ফার ফার (জলখাবার)
ফার ফার | |
| প্রকার | ফার ফার (জলখাবার |
|---|---|
| উৎপত্তিস্থল | ভারত |
| প্রধান উপকরণ | আলুর মাড়, সাগু |
| ভিন্নতা | এরারুট এবং/অথবা গমের আটা |
ফার-ফার (এছাড়াও ফ্রাইম বা ববি) হল একটি ভারতীয় জলখাবার যা মূলত আলুর মাড় এবং হালকা রঙ্গিন সাগু দিয়ে তৈরি করা হয়। এছাড়াও এরারুট এবং গমের আটাও দিয়েও বানানো হয়।[১] ফার ফার কড়া ভাজা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ফুলে উঠে এবং সেগুলি জলখাবার হিসাবে খাওয়া হয় বা অন্যান্য খাবারের সাথে পাঁপড়ের মতো পরিবেশন করা হয়।[২] ফার ফার বিভিন্ন রঙের এবং আকারে হয় যেমন তারা, ফাঁপা নলাকৃতির এবং সমতল চতুর্ভুজ আকৃতির, গিয়ার, বিমান এবং বিভিন্ন প্রাণীর আকারের হয়ে থাকে। ফার ফার প্যাকেটজাত করে বা বয়ামে বেশ অনেকদিন সংরক্ষণ করে রাখা যায়। সাধারণত জলখাবার হিসেবে খাওয়া হয়ে থাকে। ফেরিওয়ালারা ফেরি করে ফার ফার বিক্রি করে থাকেন। তবে এখন সবজায়গাতে পাওয়া যায়।
বানানোর প্রক্রিয়া
[সম্পাদনা]ফার-ফার আগে হাতে বানানো হতো। তবে এখন বানানোর জন্যে বিভিন্ন রকম ছাঁচের যন্ত্র পাওয়া যায়। মূলত আলুর মাড়ের সাথে সাগু একসাথে মিশিয়ে ছাঁচে বানানো হয়। অনেক সময় এতে গমের আটাও ব্যবহার কড়া হয়। এরপর একে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
রন্ধনপ্রণালী
[সম্পাদনা]প্রথমে একটি পাত্রে যথেষ্ট পরিমাণ তেল দিয়ে তা গরম করা হয়। এরপর এই গরম তেলে ফার-ফার ছেড়ে দিয়ে ভাজা হয়। তেলে দেয়ার সাথে সাথে এরা আকারে বড় হয়ে যায়। তেল থেকে তুলে তেল ঝরিয়ে চিনি ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন কড়া হয়।[৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Miltop Far Far"। Miltop Exports। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Bladholm, Linda (২০০০)। The Indian Grocery Store Demystified (প্রথম সংস্করণ)। নিউ ইয়র্ক: Renaissance Books। পৃ. ৫৩। আইএসবিএন ১-৫৮০৬৩-১৪৩-৬।
- ↑ "Far Far Frying Recipe"। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।