লুইস স্ট্রিকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লুইস স্ট্রিকার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামলুইস অ্যান্থনি স্ট্রিকার
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
সম্পর্কহেনরি স্ট্রিকার (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৭)
১ জানুয়ারি ১৯১০ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১২ আগস্ট ১৯১২ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৩ ৬০
রানের সংখ্যা ৩৪২ ২১০৫
ব্যাটিং গড় ১৪.২৫ ২২.৮৮
১০০/৫০ ০/০ ২/৯
সর্বোচ্চ রান ৪৮ ১৪৬
বল করেছে ১৭৪ ৫১০
উইকেট
বোলিং গড় ১০৫.০০ ৩৭.৮৭
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৩৬ ৩/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/- ২৯/২
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২2 জুন ২০১৯

লুইস অ্যান্থনি স্ট্রিকার (ইংরেজি: Louis Stricker; জন্ম: ২৬ মে, ১৮৮৪ - মৃত্যু: ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০) কিম্বার্লির বিকন্সফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১][২][৩] দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯১০ থেকে ১৯১২ সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন লুইস স্ট্রিকার

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯০৬-০৭ মৌসুম থেকে ১৯১১-১২ মৌসুম পর্যন্ত লুইস স্ট্রিকারের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন। ট্রান্সভালের পক্ষে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন।

১৯০৯-১০ মৌসুমে এমসিসি দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে আসে। প্রিটোরিয়ায় ট্রান্সভালের সদস্যরূপে এইচডিজি লেভেসন-গাওয়ারের নেতৃত্বাধীন দলটির বিপক্ষে ১০১ রান তুলেন তিনি। জে. ডব্লিউ. জাল্খের সাথে উদ্বোধনী জুটিতে দুই ঘন্টা ২০ মিনিটে ২১৫ রান তুলেছিলেন। জাল্খ করেছিলেন ১৭৬ রান। দক্ষিণ আফ্রিকায় যে-কোন সফরকারী দলের বিপক্ষে প্রথম উইকেট জুটিতে ঐ সময়ের রেকর্ড হিসেবে স্থান করে নেয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তেরোটি টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন লুইস স্ট্রিকার। ১ জানুয়ারি, ১৯১০ তারিখে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১২ আগস্ট, ১৯১২ তারিখে ওভালে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বমোট ১৩ টেস্টে অংশ নিয়ে ১৪.২৫ গড়ে ৩৪২ রান তুলেন। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই তিনি তার তেরো টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু কোন ইনিংসেই অর্ধ-শতরানের ইনিংস উপহার দিতে পারেননি।

১৯০৯-১০ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার টেস্টে অংশ নেন। ১৯১০-১১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্য ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত প্রথম খেলায় সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৪৬ রান তুলেন। এরপর গুরুত্বহীন খেলায়ও তিনি এ ধারা অব্যাহত রেখেছিলেন। ১৯১২ সালের ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, সেখানে তিনি মাঝারিমানের সফলতা পান। বোর্নমাউথে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৯৯ রান তুলেছিলেন।

৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে ৭৫ বছর বয়সে কেপ প্রদেশের রন্দেবোশ এলাকায় লুইস স্ট্রিকারের দেহাবসান ঘটে। তার ভ্রাতা হেনরি স্ট্রিকার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "South Africa – Players by Test cap"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০১৮ 
  2. "South Africa – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৮ 
  3. "South Africa – Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]