সুধীরলাল চক্রবর্তী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুধীরলাল চক্রবর্তী
সুধীরলাল চক্রবর্তী.webp
জন্ম১৯১৬
মৃত্যু২০ এপ্রিল, ১৯৫২
নাগরিকত্বভারতীয়

সুধীরলাল চক্রবর্তী (১৯১৬ - ২০ এপ্রিল ১৯৫২) বাংলা ভাষার সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী। পণ্ডিত ও সংগীতরসিক পিতা গঙ্গাধর চক্রবর্তীর পৃষ্ঠপোষকতায় বাড়িতে উচ্চাঙ্গ সংগীতের আসর বসতো। ফলে ছোটবেলা থেকে সংগীত শিক্ষার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।[১]

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

সুধীরলাল চক্রবর্তীর জন্ম গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। কালেক্টর অফিসের কর্মী গঙ্গাধর চক্রবর্তী ছিলেন তার পিতা। তিনি কৈশোরে কলকাতায় এসে তৎকালীন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতাচার্য গিরিজাশঙ্কর চক্রবর্তীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। শাস্ত্রীয় সংগীত শিক্ষার পাশাপাশি সুর রচনাতেও তার যথেষ্ট উৎসাহ ছিলো। সেখানে তিনি পাঁচ বছর তালিম নেন।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আধুনিক বাংলা গান, রাগপ্রধান, গজল, ঠুমরী প্রভৃতি গানে পারদর্শী এবং একজন সুদক্ষ সুরকার ছিলেন। ১৯৪৩-৪৫ সাল পর্যন্ত ঢাকা বেতারকেন্দ্রের সংগীত পরিচালক। তার গাওয়া ও সুরারোপিত বহু গ্রামোফোন রেকর্ড বের হয়েছে।[১] তার কাছে শ্যামল মিত্র, উৎপলা সেন, নীতা সেন এবং আরও অনেক সংগীতশিল্পীরা তালিম নিয়েছিলেন।[৩] শিল্পী কবীর সুমনের মতে "সূক্ষ্ম অলংকারসমৃদ্ধ আধুনিক সুররচনায় কাজী নজরুল ইসলামহিমাংশু দত্তর পর তিনিই শেষ সম্রাট।"[৩] ‘মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের বুকে ঝরে, মাকে মনে পড়ে আমার, মাকে মনে পড়ে’ গানটিকে অমর করেছিলেন তিনি।[৪]

বিখ্যাত সংগীতসমূহ[সম্পাদনা]

কথা সুর গান
পবিত্র মিত্র নিজস্ব খেলাঘর মোর
দেবেশ বাগচী নিজস্ব রজনী গো যেও না চলি

[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সেলিনা হোসেন ও নুরুল ইসলাম সম্পাদিত বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান; ঢাকা, এপ্রিল, ২০০৩; পৃষ্ঠা-৪০৭-৮।
  2. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ৭৯৭, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  3. "সুমনামি"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১৩ 
  4. "আপনার রাশি"প্রথম আলো। ২৯ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১২ 
  5. "মাত্র উনিশ বছর বয়সেই প্রথম রেকর্ড" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]