বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা
ধরন ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা
প্রকাশক বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি
সম্পাদক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক
প্রতিষ্ঠাকাল এপ্রিল ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দ (বৈশাখ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ)
ভাষা বাংলা
প্রকাশনা স্থগিত অক্টোবর ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ (কার্তিক ১৩৩০ বঙ্গাব্দ)
সদরদপ্তর কলকাতা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)

বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা ব্রিটিশ ভারতে প্রকাশিত একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা ছিল। মুসলিম সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। চিন্তা ও গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হত।[১]

প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

১৯১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির কার্যকরী সভায় পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়।[১] এই উদ্দেশ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল। এর সদস্য ছিলেন কাজী ইমদাদুল হক (সভাপতি), মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (সম্পাদক), মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (সম্পাদক), মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ, মঈনউদ্দীন হোসায়েন ও কমরেড মুজাফফর আহমদ[১] সেই বছরের এপ্রিলে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। কলকাতার ৪৭/২ মির্জা‌পুর স্ট্রিট থেকে পত্রিকা প্রকাশিত হত।[১]

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯২১ সালের জুনে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। এরপর থেকে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এককভাবে সম্পাদনা করেছেন।[১] ১৯২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার প্রতি সংখ্যা ছয় আনা মূল্যে বিক্রি হত। এতে মোট ৮০ পৃষ্টা থাকত এবং মুদ্রণসংখ্যা ছিল ১০০০।[১]

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

বাংলার মুসলিমদের উন্নয়নের লক্ষ্যে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল। এতে লেখালেখি করা কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে রয়েছেন কাজী নজরুল ইসলাম, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এয়াকুব আলী চৌধুরী, সৈয়দ এমদাদ আলী, ডাক্তার লুৎফর রহমান, মোহাম্মদ আকরম খাঁ, শেখ ফজলল করিম, গোলাম মোস্তফা, কাজী আবদুল ওদুদ, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, কালিদাস রায়, কাজী ইমদাদুল হক, আবুল হুসেন, কুমুদরঞ্জন মল্লিক, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]