বিষয়বস্তুতে চলুন

কোমল গান্ধার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কোমল গান্ধার
কোমল গান্ধার ছবিটির পোস্টার
পরিচালকঋত্বিক ঘটক
প্রযোজকঋত্বিক ঘটক
চিত্রনাট্যকারঋত্বিক ঘটক
সুরকারজ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র
কথা ও সুর': রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
চিত্রগ্রাহকদিলীপরঞ্জন মুখোপাধ্যায়
সম্পাদকরমেশ যোশী
মুক্তি৩১ মার্চ, ১৯৬১
দেশভারত
ভাষাবাংলা

কোমল গান্ধার[] হল ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র।[] এই ছবিটির কাহিনিকার ও পরিচালক ছিলেন ঋত্বিক ঘটক[][][] এই ছবিটির শিরোনাম হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের ‘কোমলগান্ধার’ সুরের (পাশ্চাত্য সংগীতের ই-ফ্ল্যাটের অনুরূপ) নামাঙ্কিত। এই ছবিটি ঋত্বিক ঘটকের মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০), কোমল গান্ধারসুবর্ণরেখা (১৯৬২) চলচ্চিত্র-ত্রয়ীর অংশ। এই সব ক’টি ছবির বিষয় হল ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর শরণার্থী সমস্যা। অবশ্য কোমলগান্ধার ছবিটিই এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা আশাবাদী ছবি।[] এই ছবিতে কাহিনির তিনটি মূল বিষয় একের পর এক চিত্রিত হয়েছে: প্রধান চরিত্র অনুসূয়ার দোলাচল, ভারতীয় গণনাট্য সংঘের নেতৃত্বের বিভাজন এবং ভারত বিভাজন-সংক্রান্ত মতভেদ।[]

ছবিটির নামকরণ করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতায় উল্লিখিত একটি পংক্তির অনুষঙ্গে।[টীকা ১]

বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা]

ভারতীয় গণনাট্য সংঘের নিবেদিতপ্রাণ ও আপোশবিহীন মানসিকতার মাধ্যমে, ঋত্বিক ঘটক তার নিজস্ব ভঙ্গিতে দেশভাগ, আদর্শবাদ, দুর্নীতি, শিল্প ও জীবনের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, শিল্পের পরিধি ও শ্রেণি-সংগ্রামের বিষয়টি তুলে ধরেন। এই ছবিতে দুই প্রেমিক-প্রেমিকার ইতিবাচক প্রেমের ধারণাটি প্রদর্শিত হয়েছে এবং মিলনান্তক দৃষ্টিভঙ্গিতে ছবির সমাপ্তি ঘটেছে। এই ধারণা ঋত্বিক ঘটনের অন্যান্য ছবিতে দেখা যায় না।

অভিনেতা-অভিনেত্রী

[সম্পাদনা]

সাউন্ডট্র্যাক

[সম্পাদনা]

কোমল গান্ধার ছবিটির সংগীত পরিচালক ভারতীয় গণনাট্য সংঘের সদস্য তথা বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র। তিনিই এর আগে ঋত্বিক ঘটকের মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০) ছবির সংগীত পরিচালনা করেন। গানগুলি গেয়েছিলেন বিজন ভট্টাচার্য, দেবব্রত বিশ্বাসহেমাঙ্গ বিশ্বাস। সাউন্ডট্র্যাকে বাহাদুর খান সরোদ বাজিয়েছিলেন। ছবিটি বিবাহ-সংগীত ও শব্দের কন্ট্রাপুন্টাল ব্যবহারের জন্য উল্লেখযোগ্য।[]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. Manju Jain (১ আগস্ট ২০০৯)। Narratives Of Indian Cinema। Primus Books। পৃ. ৮১–। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৯০৮৯১৮-৪-৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১২
  2. Robert Burgoyne (১ আগস্ট ২০০৯)। The Epic Film। Taylor & Francis। পৃ. ৩৯৪–। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৯৯০১৭-২। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১২
  3. "E-Flat (1961)"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১২
  4. "Jinxed legacy"। Hinduonnet.com। ৬ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১০
  5. "Of Time And The River…"। www.outlookindia.com। ২১ জুলাই ২০০৬। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১০
  6. Rosalind Galt; Karl Schoonover (২০১০)। Global Art Cinema: New Theories and Histories। Oxford University Press। আইএসবিএন ০-১৯-৫৩৮৫৬২-৪
  7. Haimanti Banerjee (১৯৮৫)। Ritwik Kumar Ghatak: a monograph। National Film Archive of India। পৃ. ৬২–৩। আইএসবিএন ৮১-২০১-০০০১-৮
  8. Indian horizons, Volume 44. Indian Council for Cultural Relations., 1995. p. 127.
  1. বই: পুনশ্চ, কবিতা: কোমল-গান্ধার; নাম রেখেছি কোমল গান্ধার, মনে মনে।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]