সাকা হাফং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাকা হাফং/ত্ল্যাং ময়
মোদক মুয়াল
Saka Haphong.jpg
সাকা হাফং
উচ্চতামিটার (৩,৪৫১ ফুট)
তালিকাসমূহদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু
অবস্থান
সাকা হাফং/ত্ল্যাং ময় মোদক মুয়াল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
সাকা হাফং/ত্ল্যাং ময় মোদক মুয়াল
সাকা হাফং/ত্ল্যাং ময়
মোদক মুয়াল
বাংলাদেশে অবস্থান (মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন)
অবস্থানথানচি, বান্দরবান
পরিসীমামোদক রেঞ্জ
স্থানাঙ্ক২১°৪৭′১৯″ উত্তর ৯২°৩৬′৩১″ পূর্ব / ২১.৭৮৮৬১° উত্তর ৯২.৬০৮৬১° পূর্ব / 21.78861; 92.60861স্থানাঙ্ক: ২১°৪৭′১৯″ উত্তর ৯২°৩৬′৩১″ পূর্ব / ২১.৭৮৮৬১° উত্তর ৯২.৬০৮৬১° পূর্ব / 21.78861; 92.60861
ভূবিদ্যা
ধরনপর্বত

ত্ল্যাং ময় (বম: সুন্দর চূড়া), মোদক টং বাংলাদেশের একটি পাহাড়চূঁড়া। চূঁড়াটিকে অনেক সময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট)।[১] বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে চূড়াটি অবস্থিত।

আনুষ্ঠানিকভাবে ত্লাংময়কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।[২][৩] কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বলা যায়, সম্ভবত এর চেয়ে বেশি উচ্চতার আর কোন চূড়া বাংলাদেশে নেই।[৪][৫] চূড়াটি ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম আরোহন করেন ইংরেজ পর্বতারোহী জিং ফুলেন। সেসময় তিনি চূঁড়াটির উচ্চতা নির্ণয় করেন ১,০৬৪ মিটার আর অবস্থান দেখান 21°47′11″উ. 92°36′36″পূ. / 21.78639°উ. 92.61°পূ.।[৬] তাঁর দেখানো এ অবস্থান রাশিয়া নির্মিত ভৌগোলিক মানচিত্রে এর অবস্থানের সাথে হুবহু মিলে যায়।[৭] ২০০৭ সালে প্রথম বাংলাদেশী দল ত্লাংময় আরোহন করেন। ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন দেশের এভারেস্ট আরোহনকারী পর্বতারোহী সজল খালেদ। মূলত সেই সময় থেকে পরিচিত হয়ে উঠে ত্লাংময় নামটি। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে দুটি অভিযাত্রিক দল সাকা হাফং-এর উচ্চতা নির্ণয় করেন ৩,৪৮৮ ও ৩,৪৬১ ফুট।[৮] বাংলাদেশের স্বীকৃত সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডঙের (৩,১৭২ ফুট) চেয়ে এর উচ্চতার সকল পাঠই অনেক বেশি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]