাইজার ৭৪ [২২১]
লিশটেনস্টাইন ৭২ [২২২]
Aruba ৬০ [২২৩]
মাদাগাস্কার ৫৯ [৬৯]
বাংলাদেশ ৫৬ ২৬ [২২৪]
মোনাকো ৫৫ [২২৫]
গিনি ৫২ [৬৯]
French Guiana[শ] ৫১ [২২৬][৭৯]
জ্যামাইকায় ৪৭ [২২৭][২২৮]
বার্বাডোজ ৪৬ [২২৯]
গুয়েতমালা ৪৬ ১২ [২৩০]
উগান্ডা ৪৫ [২৩১]
এল সালভাদোর ৪১ [২৩২]
ম্যাকাও ৪১ ১০ [২৩৩]
জিবুতি ৪০ [৬৯]
টোগো ৩৯ ১৭ [২৩৪]
জাম্বিয়া ৩৯ [৬৯]
French Polynesia ৩৭ [২৩৫][২৩৬]
U.S. Virgin Islands ৩৭ ২১ [২৩৭]
মালি ৩৬ [২৩৮]
Bermuda ৩৫ ১১ [২৩৯]
ইথিওপিয়া‌ ২৯ [২৪০][২৪১]
Cayman Islands ২৮ [২৪২]
বাহামায় ২৪ [২৪৩]
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ২২ [৬৯]
ইরিত্রিয়া ২২ [২৪৪]
Saint Martin ২২ [২৪৫]
তাঞ্জানিয়া ২০ [৬৯]
গায়ানা ১৯ [২৪৬]
মালদ্বীপ ১৯ ১৩ [২৪৭]
গ্যাবন ১৮ [৬৯][২৪৮]
New Caledonia ১৮ [২৪৯]
মিয়ানমার ১৬ [২৫০]
Sint Maarten ১৬ [২৫১][২৫২]
সিরিয়া ১৬ [২৫৩]
বিষুবীয় গিনি ১৫ [২৫৪]
হাইতি ১৫ [২৫৫][২৫৬]
মঙ্গোলিয়া ১৪ [২৫৭]
নামিবিয়া ১৪ [২৫৮][২৫৯]
বেনিন ১৩ [২৬০]
সেন্ট লুসিয়া‌ ১৩ [২৬১]
ডোমিনিকা ১২ [২৬২]
Curaçao ১১ [২৬৩]
MS Zaandam & Rotterdam[ষ] ১১ [২৬৪][২৬৫]
Greenland ১০ [২৬৬]
গ্রেনাডা ১০ [২৬৭]
লিবিয়া ১০ [২৬৮]
মোজাম্বিক ১০ [২৬৯]
সেশেল ১০ [২৭০]
সুরিনাম ১০ [২৭১]
অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা [২৭২]
এসোয়াতিনি [২৭৩][৬৯]
লাওস [২৭৪]
গিনি-বিসাউ [২৭৫]
Åland Islands [২৭৬]
অ্যাঙ্গোলা [২৭৭][২৭৮]
Northern Mariana Islands [২৭৯][২৮০]
সেন্ট কিটস ও নেভিস [২৮১]
জিম্বাবুয়ে [২৮২]
চাদ [২৮৩]
ফিজি [২৮৪]
সুদান [২৮৫][২৮৬]
Akrotiri and Dhekelia [২৮৭]
কাবু ভের্দি [২৮৮]
লাইবেরিয়া [২৮৯]
মৌরিতানিয়া [২৯০]
ভ্যাটিকান সিটি [২৯১]
Saint Barthélemy [২৪৫]
নেপাল [২৯২]
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র [২৯৩]
ভুটান [২৯৪]
Montserrat [২৯৫]
Turks and Caicos Islands [২৯৬]
গাম্বিয়া [২৯৭]
নিকারাগুয়া [২৯৮]
Botswana [২৯৯]
Anguilla [৩০০]
বেলিজ [৩০১]
British Virgin Islands [৩০২]
Burundi [৩০৩]
সোমালিয়া[স] [৩০৪]
Malawi [৩০৫]
Sint Eustatius [৩০৬]
Somaliland [৩০৭][৩০৮]
সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডিন [৩০৯][৩১০]
Sierra Leone [৩১১]
পূর্ব তিমুর [৩১২]
পাপুয়া নিউ গিনি [৩১৩]
৩ এপ্রিল ২০২০ (সাসস) অনুসারে
Notes
  1. Countries and territories, and two international conveyances where cases were diagnosed. Nationality and location of original infection may vary. In some countries, the cases cover several territories, as noted accordingly.
  2. Cumulative confirmed cases reported to date. The actual number of infections and cases are likely to be higher than reported.[৬৭]
  3. Total deaths may not necessarily add up due to the frequency of values updating for each individual location.
  4. Recovered cases. All recoveries may not be reported. Total recoveries may not necessarily add up due to the frequency of values updating for each individual location. "–" denotes that no reliable data is currently available for that territory, not that the value is zero.
  5. United StatesA
  6. Italy
    Only at-risk people showing symptoms have been tested from 27 February 2020 and onwards.[৭১][৭২]
  7. SpainA
  8. Germany
    Not all state authorities count recoveries.[৭৫]
  9. ChinaA
  10. FranceA
  11. IranA
  12. United Kingdom
    Excluding all British Overseas Territories and Crown dependencies.
  13. NetherlandsA
  14. Sweden
    Testing of suspected infections has been cut back in the whole country in the period around 12 March 2020, in order to focus efforts on people with increased risk of serious illness and complications.
  15. Australia
    Excluding the cases from ডায়ামন্ড প্রিন্সেস cruise ship which are classified as "on an international conveyance". Ten cases, including one fatality recorded by the Australian government.
  16. NorwayA
  17. RussiaA
  18. DenmarkA
  19. FinlandA
  20. Serbia
    Excluding কসভো.[১৩০]
  21. Ukraine
    Excluding cases from the disputed Crimea, which was annexed by Russia in 2014 but remains internationally recognized as being under Ukrainian sovereignty. Because the Russian authorities are tabulating cases from Crimea, they are included in the Russian total. Also excluding cases from the unrecognized Donetsk and Lugansk People's Republics.
  22. Egypt
    Includes cases identified on the MS River Anuket.
  23. Diamond Princess
    The British cruise ship ডায়ামন্ড প্রিন্সেস was in Japanese waters, and Japanese administration was asked to manage its quarantine, with the passengers having not entered Japan. Therefore, this case is neither included in the Japanese government's official count nor in United Kingdom's one. The World Health Organization classifies the cases as being located "on an international conveyance".
  24. Cyprus
    Excluding Akrotiri and Dhekelia and উত্তর সাইপ্রাস.
  25. Réunion
    Recoveries only includes hospitalised cases.
  26. Cuba
    Includes cases on the MS Braemar.
  27. Georgia
    Including the de facto sovereign state of Abkhazia (1 Case).
  28. KosovoA
  29. French Guiana
    Recoveries only includes hospitalised cases.
  30. MS Zaandam and RotterdamA
  31. Somalia
    Excluding the de facto state of Somaliland.

রেখাচিত্র

শনাক্তকরণ, উপসর্গ ও নিরাময়

মানবদেহে কোভিড-১৯ এর লক্ষণসমূহ

পলিমারেজ শৃঙ্খল বিক্রিয়া পরীক্ষার (পিসিআর টেস্ট) মাধ্যমে উপরোক্ত বাজারের সাথে সরাসরি জড়িত অনেক ব্যক্তির দেহে এবং বাজারের সাথে জড়িত নয়, এমন ব্যক্তিদের দেহেও ভাইরাসটির সংক্রমণ হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভাইরাসটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে, এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।[৩১৮] তবে এই নতুন ভাইরাসটি সার্স ভাইরাসের সমপর্যায়ের মারাত্মক কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।[৩১৯][৩২০][৩২১][৩২২]

এই ভাইরাসের সংক্রমণে জ্বর (৮৩%-৯৩% রোগীর ক্ষেত্রে), শুকনো কাশি (৭৬%-৮২% রোগীর ক্ষেত্রে), অবসাদ বা পেশীতে ব্যথা (১১%-৪৪% রোগীর ক্ষেত্রে), এবং পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট ও শ্বাসনালীর রোগ (যেমন- ক্লোমনালীর প্রদাহ তথা ব্রঙ্কাইটিস এবং নিউমোনিয়া) হয়।[৩২৩] কদাচিৎ মাথাব্যথা, তলপেটে ব্যথা, উদরাময় (ডায়রিয়া) বা কফসহ কাশি হতে পারে। রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেছে এই ভাইরাসের কারণে তাদের শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়। এছাড়া যকৃৎ ও বৃক্কের (কিডনি) ক্ষতি হয়। সাধারণত এক সপ্তাহের আগ পর্যন্ত উপসর্গগুলি ডাক্তার দেখানোর মত জটিল রূপ ধারণ করে না। কিন্তু ২য় সপ্তাহে এসে ব্যক্তিভেদে অবস্থার দ্রুত ও গুরুতর অবনতি ঘটতে পারে। যেমন ফুসফুসের ক্ষতিবৃদ্ধির সাথে সাথে ধমনীর রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা (হাইপক্সেমিয়া) দেখা দেয় এবং রোগীকে অক্সিজেন চিকিৎসা দিতে হয়। এছাড়া তীব্র শ্বাসকষ্টমূলক রোগলক্ষণসমষ্টি (অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিনড্রোম) পরিলক্ষিত হয়। ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (intensive care unit বা ICU) রেখে যান্ত্রিকভাবে শ্বাসগ্রহণ করাতে হয় এবং কখনও কখনও কৃত্রিম ফুসফুসের ভেতরে রক্ত পরিচালনার মাধ্যমে রক্তে অক্সিজেন যোগ করতে হয়। এছাড়া ফুসফুসের ব্যাপক ক্ষতি হবার কারণে ব্যাকটেরিয়াঘটিত ২য় একটি নিউমোনিয়া হবার বড় সম্ভাবনা থাকে এবং নিবিড় পরিচর্যাধীন রোগীদের ১০% ক্ষেত্রে এটি হয়।[৬৫]

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের আক্রমণের মত উপসর্গ হলেও ফ্লুয়ের ঔষধে কোনও কাজ হয় না। এ পর্যন্ত রোগটির জন্য কোনও ঔষধ বা টিকা উদ্ভাবিত হয়নি। হাসপাতালে নিবিড় চিকিৎসা ছাড়া রোগ থেকে সেরে ওঠার উপায় নেই। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আগে থেকেই কম, তাদের নিউমোনিয়া হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সাধারণত বৃদ্ধদের মধ্যে ভাইরাসটির ক্ষতিকর প্রভাব বেশি দেখা গেছে। ইনলফ্লুয়েঞ্জাতে সংক্রমণ-পরবর্তী মৃত্যুর হার (যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ০.১%) করোনাভাইরাসের মৃত্যুর হার অপেক্ষা কম (৩-৪%)।[৩২৩]

বিস্তারের উপায়

উহান করোনাভাইরাসটি অপেক্ষাকৃত বড় আকারের; এর আকার প্রায় ১২৫ ন্যানোমিটার (অর্থাৎ ১ মিটারের প্রায় ১ কোটি ভাগের এক ভাগ)। আকারে বড় বলে এটি বাতাসে কয়েক ঘণ্টার বেশি ভাসন্ত অবস্থায় থাকতে পারে না এবং কয়েক ফুটের বেশী দূরত্বে গমন করতে পারে না। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মতো এটিও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংস্পর্শের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের সময় মুখের হাঁচি, কাশি, লালা বা থুতু থেকে সরাসরি ভাইরাসটি এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তিতে সংক্রামিত হতে পারে। অন্যদিকে জনসাধারণ্য স্থানে কোনও আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশি দিলে বা ভাইরাসযুক্ত হাত দিয়ে ধরলে কাছাকাছি পৃষ্ঠতলে যেমন দরজার হাতলে, খাটের খুঁটিতে বা মুঠোফোনে ভাইরাস লেগে থাকতে পারে এবং সেখান থেকে পরোক্ষভাবে আরেকজন ব্যক্তির কাছে সেটি ছড়াতে পারে।[৬৫]

এছাড়া উহান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার সময়ে যেমন ক্লোমনালীবীক্ষণ বা শ্বাসনালীর চিকিৎসার সময়ে বাতাসে দেহ থেকে নিঃসৃত ভাইরাসবাহী তরলের বাতাসে ভাসমান কণাগুলি একাধিক চিকিৎসাকর্মীকে সংক্রামিত করতে পারে এবং সাবধানতা অবলম্বন না করলে হাসপাতালের সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। হাত পরিষ্কার রাখলে এবং বিশেষ পোষাক বা গাউন, হাতমোজা, মুখোশ ও চশমা পরিধান করলে বাতাসে ভাইরাসবাহী ভাসমান কণার বিস্তার কমানো সম্ভব। ভাইরাসটির সংক্রমণ ও লক্ষণ প্রকাশের অন্তর্বর্তী কাল (ইনকিউবেশন পিরিয়ড) এখনও নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও সংক্রমণের মোটামুটি ১ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই রোগের উপসর্গ দেখা যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।[৬৫]

ঝুঁকি

২০২০ সালের ২৩শে জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উহান করোনাভাইরাসের বিস্তারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি জরুরী অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দেবার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়।[৩২৪][৩২৫] তবে তারা বলে যে তাদের জরুরী অবস্থা সমিতি প্রয়োজন হলে এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে পুনরায় খতিয়ে দেখতে পারে। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটির ব্যাপক বিস্তারের সম্ভাবনার ব্যাপারে সতর্ক করেছিল। সে সময় চীনা নববর্ষ উপলক্ষে চীনের পর্যটকদের গমনাগমনের শীর্ষ মৌসুমের কারণে ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে দুশ্চিন্তা ছিল।

প্রতিক্রিয়া

২০১৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে প্রথম ভাইরাসটির সংক্রমণের কথা অবহিত করা হয়। ২৭শে জানুয়ারি ২০২০ তারিখ পর্যন্ত চীনে প্রায় ৪৫১৫ ব্যক্তির দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯৭৬ জনের অবস্থা গুরুতর।[৩২৬] ভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের ৯ই জানুয়ারি প্রথম ব্যক্তিটি মারা যায়। ২৭শে জানুয়ারি ২০২০ তারিখ পর্যন্ত ভাইরাসটির কারণে চীনে ১০১ জন ব্যক্তি মারা যায়।

ভাইরাসের বিস্তার রোধের উদ্দেশ্যে চীনের বহু শহরে নববর্ষ উৎসব বাতিল করে দেওয়া হয়, উৎসব-উদ্দীপনামূলক জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয় এবং পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় বেড়াবার স্থানগুলিও জনসাধারণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। চীনা সরকারের নির্দেশে উহান শহরে ও হুপেই প্রদেশের আরও ১৭টি শহরে অন্তর্গামী ও বহির্গামী সমস্ত গণপরিবহন সেবা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে প্রায় ৫ কোটি চীনা অধিবাসী (উহান শহরের ১ কোটি ১০ লক্ষ অধিবাসীসহ) নিজ শহরে প্রায় অবরুদ্ধ জীবনযাপন করছে। উহানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।

দেশ অনুযায়ী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

২১শে মার্চ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সারা বিশ্বে ১১ হাজারের কিছু বেশী লোকের করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এর কারণে মৃত্যু হয়েছে। এর ১ সপ্তাহ আগে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫ হাজার ৪০০ জন। অর্থাৎ বিশ্বে গড়ে করোনাভাইরাসের কারণে প্রতি ৭ দিনে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে।[৩২৭]

মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হবার সময় দেশভেদে ভিন্ন। সাধারণত বিস্তারের শুরুর দিকে ২-৩ দিন পরপর মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়। পরবর্তীতে বিস্তার প্রতিরোধমূলক কর্মসূচী পালন করার ফলে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হবার সময় বাড়তে থাকে। যেমন চীনে মার্চের শেষ দিকে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হবার সময় ছিল ৩৫ দিন।[৩২৭]

আরও পড়ুন

  • ঝাউ এফ, ইয়ু তি, দু আর, ও অন্যান্য (মার্চ ২০২০)। "Clinical course and risk factors for mortality of adult inpatients with COVID-19 in Wuhan, China: A retrospective cohort study." ['চীনের উহান শহরে কোভিড-১৯ সহ প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের মৃত্যুর ক্লিনিকাল কোর্স এবং ঝুঁকির গুনকসমূহ: একটি পূর্ববর্তী দলগত অধ্যয়ন']। The Lancetdoi:10.1016/s0140-6736(20)30566-3PMID 32171076 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)আইএসএসএন 0140-6736  ভ্যানকুভার শৈলীতে ত্রুটি: initials (সাহায্য)

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. 柳叶刀披露首例新冠肺炎患者发病日期,较官方通报早7天। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২০ 
  2. 《柳叶刀》刊文详解武汉肺炎 最初41案例即有人传人迹象। ২৬ জানুয়ারি ২০২০। ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২০ 
  3. "2019 Novel Coronavirus (2019-nCoV) Situation Summary"Centers for Disease Control and Prevention। ৩০ জানুয়ারি ২০২০। ২৬ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২০ 
  4. "COVID-19 CORONAVIRUS PANDEMIC"। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২০ 
  5. "Coronavirus disease 2019"World Health Organization। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২০ 
  6. "WHO Director-General's opening remarks at the media briefing on COVID-19 – 11 March 2020"World Health Organization। ১১ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২০ 
  7. "Getting your workplace ready for COVID-19" (PDF)World Health Organization। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। 
  8. "Q & A on COVID-19"European Centre for Disease Prevention and Control (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০২০ 
  9. "Q&A on coronaviruses"World Health Organization। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  10. "Symptoms of Novel Coronavirus (2019-nCoV)"US Centers for Disease Control and Prevention। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  11. "Coronavirus Disease 2019 (COVID-19)"Centers for Disease Control and Prevention। ১৬ মার্চ ২০২০। 
  12. Rothan, H. A.; Byrareddy, S. N. (ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "The epidemiology and pathogenesis of coronavirus disease (COVID-19) outbreak"Journal of Autoimmunity: 102433। doi:10.1016/j.jaut.2020.102433PMID 32113704 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) 
  13. "Coronavirus Disease 2019 (COVID-19) url=https://www.cdc.gov/coronavirus/2019-ncov/specific-groups/high-risk-complications.html"। US Centers for Disease Control and Prevention। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০। 
  14. "Coronavirus: Shanghai neighbour Zhejiang imposes draconian quarantine"South China Morning Post। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  15. Marsh, Sarah (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Four cruise ship passengers test positive in UK – as it happened"The Guardianআইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  16. 新型肺炎流行の中国、7億8000万人に「移動制限」 [China's new pneumonia epidemic 'restricted movement' to 780 million people]। CNN Japan (জাপানি ভাষায়)। 
  17. Nikel, David। "Denmark Closes Border To All International Tourists For One Month"Forbes। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০২০ 
  18. "Coronavirus: Poland to close borders to foreigners, quarantine returnees"Reuters। ১৪ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০২০The Straits Times-এর মাধ্যমে। 
  19. "Coronavirus Update: Masks And Temperature Checks In Hong Kong"Nevada Public Radio। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২০ 
  20. "Coronavirus Disease 2019 Information for Travel"US Centers for Disease Control and Prevention (CDC)। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  21. Deerwester, Jayme; Gilbertson, Dawn। "Coronavirus: US says 'do not travel' to Wuhan, China, as airlines issue waivers, add safeguards"USA Today। ২৭ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২০ 
  22. "Coronavirus Live Updates: Europe Prepares for Pandemic as Illness Spreads From Italy"The New York Times। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  23. Huang C, Wang Y, Li X, Ren L, Zhao J, Hu Y, ও অন্যান্য (ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Clinical features of patients infected with 2019 novel coronavirus in Wuhan, China"Lancet395 (10223): 497–506। doi:10.1016/S0140-6736(20)30183-5PMID 31986264  Free to read
  24. "Coronavirus (COVID-19): latest information and advice"। Government of the United Kingdom। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  25. "Coronavirus impacts education"UNESCO। ৪ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২০ 
  26. "Here Comes the Coronavirus Pandemic: Now, after many fire drills, the world may be facing a real fire"। Editorial। The New York Times। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২০ 
  27. "Coronavirus Cancellations: An Updating List"The New York Times। ১৬ মার্চ ২০২০। 
  28. Scipioni, Jade (১৮ মার্চ ২০২০)। "Why there will soon be tons of toilet paper, and what food may be scarce, according to supply chain experts"CNBC। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  29. "The Coronavirus Outbreak Could Disrupt the U.S. Drug Supply"Council on Foreign Relations। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  30. Perper, Rosie (৫ মার্চ ২০২০)। "As the coronavirus spreads, one study predicts that even the best-case scenario is 15 million dead and a $2.4 trillion hit to global GDP"Business InsiderYahoo! News-এর মাধ্যমে। 
  31. Clamp, Rachel (৫ মার্চ ২০২০)। "Coronavirus and the Black Death: spread of misinformation and xenophobia shows we haven't learned from our past"The Conversation। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২০ 
  32. Weston, Liz। "Stop panic-buying toilet paper: How to stock up smart, emergency or not"MarketWatch। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  33. Wiles, Siouxsie (৯ মার্চ ২০২০)। "The three phases of Covid-19 – and how we can make it manageable"The Spinoff। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২০ 
  34. Anderson, Roy M.; Heesterbeek, Hans; Klinkenberg, Don; Hollingsworth, T. Déirdre (৯ মার্চ ২০২০)। "How will country-based mitigation measures influence the course of the COVID-19 epidemic?"The Lancet (English ভাষায়)। 0 (10228): 931–934। doi:10.1016/S0140-6736(20)30567-5PMID 32164834 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)আইএসএসএন 0140-6736A key issue for epidemiologists is helping policy makers decide the main objectives of mitigation—e.g., minimising morbidity and associated mortality, avoiding an epidemic peak that overwhelms health-care services, keeping the effects on the economy within manageable levels, and flattening the epidemic curve to wait for vaccine development and manufacture on scale and antiviral drug therapies. 
  35. Grenfell R, Drew T (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Here's Why It's Taking So Long to Develop a Vaccine for the New Coronavirus"Science Alert। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  36. https://www.nytimes.com/reuters/2020/03/16/world/europe/16reuters-healthcare-coronavirus-who.html
  37. https://www.scmp.com/news/china/society/article/3076323/third-coronavirus-cases-may-be-silent-carriers-classified
  38. http://www.rfi.fr/en/europe/20200316-the-hard-lessons-of-italy-s-devastating-coronavirus-outbreak
  39. Ruiyun Li1; ও অন্যান্য (১৬ মার্চ ২০২০), "Substantial undocumented infection facilitates the rapid dissemination of novel coronavirus (SARS-CoV2)", Science, doi:10.1126/science.abb3221 
  40. https://www.npr.org/2020/03/21/819439654/silent-spreaders-speed-coronavirus-transmission
  41. টেমপ্লেট:Title=Loss of sense of smell as marker of COVID-19 infection
  42. https://www.washingtonpost.com/health/2020/03/23/coronavirus-sense-of-smell/
  43. https://www.kmov.com/news/u-k-doctors-believe-they-have-a-way-to-detect/article_a72a5bfa-6e14-11ea-b1eb-b76116931538.html
  44. "When and How to Wash Your Hands"www.cdc.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-১২-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৬ 
  45. "Show Me the Science – How to Wash Your Hands"www.cdc.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০৩-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৬ 
  46. Wilkinson, Judith M., and Leslie A. Treas.Fundamentals of nursing. 2nd ed. Philadelphia: F.A. Davis Co., 2011. Print
  47. D. R. Patrick,; G. Findon; T. E. Miller (১৯৯৭), "Residual moisture determines the level of touch-contact-associated bacterial transfer following hand washing.", Epidemiology and Infection, 3 (119): 319-325 
  48. Nina A. Gold; Usha Avva। "Alcohol Sanitizer"। StatPearls Publishing via National Center for Biotechnology Information, U.S. National Library of Medicine। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-১২ 
  49. https://www.who.int/water_sanitation_health/emergencies/qa/emergencies_qa17/en/
  50. Hoque BA; ও অন্যান্য (১৯৯১), "A comparison of local handwashing agents in Bangladesh", Journal of Tropical Medicine and Hygiene (94): 61-64 
  51. Novel Coronavirus Pneumonia Emergency Response Epidemiology Team (ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "[The epidemiological characteristics of an outbreak of 2019 novel coronavirus diseases (COVID-19) in China]"। Zhonghua Liu Xing Bing Xue Za Zhi=Zhonghua Liuxingbingxue Zazhi (চীনা ভাষায়)। 41 (2): 145–151। doi:10.3760/cma.j.issn.0254-6450.2020.02.003PMID 32064853 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) 
  52. Cohen, Jon (জানুয়ারি ২০২০)। "Wuhan seafood market may not be source of novel virus spreading globally"Sciencedoi:10.1126/science.abb0611 
  53. Ma, Josephina (১৩ মার্চ ২০২০)। "Coronavirus: China's first confirmed Covid-19 case traced back to November 17"South China Morning Post। Hong Kong। 
  54. "Novel Coronavirus"World Health Organization। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  55. "Mystery pneumonia virus probed in China"BBC News Online। ৩ জানুয়ারি ২০২০। ৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২০ 
  56. Li Q, Guan X, Wu P, Wang X, Zhou L, Tong Y, ও অন্যান্য (জানুয়ারি ২০২০)। "Early Transmission Dynamics in Wuhan, China, of Novel Coronavirus-Infected Pneumonia"। The New England Journal of Medicinedoi:10.1056/NEJMoa2001316PMID 31995857  Free to read
  57. WHO–China Joint Mission (১৬–২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Report of the WHO-China Joint Mission on Coronavirus Disease 2019 (COVID-19)" (PDF)World Health Organization। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২০ 
  58. "China confirms sharp rise in cases of SARS-like virus across the country"। ২০ জানুয়ারি ২০২০। ২০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২০ 
  59. The Novel Coronavirus Pneumonia Emergency Response Epidemiology Team (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "The Epidemiological Characteristics of an Outbreak of 2019 Novel Coronavirus Diseases (COVID-19) — China, 2020"China CDC Weekly2 (8): 113–122। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০ 
  60. "Statement on the second meeting of the International Health Regulations (2005) Emergency Committee regarding the outbreak of novel coronavirus (2019-nCoV)"World Health Organization। ৩০ জানুয়ারি ২০২০। ৩১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২০ 
  61. "WHO Head Warns of 'Potential Pandemic' after Initially Praising China's Response to Coronavirus"National Review। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  62. "Europe 'now epicentre of coronavirus pandemic'"BBC News Online। ১৩ মার্চ ২০২০। 
  63. Regan, Helen। "More coronavirus cases outside mainland China than inside as pandemic accelerates"CNN 
  64. "Coronavirus Update (Live): 244,740 Cases and 10,024 Deaths from COVID-19 Virus Outbreak - Worldometer" 
  65. Anni Sparrow। "How China's Coronavirus Is Spreading—and How to Stop It"www.foreignpolicy.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৮ 
  66. "China battles coronavirus outbreak: All the latest updates"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৮ 
  67. Lau, Hien; Khosrawipour, Veria; Kocbach, Piotr; Mikolajczyk, Agata; Ichii, Hirohito; Schubert, Justyna; Bania, Jacek; Khosrawipour, Tanja (মার্চ ২০২০)। "Internationally lost COVID-19 cases"। Journal of Microbiology, Immunology and Infectiondoi:10.1016/j.jmii.2020.03.013PMID 32205091 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) The total number of cases may not necessarily add up due to the frequency of values updating for each individual location.
  68. "Coronavirus COVID-19 Global Cases by the Center for Systems Science and Engineering (CSSE) at Johns Hopkins University (JHU)"ArcGIS। Johns Hopkins CSSE। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  69. "Coronavirus Update (Live) - Worldometer"www.worldometers.info 
  70. "COVID-19/Coronavirus Real Time Updates With Credible Sources in US and Canada | 1Point3Acres"coronavirus.1point3acres.com 
  71. "Italy blasts virus panic as it eyes new testing criteria"AP NEWS। ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০। 
  72. Perrone, Alessio (মার্চ ১৪, ২০২০)। "How Italy became the ground zero of Europe's coronavirus crisis" – www.wired.co.uk-এর মাধ্যমে। 
  73. Dipartimento della Protezione Civile। "COVID-19 Italia - Monitoraggio della situazione"opendatadpc.maps.arcgis.com 
  74. "El mapa del coronavirus en España: 10.003 muertos y más de 110.000 casos"RTVE (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  75. "Wie sich das Coronavirus in Ihrer Region ausbreitet" [How the coronavirus affects your region] (German ভাষায়)। Zeit Online। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৭ 
  76. "Corona-Karte Deutschland: COVID-19 live in allen Landkreisen und Bundesländern"Tagesspiegel (জার্মান ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০২ 
  77. 截至4月2日24时新型冠状病毒肺炎疫情最新情况 (চীনা ভাষায়)। National Health Commission। ৩ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০尚在医学观察无症状感染者1027例(境外输入221例) 
  78. "COVID-19"gouvernement.fr (ফরাসি ভাষায়)। 
  79. "Nombre cumulé de personnes retournées à domicile depuis le 1er mars 2020"geodes.santepubliquefrance.fr (ফরাসি ভাষায়)। ২০২০-০৩-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩১ 
  80. "Official: COVID-19 kills 124 more in Iran"IRNA English (ইংরেজি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  81. "Total UK cases COVID-19 Cases Update"। Public Health England। 
  82. "Cas d'infection au Sars-CoV-2 en Suisse"Tribune de Genève (ফরাসি ভাষায়)। 
  83. "Turkey's coronavirus death toll rises to 356, with 18,135 total cases"। Hürriyet Daily News। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  84. "T.C Sağlık Bakanlığı Günlük Koronavirüs Tablosu, Turkey Ministry of Health Daily Coronavirus Table"covid19.saglik.gov.tr (তুর্কী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০২ 
  85. "Coronavirus COVID-19"info-coronavirus.be (dutch ভাষায়)। 
  86. "Actuele informatie over het nieuwe coronavirus (COVID-19)" (Dutch ভাষায়)। RIVM। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩১ 
  87. "Tracking every case of COVID-19 in Canada"। CTV News। 
  88. "Neuartiges Coronavirus (2019-nCov)" (জার্মান ভাষায়)। Federal Ministry of Labour, Social Affairs and Consumer Protection। 
  89. "Amtliches Dashboard COVID19 - öffentlich zugängliche Informationen" (জার্মান ভাষায়)। Federal Ministry of Labour, Social Affairs and Consumer Protection। 
  90. KCDC। "Press release"www.cdc.go.kr (কোরীয় ভাষায়)। 
  91. "Ponto de Situação Atual em Portugal" (পর্তুগিজ ভাষায়)। Portugal: Ministry of Health। 
  92. "Coronavirus COVID-19 Global Cases by the Center for Systems Science and Engineering (CSSE) at Johns Hopkins University" 
  93. "Casos de coronavírus no Brasil em 2 de abril"Globo G1 (পর্তুগিজ ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  94. "Israel: Coronavirus cases jump to 6,808; 33 reported fatalities"i24NEWS। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  95. Han Lin Yap। "Coronavirus i Sverige"। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২২ 
  96. "3月27日:澳洲确诊3179例 西澳五个月大婴儿确诊"ABC中文 (চীনা ভাষায়)। ২৭ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  97. Ting, Inga; Workman, Michael; Doman, Mark; Scott, Nathanael (২ এপ্রিল ২০২০)। "Charting the COVID-19 spread"ABC News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  98. Nilsen, Av Sondre; Skjetne, Oda Leraan; Sfrintzeris, Yasmin; Røset, Hanna Haug; Hunshamar, Carina; Fraser, Sofie; Løkkevik, Ole; breaking-avdeling, og VGs। "Live: Corona-viruset sprer seg i Norge og verden"VG Nett 
  99. "COVID-19 | Onemocnění aktuálně od MZČR" (czech ভাষায়)। Ministry of Health (Czech Republic)। ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩০ 
  100. "Latest updates on COVID-19 (Coronavirus)"। Department of Health (Ireland)। ২২ মার্চ ২০২০। 
  101. "Оперативные данные. По состоянию на 2 апреля"Стопкоронавирус.рф (রুশ ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  102. "Casos confirmados COVID-19"Gobierno de Chile (স্পেনীয় ভাষায়)। 
  103. "Tal og overvågning af COVID-19"Coronavirus/COVID-19 (Danish ভাষায়)। Sundhedsstyrelsen (Danish Health Authority)। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  104. "Impacto del covid-19 en Ecuador: 3 163 casos confirmados y 120 fallecidos"El Comercio (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  105. "Covid-19 (Maklumat Terkini)"Ministry of Health (Malaysia) 
  106. "Covid-19: 208 new cases, death toll now at 50"The Star Malaysia। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  107. Ministerstwo Zdrowia [@MZ_GOV_PL] (২ এপ্রিল ২০২০)। "(4/4) W sumie liczba zakażonych koronawirusem: 2946/57 (wszystkie pozytywne przypadki/w tym osoby zmarłe)." (টুইট) (পোলিশ ভাষায়) – টুইটার-এর মাধ্যমে। 
  108. "Informare COVID -19, Grupul de Comunicare Strategică, 2 aprilie, ora 13.00" (রোমানীয় ভাষায়)। Ministry of Internal Affairs। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  109. "Coronavirus România, INFORMAȚII OFICIALE: 2.738 de infecții, 267 de pacienți vindecați. 94 de persoane au murit din cauza COVID-19" (রোমানীয় ভাষায়)। Digi24। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  110. "COVID-19 Cases: Philippines" 
  111. "COVID-19 cases in PH go up by 322; total at 2,633"ABS CBN। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  112. "新型コロナウイルスに関連した患者等の発生について(4月2日公表分)"www.mhlw.go.jp (জাপানি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  113. "Coronavirus: COVID-19"। Government of Luxembourg। 
  114. "COVID-19 Health Advisory Platform by Ministry of National Health Services Regulations and Coordination"covid.gov.pk। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২০ 
  115. "Home - Ministry of Health and Family Welfare - GOI"mohfw.gov.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০৩ 
  116. "Saudi Arabia records 165 new coronavirus cases, 328 recoveries"Saudi Gazette। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  117. "โรคติดเชื้อไวรัสโคโรนา 2019 (COVID-19)"Department of Disease Control (Thailand) (থাই ভাষায়)। 
  118. "Situasi Virus Corona"Indonesian National Board for Disaster Management। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  119. "Varmistetut koronatapaukset Suomessa (COVID-19)"experience.arcgis.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২০ 
  120. "Coronavirus COVID-19 – Latest Updates"। Finnish Institute for Health and Welfare। 
  121. "Κοροναϊός: Στους 53 οι νεκροί στην Ελλάδα – Νέος θάνατος στην Καστοριά"in.gr। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  122. "Ενημέρωση διαπιστευμένων συντακτών υγείας από τον Υφυπουργό Πολιτικής Προστασίας και Διαχείρισης Κρίσεων Νίκο Χαρδαλιά και τον εκπρόσωπο του Υπουργείου Υγείας για το νέο κορονοϊό, Καθηγητή Σωτήρη Τσιόδρα (30/3/2020)"Ministry of Health (Greece) (Greek ভাষায়)। 
  123. "COVID-19 update"NICD। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০২ 
  124. Ministry of Health (Peru) (২ এপ্রিল ২০২০)। "Sala Situactional COVID-19 Perú" (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  125. "MSP da alta médica a otros seis pacientes recuperados, casos confirmados suben a 1,380 y 60 la cifra de fallecidos."Ministerio de Salud Pública (Dominican Republic) (স্পেনীয় ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  126. "Coronavirus, día a día"El Universal (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  127. TVN Panamá। "Panamá suma 1,317 casos y 32 defunciones por el COVID-19"TVN (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  128. "Casos de Coronavirus COVID-19 en Panamá"Ministerio de Salud de la República de Panamá (স্পেনীয় ভাষায়)। 
  129. "COVID-19 á Íslandi - Tölfræði"www.covid.is (Icelandic ভাষায়)। ৩ এপ্রিল ২০২০। 
  130. Kosovo is the subject of a territorial dispute between the Republic of Serbia and the Republic of Kosovo. The latter declared independence on 17 February 2008, but Serbia continues to claim it as part of its own sovereign territory. Kosovo's independence has been recognized by 111 out of ১৯৩ United Nations member states.
  131. "COVID-19"covid19.rs। Ministry of Health (Serbia)। 
  132. "Coronavirus en Colombia" (স্পেনীয় ভাষায়)। Instituto Nacional de Salud। 
  133. "La Argentina tiene 1133 contagiados de coronavirus | Hoy se registraron 5 nuevas muertes y la cifra total es de 32 fallecidos"PAGINA12। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  134. "Updates on Covid-19 local situation"। Ministry of Health (Singapore)। 
  135. "49 new COVID-19 cases in Singapore; Mustafa Centre among 3 new clusters identified"CNA। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  136. Mohamed, Hatem; Alfaham, Tariq (১ এপ্রিল ২০২০)। "Ministry of Health announces 150 new cases of COVID-19, two deaths among various nationalities"Wam। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  137. Mohamed, Hatem; Bashir, Hassan (২ এপ্রিল ২০২০)। "Ministry of Health announces 210 new cases of COVID-19, 35 recoveries among various nationalities"Wam। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  138. "Službena stranica Vlade"। Croatian Institute of Public Health। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২০ 
  139. "COVID-19 : Carte épidémiologique" (ফরাসি ভাষায়)। Ministry of Health, Population, and Hospital Reform (Algeria)। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২, ২০২০ 
  140. "Оперативна інформація про поширення коронавірусної інфекції COVID-19"Ministry of Healthcare of Ukraine Official Website। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০১ 
  141. "Do polnoči 841 potrjenih okužb, hospitaliziranih je 110 bolnikov"www.rtvslo.si। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  142. "Information about Coronavirus disease COVID-19"। Estonian Health Board। 
  143. "Covid-19"। Ministry of Public Health (Qatar)। 
  144. "Together, We Fight The Virus!"www.coronavirus.gov.hk। Hong Kong: Department of Health। 
  145. "شبكة رصد"www.facebook.com 
  146. Ministry of Health and Population (Egypt) (৩১ মার্চ ২০২০)। "COVID-19 update" (আরবি ভাষায়)। Facebook। 
  147. "وزارة الصحة العراقية"www.facebook.com (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  148. "COVID-19 - current cases"। Ministry of Health (New Zealand)। 
  149. "About Coronavirus Disease 2019 (COVID-19)"Ministry of Health, Labour and Welfare of Japan (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০৩-২৬। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৯ 
  150. "Covid-19: 17 New Cases in Morocco, 708 in Total - Health Ministry"MAP News। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  151. "Svarbiausia informacija apie koronavirusą (COVID-19)"। Lietuvos Respublikos sveikatos apsaugos ministerija। ৩ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  152. "Հաստատված դեպքերն ըստ օրերի — NCDC Armenia" (আর্মেনিয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০১ 
  153. "Covid-19 Updates"। Ministry of Health (Bahrain)। 
  154. "Tájékoztató oldal a koronavírusról Aktualis"koronavirus.gov.hu। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  155. "Koronavirus u BiH" (বসনীয়ান ভাষায়)। Klix। 
  156. "COVID-19 în Republica Moldova: situaţia la zi"gismoldova.maps.arcgis.com 
  157. "الجمهورية اللبنانية - وزارة اﻹعلام - الموقع الرسمي لمتابعة أخبار فيروس الكورونا في لبنان"كورونا في لبنان (আরবি ভাষায়)। 
  158. @SPKCentrs (২ এপ্রিল ২০২০)। "Iepriekšējā diennaktī veikti 1024 izmeklējumi personām ar aizdomām par Covid-19, infekcija apstiprināta 12 cilvēkiem. LV kopā veikti 16834 izmeklējumi, infekcija apstiprināta 458 personām 32 pacienti stacionēti, tai skaitā 29 ar vidēju slimības gaitu, 3 ar smagu" (টুইট) (লাত্‌ভীয় ভাষায়) – টুইটার-এর মাধ্যমে। 
  159. "covid-19.tn" 
  160. "Актуални новини"। Ministry of Health (Bulgaria)। 
  161. "Actualitat coronavirus"www.govern.ad (কাতালান ভাষায়)। Govern d'Andorra। 
  162. "Ситуация с коронавирусом официально"coronavirus2020.kz (রুশ ভাষায়)। Kazinform। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  163. "Azərbaycanda koronavirusa yoluxanların sayı 400 nəfərə çatıb"। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  164. "Azərbaycanda cari vəziyyət – Koronavirus" (আজারবাইজানী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  165. Aktuálne o koronavíruse na Slovensku www.rtvs.sk
  166. "Domov | Koronavírus na Slovensku - COVID-19"korona.gov.sk। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  167. "Situacion Nacional Covid-19" (স্পেনীয় ভাষায়)। Ministerio de Salud (Costa Rica)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  168. "Latest information on COVID-19 and measures for prevention of spreading issued by the Government"। Ministry of health (North Macedonia)। 
  169. "Real-time Coronavirus condition in North Macedonia"gdi.net (ম্যাসিডোনীয় ভাষায়)। 
  170. "Informe de situación en relación al coronavirus COVID-19 en Uruguay del 01/04/20"Sistema Nacional de Emergencias (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  171. "首頁-衛生福利部疾病管制署"Taiwan Centres for Disease Control 
  172. "國內累計339人確診,50人解除隔離"Taiwan Centres for Disease Control। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  173. @KUWAIT_MOH (১ এপ্রিল ২০২০)। "تعلن #وزارة_الصحة عن تأكيد إصابة 28 حالة جديدة ب #فيروس_كورونا_المستجدّ COVID19 ليصبح الإجمالي 317 حالة" (টুইট) – টুইটার-এর মাধ্যমে। 
  174. Michael, Peter (৩০ মার্চ ২০২০)। "Coronavirus: 16 new cases, one more death (Updated)"Cyprus Mail (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  175. "Point de situation du 02/04/2020 : 27 nouveaux cas confirmés"Les services de l’Etat à La Réunion (ফরাসি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  176. "Cameroun-Covid-19 : 8 morts, 306 personnes infectées"Journal du Cameroun (ফরাসি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  177. "О ситуации с COVID-19: большинство случаев - выявленные контакты 1 и 2 уровней"minzdrav.gov.by। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  178. "يروس كورونا المستجد (كوفيد-١٩)"corona.moh.gov.jo (আরবি ভাষায়)। 
  179. "Covid-19/Burkina : 6 nouveaux cas et 4 nouvelles guérisons à la date du 1er avril 2020"leFaso.net (ফরাসি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  180. "Coronavirus Albania | Statistika" (আলবেনীয় ভাষায়)। Agjencia Kombëtare e Shoqerisë së Informacionit। 
  181. "Covid-19: Afghanistan's tally of positive cases surge to 196"Pajhwok Afghan News। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  182. "ISS - Istituto per la Sicurezza Sociale di San Marino"www.iss.sm। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০২ 
  183. "Infecciones por coronavirus – COVID-19"temas.sld.cu (স্পেনীয় ভাষায়)। 
  184. "Covid-19 cases in Oman"Ministry of Health। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  185. "TRANG TIN VỀ DỊCH BỆNH VIÊM ĐƯỜNG HÔ HẤP CẤP COVID-19" (ভিয়েতনামী ভাষায়)। BỘ Y TẾ (Ministry of Health)। 
  186. "Coronavirus COVID-19 En Honduras" (স্পেনীয় ভাষায়)। Gobierno de la República de Honduras। 
  187. "Коронавирусная инфекция (COVID-19)" (রুশ ভাষায়)। 
  188. "COVID-19 Updates | Ghana"www.ghanahealthservice.org। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  189. "Coronavirus: Seven new cases bring total to 195, as Gauci appeals against stigmatisation of patients"Malta Today। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  190. "Coronavirus: 19 new cases, bring total to 188"Malta Today। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  191. "Communiqué de Presse N°32 du Jeudi 02 Avril 2020 du Ministère de la Santé et de l'Action sociale : Point de Situation sur le COVID-19 - MINISTÈRE DE LA SANTÉ ET DE L'ACTION SOCIALE"। Ministry of Health and Social Action (Senegal)। ২ এপ্রিল ২০২০। 
  192. "NCDC Covid-19 Page"Nigeria Centre for Disease Control। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  193. QODIO। "Corona í Føroyum"Corona í Føroyum (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  194. "Covid19 | Coronavirus Mauritius"covid19.mu 
  195. "فايروس كورونا (COVID-19) في فلسطين" (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২০ 
  196. "Epidemiology Unit"। Ministry of Health (Sri Lanka)। 
  197. Maria Souquett Gil (১ এপ্রিল ২০২০)। "Jorge Rodríguez confirma un nuevo caso de COVID-19 y repudia declaraciones de Trump"Efecto Cocuyo (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  198. "Ažurirani podaci o novom koronavirusu COVID-19" (Montenegrin ভাষায়)। Institut za javno zdravlje Crne Gore (IJZCG)। ১ এপ্রিল ২০২০। 
  199. "Sedamnaest novih slučajeva koronavirusa u Crnoj Gori"Vijesti.me। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  200. "Coronavirus: un cas confirmé à Beni, un autre à Bunia, la RDC passe à 134 cas dont 13 décès" (ফরাসি ভাষায়)। Actualite.cd। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  201. ხშირად დასმული კითხვები: stopcov.ge
  202. "Ministry of Health - pressreleaseCOVID-19"www.moh.gov.bn। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  203. "Coronavirus : point d'actualité"Agence régionale de santé Martinique (ফরাসি ভাষায়)। 
  204. "Coronavirusi, Qeveria vendos që kufizimi i qarkullimit të qytetarëve të jetë prej orës 17:00 deri në 06:00"Telegrafi (আলবেনীয় ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২০ 
  205. "Statistikat e fundit" (Albanian ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  206. "COVID-19 : informations, recommandations et points de situation / Informations coronavirus / Sécurité sanitaire / Risques naturels, technologiques et sanitaires / Politiques publiques / Accueil - Les services de l'État en Guadeloupe"www.guadeloupe.gouv.fr। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩১ 
  207. "Datos Oficiales"Bolivia Segura (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩০ 
  208. "Первые выздоровевшие пациенты" (রুশ ভাষায়)। Ministry of Health (Kyrgyz Republic)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২০ 
  209. "Five coronavirus patients discharged from hospital in Kyrgyzstan after recovery"m.akipress.com। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  210. "Coronavirus : 15 nouveaux cas confirmés à Mayotte, 116 au total"franceinfo 
  211. "COVID-19 Map Cambodia"। Ministry of Health of Cambodia। ৩ এপ্রিল ২০২০। 
  212. "29 more people test positive for Covid-19 bringing the total number to 110 in Kenya. - Mutahi Kagwe COVID19Pandemic"। ২ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  213. Public Health Services (২৭ মার্চ ২০২০)। "COVID-19 Coronavirus - Testing results"www.gov.gg (ইংরেজি ভাষায়)। St Peter Port। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  214. Jersey, States of। "Coronavirus (COVID-19) cases"www.gov.je (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০২ 
  215. "Latest updates"। Isle of Man Government। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  216. "TTT Live Online (@tttliveonline) | Twitter"twitter.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  217. "Covid-19 Government Public Notifications"। HM Government of Gibraltar। 
  218. Daleno, Gaynor D.। "COVID-19 cases climb to 82"The Guam Daily Post (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  219. Andreou, Evie (১ এপ্রিল ২০২০)। "Coronavirus: Second death, seven new cases in the north (Updated)"Cyprus Mail। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  220. "CONTADOR OFICIAL COVID-19 EN PARAGUAY" (স্পেনীয় ভাষায়)। Ministry of Public Health and Social Welfare (Paraguay)। 
  221. "Évolution du Coronavirus au Niger en temps réel – Coronavirus, Covid19" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০১ 
  222. "Bereits 72 Personen positiv auf Coronavirus getestet - Liechtenstein - Liechtensteiner Volksblatt, die Tageszeitung für Liechtenstein"Liechtensteiner Volksblatt (জার্মান ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  223. "Aruba Covid-19 Information"Aruba Covid-19 (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩১ 
  224. "Covid Public Dashboard Information at a glance"IEDCR (Bangladesh)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  225. "CORONAVIRUS : trois nouveaux cas positifs révélés à Monaco"gouv.mc (ফরাসি ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০ 
  226. "There Are Now Over 2,500 Coronavirus Cases In The Caribbean"। Newsamericas। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  227. "Confirmed Coronavirus cases up to 36; health worker now among tally"Loop News। ৩০ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২০ 
  228. Tufton, Dr Chris (এপ্রিল ২, ২০২০)। "There are now 47 confirmed cases in Jamaica"twitter.com 
  229. "COVID-19: Barbados records 46 cases, implements 24-hour curfew"Loop News। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  230. "Coronavirus" (স্পেনীয় ভাষায়)। Ministerio de Salud Pública (Guatemala)। 
  231. "Information Portal"Ministry of Health (Uganda) 
  232. "SITUACIÓN NACIONAL"Ministry of Health (El Salvador)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২০ 
  233. "Special webpage against Epidemics"www.ssm.gov.mo। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  234. "Coronavirus au Togo" (ফরাসি ভাষায়)। 
  235. "La Direction de la santé met à disposition les derniers communiqués et notes d'informations relatifs au Coronavirus Covid-19" 
  236. "Tahiti Covid-19 cases climb to 30"RNZ (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০৩-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-৩১ 
  237. "Cases of Coronavirus in St . Thomas Grow to 24 as Territory's Total Climbs to 37 in Dept. of Health's Latest Update"viconsortium.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২০ 
  238. "Ministry of Health and Social Affairs of Mali" 
  239. "Novel Coronavirus (COVID-19)"www.gov.bm (ইংরেজি ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  240. Getachew, Samuel। "Ethiopia has postponed its national elections over coronavirus fears"Quartz Africa (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২০ 
  241. @FMoHealth (৩০ মার্চ ২০২০)। "Ethiopia #COVID19 Status update" (টুইট) – টুইটার-এর মাধ্যমে। 
  242. "CORONAVIRUS (COVID-19)"। Cayman Islands Government। ১ এপ্রিল ২০২০। 
  243. "Novel Coronavirus (2019-nCoV)"Ministry of Health (Bahamas)