ফুরফুরা শরীফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফুরফুরা শরীফ
গ্ৰাম
ফুরফুরা শরীফ মাজার
ফুরফুরা শরীফ মাজার
ফুরফুরা শরীফ পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
ফুরফুরা শরীফ
ফুরফুরা শরীফ
ফুরফুরা শরীফ ভারত-এ অবস্থিত
ফুরফুরা শরীফ
ফুরফুরা শরীফ
পশ্চিমবঙ্গ
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৫′১৬″ উত্তর ৮৮°০৭′৪৮″ পূর্ব / ২২.৭৫৪৫° উত্তর ৮৮.১৩০১° পূর্ব / 22.7545; 88.1301স্থানাঙ্ক: ২২°৪৫′১৬″ উত্তর ৮৮°০৭′৪৮″ পূর্ব / ২২.৭৫৪৫° উত্তর ৮৮.১৩০১° পূর্ব / 22.7545; 88.1301
দেশ ভারত
রাজ‍্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাহুগলী
উচ্চতা১১ মিটার (৩৬ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট৬,৭২০
ভাষা
 • সরকারিবাংলা, ইংরেজি, হিন্দি
সময় অঞ্চলIST (ইউটিসি+5:30)
পিন৭২২৭০৬
টেলিফোন কোড৯১ ৩২১২
আইএসও ৩১৬৬ কোডIN-WB
ওয়েবসাইটwww.furfurasharif.com

ফুরফুরা শরীফ (ফুরফুরা দারবার শরীফ নামেও পরিচিত) পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার শ্রীরামপুর মহকুমার জাঙ্গিপাড়া কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লকের একটি গ্রাম। এটি মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র স্থান।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

হুগলী জেলার অন্তর্গত ফুরফুরা শরীফ অতি প্রাচীণ এবং প্রসিদ্ধ দরবার। যখন ফুরফুরা শরীফের পীর সাহেব কিবলা (রহমতুলস্নাহি তাআলা আলাইহি)’র পূর্বপুরম্নষ হজরত মাওলানা মনসুর বাগদাদী (রহমতুলস্নাহি তাআলা আলাইহি) সেনাপতি হজরত শাহ হোসেন বোখারী (রহমতুলস্নাহি তাআলা আলাইহি) সহ বঙ্গদেশে আগমন করেন, তখন ফুরফুরা শরীফ এবং তার আশপাশের গ্রামগুলো বলিয়া-বাসন্তী নামে পরিচিত ছিল। ৭৯৬ হিজরীতে সুলতান গিয়াস-উদ্দিন ভাগীরথী নদীর তীর নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা নেন। সৈন্য পাঠান বাংলার ছোট ছোট সামন্তôবাদী এলাকায়, জমিদারিতে। সেনা বাহিনীর সাথে সাথে বিদগ্ধ আলেমরাও আগমন করেছিলেন। এমনি এক অভিযানে হজরত শাহ সূফী সুলতান (রহ·) সেনাবাহিনী সহ আগমন করেন বঙ্গ দেশের দিকে। হজরত সূফী সুলতান (রহ·) সৈন্যদের দু ভাগ করলেন। নিজে একদল নিয়ে এগিয়ে গেলেন পান্ডু অভিমুখে, অন্য দলটা হজরত শাহ হোসেন বোখারি (রহ·)’র নেতৃত্বে বলিয়া-বাসন্তôী’র দিকে এগিয়ে আসে। এখানেই ফুরফুরা শরীফের গোড়াপত্তন। আলস্নাহ রাব্বুল ইজ্জাত যুগে যুগে স্থানে স্থানে পাঠিয়ে থাকেন নায়েবে রাসূল (সালস্নালস্নাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসালস্নাম), পাঠিয়ে থাকেন ইসলামে নবযুগ দানকারীদের। ম্রিয়মাণ সুন্নাত, ইসলামী মৌলিক আচার-আচরণে ভাটা পড়লে আবির্ভাব হয় মুহ্‌ইউস্‌ সুন্নাহ্‌’ দের। তেমনিভাবে ফুরফুরা শরীফেও আদর্শ ধার্মিক পুরম্নষ, মৌলিক তাসাউউফের অণ্বেষী, সুন্নাতের পুুনর্জীবনদানকারী, আ’রিফে রব্বানী, তবিরে জিসমানী, আমিরম্নশ্‌ শারইয়াত ওয়াত তারিক্বাত, মুজাদ্দিদ ই জামান, কুত্‌ব ই দাওরা, হাদীয়ে মিলস্নাত ওয়াদ্দীন, হুজ্জাতুল ইসলামকে প্রেরণ করলেন। তিনি বংশগত দিক দিয়ে ইসলামের প্রথম খলিফা, খলিফাতুর রাসূল, আসহাবে আজম, হজরত আবু বকর সিদ্দিকী রাদ্বিআলস্নাহু তাআলা আনহুর সরাসরি নাস্‌ল ই পাক এ। তার পবিত্র নাম, হজরত আবু বকর সিদ্দিকী আল কোরারণী রহমতুলস্নাহি তাআলা আলাইহি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ভূগোল[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা ব‍্যবস্থা[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্যসেবা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]