মার্টিন ম্যাককেগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মার্টিন ম্যাককেগ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমার্টিন জন ম্যাককেগ
জন্ম (1969-05-24) ২৪ মে ১৯৬৯ (বয়স ৫২)
লার্ন, কাউন্টি অ্যান্ট্রিম, উত্তর আয়ারল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৫৬৮)
১ জুলাই ১৯৯৩ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট২৫ নভেম্বর ১৯৯৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯০/৯১-১৯৯১/৯২ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া
১৯৯১-২০০১কেন্ট
২০০২-২০০৫হিয়ারফোর্ডশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ১৩৫ ১৬৬
রানের সংখ্যা ২১ ২,৩২৪ ৮০০
ব্যাটিং গড় ৪.২০ ১৬.৪৮ ১১.৯৪ ৬.০০
১০০/৫০ ০/০ ০/৬ ০/১ ০/০
সর্বোচ্চ রান ১১ ৭২ ৫৬
বল করেছে ৫৯৩ ২২,৯২৪ ৬,৯৭১
উইকেট ৪৫৬ ২১১
বোলিং গড় ৬৫.০০ ২৭.১৭ ২৭.২৭
ইনিংসে ৫ উইকেট ২৫
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/১২১ ৯/৮৬ ৫/২৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/– ৭৫/– ৩২/– ০/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

মার্টিন জন ম্যাককেগ (ইংরেজি: Martin McCague; জন্ম: ২৪ মে, ১৯৬৯) কাউন্টি অ্যান্ট্রিমের লার্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী আইরিশ বংশোদ্ভূত সাবেক পেশাদার ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হিয়ারফোর্ডশায়ার ও কেন্ট এবং অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী উপস্থাপন করতেন মার্টিন ম্যাককেগ

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মার্টিন ম্যাককেগের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। উত্তরে আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেও অস্ট্রেলিয়ায় শৈশবকাল অতিবাহিত করেন। সেখানেই পেশাদারী খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন।[১]

অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটার হিসেবে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।[২] উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ ও বিদেশী খেলোয়াড় - উভয় ক্ষেত্রেই কেন্টের পক্ষে খেলার সুযোগ পান। ১৯৯৪ সালে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় ১৪৭ রান খরচায় ১৫ উইকেট দখল করেন। এরপর আরও অনেকগুলো বছর কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে থাকেন। ২০০৫ সালে কয়েকটি টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন।

অস্ট্রেলিয়ায় খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করার পর ইংল্যান্ড দলে মার্টিন ম্যাককেগের অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে জন উডককের ন্যায় ধারাভাষ্যকারের কাছ থেকে নেতিবাচক মন্তব্য আসে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন মার্টিন ম্যাককেগ। ১ জুলাই, ১৯৯৩ তারিখে নটিংহামে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৫ নভেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে ব্রিসবেনে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৯৩ সালে ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। বেশ ভালোমানের বোলিং করেন। বলে পর্যাপ্ত পেস থাকা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছিলেন না। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার থাকায় ঐ মৌসুমের শীতকালে অ্যাশেজ সফরে তার অন্তর্ভূক্তি আশ্চর্যজনক ছিল না বলে কিছুসংখ্যক ক্রিকেটবোদ্ধাদের অভিমত।

মার্ক টেলর, স্টিভ ওয়াহডেভিড বুনকে আউট করেন। মার্ক ওয়াহকে কটে বিদেয় করেন। এরফলে খেলার গতিধারা পরিবর্তিত হয়ে যায়। পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসে গ্রাহাম থর্পের নিজস্ব প্রথম সেঞ্চুরি দলকে চালকের আসনে নিয়ে যায়। উইজডেন ক্রিকেট মান্থলিতে ডেভিড ফ্রিদ মন্তব্য করেন যে, নিজের শুরুরদিকের ওভারগুলো অনেকাংশে এ মাঠে টিবি কটারকিথ মিলারের খেলার সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। একই সাময়িকীতে বব উইলিস মন্তব্য করেন যে, এ সিরিজের পূর্বেই আমরা ম্যাককেগের নাম শুনেছি। কিন্তু, আঘাতের কারণে তাকে এখানে দেখতে পাইনি।

হেডিংলিতে দ্বিতীয় খেলায় অংশ নেয়ার আঠারো মাস পর ব্রিসবেনে সর্বশেষ টেস্টে খেলেন। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজ চলাকালে অস্ট্রেলীয় ট্যাক্সি চালকের কাছ থেকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হন ও তাকে যাত্রী হিসেবে আরোহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।[৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯০ সালে নর্থ অ্যাডিলেডের পক্ষে অর্ধ-পেশাদারী পর্যায়ে অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলের একটি খেলায় অংশ নেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত মার্টিন ম্যাককেগ দুই সন্তানের জনক। ২০১৮ সালে তারা লিডস ও ব্রুমফিল্ড ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Poacher-turned-gamekeeper"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১৯ 
  2. Cricket: 'I tried my nuts off every day', The Irish Independent, 2009-07-05. Retrieved 2017-11-20.
  3. Smyth R (2017) 'Let him die of thirst': Douglas Jardine and the long history of Ashes sledging, The Guardian, 2017-11-20. Retrieved 2018-11-10.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]