তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বামের সলিনয়েডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে, তা একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এই ক্ষেত্রটি তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে ডানদিকের তারের লুপে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।

তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশ এমন একটি প্রক্রিয়া যার ফলে চৌম্বকীয় প্রভাবে একটি পরিবাহীর মধ্যে বিভবের সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়া তখনই সংঘটিত হয় যখন একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে কোন পরিবাহীকে রাখা হয় অথবা কোন স্থির চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে কোন গতিশীল পরিবাহীকে রাখা হয়। তখন ঐ চৌম্বকক্ষেত্রের চৌম্বকীয় বলরেখা পরিবাহীকে আঘাত করে। মূলত চৌম্বকক্ষেত্রের চৌম্বকীয় বলরেখা এবং পরিবাহীর মধ্যেকার আপেক্ষিক গতিই তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশ সৃষ্টি করে। সুতরাং একটি গতিশীল চুম্বক বা তরিৎবাহী বর্তনীর সাহায্যে অথবা একটি স্থির তড়িৎবাহী বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ কম বেশি করে অন্য একটি সংবদ্ধ বর্তনীতে ক্ষনস্থায়ী তড়িচ্চালক বল অ তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তাড়িত চুম্বক আবেশ বলে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মাইকেল ফ্যারাডে সর্বপ্রথম তড়িৎ-চুম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন, যা ১৮৩১ সালে প্রকাশিত হয়।[১][২] ১৮৩২ সালে জোসেফ হেনরি পৃথকভাবে এটি আবিষ্কার করেন।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ulaby, Fawwaz (২০০৭)। Fundamentals of applied electromagnetics (5th সংস্করণ)। Pearson:Prentice Hall। পৃষ্ঠা 255। আইএসবিএন 978-0-13-241326-8 
  2. "Joseph Henry"Distinguished Members Gallery, National Academy of Sciences। ২০১৩-১২-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-৩০ 
  3. Errede, Steven (২০০৭)। "A Brief History of The Development of Classical Electrodynamics" (PDF) 
  4. "Electromagnetism"Smithsonian Institution Archives