ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
এই নিবন্ধটির একটা বড়সড় অংশ কিংবা সম্পূর্ণ অংশই একটিমাত্র সূত্রের উপর নির্ভরশীল। (আগস্ট ২০১৬) |
| ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় | |
|---|---|
| ঠিকানা | |
![]() | |
পাইলট হাইস্কুল সড়ক ৩৯০০ | |
| স্থানাঙ্ক | ২৩°০′৩৬″ উত্তর ৯১°২৩′২৪″ পূর্ব / ২৩.০১০০০° উত্তর ৯১.৩৯০০০° পূর্ব |
| তথ্য | |
| বিদ্যালয়ের ধরন | সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৮৮৬ |
| প্রতিষ্ঠাতা | মহাকবি নবীনচন্দ্র সেন |
| বিদ্যালয় জেলা | ফেনী জেলা |
| কর্তৃপক্ষ | মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর |
| প্রধান শিক্ষিকা | ফেরদৌসি সুলতানা |
| শ্রেণি | ৬ষ্ঠ- ১০ম |
| লিঙ্গ | বালক |
| শিক্ষার্থী সংখ্যা | আনু. ১৬০০ |
| শিক্ষায়তন | ২৭ একর |
| স্লোগান | Enter to learn go forth to serve. |
| দলের নাম | পাইলটিয়ান, Pilotian |
| প্রকাশনা | লণ্ঠন |
| অন্তর্ভুক্তি | মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা |
| ওয়েবসাইট | fgphs |
ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশের ফেনী জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে কবি নবীনচন্দ্র সেন বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।
বিদ্যালয়টি পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে অবিভক্ত পাকিস্তান শাসনামলে সাত বার সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের খেতাব অর্জন করেছিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন প্রাক্তন উপাচার্য ও মুক্তিযুদ্ধের পাঁচজন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সহ বহু বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন।
১৮৮৬ সালে ফেনীর মহকুমা প্রশাসক মৌলবী আহম্মদ এমএ, বিদ্যালয়ের প্রথম ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। একই বছর ফেনী মহকুমা প্রশাসক মহাকবি নবীনচন্দ্র সেন বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন। ১৯৬৭ সনের ১৫ই আগস্ট বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। [১]।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]প্রথমে এই বিদ্যালয়টি ফেনী হাই স্কুল নামেই পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্কুলকে ব্রিটিশ শিক্ষা প্রকল্প "পাইলট প্রজেক্টের" আওতায় আনা হলে ফেনী হাই স্কুল ও এর মধ্যে যুক্ত হয় ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় স্কুলটি ব্রিটিশ আর্মি ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জাপানি বিমান বোমা হামলা চালানোর সময় একটি বোমা স্কুলের উত্তর পাশের লাল রঙের মূল ভবনটির পাশে পড়ে। ফলে ভবনটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীনসময়েও এটি পাকআর্মি ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসময় স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথিপত্র ধ্বংস হয়। পাকআর্মি ঐসময় স্কুলটিকে টর্চার সেলে পরিণত করেছিলো। স্কুলটির উত্তর-পূর্ব দিকে একটি অচিহ্নিত গণকবর রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ পাশে ছাত্রাবাসের পাশে জলাপূর্ণ স্থানটিতেও গণকবর রয়েছে। পূর্ব দিকের দালানটি স্কুলের ছিল, ফেনী সরকারি কলেজ কে দেওয়া হয়েছে। '৭১এ নিহত মানুষদের স্মরণে স্কুলের পূর্ব প্রান্তে একটি স্মৃতি স্তম্ভ রয়েছে।
শিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]বিদ্যালয়টিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ ছাত্র রয়েছে। এখানে দুইটি শিফটে ক্লাস করানো। ডে শিফট এবং মর্নিং শিফট। সিলেবাস অনুযায়ী স্কুলটিতে বছরে দুইটি পরীক্ষা নেওয়া হয়, অর্ধ-বার্ষিকী এবং বার্ষিকী। তাছারা অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষার পূর্বে মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া হয়।
অবকাঠামো
[সম্পাদনা]
বিদ্যালয়ের লাল রঙের দ্বিতল মূল ভবনটি এখন পরিত্যক্ত। আগে এটিই ছিল প্রশাসনিক ভবন। এখন পাশের তিনতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনটিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়েছে। এই দুই ভবনের মাঝে অবস্থান করছে বিদ্যালয়ের একতলা বিশিষ্ট মসজিদ। এর ঠিক বিপরীত দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থান করছে বিদ্যালয়ের 'এসেম্বলি হল'। মাঝে রয়েছে বিশাল মাঠ। এসেম্বলি হলের পূর্ব পার্শ্বে রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বাস ভবন এবং এর পূর্ব পার্শ্বে রয়েছে আরেকটি ভবন। নাম 'বিজ্ঞান ভবন'। এখানেও পাঠ কার্যক্রম চালনা করা হয়। বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসটি রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বাস ভবনের দক্ষিণ পার্শ্বে।
মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে কার্যক্রম
[সম্পাদনা]FGPHS PILOTIAN
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন বরেণ্য শিক্ষার্থীরা
[সম্পাদনা]- হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী – রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী, সাংবাদিক এবং ফুটবলার।
- জহির রায়হান প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, কথাসাহিত্যিক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- শহীদুল্লাহ কায়সার প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- সালাহউদ্দিন মমতাজ – বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- ফয়জুল মহিউদ্দিন – শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- সিরাজুল হক খান – শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- সুলতান মাহমুদ – বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- মোজাহার উল্লাহ – বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
- আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম ও বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী – বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
- খাজা আহমেদ – মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাংলাদেশী প্রাক্তন সংসদ সদস্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- বেলাল চৌধুরী – সাংবাদিক এবং প্রাবন্ধিক।
- আবুল হাশেম- অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ
- নজির আহমেদ – ছাত্রনেতা ।
- সেলিম আল দীন – নাট্যকার এবং গবেষক।
- কাইয়ুম চৌধুরী – প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- আবদুস সালাম – বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম মহাপরিচালক।
- এ বি এম মূসা – প্রখ্যাত সাংবাদিক, বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশী প্রাক্তন সংসদ সদস্য।
- জাফর ইমাম – বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত, প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন সংসদ সদস্য।
- ওবায়েদ উল হক - কবি, ঔপন্যাসিক, চলচ্চিত্র পরিচালক, গীতিকার
- গাজীউল হক – সাহিত্যিক, গীতিকার এবং ভাষাসৈনিক।
- আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী – বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)’র প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাক্তন উপাচার্য।
- অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য
- আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রাক্তন উপাচার্য।
- আমিন আহমদ – প্রাক্তন বিচারপতি।
- অধ্যাপক শহিদ উদ্দিন আহমেদ- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য
- জহুর হোসেন চৌধুরী – সাংবাদিক।
- কাজী এবাদুল হক – ভাষা সৈনিক এবং প্রাক্তন বিচারপতি।
- খান বাহাদুর আবদুল আজিজ – শিক্ষাবিদ, লেখক এবং সমাজকর্মী।
- গিয়াস কামাল চৌধুরী – সাংবাদিক, কলামিস্ট এবং সংবাদ বিশ্লেষক।
- রকিব হাসান- তিন গোয়েন্দা সিরিজের স্রষ্টা
- কাজী ফজলুর রহমান- অবিভক্ত পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সিএসপিতে প্রথম হওয়া বাঙালী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা
- শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন – সেনা কর্মকর্তা।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী – প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- আওরঙ্গজেব চৌধুরী – বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রাক্তন প্রধান।
- রবিউল হক – বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
- শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন – সেনা কর্মকর্তা।
সংগঠন
[সম্পাদনা]- ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় স্কাউট গ্রুপ
- ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এক্স স্টুডেন্টস' অ্যাসোসিয়েশন
- যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট
- এনসিটিএফ ইউনিট
- ফেনী গর্ভনমেন্ট পাইলট হাই স্কুল ডিবেটিং সোসাইটি
- ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় আইসিটি ক্লাব
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
| বাংলাদেশের বিদ্যালয় বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
