সৈয়দ এমদাদ আলী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সৈয়দ এমদাদ আলী
জন্ম১৮৭৫
খিলগাঁও গ্রাম, বিক্রমপুর, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬ (বয়স ৮০–৮১)
ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান, পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
পেশা
  • কবি
  • প্রাবন্ধিক
  • পুলিশ কর্মকর্তা
  • সাংবাদিক
ভাষাবাংলা
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারতীয়(১৮৭৫-১৯৪৭)
পাকিস্তানি(১৯৪৭-১৯৫৬)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানজগন্নাথ কলেজ
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারখান সাহেব

সৈয়দ এমদাদ আলী (১৮৭৫ - ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬) একজন বাঙালি কবি ও লেখক। তিনি ইসলামি মানবতাবাদের আলোকে সমাজের কল্যাণ কামনায় বিশ্বাসী ছিলেন।[১]

জন্ম[সম্পাদনা]

সৈয়দ এমদাদ আলী ১২৮২ বঙ্গাব্দের ১ আশ্বিন (১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দ) ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের খিলগাঁও গ্রামে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বিক্রমপুরের দামপাড়া তার পৈতৃক নিবাস ছিল।[১]

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

সৈয়দ এমদাদ আলী ১৮৯৫ সালে মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর জগন্নাথ কলেজ থেকে তিনি আইএ পাশ করেন।[১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সৈয়দ এমদাদ আলী প্রথমে নেত্রকোনা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এরপর পুলিশ বিভাগে সাব-ইনস্পেক্টর ও ইনস্পেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন।[১] কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তাকে খান সাহেব উপাধিতে ভূষিত করে।[১]

সাহিত্য[সম্পাদনা]

সৈয়দ এমদাদ আলী গদ্যশিল্পী হিসেবে সুনাম অর্জন করেছিলেন। ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে সাহিত্যের প্রতি উৎসাহী ছিলেন। মোসলেম হিতৈষী, মোসলেম ভারত, সওগাতবঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় তার কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হত।[১][২] তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:

  • ডালি (১৯১২)
  • তাপসী রাবেয়া (১৯১৭)
  • হাজেরা (১৯২৯)

সম্পাদনা[সম্পাদনা]

সাহিত্যচর্চা ছাড়াও তিনি পত্রিকা সম্পাদনায় জড়িত ছিলেন। নবনূর পত্রিকা তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হত।[১][৩]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

সৈয়দ এমদাদ আলী ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]