বাংলাদেশের পর্বতের তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বাংলাদেশের পর্বতসমূহের তালিকা থেকে পুনর্নির্দেশিত)

বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। বাংলাদেশে শুধুমাত্র দক্ষিণ পূর্বে চট্টগ্রামে পাহাড়, উত্তর পূর্বে সিলেটে নিচু পাহাড় এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে কিছু উচ্চভূমি আছে। নিচে বাংলাদেশের ৩০০০ ফুটের উপরের পাহাড় চূড়াসমূহের একটা তালিকা দেওয়া হলো।

৩০০০ ফুটের অধিক চূড়াসমূহের তালিকা[সম্পাদনা]

ক্রম
নাম
উচ্চতা
অবস্থান
টীকা
সাকা হাফং ৪,১৯৮ ফুট (১,২৮০ মিটার) সাইচল পর্বতসারি,রুমা উপজেলা, বান্দরবান

*বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া। (আনুষ্ঠানিকভাবে ত্লাংময়কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সরকারি ভাবে তাজিংডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া স্বীকৃত। সাকা হাফং চূড়াটি ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম আরোহণ করেন ইংরেজ পর্বতারোহী জিং ফুলেন। সেসময় তিনি চূঁড়াটির উচ্চতা নির্ণয় করেন ১,০৬৪ মিটার আর অবস্থান দেখান 21°47′11″উ. 92°36′36″পূ. / 21.78639°উ. 92.61°পূ.। তার দেখানো এ অবস্থান রাশিয়া নির্মিত ভৌগোলিক মানচিত্রে এর অবস্থানের সাথে হুবহু মিলে যায়। ২০০৭ সালে প্রথম বাংলাদেশী দল ত্লাংময় আরোহণ করেন। ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন দেশের এভারেস্ট আরোহণকারী পর্বতারোহী সজল খালেদ। মূলত সেই সময় থেকে পরিচিত হয়ে উঠে ত্লাংময় নামটি। ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে দুটি অভিযাত্রিক দল সাকা হাফং-এর উচ্চতা নির্ণয় করেন ৩,৪৮৮ ও ৩,৪৬১ ফুট। বাংলাদেশের স্বীকৃত সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং (৪১৯৮ ফুট)।)

তাজিংডং ৪,১৯৮.৪ ফুট (১,২৭৯.৭ মিটার) থানচি, বান্দরবান
  • ২০০৬ সালে ইংরেজ পর্যটক গিঞ্জ ফুল্লেন চূড়ায় আরোহণ করেন।
জো তল্যাং/মোদক মুয়াল ৩,৩৩৫ ফুট (১,০১৭ মিটার) থানচি, বান্দরবান
  • ২০০৫ সালে বাংলাদেশী পর্যটক সুব্রত দাস নিতিশ এবং বিজয় সঙ্কর কর চূড়ায় আরোহণ করেন।
দুমলং ৩,৩১৪ ফুট (১,০১০ মিটার) বিলাইছড়ি, রাঙামাটি
  • রাঙামাটির সর্বোচ্চ চূড়া।
  • ২০১১ সালে নেচার অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব দ্বারা চূড়া অভিযানের সময় উচ্চতা মাপা হয়।
জোগি হাফং ৩,২৫১ ফুট (৯৯১ মিটার) থানচি, বান্দরবান
  • ২০১২ সালে এই পাহাড়ের চূড়ায় আরোহণ করা হয়
কেওক্রাডং ৩,২৩৫ ফুট (৯৮৬ মিটার) রুমা, বান্দরবান
  • বাংলাদেশের সব থেকে জনপ্রিয় ট্রেকিং রুট।
মাইথাই জামা হাফং ৩,১৭৪ ফুট (৯৬৭ মিটার) বিলাইছড়ি, রাঙামাটি
  • ২০১৪ সালে বিডি এক্সপ্লোরার দ্বারা চূড়া অভিযানের সময় উচ্চতা মাপা হয়।
থিংদৌল তে ত্ল্যাং ৩,১৪৯ ফুট (৯৬০ মিটার) রুমা, বান্দরবান
  • Highest peak of Lowmbok row range.
  • ২০১২ সালে বিডি এক্সপ্লোরার দ্বারা চূড়া অভিযানের সময় উচ্চতা মাপা হয়।[১]
মুখ্রা থুথাই হাফং ৩,১২৯ ফুট (৯৫৪ মিটার) বিলাইছড়ি, রাঙামাটি
  • ২০১৩ সালে উচ্চতা পরিমাপ করা হয়
১০ কপিতাল ৩,০৯৪ ফুট (৯৪৩ মিটার) রুমা, বান্দরবান
  • This flat mountain top once used as a hide out place by separatist group from Mizoram.
১১ ক্রেইকুং তং/ন্যারা্ম্ ত্ল্যাং ৩,০৮৩ ফুট (৯৪০ মিটার) রুমা, বান্দরবান
  • ২০১২ সালে বিডি এক্সপ্লোরার দ্বারা চূড়া অভিযানের সময় উচ্চতা মাপা হয়।
১২ রাং ট্লাং মাপা হয়নি বিলাইছড়ি, রাঙামাটি
১৩ নাসাই হুম ৩,০০৫ ফুট (৯১৬ মিটার) থানচি, বান্দরবান
  • Most south-east corner peak of Bangladesh.
  • Elevation measured during the joint expedition of Sangu source by D-way expeditors & Nature Adventure Club in 2011.[২]
১৪ আইয়াং ত্লং ৩,২৯৮ ফুট (১,০০৫ মিটার) থানচি, বান্দরবান [৩]
  • ২০১৯ সালে প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় ধর , সর্ব প্রথম একজন প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে চূড়াটিতে আরোহণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]