শ্রীলঙ্কার প্রশাসনিক অঞ্চল
| শ্রীলঙ্কার প্রশাসনিক অঞ্চল | |||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| অবস্থান | শ্রীলঙ্কা | ||||||||||||
| উপবিভাগ |
| ||||||||||||
শ্রীলঙ্কার প্রশাসনিক অঞ্চল ৯টি প্রদেশে বিভক্ত, যেগুলো আবার ২৫টি জেলায় উপ-বিভক্ত হয়েছে। জেলাসমূহ আবার পৌরসভায় উপ-বিভক্ত হয়েছে, যেগুলো তিনটি শ্রেণীতে সাজানো। প্রত্যেকটি পৌরসভা ওয়ার্ডে এবং ওয়ার্ডসমূহ গ্রামা নিলাধারী বিভাগে বিভক্ত হয়েছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]অনুরাধাপুরা রাজ্যের সময় শ্রীলঙ্কা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক এককে বিভক্ত ছিল। রাজ্যটি প্রথমত তিনটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল, যথা: রাজারাতা, রুহুনা এবং মালায়ারাতা। প্রদেশগুলো আবারও রাতা নামে বিভিন্ন ছোট এককে উপ-বিভক্ত ছিল।[১] সময়ের সাথে সাথে প্রদেশসমূহের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় স্তরের প্রশাসনিক বিভাগটি রাতা হিসেবে চলতে থাকে। তবে, অবশেষে দেশটি একাধিক রাজ্যে বিভক্ত ও বিদেশী ঔপনিবেশিক মিশন অবতরণ এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে দেশের কিছু অংশ নিয়ে নেয়ার মাধ্যমে এর কাঠামো পরিবর্তন হতে শুরু করে। কোটে রাজ্যের অঞ্চলটি চারটি ডিসাভায় সংগঠিত হয়,যেগুলো আবার ৪০টি কোরালেতে উপ-বিভক্ত হয়। কোরালেসমূহে একটি ছোট সামরিক শক্তিসহ তাদের নিজস্ব বেসামরিক এবং সামরিক কর্মকর্তা ছিল। জাফনা রাজ্যের চারটি প্রদেশের সাথে এটি একটি অনুরূপ প্রশাসনিক কাঠামো ছিল বলে মনে হয়।[২]
১৫০৫ সালে আগমনের পর যখন পর্তুগিজরা দেশটির কিছু অংশ নিয়ে নেয়[৩] তারা শ্রীলঙ্কার শাসকদের দ্বারা পরিচালিত প্রশাসনিক কাঠামো আরও কমিয়ে দেয়।[৪] দেশটিতর ডাচ শাসনের সময়, তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ভূখণ্ড তিনটি প্রশাসনিক বিভাগ বিভক্ত করা হয়। সেগুলো আগের পদ্ধতি অনুসারে ডিসাভায় উপ-বিভক্ত হয়।[৫] ব্রিটিশরা প্রথমে এই পদ্ধতিটি অব্যাহত রেখেছিল,[৬] কিন্তু ১৭৯৬ থেকে ১৮০২ সালে সংস্কারের পর, জাতিগত গঠন অনুযায়ী দেশ বিভক্ত ছিল।[৭][৮] ১৮৩৩ সালে কোলব্রুক-ক্যামেরনের সংস্কারের ফলে এটি বিলুপ্ত হয় এবং একটি আইন পরিষদ গঠিত হয়,[৯] দ্বীপটি একটি রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিকভাবে একক ইউনিট তৈরি করে। পাঁচটি প্রদেশ গঠন করা হয়, পরবর্তীতে সম্প্রসারিত করে নয়টি করা হয় এবং সেগুলো ২১টি জেলায় উপ-বিভক্ত করা হয়। জেলাগুলো সরকারি এজেন্ট বা সহকারী সরকারি এজেন্ট হিসাবে পরিচিত কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত হয়।[৭]
১৯৫৫ সালে দেশটির প্রধান প্রশাসনিক একক অনুসারে জেলা প্রদেশে প্রতিস্থাপিত হয়।[১০] একটি নতুন সংবিধানের মাধ্যমে আম্পারা জেলা ১৯৬১ সালের এপ্রিলে গঠিত হয়,[১১][১২] একইভাবে ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুল্লাইতিভু এবং গাম্পাহা জেলাদ্বয় গঠিত হয়,[১৩] যা মূল প্রশাসনিক একক হিসাবে প্রদেশকে পুনরায় চালু করেছে।[১৪] সর্বশেষ জেলা হিসেবে ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কিলিনোচ্চি জেলা গঠিত হয়,[১৫] এবং বর্তমান সংবিধান (১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত) অনুসারে শ্রীলঙ্কার অঞ্চলসমূহ ২৫টি প্রশাসনিক জেলা দ্বারা গঠিত। শ্রীলঙ্কা সংসদের একটি রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে জেলাসমূহকে উপ-বিভক্ত বা সংযুক্ত করা যেতে পারে।[১৬]
প্রদেশসমূহ
[সম্পাদনা]প্রদেশ শ্রীলঙ্কার প্রথম স্তরের প্রশাসনিক বিভাগ। প্রদেশসমূহ প্রথম ১৮৩৩ সালে সিলন ব্রিটিশ শাসকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী শতাব্দী জুড়ে অধিকাংশ প্রশাসনিক কার্যকলাপ দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক বিভাগ জেলায় রূপান্তর করা হয়। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝির দিকে প্রদেশসমূহ ছিল নিছক আনুষ্ঠানিক। এটি ১৯৮৭ সালে পরিবর্তিত হয়, যখন কয়েক দশক ধরে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছিল, ১৯৭৮ সালের শ্রীলঙ্কান সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীতে প্রাদেশিক পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৭][১৮] বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ৯টি প্রদেশ রয়েছে।
| মানচিত্র | কোড | নাম | আয়তন (বর্গ কিলোমিটার) |
জনসংখ্যা[১৯] | ওয়েবসাইট |
|---|---|---|---|---|---|
| CP | মধ্যাঞ্চল প্রদেশ | ৫,৬৭৪ | ২,৫৫৬,৭৭৪ | ওয়েবসাইট | |
| EP | পূর্বাঞ্চল প্রদেশ | ৯,৯৯৬ | ১,৫৪৭,৩৭৭ | ওয়েবসাইট | |
| NCP | উত্তর মধ্যাঞ্চল প্রদেশ | ১০,৭১৪ | ১,২৫৯,৪২১ | ||
| NP | উত্তরাঞ্চল প্রদেশ | ৮,৮৮৪ | ১,০৬০,০২৩ | ওয়েবসাইট | |
| NWP | উত্তর পশ্চিমাঞ্চল প্রদেশ | ৭,৮১২ | ২,৩৭২,১৮৫ | ||
| SGP | সাবারাগামুওয়া প্রদেশ | ৪,৯০২ | ১,৯১৯,৪৭৮ | ওয়েবসাইট | |
| SP | দক্ষিণাঞ্চল প্রদেশ | ৫,৫৫৯ | ২,৪৬৫,৬২৬ | ওয়েবসাইট | |
| UP | উভা প্রদেশ | ৮,৪৮৮ | ১,২৫৯,৪১৯ | ওয়েবসাইট | |
| WP | পশ্চিমাঞ্চল প্রদেশ | ৩,৭০৯ | ৫,৮৩৭,২৯৪ | ওয়েবসাইট |
জেলাসমূহ
[সম্পাদনা]জেলা শ্রীলঙ্কার প্রশাসনিক বিভাগের দ্বিতীয় স্তর। শ্রীলঙ্কায় সর্বমোট ২৫টি জেলা ৯টি প্রদেশের অধীনে সংঘবদ্ধ।[২০] প্রত্যেকটি জেলা একজন জেলা সচিব দ্বারা পরিচালিত,[২১] যিনি কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হয়ে থাকেন।[২২] জেলা দপ্তরের প্রধান কাজ হল কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভাগীয় দপ্তরের যোগাযোগ এবং কার্যকলাপ সমন্বয় করা। জেলা দপ্তর জেলা পর্যায় এবং অধীনস্থ নিম্নস্তরের উপবিভাগসমূহের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণ করার ব্যাপারেও দায়িত্ব পালন করে থাকে,[২৩] পাশাপাশি রাজস্ব সংগ্রহ এবং জেলার নির্বাচনের সমন্বয় করে থাকে।[২৪] একটি জেলা কয়েকটি বিভাগীয় সচিব বিভাগ (সচরাচর ডিএস ডিভিশন নামে পরিচিত) এ বিভক্ত করা হয়, যেগুলো আবার ঘুরে গ্রামা নিলাধারী বিভাগে উপ-বিভক্ত হয়।[২৫] শ্রীলঙ্কায় সর্বমোট ২৫৬টি ডিএস বিভাগ রয়েছে।[২০]
২০১২ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যাসহ জেলাসমূহের তালিকা নিচে উল্লেখ করা হল:
| জেলা | মানচিত্রে অবস্থান | প্রদেশ | জেলা সদর |
আয়তন কিমি২ (মাইল২)[২৬] |
জনসংখ্যা (২০১২)[২৭] |
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কিমি২ (প্রতি বর্গমাইল)[ক] |
|---|---|---|---|---|---|---|
| অনুরাধাপুরা | উত্তর মধ্যাঞ্চল | অনুরাধাপুরা | ৭,১৭৯ (২,৭৭২) | ৮৬০,৫৭৫ | ১২৯ (৩৩০) | |
| আম্পারা | পূর্বাঞ্চল | আম্পারা | ৪,৪১৫ (১,৭০৫) | ৬৪৯,৪০২ | ১৫৪ (৪০০) | |
| কলম্বো | পশ্চিমাঞ্চল | কলম্বো | ৬৯৯ (২৭০) | ২,৩২৪,৩৪৯ | ৩,৪৩৮ (৮,৯০০) | |
| কালুতারা | পশ্চিমাঞ্চল | কালুতারা | ১,৫৯৮ (৬১৭) | ১,২২১,৯৪৮ | ৭৭৫ (২,০১০) | |
| কিলিনোচ্চি | উত্তরাঞ্চল | কিলিনোচ্চি | ১,২৭৯ (৪৯৪) | ১১৩,৫১০ | ৯৪ (২৪০) | |
| কুরুনেগালা | উত্তর পশ্চিমাঞ্চল | কুরুনেগালা | ৪,৮১৬ (১,৮৫৯) | ১,৬১৮,৪৬৫ | ৩৫০ (৯১০) | |
| কেগল | সাবারাগামুওয়া | কেগল | ১,৬৯৩ (৬৫৪) | ৮৪০,৬৪৮ | ৪৯৯ (১,২৯০) | |
| ক্যান্ডি | মধ্যাঞ্চল | ক্যান্ডি | ১,৯৪০ (৭৫০) | ১,৩৭৫,৩৮২ | ৭১৬ (১,৮৫০) | |
| গল | দক্ষিণাঞ্চল | গল | ১,৬৫২ (৬৩৮) | ১,০৬৩,৩৩৪ | ৬৫৮ (১,৭০০) | |
| গাম্পাহা | পশ্চিমাঞ্চল | গাম্পাহা | ১,৩৮৭ (৫৩৬) | ২,৩০৪,৮৩৩ | ১,৭১৯ (৪,৪৫০) | |
| জাফনা | উত্তরাঞ্চল | জাফনা | ১,০২৫ (৩৯৬) | ৫৮৩,৮৮২ | ৬২৯ (১,৬৩০) | |
| ত্রিঙ্কুমালে | পূর্বাঞ্চল | ত্রিঙ্কুমালে | ২,৭২৭ (১,০৫৩) | ৩৭৯,৫৪১ | ১৫০ (৩৯০) | |
| নুওয়ারা এলিয়া | মধ্যাঞ্চল | নুওয়ারা এলিয়া | ১,৭৪১ (৬৭২) | ৭১১,৬৪৪ | ৪১৭ (১,০৮০) | |
| পলোন্নারুওয়া | উত্তর মধ্যাঞ্চল | পলোন্নারুওয়া | ৩,২৯৩ (১,২৭১) | ৪০৬,০৮৮ | ১৩২ (৩৪০) | |
| পুট্টালাম | উত্তর পশ্চিমাঞ্চল | পুট্টালাম | ৩,০৭২ (১,১৮৬) | ৭৬২,৩৯৬ | ২৬৫ (৬৯০) | |
| বদুল্লা | উভা | বদুল্লা | ২,৮৬১ (১,১০৫) | ৮১৫,৪০৫ | ২৮৮ (৭৫০) | |
| বাট্টিকালোয়া | পূর্বাঞ্চল | বাট্টিকালোয়া | ২,৮৫৪ (১,১০২) | ৫২৬,৫৬৭ | ২০২ (৫২০) | |
| ভাভুনিয়া | উত্তরাঞ্চল | ভাভুনিয়া | ১,৯৬৭ (৭৫৯) | ১৭২,১১৫ | ৯২ (২৪০) | |
| মাতারা | দক্ষিণাঞ্চল | মাতারা | ১,২৮৩ (৪৯৫) | ৮১৪,০৪৮ | ৬৪১ (১,৬৬০) | |
| মাতালে | মধ্যাঞ্চল | মাতালে | ১,৯৯৩ (৭৭০) | ৪৮৪,৫৩১ | ২৪৮ (৬৪০) | |
| মান্নার | উত্তরাঞ্চল | মান্নার | ১,৯৯৬ (৭৭১) | ৯৯,৫৭০ | ৫৩ (১৪০) | |
| মুল্লাইতিভু | উত্তরাঞ্চল | মুল্লাইতিভু | ২,৬১৭ (১,০১০) | ৯২,২৩৮ | ৩৮ (৯৮) | |
| মোনারাগালা | উভা | মোনারাগালা | ৫,৬৩৯ (২,১৭৭) | ৪৫১,০৫৮ | ৮২ (২১০) | |
| রত্নাপুরা | সাবারাগামুওয়া | রত্নাপুরা | ৩,২৭৫ (১,২৬৪) | ১,০৮৮,০০৭ | ৩৩৬ (৮৭০) | |
| হাম্বানটোটা | দক্ষিণাঞ্চল | হাম্বানটোটা | ২,৬০৯ (১,০০৭) | ৫৯৯,৯০৩ | ২৪০ (৬২০) | |
| মোট | ৬৫,৬১০ (২৫,৩৩০) | ২০,৩৫৯,৪৩৯ | ৩২৫ (৮৪০) |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ জনসংখ্যার ঘনত্ব মোট এলাকার পরিবর্তে স্থলভূমি ব্যবহার করে গণনা করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Siriweera 2004, পৃ. 91।
- ↑ Yogasundaram 2006, পৃ. 170।
- ↑ Hewavissenti, Panchamee (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Episodes of colonised history"। Sunday Observer (Sri Lanka) (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ Yogasundaram 2006, পৃ. 168।
- ↑ Yogasundaram 2006, পৃ. 195।
- ↑ Yogasundaram 2006, পৃ. 214।
- 1 2 Yogasundaram 2006, পৃ. 258।
- ↑ Peebles 2006, পৃ. 48।
- ↑ Peebles 2006, পৃ. 52।
- ↑ Peebles 2006, পৃ. 110।
- ↑ "Overview" (ইংরেজি ভাষায়)। Ampara District Secretariat। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৭।
- ↑ Mohideen, M. I. M. (২৭ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Sinhalisation of East: A reply to Minister Champika Ranawaka"। The Island (Sri Lanka) (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৭।
- ↑ "Population by sex and district, census years" (পিডিএফ)। Statistical Abstract 2011 (ইংরেজি ভাষায়)। Department of Census & Statistics, Sri Lanka। ১৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ Schmiegelow, Michèle (১৯৯৭)। Democracy in Asia (ইংরেজি ভাষায়)। Palgrave Macmillan। পৃ. ৪২৫। আইএসবিএন ০-৩১২-১৬৪৯৫-৫।
- ↑ Karalliyadda, S. B. (৯ জুন ২০১৩)। "Awakening Jaffna Uthuru Wasanthaya"। The Nation (Sri Lanka) (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Chapter 1: The People, The State and Sovereignty"। The Constitution of Sri Lanka (ইংরেজি ভাষায়)। শ্রীলঙ্কা সরকার। ৩১ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ Law, Gwillim (২০১০)। "Provinces of Sri Lanka"। statoids.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Introduction"। Provincial Councils (ইংরেজি ভাষায়)। Government of Sri Lanka। ৭ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Population of Sri Lanka by district" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। Department of Census and Statistics। ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- 1 2 "At a Glance"। Sri Lanka in Brief (ইংরেজি ভাষায়)। Government of Sri Lanka। ৭ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Vision & Mission"। District Secretariats Portal (ইংরেজি ভাষায়)। Ministry of Public Administration & Home Affairs, Sri Lanka। ১৩ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Kilinochchi a brief look"। Daily News (Sri Lanka) (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০০৯।
- ↑ "About Us" (ইংরেজি ভাষায়)। Vavuniya District Secretariat। ১২ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Performs Report and Accounts—2008" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। District and Divisional Secretariats Portal—Ministry of Public Administration and Home Affairs। ৩ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Identification of DS Divisions of Sri Lanka Vulnerable for food insecurity" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। World Food Programme। ৪ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০০৯।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;abstract14নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Census of Population and Housing of Sri Lanka, 2012 - Table A1: Population by district, sex and sector" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। Department of Census & Statistics, Sri Lanka। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১৭।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- "Administrative Districts and Main Towns of Sri Lanka"। International Centre for Ethnic Studies। ৮ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০০৯।
- Siriweera, W. I. (২০০৪)। History of Sri Lanka: From Earliest Times Up to the Sixteenth Century। Dayawansa Jayakodi & Company। আইএসবিএন ৯৫৫-৫৫১-২৫৭-৪।
- Yogasundaram, Nath (২০০৬)। A Comprehensive History of Sri Lanka from Prehistory to Tsunami। Vijitha Yapa Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৫৫-৬৬৫-০০২-০।
- Peebles, Patrick (২০০৬)। The History of Sri Lanka। Greenwood Publishing Group। আইএসবিএন ০-৩১৩-৩৩২০৫-৩।