পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়
পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় | |
|---|---|
| জন্ম | ২ মে ১৯৩১ |
| মৃত্যু | ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ (বয়স ৬৮) |
| পেশা | গীতিকার |
পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় (২ মে ১৯৩১ – ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯) প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালী গীতিকার ছিলেন।[১] এছাড়াও, বাংলা চলচ্চিত্র জগতে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম ছিল।[২]
জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম হাওড়ার সালকিয়ায়। পিতা নির্বাকযুগের অভিনেতা কান্তিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শৈশবকাল কাটে হাওড়ায়। সেখানকার অ্যাংলো সান্সক্রিট স্কুলের ছাত্র ছিলেন তিনি। কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স নিয়ে বি.এ.পাশ করেন। তাঁর পরিবারের শিল্পধর্মী কর্মকাণ্ডের সাথে শৈশবেই নিবিড় সম্পর্ক ছিল। নাটক, সাহিত্য ও সঙ্গীতকলায় তাঁর আত্মিক সম্পর্ক ছিল। মাত্র সতেরো বছর বয়সে চলচ্চিত্র পরিচালক সরোজ মুখোপাধ্যায়ের 'অভিমান' ছবিতে প্রথম গান লেখেন।[৩]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]বাংলা গানের প্রায় সব প্রতিষ্ঠিত শিল্পীই তাঁর লেখা গান গেয়েছেন। এইচ.এম.ভি. এবং আকাশবাণীর গীতিকারদের নিয়ে বিতর্কের সময় তিনি কিছুদিন "প্রিয়ব্রত" ছদ্মনামটি ব্যবহার করেন। আধুনিক গানের ক্ষেত্রে একটা সময়ের পর থেকে মান্না দে এবং পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এক সফল জুটি হয়ে ওঠেন। মান্না দের গাওয়া প্রেমের গান অধিকাংশই তাঁর রচনা। পঞ্চাশ বছরের উপর তিনি যা গান লিখেছেন তাঁর সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি।[৩] সঙ্গীতের বিভিন্ন শাখায় কাজ করেছেন। ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্র জগতে সঙ্গীতের সুরমূর্ছনায় সমৃদ্ধি আনয়ণে স্বকীয় ভূমিকা রাখেন।[৪] হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, গীতা দত্ত, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, হৈমন্তী শুক্লা, শ্যামল মিত্র, ভুপেন হাজারিকা, প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, উৎপলা সেন, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী, সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, অনুপ ঘোষাল, আরতি মুখোপাধ্যায় সহ অনেক জ্ঞানীগুণী শিল্পী তাঁর সুরোরোপে গান গেয়েছেন।[২][৫] ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ‘শঙ্খবেলা’ চলচ্চিত্রে তাঁর লেখা গান আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। লতা ও মান্না দে’র দ্বৈত গান ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ এবং লতা’র কণ্ঠে ‘আজ মন চেয়েছে’ চলচ্চিত্রটিকে ভিন্ন মাত্রা এনে দেয়। এছাড়াও, ১৯৬৯ সালের ‘প্রথম কদম ফুল’ চলচ্চিত্রের জন্য "আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না" গান রচনা করেন। এছাড়া "সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল", "গাছের পাতায় রোদের ঝিকিমিকি", "নিঝুম সন্ধ্যায় ক্লান্ত পাখীরা", "খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার" বাংলা ছবির এরকম বহু স্মরণীয় গানের গীতিকার তিনি। আধুনিক বাংলা গানের কথাও তাঁর রচনাশৈলীর গুণে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। ১৯৯৬ সালে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আত্মজীবনীমূলক ৮ টি গান সমন্বিত "আমি দেখেছি" অ্যালবাম মান্না দের কণ্ঠে গীত হয়ে প্রকাশিত হয় । মান্না দের গাওয়া তাঁর লেখা "মা আমার মা" গানগুলিও বিশেষ উল্লেখযোগ্য। গান লেখার পাশাপাশি তিনি উপন্যাস, চিত্রনাট্য ও ছড়া লিখেছেন। তাঁর লেখা গানের সংকলন 'আমার প্রিয় গান', ছড়ার সংকলন 'বাহাত্তুরে',গল্প সংকলন 'শেষ সংলাপ'। 'কথায় কথায় রাত হয়ে যায়' (১৯৯৯) তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।[৩]
জনপ্রিয় গান
[সম্পাদনা]- শোনো তবে বলি (১৯৫০)
- সাগর সঙ্গমে (১৯৫৭)
- চৈতালি চাঁদ যাক ডুবে যাক (১৯৫৭)
- রঙ্গিলা বাঁশিতে কে ডাকে (১৯৫৭)
- জঙ্গলে ঝড় এল মাঝরাতে (১৯৫৭)
- ও আমার চন্দ্রমল্লিকা (১৯৫৮)
- ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না (১৯৫৮)
- কত রাগিণীর ভুল ভাঙাতে (১৯৫৮)
- শূর্পনখার নাক কাটা যায় (১৯৫৯)
- কোনোদিন বলাকারা (১৯৫৯)
- জানিনা কখন তুমি (১৯৫৯)
- আমার না যদি থাকে সুর (১৯৬০)
- জানি তোমার প্রেমের যোগ্য (১৯৬০)
- শুধু একবার বলে যাও (১৯৬০)
- ও দয়াল বিচার করো (১৯৬১)
- সরি ম্যাডাম সরি (১৯৬২)
- কী দেখি পাই না ভেবে (১৯৬২)
- বনতল ফুলে ফুলে ঢাকা (১৯৬২)
- আমি খাতার পাতায় (১৯৬২)
- সেই তো আবার কাছে এলে (১৯৬৩)
- আমার নতুন গানের জন্মতিথি (১৯৬৪)
- আবার হবে তো দেখা (১৯৬৪)
- কবে কোন্ তারা জ্বলা (১৯৬৪)
- হৃদয়ের গান শিখে (১৯৬৫)
- চোখের আরেক নাম নয়ন (১৯৬৫)
- দূরে থেকো না (১৯৬৫)
- নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা (১৯৬৫)
- আমি বলি তোমায় (১৯৬৫)
- আমার মালতী লতা দোলে (১৯৬৫)
- আলতা পায়ের আলতো ছোঁয়া (১৯৬৬)
- দেখোনা আমায় ওগো আয়না (১৯৬৬)
- ওগো আবার নতুন করে (১৯৬৬)
- দেহেরি পিঞ্জিরায় প্রাণ পাখি (১৯৬৬)
- অনেক সন্ধ্যাতারা (১৯৬৬)
- কে প্রথম কাছে এসেছি (১৯৬৬)
- আজ মন চেয়েছে (১৯৬৬)
- আমি আগন্তুক (১৯৬৬)
- লাজবতী নূপুরের (১৯৬৬)
- এমন আমি ঘর বেঁধেছি (১৯৬৬)
- আমি গান শোনাবো (১৯৬৬)
- মনে করো আমি নেই (১৯৬৬)
- বউ কথা কও (১৯৬৬)
- আমি যাই চলে যাই (১৯৬৬)
- মনের মানুষ ফিরলো ঘরে (১৯৬৬)
- আহা ! পাতা কেটে চুল বেঁধে কে (১৯৬৬)
- রিমঝিম ঝিম বৃষ্টি (১৯৬৭)
- তুমি আকাশ এখন যদি হতে (১৯৬৭)
- ও ভোলা মন (১৯৬৭)
- কোনো কথা না বলে (১৯৬৭)
- আমি তোমার কাছেই ফিরে (১৯৬৭)
- আরো কিছু রাত তুমি (১৯৬৭)
- না বলে এসেছি (১৯৬৭)
- ও কোকিলা তোরে শুধাই রে (১৯৬৮)
- কথায় কথায় যে রাত (১৯৬৮)
- গান ফুরানো জলসাঘরে (১৯৬৮)
- একলি বিরল নিরল শয়নে (১৯৬৯)
- ওগো কাজল নয়না হরিণী (১৯৬৯)
- দীপ জ্বেলে ঐ তারা (১৯৬৯)
- আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না (১৯৬৯)
- আজ কৃষ্ণচূড়ার আবির নিয়ে (১৯৬৯)
- লজ্জা ! মরি মরি এ কি লজ্জা (১৯৬৯)
- এমন একটা ঝড় উঠুক (১৯৬৯)
- সবাই চলে গেছে (১৯৬৯)
- রঙ্গিনী কতো মন (১৯৬৯)
- ললিতা গো ওকে আজ (১৯৬৯)
- এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার (১৯৭০)
- বেধোনা ফুলমালা ডোরে (১৯৭০)
- আঁকাবাঁকা পথে যদি (১৯৭০)
- আবার দুজনে দেখা (১৯৭০)
- এতো রাগ নয়, এ যে (১৯৭০)
- সুন্দরী গো দোহাই তোমার (১৯৭০)
- কী হবে কাছে ডেকে (১৯৭০)
- সেই শান্ত ছায়ায় ঘেরা (১৯৭০)
- সব খেলার সেরা বাঙালীর (১৯৭১)
- নাচ আছে গান আছে (১৯৭১)
- সে আমার বুক ভরানো (১৯৭১)
- তুমি আমার মা (১৯৭১)
- আকাশ পানে চেয়ে চেয়ে (১৯৭১)
- ক' ফোটা চোখের জল (১৯৭১)
- অনেক অরণ্য পার হয়ে (১৯৭১)
- এই এত আলো আর এত (১৯৭২)
- আজ আবার সেই পথে (১৯৭২)
- ও দয়াল বিচার করো (১৯৭২)
- কাশ্মীরেও নয়, শিলঙেও নয় (১৯৭২)
- একদিন দল বেঁধে (১৯৭২)
- মন মেতেছে মন ময়ূরীর (১৯৭২)
- কেন সর্বনাশের নেশা (১৯৭২)
- তোমাকে স্বপ্নে দেখেও সুখ (১৯৭২)
- ধু ধু এই সাহারা (১৯৭২)
- আগুন লেগেছে আগুন (১৯৭২)
- আমি মিস ক্যালকাটা (১৯৭২)
- সময় কখন যে (১৯৭৩)
- কথা দাও আবার আসবে (১৯৭৩)
- তুমি এসো ফিরে এসো (১৯৭৩)
- দেখি নতুন নতুন দেশ (১৯৭৩)
- যেন কিছু মনে করো না (১৯৭৩)
- তুমি চলে গেলে (১৯৭৩)
- না যেও না (১৯৭৩)
- অভিমানে চলে যেও না (১৯৭৩)
- কে জানে ক' ঘন্টা (১৯৭৩)
- হায় হায় হায় হায় (১৯৭৪)
- যেওনা দাঁড়াও বন্ধু (১৯৭৪)
- ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী (১৯৭৪)
- শুনুন শুনুন বাবু মশায় (১৯৭৪)
- হ্যাদে গো পদ্মরানী (১৯৭৪)
- সেদিন তোমায় দেখেছিলাম (১৯৭৪)
- কতদিন পরে এলে (১৯৭৪)
- তুমি একজনই শুধু বন্ধু (১৯৭৪)
- তুমি অনেক যত্ন করে (১৯৭৪)
- আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে (১৯৭৪)
- বড়ো সাধ জাগে (১৯৭৪)
- পৃথিবী তাকিয়ে দেখো (১৯৭৪)
- দীঘা দীঘা দীঘা (১৯৭৪)
- শিব ঠাকুরের গলায় দোলে (১৯৭৫)
- এমন একটা ঝিনুক খুঁজে (১৯৭৫)
- ফিরায়ে দিয়ো না মোরে (১৯৭৫)
- চলিতে চলিতে পথে (১৯৭৫)
- পাখি তুমি কেন গাও (১৯৭৫)
- অমন ডাগর ডাগর চোখে (১৯৭৫)
- এই যে নদী (১৯৭৫)
- যখন কেউ আমাকে পাগল (১৯৭৫)
- জড়োয়ার ঝুমকো থেকে (১৯৭৫)
- ও কেন এতো সুন্দরী হলো (১৯৭৫)
- যখন জমেছে মেঘ (১৯৭৫)
- যাবার আগে (১৯৭৫)
- দিন চলে যায় (১৯৭৫)
- তুমি কী যে বলো (১৯৭৫)
- গাছের পাতায় ঐ রোদের (১৯৭৫)
- সেই দুটি চোখ (১৯৭৫)
- কী গান শোনাবো বলো (১৯৭৫)
- টিয়া টিয়া টিয়া (১৯৭৫)
- ও বাবুমশায় (১৯৭৫)
- ও দিদিমণি (১৯৭৫)
- আয় আয় আসমানী কবুতর (১৯৭৫)
- মুশকিল আসান (১৯৭৫)
- নদীর যেমন ঝরনা আছে (১৯৭৫)
- খুশি খুশি রাত (১৯৭৫)
- ও চাঁদ সামলে রেখো (১৯৭৬)
- তুমি নিজের মুখেই বললে (১৯৭৬)
- কাটে না সময় যখন (১৯৭৬)
- স্বপ্নের দেশ (১৯৭৬)
- একদিন আমরা সবাই চলে (১৯৭৬)
- রূপসী দোহাই তোমার (১৯৭৭)
- ওগো মেঘ তুমি উড়ে যাও (১৯৭৭)
- কেন ডাকলে আমায় (১৯৭৭)
- কত কথা ছিল মনে (১৯৭৭)
- গহনে মেঘের ছায়া ঘনায় (১৯৭৮)
- স্বপ্নে বাজে গো বাঁশি (১৯৭৮)
- জ্বালাও আকাশ প্রদীপ (১৯৭৮)
- এ নদী এমন নদী (১৯৭৮)
- কে তুমি তন্দ্রাহরণী (১৯৭৮)
- দেখে শুনে যতোই চলো (১৯৭৮)
- এই পাহাড়তলীর দেশে (১৯৭৮)
- সাত ভাই চম্পা জাগো (১৯৭৮)
- একটি শুধু নাম ধনরাজ তামাং (১৯৭৮)
- বেহাগ যদি না হয় রাজি (১৯৭৮)
- সে আমার ছোট বোন (১৯৭৯)
- আমায় আকাশ বললো (১৯৭৯)
- কলম যেমনি হোক (১৯৭৯)
- আমার বলার কিছু ছিল না (১৯৭৯)
- ঠিকানা না রেখে ভালোই (১৯৭৯)
- হাজার তারার আলোয় (১৯৭৯)
- আমার তুমি আছো (১৯৭৯)
- এক যে ছিল রাজপুত্তুর (১৯৭৯)
- আমার নাম অ্যান্টনি (১৯৭৯)
- অন্তর যার অথৈ সাগর (১৯৭৯)
- কথা দাও সাথী হবে (১৯৭৯)
- এই ছোট্ট ছোট্ট পায়ে (১৯৭৯)
- ও বিদেশী তাকাও (১৯৭৯)
- মা, মাগো মা, আমি এলাম (১৯৮০)
- আমি আর তুমি আর আমাদের (১৯৮০)
- তোমার ডাকে সাড়া দিতে (১৯৮০)
- এসো প্রাণ ভরণ (১৯৮০)
- হয়তো আমাকে কারো মনে (১৯৮১)
- আজ মিলন তিথির পূর্ণিমা চাঁদ (১৯৮১)
- তোমাকে ভালোবেসে (১৯৮১)
- না বলে কেন যে (১৯৮১)
- দীপ ছিলো শিখা ছিলো (১৯৮১)
- ভালবাসার পানশালাতে (১৯৮১)
- আমায় দেখতে কালো (১৯৮১)
- এ রাত শুধু রাত নয় (১৯৮২)
- সবাই তো সুখী হতে চায় (১৯৮২)
- সুখেও কেঁদে ওঠে মন (১৯৮৩)
- এপারে থাকবো আমি (১৯৮৩)
- বৃষ্টি থামার শেষে (১৯৮৩)
- অনেক জমানো ব্যথা (১৯৮৩)
- বাউন্ডুলে চণ্ডীচরণ (১৯৮৪)
- আমি পূজারিণী সাজবো না মা (১৯৮৪)
- টগরী নামটি আমার (১৯৮৫)
- স্মৃতি শুধু থাকে (১৯৮৫)
- দুঃখ আমায় দুঃখী করেনি (১৯৮৫)
- খোঁপার ঐ গোলাপ দিয়ে (১৯৮৫)
- কি ছন্দ কি আনন্দ (১৯৮৫)
- যতো ভাবনা ছিল (১৯৮৫)
- ওগো বৃষ্টি আমার চোখের পাতা (১৯৮৬)
- দুজনাতে লেখা গান (১৯৮৬)
- ভালবাসা ছাড়া আর আছে(১৯৮৭)
- মংলু আমি জংলি আমি (১৯৮৭)
- আমারও তো গান ছিলো (১৯৮৭)
- গোপালকে দড়ি দিয়ে (১৯৮৭)
- মনটা আমার হারিয়ে গেছে (১৯৮৭)
- চিরদিনই তুমি যে আমার (১৯৮৭)
- তুমি কী সুন্দর (১৯৮৭)
- আমি মন দিয়েছি (১৯৮৭)
- আমি হারিয়েছি মোর ছোট্টবেলা (১৯৮৭)
- যায় যে বেলা যায় (১৯৮৭)
- কোন্ শক্তিতে মা তুই (১৯৮৮)
- ঐ সমাধি বেদীটার (১৯৮৮)
- তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে (১৯৮৮)
- অমর শিল্পী তুমি কিশোর কুমার (১৯৮৮)
- মরুভূমি হয়ে গেলো মনটা (১৯৮৮)
- সোনা বন্ধু থাকে আমার (১৯৮৮)
- বম্বে খুব দূরে নয় (১৯৮৮)
- মনের দরজা (১৯৮৮)
- ও পাহাড় ও আকাশ (১৯৮৯)
- না না না বলব না (১৯৮৯)
- আমায় ফুলের বাগান দিয়ে (১৯৮৯)
- নটবর নাগর তুমি (১৯৮৯)
- যেটুকু বলি যখনি বলি (১৯৮৯)
- গোপাল রে পালা রে (১৯৮৯)
- ও মেরা নাম রুবি (১৯৮৯)
- পাহাড়ের জঙ্গলে এক (১৯৮৯)
- আমার আমার আর ভেবো না (১৯৮৯)
- বিদেশ থেকে ফিরলে দেশে (১৯৮৯)
- এই কি সেই অমর প্রেম (১৯৮৯)
- এ যে প্রেম প্রেম অমর প্রেম (১৯৮৯)
- বলছি তোমার কানে কানে (১৯৮৯)
- জাদু ! জাদু ! কে বলো দেখবে জাদু (১৯৮৯)
- আর কত রাত একা থাকবো (১৯৮৯)
- ঐ শোনো পাখিও বলছে কথা (১৯৮৯)
- দেওয়া নেওয়া মন (১৯৮৯)
- বেহাগের সুরে ইমনের গান (১৯৮৯)
- দারোগা ও দারোগা (১৯৮৯)
- ঝাল লেগেছে আমার ঝাল লেগেছে (১৯৯০)
- কতো না ভাগ্যে আমার (১৯৯০)
- আমার মনের এ অঙ্গনে (১৯৯০)
- মানুষ যে আজ আর (১৯৯০)
- পরীক্ষার ঐ ফল (১৯৯০)
- উরি উরি বাবা প্রেম জেগেছে (১৯৯০)
- সব লাল পাথরই তো (১৯৯০)
- তুমি যেমন নূপুরই হও (১৯৯০)
- দশ বছরের বংশী (১৯৯০)
- ফুল কেন ফোটে (১৯৯০)
- এই যে তিথি (১৯৯০)
- কতো বেদনা দিলে (১৯৯১)
- আকাশ মেঘে ঢাকা (১৯৯১)
- নদীতে তুফান এলে (১৯৯১)
- আমার গর্ব শুধু এই (১৯৯১)
- আমরা নতুন জুটি (১৯৯১)
- শাক দিয়ে কি মাছ ঢাকা যায় (১৯৯১)
- তোমার আমার ভালবাসা (১৯৯১)
- হলে মিয়া বিবি রাজী (১৯৯১)
- আজকে সুযোগ এসেছে (১৯৯১)
- এই তো আমার স্বর্গ (১৯৯১)
- কত যে সাগর নদী পেরিয়ে এলাম (১৯৯১)
- কে বলে ঠাকুমা তোমার (১৯৯১)
- ফুলের ছোঁয়া যদি লাগে (১৯৯১)
- তুমি আছো এত কাছে তাই (১৯৯১)
- মন চুরি হয়ে গেলে (১৯৯১)
- অন্ধকারই শেষ কথা নয় (১৯৯২)
- ও জহরবাগের কিনারে (১৯৯২)
- তুমি আমার নয়ন গো (১৯৯২)
- তুমি আসবে বলে সবুজ বনে (১৯৯২)
- আমায় চিনলে না এখনো (১৯৯২)
- মন্দ কিছু বলো না (১৯৯২)
- আমি কলকাতার রসগোল্লা (১৯৯২)
- ছদ্মবেশী নায়ক আমি (১৯৯২)
- তোমাকে ছেড়ে আমি (১৯৯২)
- মামা তুমি আমাদের ভরসা (১৯৯২)
- একটা চিঠি দিলাম লিখে (১৯৯২)
- কানে কানে বলি আমি (১৯৯২)
- খুকুমণি ও মা জননী (১৯৯২)
- রাগ করো না (১৯৯২)
- হামিদা বানু করেন কুস্তি (১৯৯২)
- কেউ গায়ক হয়ে যায় (১৯৯২)
- কখনো দেখেছি খোলা জানালায় (১৯৯২)
- আজকের প্রেম ওয়ান ডে ক্রিকেট (১৯৯২)
- আমে দুধে মিশে যাবে (১৯৯২)
- বালিতে তোমারি নাম লিখে দেব (১৯৯২)
- প্রিয়া তুমি আমার প্রিয়া (১৯৯২)
- নিলাম নিলাম নিলাম হলো (১৯৯২)
- দুঃখের সুর ফেলে (১৯৯৩)
- সারাদিন সারারাত (১৯৯৩)
- ভুলোনা কোনোদিন (১৯৯৩)
- যতদূরে থাকো তুমি (১৯৯৩)
- রজনীগন্ধা রাতে (১৯৯৩)
- শ্রাবণকে ভালোবাসে বৃষ্টি (১৯৯৩)
- ডুব ডুব ডুবুরী (১৯৯৩)
- লাল টুকটুক রসে ভরা (১৯৯৩)
- আমার এই প্রেম (১৯৯৩)
- নয় ঊনিশের কম (১৯৯৩)
- জ্বলে গেল (১৯৯৩)
- তুমি যে আমার (১৯৯৪)
- তোমার চোখের কাজলে (১৯৯৪)
- নীলাঞ্জনা (১৯৯৪)
- ইমন বলো বসন্ত বলো (১৯৯৪)
- দুষ্মন্ত রাজা যদি (১৯৯৪)
- ইমন ছিল বসন্ত ছিল (১৯৯৪)
- কি মজা কি মজা (১৯৯৪)
- স্বর্গের পারিজাত আকাশে (১৯৯৫)
- আমার খুকু ছোট্ট যখন (১৯৯৫)
- চলো যাই সেখানে (১৯৯৫)
- চলো বাবা ঘুরে আসি (১৯৯৫)
- এই পিয়ানো এ যে আমার (১৯৯৫)
- বাবা মনে আছে (১৯৯৫)
- কেউ শুধু যে বাবা বলে (১৯৯৫)
- শুধু আমি কেন বলুক সবাই (১৯৯৫)
- মনে পড়ে চৈতালি গোধূলি (১৯৯৫)
- যেদিন আমি হারিয়ে যাব (১৯৯৫)
- চারাগাছে ফুল ফুটেছে (১৯৯৫)
- চলো চলে যাই (১৯৯৬)
- সাবধানে আরো সাবধানে (১৯৯৬)
- ছমছম নূপুর বাজে (১৯৯৬)
- যতোই করো বাহানা (১৯৯৬)
- চিঠি চিঠি (১৯৯৬)
- ভাঙে যদি খেলাঘর (১৯৯৬)
- তুমি যে আমার চোখের মণি (১৯৯৬)
- চলো না (১৯৯৬)
- কথা ছিল (১৯৯৬)
- আমি আনন্দেরই (১৯৯৬)
- আমি তোমার মুখেতে (১৯৯৬)
- সুখের সে দেশে (১৯৯৬)
- আমি দেখেছি (১৯৯৬)
- মায়ের রূপের নেই তুলনা (১৯৯৭)
- সত্যম শিবম সুন্দরম (১৯৯৭)
- চাঁদ দেখে চাঁদমুখ (১৯৯৭)
- দুর্গা আসবে ঘরে (১৯৯৭)
- কাঁদিস না রে মোছ রে নয়ন (১৯৯৭)
- আমার বুকে আগুন (১৯৯৭)
- ভালবাসা মেললো ডানা (১৯৯৮)
- মা মাগো আমার মা আমরা (১৯৯৮)
- ঢাকা থেকে ইলিশ আনলাম (১৯৯৮)
- ছোট্ট খুকু পায়ে পায়ে (১৯৯৮)
- বৃষ্টির দিনে (১৯৯৮)
- ঝিলভরা জল (১৯৯৮)
- আমার ভাগ্য দোষে (১৯৯৮)
- আমায় একটু জায়গা দাও (১৯৯৮)
- আমার জীবন তরীর (১৯৯৮)
- যখন এমন হয় (১৯৯৮)
- আমি দুচোখ ভরে (১৯৯৮)
- সবাই তো মেনে নিলো (১৯৯৮)
- আমি তফাৎ বুঝিনা (১৯৯৮)
- বড়ো ময়লা জমেছে (১৯৯৮)
- মা মাগো মা (১৯৯৮)
- কাঁদলে কি আর (১৯৯৯)
- জয় বাবা বিশ্বনাথের জয় (১৯৯৯)
- আলো জ্বালতে যে ভয় করে (১৯৯৯)
- তুমি চলে গেলে (১৯৯৯)
- আজ রাতে চাঁদের কী অসহ্য আলো (১৯৯৯)
- চৈ চৈ চৈ টিটি টিটি (১৯৯৯)
- পিরীতির রোগ ধরেছে (১৯৯৯)
- ও জংলা পাখি রে (১৯৯৯)
- এই তো সবাই (১৯৯৯)
- এমন কেউ তোমার (১৯৯৯)
- ও পড়শি তোমার (২০০০)
- সিট খালি নেই (২০০০)
- জ্বলে জ্বলে লাগল আগুন (২০০০)
- এসো এসো কাছে এসো (২০০০)
- ছু মন্তর মন্তর ছু (২০০০)
- ও আমার প্রাণের বাঁশরী (২০০০)
- গানে কেন ফিরবে না প্রাণ (২০০০)
- এত আলোয় আঁধার আমার (২০০০)
- চেয়েছিলাম অনেক সাধের (২০০০)
- সামনে সাগর (২০০১)
- কোরো না নকশাবাজি (২০০১)
- জানতে চেওনা (২০০২; শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত গান)
পুরস্কার
[সম্পাদনা]গীতিকার হিসেবে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত পুরস্কারগুলি হল:
- বিএফজেএ পুরস্কার:
- ১৯৭৩: "স্ত্রী" চলচ্চিত্র
- ১৯৮৬: "ভালবাসা ভালবাসা" চলচ্চিত্র
- গোল্ডেন ডিস্ক:
- ১৯৮৯: "অমর শিল্পী তুমি কিশোর কুমার" অ্যালবাম
- ১৯৯৩: "মন মানে না" চলচ্চিত্র
- এইচএমভি সর্বভারতীয় শ্রেষ্ঠ অ্যালবাম পুরস্কার:
- ১৯৯২: "প্রিয়তমা মনে রেখো" অ্যালবাম
মৃত্যু
[সম্পাদনা]১৯৯৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বরে তাঁর দেহাবসান ঘটে। হুগলী নদীতে লঞ্চ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Pulak Banerjee"। IMDb।
- 1 2 "Pulak Bandyopadhyay"। ১২ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৫।
- 1 2 3 অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, দ্বিতীয় খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, জানুয়ারি ২০১৯, পৃষ্ঠা ২১৯, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-২৯২-৬
- 1 2 "Article by Kohinoor Dasgupta"। ২৮ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "Pulak Bandyopadhyay Remembers Geeta Dutt"। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৫।
