বিষয়বস্তুতে চলুন

বাবুই বাটান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বাবুই বাটান
শ্রীলঙ্কায়
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস সম্পাদনা করুন
জগৎ/রাজ্য: অ্যানিম্যালিয়া (Animalia)
পর্ব: কর্ডাটা (Chordata)
শ্রেণি: এভিস (Aves)
বর্গ: Charadriiformes
পরিবার: Glareolidae
গণ: Glareola
(Temminck, 1820)
প্রজাতি: G. lactea
দ্বিপদী নাম
Glareola lactea
(Temminck, 1820)

বাবুই বাটান, ছোট বাবুই বাটান বা পুটুলে চ্যাগা (Glareola lactea) হলো প্রাটিনকোল পরিবারের ছোট একটি পাখি।

বিস্তৃতি

[সম্পাদনা]

ছোট বাবুই বাটান ভারত, পশ্চিম পাকিস্তান, বাংলাদেশ, বার্মা, লাওস, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের স্থানীয় প্রজননকারী পাখি। এটি ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসে নদীহ্রদের কাছে বালু বা বালির স্তরে প্রজনন করে। এরা মাটিতে গর্ত করে ২-৪টি ডিম পাড়ে। প্রজনন এলাকার মধ্যে উত্তর কর্ণাটকের মানভি জেলা রায়চুর এবং হেমাবতী নদীর তীর[] এবং কান্নুরের কাছে উত্তর কেরলের ছোট ছোট এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

এই প্রজাতিটি মাত্র ১৬.৫-১৮.৫ সেমি দীর্ঘ এবং ডানার বিস্তার ৪২-৪৮ সেমি। এর ছোট আকারের কারণে, উড়ন্ত অবস্থায় ছোট বাবুই বাটানকে বাতাসি পাখি বা আবাবিল পাখির মতো মনে হতে পারে।

বিবরণ

[সম্পাদনা]

এই পাখির পা ছোট, ডানা লম্বা এবং লেজ ছোট। আকাশে খাবার খাওয়ার অভিযোজন প্রক্রিয়ার জন্য এই পাখির ছোট ঠোঁট। মাটিতে এটি মূলত ফ্যাকা ধূসর দেখায় (কখনো দুধের মতো, দুধী)। এই পাখির মাথার খুলিটি বাদামী।

ডানাগুলো উপরের দিকে ধূসর এবং এর ভিতরের উড়ন্ত পালকের পিছনের প্রান্তে কালো ও সাদা দাগ রয়েছে। নিচের দিকের ডানাগুলো মূলত কালো। লেজটি সাদা, শেষ প্রান্তে কালো ত্রিভুজ রয়েছে। এই পাখির পেট সাদা।

বাস্তুসংস্থান

[সম্পাদনা]

বাবুই বাটানের সবচেয়ে অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলো এদেরকে পানিকাটা পাখি হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হলেও এরা সাধারণত আবাবিলের মতো ডানার সাহায্যে পোকামাকড় শিকার করে।এর পাশাপাশি, এরা ভূমিতেও এদের খাবার শিকার করতে পারে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. BirdLife International (২০১৬)। "Glareola lactea"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬আইইউসিএন: e.T২২৬৯৪১৫২A৯৩৪৪১৫৮১। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2016-3.RLTS.T22694152A93441581.en। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২১
  2. Worth, C Brooke (১৯৫৩)। "Ecological notes on a colony of Small Swallow-Plovers in Mysore State"। J. Bombay Nat. Hist. Soc.৫১ (3): ৬০৮–৬২২।