অ্যাটর্নি জেনারেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইলিনয়ের অ্যাটর্নি জেনারেলের সিল

সারা বিশ্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কাজ হচ্ছে সেই দেশের সরকারের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সমূহ বাস্তবায়ন করা।


বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়। এগুলা দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। ভুয়া কথা। এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ। সাংবিধানিক পদ হচ্ছে সে সকল পদ, যেগুলোর মেয়াদ সংবিধান দ্বারা সংরক্ষিত, সংবিধান দ্বারা রক্ষিত। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়াদ নির্দিষ্ট করা নেই। বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত। অনুচ্ছেদ ৬৪(৪) অনুসারে রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।[১] কিছু কিছু আইন বিশেষজ্ঞের মতে অ্যাটর্নি জেনারেল পদটা হচ্ছে একটি রাজনৈতিক পদ।[২]


অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারকে সংবিধান, সাধারণ আইন, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনগত পরামর্শ দেন। সরকারের পক্ষে আদালতে উপস্থিত থাকেন। বলা যায় অ্যাটর্নি জেনারেল হলো সরকারের আইনগত পরামর্শক। [৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান | ৬৪। অ্যাটর্ণি-জেনারেল"bdlaws.minlaw.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-২৮ 
  2. "বিএনপি ভুল বলছে, অ্যাটর্নি জেনারেল পদটি সাংবিধানিক পদ নয়"banglanews24.com। ২০২১-০২-২৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-২৮ 
  3. নাগরিকদের জানা ভাল; মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান; পৃষ্ঠা নম্বর: ৭৪; দ্বিতীয় মুদ্রণ: ফেব্রুয়ারি ২০১৫; প্রথমা প্রকাশন