পালং শাক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পালং শাক
Spinacia oleracea Spinazie bloeiend.jpg
ফুলসহ পালং শাক
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Core eudicots
বর্গ: Caryophyllales
পরিবার: Amaranthaceae,
formerly Chenopodiaceae[১]
গণ: Spinacia
প্রজাতি: S. oleracea
দ্বিপদী নাম
Spinacia oleracea
L.

পালং শাক (Spinacia oleracea) এমারান্থাসি পরিবারভুক্ত এক প্রকার সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি জনপ্রিয় শাক ও সবজি। এর আদিবাস মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া। এটি একবর্ষজীবি উদ্ভিদ, তবে দ্বিবর্ষজীবি পালং গাছ হতে পারে যদিও বিরল। পালং গাছ ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। বাংলাদেশে শীতকালে এর চাষ হয়। এর পাতা একান্তর, সরল, ডিম্বাকার বা ত্রিভূজাকার। এই পাতার আকার ২-৩০ সেমি লম্বা ও ১-১৫ সেমি চওড়া হতে পারে। গাছের গোড়ার দিকের পাতাগুলো বড় বড় এবং উপরের দিকের পাতাগুলো ছোট হয়। এর ফুল হলদেটে সাদা, ৩-৪ মিমি ব্যাসবিশিষ্ট হয়। এর ফল ছোট, শক্ত, দানাকৃতির ও গুচ্ছাকার। ফলের আকার আড়াআড়ি ৫-১০ মিমি; এতে বেশ কয়েকটি বীজ থাকে।

পালং শাকের বর্ণনার প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গেছে চীনে। সেখানে বলা হয়েছে, এই শাক নেপাল থেকে চীনে এসেছে (সম্ভবতঃ ৬৪৭ খৃঃ)।[১]

পুষ্টি উপাদান[সম্পাদনা]

পালং শাক, কাঁচা
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স) পুষ্টিগত মান
শক্তি ৯৭ কিজু (২৩ kcal)
3.6 g
চিনি 0.4 g
খাদ্যে ফাইবার 2.2 g
0.4 g
2.2 g
ভিটামিনসমূহ
ভিটামিন এ সমতুল্য
(59%)
469 μg
(52%)
5626 μg
12198 μg
ভিটামিন এ 9400 IU
ফোলেট (বি)
(49%)
194 μg
ভিটামিন সি
(34%)
28 mg
ভিটামিন ই
(13%)
2 mg
ভিটামিন কে
(460%)
483 μg
চিহ্ন ধাতুসমুহ
ক্যালসিয়াম
(10%)
99 mg
লোহা
(21%)
2.7 mg
Percentages are roughly approximated using US recommendations for adults.
Source: USDA Nutrient Database

পালং শাক অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে আছে প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাজা এবং অল্পসেদ্ধ করে খেলে বেশি এন্টিঅক্সিডেন্ট লাভ করা যায়। ভিটামিন-বি ১৯৪১ সালে প্রথম পালং শাকে আবিষ্কৃত হয়েছিল [২]

স্ত্রী জাতের পালং শাক গাছ
পালং শাক
পালং শাক

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Victor R. Boswell, "Garden Peas and Spinach from the Middle East". Reprint of "Our Vegetable Travelers" National Geographic Magazine, Vol 96:2 (Aug 1949). (WWW: Aggie Horticulture. Accessed 03/07/2010). [২]
  2. Gideon Koren (2007)। Medication safety in pregnancy and breastfeeding। McGraw-Hill Professional। পৃ: 279–। আইএসবিএন 978-0-07-144828-4। সংগৃহীত 13 August 2010 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • D. Maue, S. Walia, S. Sahore, M. Parkash, S. K. Walia, S. K. Walia (2005)। "Prevalence of Multiple Antibiotic Resistant Bacteria in Ready-to-Eat Bagged Salads"। American Society for Microbiology meeting. June 5–9। পৃ: Atlanta।  Abstract
  • Overview of Spinach from Innvista
  • Rogers, Jo. What Food is That?: and how healthy is it?. The Rocks, Sydney, NSW: Lansdowne Publishing Pty Ltd, 1990. ISBN 1-86302-823-4.
  • Cardwell, Glenn. Spinach is a Good Source of What?. The Skeptic. Volume 25, No 2, Winter 2005. Pp 31–33. ISSN 0726-9897
  • Blazey, Clive. The Australian Vegetable Garden: What's new is old. Sydney, NSW: New Holland Publishers, 1999. ISBN 1-86436-538-2
  • Stanton, Rosemary. Complete Book of Food and Nutrition. Australia, Simon & Schuster, Revised Edition, 1995. ISBN 0-7318-0538-
  • Sutton, M. (2010) The Spinach Popeye Iron Decimal Error Myth is Finally Busted. Best Thinking.Com: http://www.bestthinking.com/articles/science/chemistry/biochemistry/the-spinach-popeye-iron-decimal-error-myth-is-finally-busted

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]