বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী
বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী.jpg
পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
১৬ নভেম্বর ১৯৬৭ – ৯ মার্চ ১৯৭১
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯১৫-০১-০৪)৪ জানুয়ারি ১৯১৫
বলিয়াদি জমিদার পরিবার, কালিয়াকৈর, গাজীপুর, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, British Raj Red Ensign.svg ব্রিটিশ ভারত,
(বর্তমান  বাংলাদেশ
মৃত্যু৩ ডিসেম্বর ১৯৯১(1991-12-03) (বয়স ৭৬)
ঢাকা, বাংলাদেশ
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
 পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
 বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলনিখিল ভারত মুসলিম লীগ

বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী (জন্ম: ৪ জানুয়ারি ১৯১৫- মৃত্যু: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯১) যিনি বি.এ সিদ্দিকী নামেও পরিচিত। আইনজীবী, পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এবং কূটনৈতিক। [১]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী ৪ জানুয়ারি ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বলিয়াদি জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বোরহানুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী ভাই-বোনের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ ছিলেন। তার পূর্বপুরুষ বালিয়াদির জমিদারগণ মুসলিম বিশ্বের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিকের (রাঃ) বংশধর।[১]

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী গালিমপুর স্কুলে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৩২ সালে আই.এ পাস করেন। তিনি স্নাতক করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং আইন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি লাভ করেন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জুনিয়র হিসেবে আইন ব্যবসায় প্রবেশ করেন ১৯৩৭ সালে। [১]

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী ১৯৩৫ সালে ছাত্রাবস্থাতেই নিখিল ভারত মুসলিম লীগে যোগ দেন। তিনি ১৯৪৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে যোগদান করেন। তখন কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা কমিশনের সাথে যুক্ত হন। ভারত বিভক্তির পর ১৯৪৭ সালে তিনি ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।[১]

তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত অনেক বেসরকারি কোম্পানির ও স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। তিনি পূর্ব-পাকিস্তানের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ লাভ করেন ১৯৫৭ সালে। ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে তাকে নিয়োগ করা হয় মার্চ ১৯৬০ সালে। ১৬ নভেম্বর ১৯৬৭ সালে পূর্ব-পাকিস্তান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন তিনি।[১]

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি কোন ভূমিকা পালন করতে না পারলেও তিনি স্বাধীনতার পক্ষে ভূমিকা রাখেন। [১]

তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। তিনি রাষ্ট্রদূত হয়ে ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন। [১]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

বিচারপতি বি.এ সিদ্দিকী ৩ ডিসেম্বর ১৯৯১ সালে মৃত্যু বরণ করেন।[১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]