বিগ ব্যাশ লীগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কেএফসি
বিগ ব্যাশ লীগ (বিবিএল)
বিগ ব্যাশ লীগ.jpg
বিগ ব্যাশ লীগের লোগো
দেশঅস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া
ব্যবস্থাপকক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া
খেলার ধরনটুয়েন্টি২০
প্রথম টুর্নামেন্ট২০১১-১২
শেষ টুর্নামেন্ট২০২০-২১
প্রতিযোগিতার ধরনরাউন্ড-রবিন ও নক-আউট ফাইনাল
দলের সংখ্যা
বর্তমান চ্যাম্পিয়নপার্থ স্কর্চার্স (২য় শিরোপা)
সর্বাধিক সফলপার্থ স্কর্চার্স (২ শিরোপা)
যোগ্যতাচ্যাম্পিয়ন্স লীগ টুয়েন্টি২০
সর্বাধিক রানক্রিস লিন (২৭৯৯)
সর্বাধিক উইকেটশন অ্যাবট (১১২)
টিভিনেটওয়ার্ক টেন
ওয়েবসাইটবিগব্যাশ
২০২১-২২ বিগ ব্যাশ লিগ

কেএফসি টি২০ বিগ ব্যাশ লীগ অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাবিশেষ। ২০১১ সালে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘটে। এ প্রতিযোগিতাটি পূর্বতন কেএফসি টুয়েন্টি২০ বিগ ব্যাশের স্থলাভিষিক্ত হয়। প্রতিযোগিতার শীর্ষ দুই দল চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা লাভ করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ট্রফি[সম্পাদনা]

বিগ ব্যাশ লীগ ট্রফির নকশা নির্ধারণে ২০১১ সালে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র অস্ট্রেলীয় নকশাকারদের জন্য এ প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত ছিল। অবশেষে ১৩ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে ট্রফির নকশা উন্মোচন হয়।[১][২]

সম্প্রসারণ[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে আরও অঞ্চলকে সম্পৃক্ত করতে এ প্রতিযোগিতার সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। ২০১২ সালে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবিত দলগুলোতে নিউক্যাসল, ক্যানবেরা, জিলং ও গোল্ড কোস্টসহ নিউজিল্যান্ডভিত্তিক একটি দলকেও প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়।[৩][৪] ক্রিকেট বিশ্লেষক মার্ক ওয়াহ ফক্স স্পোর্টসে মন্তব্য করেন যে, প্রতিযোগিতা সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনার ফলে এটি গড়পড়তা লীগে পরিণত করবে। কিন্তু এ পরিকল্পনা বাতিল হয় মূলতঃ প্রস্তাবিত শহরগুলোয় যথোপযুক্ত ক্রিকেট সুযোগ-সুবিধার অভাবে।[৫][৬]

প্রমীলা বিগ ব্যাশ লিগ[সম্পাদনা]

টুর্নামেন্ট বিন্যাস[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে মেলবোর্ন স্টার্সের বিপক্ষে ব্রিসবেন হিটের হয়ে ব্যাটিং করছেন বেন কাটিং

২০১১ সালে বিবিএল প্রতিষ্ঠার পর থেকে টুর্নামেন্টটি প্রতিবছর উদ্বোধনী মৌসুম বাদে একই বিন্যাস অনুসরণ করছে।[৭]

বর্তমান দলসমূহ[সম্পাদনা]

৮টি শহরভিত্তিক ফ্রাঞ্চাইজ দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। তন্মধ্যে শেফিল্ড শীল্ডে অংশগ্রহণকারী ছয়টি রাজ্য দলও এতে রয়েছে। প্রতিটি রাজ্যের প্রধান শহর থেকে একটি করে ও সিডনি এবং মেলবোর্ন থেকে দুইটি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। দলের নাম ও পোষাকের রঙ ৬ এপ্রিল, ২০১১ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।[৮]

মানচিত্রে[সম্পাদনা]

দলের তালিকা[সম্পাদনা]

দল শহর রাজ্য নিজস্ব মাঠ কোচ অধিনায়ক বিদেশী খেলোয়াড়
অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স অ্যাডিলেড দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া অ্যাডিলেড ওভাল অস্ট্রেলিয়া জেসন গিলেস্পি ট্রাভিস হেড
অস্ট্রেলিয়া পিটার সিডল (বদলি খেলোয়ার)
আফগানিস্তান রশীদ খান
ইংল্যান্ড জর্জ গারটন
ইংল্যান্ড ইয়ান ককবেইন
ব্রিসবেন হিট ব্রিসবেন কুইন্সল্যান্ড কুইন্সল্যান্ড গাব্বা অস্ট্রেলিয়া ওয়েড সেককোম্বে অস্ট্রেলিয়া জিমি পিয়ারসন
হোবার্ট হারিকেন্স হোবার্ট তাসমানিয়া তাসমানিয়া ব্লান্ডস্টোন অ্যারিনা অস্ট্রেলিয়া অ্যাডাম গ্রিফিথ অস্ট্রেলিয়া ম্যাথু ওয়েড ইংল্যান্ড টাইমল মিলস
মেলবোর্ন রেনিগেডস মেলবোর্ন ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া ডকল্যান্ড স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়া ডেভিড সেকার অস্ট্রেলিয়া নিক ম্যাডিনসন ভারত উন্মুক্ত চাঁদ
আফগানিস্তানজাহির খান
আফগানিস্তানমোহাম্মাদ নবী
ইংল্যান্ডরিস টপলি
মেলবোর্ন স্টার্স মেলবোর্ন ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড অস্ট্রেলিয়া ডেভিড হাসি অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ডোয়েন ব্র্যাভো
নেপাল সন্দীপ লেমিচেনি
পার্থ স্কর্চার্স পার্থ পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পার্থ স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়া এ্যাডাম ভোজেস অস্ট্রেলিয়া অ্যাশটন টার্নার ইংল্যান্ড ডেভিড উইলি
সিডনি সিক্সার্স সিডনি নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড অস্ট্রেলিয়া গ্রেগ শিপ্পেরড অস্ট্রেলিয়া মইসেস হেনরিকুইস ইংল্যান্ড জো ডেনলি
ইংল্যান্ড টম কুররেন
সিডনি থান্ডার সিডনি নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস সিডনি শোগ্রাউন্ড স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়া ট্রেভর বেলিস ক্রিস গ্রিন
জেসন সাংঘা (বদলি খেলয়ার)
ইংল্যান্ড জো রুট
ইংল্যান্ড জস বাটলার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "KFC T20 Big Bash League – Top three trophies as chosen by you"। Bigbash.com.au। ৮ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৪ 
  2. "KFC T20 Big Bash League – The trophy has been revealed"। Bigbash.com.au। [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. Cricket Australia considering Big Bash expansion. Retrieved 17 January 2012
  4. Cricket Australia looks at expanding KFC T20 Big Bash League on back of incredible ratings and crowd figures. Retrieved 17 January 2012
  5. "Articles from January 27, 2012"। Sports News First। ২৭ জানুয়ারি ২০১২। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৪ 
  6. Kerry, Craig (১২ জানুয়ারি ২০১২)। "Newcastle lacking for big bash"। Newcastle Herald। 
  7. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; BBL format নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  8. New look and feel for freshly formed Big Bash teams, ESPNcricinfo. Retrieved 22 April 2011.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]