বিষয়বস্তুতে চলুন

তিতাস একটি নদীর নাম (চলচ্চিত্র): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

103.38.18.13-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে আফতাবুজ্জামান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(103.38.18.13-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে আফতাবুজ্জামান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
| মুক্তি = [[১৯৭৩]]
| দৈর্ঘ্য = ১৫৯ মিনিট
| দেশ = {{BAN}}<br />{{IND}}
| ভাষা = [[বাংলা ভাষা|বাংলা]]
| নির্মাণব্যয় =
 
অদ্বৈত মল্লবর্মণের [[তিতাস একটি নদীর নাম (উপন্যাস)|তিতাস একটি নদীর নাম]] শীর্ষক উপন্যাসের কাহিনীকে উপজীব্য করে চলচ্চিত্রস্রষ্টা [[ঋত্বিক কুমার ঘটক]] ১৯৭৩ সালে তিতাস একটি নদীর নাম চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। এ চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহের কারণ হিসেবে ঋত্বিক কুমার ঘটক বলেন,<ref name="প্রথম আলো"/>
{{উক্তি|তিতাস পূর্ব বাংলার একটা খণ্ডজীবন, এটি একটি সৎ লেখা। ইদানীং সচরাচর বাংলাদেশে (দুই বাংলাতেই) এ রকম লেখার দেখা পাওয়া যায় না। এর মধ্যে আছে প্রচুর নাটকীয় উপাদান, আছে দর্শনধারী ঘটনাবলী, আছে শ্রোতব্য বহু প্রাচীন সঙ্গীতের টুকরো - সব মিলিয়ে একটা অনাবিল আনন্দ ও অভিজ্ঞতার সৃষ্টি করা যায়। ব্যাপারটা ছবিতে ধরা পড়ার জন্য জন্ম থেকেই কাঁদছিল। ... অদ্বৈতবাবু অনেক অতিকথন করেন। কিন্তু লেখাটা একেবারে প্রাণ থেকে, ভেতর থেকে লেখা। আমি নিজেও বাবুর চোখ দিয়ে না দেখে ওইভাবে ভেতর থেকে দেখার চেষ্টা করেছি। অদ্বৈতবাবু যে সময়ে তিতাস নদী দেখেছেন, তখন তিতাস ও তার তীরবর্তী গ্রামীণ সভ্যতা মরতে বসেছে। বইয়ে তিতাস একটি নদীর নাম। তিনি এর পরের পুণর্জীবনটা দেখতে যাননি। আমি দেখাতে চাই যে, মৃত্যুর পরেও এই পুণর্জীবন হচ্ছে। তিতাস এখন আবার যৌবনগর্বিত নরের মতোই বহমান। যেন পূর্ণযৌবনের নর আর তিতাস মিলে একাকার হয়ে যাবে। তিতাস যেন এখন যৌবনবান নরদেরকে উপভোগ করবে। এই ভরা যৌবনের নরদের বাসস্থান তিতাস তীরের গ্রাম, কিন্তু তারা তাঁদের ভরা যৌবনের নরদেহ বিক্রি করে তিতাসের কাছে। তিতাস তাদের বেঁচে থাকার উপজীব্য। তিতাস এই নরদের শরীর নেবে এবং বিনিময়ে মাছ দেবে।যৌবনবতী। আমার ছবিতে গ্রাম নায়ক, গ্রামের ভরা যৌবনের মালো নররা নায়ক আর তিতাস নায়িকা।|sign=|source=}}
 
== কাহিনী সংক্ষেপ ==