শের আলি খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শের আলি খান
আফগানিস্তানের আমির
আমির শের আলি খান, ১৮৬৯
রাজত্বকালবারাকজাই রাজবংশ: ১৮৬৩ – ১৮৭৯
পূর্ণ নামশের আলি খান বারাকজাই
জন্ম১৮২৫
জন্মস্থানকাবুল, আফগানিস্তান আমিরাত
মৃত্যু২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৯
মৃত্যুস্থানকাবুল, আফগানিস্তান আমিরাত
সমাধিস্থলনীল মসজিদ, মাজার-ই-শরিফ, আফগানিস্তান
পূর্বসূরিদোস্ত মুহাম্মদ খান
উত্তরসূরিমুহাম্মদ আফজাল খান
রাজবংশবারাকজাই রাজবংশ
পিতাদোস্ত মুহাম্মদ খান
মাতাবিবি খাদিজা[১]

শের আলি খান (পশতু: شير علي خان )(আনুমানিক ১৮২৫ – ২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৯) ছিলেন আফগানিস্তানের আমির। ১৮৬৩ থেকে ১৮৬৬ এবং ১৮৬৮ থেকে ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আমিরের দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি দোস্ত মুহাম্মদ খানের তৃতীয় পুত্র।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

পিতার মৃত্যুর পর শের আলি খান ক্ষমতালাভ করেন। পরে তার বড় ভাই মুহাম্মদ আফজাল খান তার কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করেন। শের আলি খান পুনরায় আমির হওয়ার আগ পর্যন্ত দুইপক্ষের লড়াই হয়েছে। যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার পারস্পরিক দ্বন্দ্বসংঘাত থেকে তিনি আফগানিস্তানকে নিরপেক্ষ রাখতে সচেষ্ট থাকলেও তাদের চাপের কারণে তার শাসনকাল বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে নিরপেক্ষতা নষ্ট হয় এবং দ্বিতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ শুরু হয়। ব্রিটিশরা কাবুলের দিকে যাত্রা করলে শের আলি খান রাশিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে কাবুল ত্যাগ করেন। তার পরে তার পুত্র মুহাম্মদ ইয়াকুব খান শাসনভার লাভ করেন। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি মাজার-ই-শরিফে মৃত্যুবরণ করেন।

শের আলি খানের সাথে পাকিস্তানের পোতোহার অঞ্চলের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি তার এক মেয়েকে গাখার উপজাতির নেতা খান বাহাদুর রাজা জাহানদাদ খানের সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর গাখার উপজাতি পাকিস্তানের অংশ হয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Vogelsang, Willem (২০০২)। "16-War with Britain"। The Afghans। LONDON: Willey-Blackwell, John Willey & SOns, Ltd, UK.। পৃষ্ঠা 257। আইএসবিএন 978-1-4051-8243-0 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

রাজত্বকাল শিরোনাম
পূর্বসূরী
দোস্ত মুহাম্মদ খান
আফগানিস্তানের আমির
১৮৬৩–১৮৬৬
উত্তরসূরী
মুহাম্মদ আফজাল খান
পূর্বসূরী
মুহাম্মদ আজম খান
আফগানিস্তানের আমির
১৮৬৭–১৮৭৯
উত্তরসূরী
মুহাম্মদ ইয়াকুব খান