শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন্মশাহাদাৎ হোসেন
(১৮৯৩-এক্সপ্রেশন ত্রুটি: অপরিচিত বিরামচিহ্ন অক্ষর "{"।-{{{day}}})এক্সপ্রেশন ত্রুটি: অপরিচিত বিরামচিহ্ন অক্ষর "{"। ১৮৯৩
কলকাতা, ভারত
মৃত্যু১৯৫৩ (বয়স ১৯৫৪–এক্সপ্রেশন ত্রুটি: --এর জন্য অপারেন্ড নেই।)
পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার , ভারত
পেশালেখক
জাতীয়তাভারতীয়

শাহাদাৎ হোসেন (১৮৯৩ - ডিসেম্বর ৩০, ১৯৫৩) একজন বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং রেডিও ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদীন সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন এবং পরবর্তী কালে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত ছিলেন। তাঁর কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্য সচেতনতা ও নিসর্গপ্রীতি লক্ষ করা যায়। তাঁর শব্দচয়ন ও ছন্দরীতি রবীন্দ্র প্রভাবিত হলেও বিষয় বৈশিষ্ট্যে তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র। তিনি একজন খ্যাতিমান নাট্যকারও।

জন্ম[সম্পাদনা]

শাহাদাৎ হোসেন ১৮৯৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের |চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসত মহকুমার অন্তর্গত পন্ডিতপোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

শিক্ষা ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

হুগলী কলেজিয়েট স্কুলে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যায়ন করেন। হাড়ায়ো মাইনর স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতা করেন। তারপরে কলকাতায় গমন করেন। সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করেন। এধারে তিনি মাসিক সওগাত, মাসিক সহচর, দৈনিক সুলতান, সাপ্তাহিক মোসলেম জগত এ সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন।[১]

অবদান[সম্পাদনা]

সফররাজ খাঁ, আনার কলি, মসনদের মোহ ইত্যাদি তাঁর বিখ্যাত নাটক। বর্তমানে "মসনদের মোহ" এর একাংশ পশ্চিমবঙ্গের প্রবেশিকা পরীক্ষার পাঠ্যসূচীতে এবং "শাজাহানের মৃত্যুস্বপ্ন" বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত আছে। জীবদ্দশায় কবির মূল্যায়ন ঘটেনি। এমনকি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের পর পাকিস্তান সরকার তাকে নাগরিকত্ব আইনের অধীনে ভারতের নাগরিক ঘোষণা করে। কবির অপরাধ ছিল তিনি মাতৃভূমি-জন্মভূমি তার গ্রামের টানে বার বার ফিরে যেতেন সেখানে। পাকিস্তানবাদী কবিতা লিখেও তিনি পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট করতে পারেন নি। কল্পরেখা, রূপছন্দা, মধুছন্দা ইত্যাদি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।

উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • মরুর কুসুম
  • হিরনলেখা
  • পারের পথ
  • স্বামীর ভুল
  • সোনার কাঁকন
  • যুগের আলো
  • রিক্তা
  • পথের দেখা
  • কাঁটার ফুল[১]

গল্প[সম্পাদনা]

  • রূপায়ণ[১]

শিশুসাহিত্য[সম্পাদনা]

  • ছেলেদের গল্প
  • মোহন ভোগ[১]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৯৫৩ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর তারিখ ৩০শে ডিসেম্বর, ১৫ ই পৌষ ১৩৬০ বুধবার। ২০০৮ সালে পশ্চিম্বঙ্গের সি পি এম সরকারের উদ্যোগে তার শততম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় এবং এই প্রথম তার মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হলো।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সেলিনা হোসেন ও নুরুল ইসলাম সম্পাদিত; বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান; ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭; পৃষ্ঠা- ৩৭২।