ভূটানের পর্যটন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Passengers disembarking from Druk Air's Airbus A319 at Paro Airport

ভূটানের পর্যটন ১৯৭৪ সালে শুরু হয়, যখন ভূটান সরকার, দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং দেশের অনন্য ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা শুরু করে, দেশটিকে বিশ্ববাসীর কাছে উন্মুক্ত করে দেয়। ১৯৭৪ সালে ২৮৭ জন পর্যটক ভূটান সফর করে। তখন থেকেই ভূটানে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ১৯৯২ এ তা ২৮৫০-তে উত্তীর্ণ হয় এবং নাটকীয়ভাবে ১৯৯৯ এ তা ৭১৫৮ এ উত্তীর্ণ হয়।[১]

১৯৮০ এর শেষের দিকে পর্যটন খাত থেকে জাতীয় রাজস্বে খাতে প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার যুক্ত হয়। বিদেশীদের জন্য পর্যটন খাত উন্মুক্ত করা ছাড়া, সরকার অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছিল যে পর্যটকদের ভ্রমণের মাধ্যমে ভূটানের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়লে দেশের অর্থনীতিতে তা সুস্পষ্ট ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সেকারণেই, উন্নত পর্যটনকে প্রাধান্য দিয়ে তারা শুরু থেকেই পর্যটন কার্যক্রমের উপর নীতিমালা আরোপ করে।১৯৯১ পর্যন্ত, ভূটান পর্যটন কর্পোরেশন (বিটিসি, ), অর্ধ স্বায়ত্তশাসিত এবং নিজস্ব-অর্থায়নে সরকারের পর্যটন নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।.[১]

১৯৯১ এর অক্টোবরে, ভূটানী সরকার পর্যটন খাতে প্রাইভেট কোম্পানির উদ্যেগ এবং কার্যক্রম আরো সহজতর করার জন্য কর্পোরেশনকে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে। যার ফলে, বর্তমানে প্রায় ৭৫টিরও বেশি নিবন্ধনকৃত পর্যটন কোম্পানি দেশটিতে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।[১]

ভূটানের রাজধানী থিম্পু এবং ভূটানের পশ্চিমে অবস্থিত শহর পারু, ভারতের নিকটবর্তী, হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। পারু তাকসাং, একটি উচুঁ পাহাড়িঞ্চলে অবস্থিত মন্দির (বাংলায় যেটিকে বাঘের খাঁচা বলা হয়), ভূটানের দর্শনীয়স্থানসমূহের অন্যতম একটি স্থান।এ তীর্থস্খানটি বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি স্বর্গীয় উপহারের মত।এই মন্দিরের ভিতরে কক্ষে রয়েছে একটি গুহা যেখানে বৌদ্ধ দেবতা বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য প্রায় ৯০ দিন উপবাস রেখে রাক্ষস দেবতাদের, যারা ঐ উপত্যকায় বাস করত, বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভূটানে বৌদ্ধ ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরটি প্রায় এক হাজার বছর ধরে সেখানে অক্ষত অস্থায় রয়েছে। ভূটানে বিমান সেবায় তখন শুধুমাত্র দ্রাক এয়ার কাজ করত, বর্তমানে ভূটান এয়ারলাইন্সও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।[২] ভূটানের ভিসা প্রায় প্রতিটি দেশে ভূটান দূতাবাসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যায়্

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Dorji, Tandi। "Sustainability of Tourism in Bhutan" (PDF)। Digital Himilaya। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১০, ২০০৮ 
  2. Ionides, Nicholas (৯ এপ্রিল ২০০৮)। "Bhutan's Druk Air looks to expand"Airline Business। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]