সপ্তপর্ণী গুহা

স্থানাঙ্ক: ২৫°০০′২৬″ উত্তর ৮৫°২৪′৩৯″ পূর্ব / ২৫.০০৭১৭৫° উত্তর ৮৫.৪১০৭৯২° পূর্ব / 25.007175; 85.410792
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সপ্তপর্ণী গুহা
Sattapanni.jpg
সপ্তপর্ণী গুহা
অবস্থানরাজগির, বিহার
স্থানাঙ্ক২৫°০০′২৬″ উত্তর ৮৫°২৪′৩৯″ পূর্ব / ২৫.০০৭১৭৫° উত্তর ৮৫.৪১০৭৯২° পূর্ব / 25.007175; 85.410792
পরিচালকবর্গভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ
সপ্তপর্ণী গুহা ভারত-এ অবস্থিত
সপ্তপর্ণী গুহা
ভারতে সপ্তপর্ণী গুহার অবস্থান

সপ্তপর্ণী গুহা (পালি: সত্তপন্নি গুহা) হল ভারতের বিহার রাজ্যের রাজগিরের ২ কিলোমিটার (১.২ মা) দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত একটি বৌদ্ধ গুহা।[১][২] এটি একটি পাহাড়ি গুহা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে সপ্তপর্ণী গুহা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। কারণ অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, গৌতম বুদ্ধ তাঁর মহাপরিনির্বাণের পূর্বে এখানে কিছুকাল অবস্থান করেছিলেন[৩] এবং তাঁর মহাপরিনির্বাণের পর এখানেই প্রথম বৌদ্ধ সংগীতি আয়োজিত হয়েছিল।[১][৪][৫]

সপ্তপর্ণী গুহার প্রবেশপথ

এই সংগীতিতে কয়েকশো ভিক্ষুর একটি পর্ষদ বুদ্ধের জ্ঞাতিভ্রাতা আনন্দউপালিকে বুদ্ধের শিক্ষাকে ভাবী প্রজন্মের জন্য লিপিবদ্ধ করে রাখার কাজে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মনে করা হত, তাঁরা উত্তর ভারতে বুদ্ধের ধর্মপ্রচার কালে তাঁর সঙ্গী ছিলেন এবং তাঁদের স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর ছিল। উল্লেখ্য, বুদ্ধ নিজে তাঁর শিক্ষাবলি লিখে রেখে যাননি। সপ্তপর্ণী গুহার সভার পর আনন্দ নিজের স্মৃতি থেকে বুদ্ধের শিক্ষা প্রচারের একটি মৌখিক প্রথা সৃষ্টি করেন, যেটির মুখবন্ধে থাকত "একদা আমি এইরূপ শুনেছি" শব্দবন্ধটি। উপালি বিনয় (শৃঙ্খলা) অর্থাৎ "ভিক্ষুদের বিধি" আবৃত্তি করেছিলেন বলে প্রবাদ আছে।[১] বিনয় পিটক (দুই.২৮৪ – দুই.২৮৭) ও দীঘ নিকায় (দুই.১৫৪) গ্রন্থে এই প্রবাদের উল্লেখ পাওয়া যায়।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Paul Gwynne (৩০ মে ২০১৭)। World Religions in Practice: A Comparative Introduction। Wiley। পৃষ্ঠা 51–52। আইএসবিএন 978-1-118-97228-1 
  2. Jules Barthélemy Saint-Hilaire (১৯১৪)। The Buddha and His Religion। Trübner। পৃষ্ঠা 376–377। 
  3. Digha Nikaya 16, Maha-Parinibbana Sutta, Last Days of the Buddha, Buddhist Publication Society
  4. Kailash Chand Jain (১৯৯১)। Lord Mahāvīra and His Times। Motilal Banarsidass। পৃষ্ঠা 66। আইএসবিএন 978-81-208-0805-8 
  5. Chakrabartia, Dilip K (১৯৭৬)। "Rājagriha: An early historic site in East India"। World Archaeology7 (3): 261–268। ডিওআই:10.1080/00438243.1976.9979639 
  6. Peter Harvey (২০১৩)। An Introduction to Buddhism: Teachings, History and Practices। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 88–89। আইএসবিএন 978-0-521-85942-4