ডেভিড রেনেবার্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডেভিড রেনেবার্গ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামডেভিড আলেকজান্ডার রেনেবার্গ
জন্ম২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২
প্যাডিংটন, নিউ সাউথ ওয়েলস, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৩৯)
২৩ ডিসেম্বর ১৯৬৬ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ টেস্ট১৯ জানুয়ারি ১৯৬৮ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৯০
রানের সংখ্যা ২২ ৪৬৬
ব্যাটিং গড় ৩.৬৬ ৭.০৬
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ২৬
বল করেছে ১৫৯৮ ১৭০৩০
উইকেট ২৩ ২৯১
বোলিং গড় ৩৬.০৮ ২৯.৩০
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৩
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৩৯ ৮/৭২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ৩৫/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ডেভিড আলেকজান্ডার রেনেবার্গ (ইংরেজি: David Renneberg; জন্ম: ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২) নিউ সাউথ ওয়েলসের প্যাডিংটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী উপস্থাপন করতেন ডেভিড রেনেবার্গ

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৬৪-৬৫ মৌসুম থেকে ১৯৭০-৭১ মৌসুম পর্যন্ত ডেভিড রেনেবার্গের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুরদিকে তিনি বলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন না। পরবর্তীকালে নিখুঁতমানের উদ্বোধনী ফাস্ট বোলার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনায় সচেষ্ট হয়েছিলেন।

ফাস্ট বোলার হিসেবে ডেভিড রেনেবার্গ ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম থেকে ১৯৭০-৭১ মৌসুম পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলসের পক্ষে খেলেন। এছাড়াও, ১৯৬৯ সালে ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে রটেনস্টল দলে খেলেছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে আটটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ডেভিড রেনেবার্গ। ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ তারিখে জোহেন্সবার্গে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৯ জানুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে ব্রিসবেনে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৬৬-৬৭ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ তারিখে জোহেন্সবার্গে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্রায়ান টাবেরের সাথে একযোগে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।[১] সিরিজের প্রথম টেস্টে গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জি’র সাথে বোলিং জুটি গড়েছিলেন তিনি। এরপর তিনি সিরিজের সবকটি খেলায় অংশ নেন। এ সিরিজ শেষে ৪৮.০০ গড়ে ১১ উইকেট দখল করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে শীতকালে নিজদেশে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষেও তাকে মনোনীত করা হয়। অ্যাডিলেডে সিরিজের প্রথমে টেস্টে ৫/৩৯ পান। তবে, দূর্বল ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের কারণে চার টেস্টে নিয়ে গড়া সিরিজের তৃতীয় টেস্টের পর তাকে দল থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

ইংল্যান্ড গমন[সম্পাদনা]

১৯৬৮ সালে বিল লরি’র নেতৃত্বে ইংল্যান্ড গমন করেন। ঐ দলটিতে ব্রায়ান টাবের, ডগ ওয়াল্টার্স, লেস জসলিন, জন গ্লিসন, অ্যাশলে মলেট, ডেভিড রেনেবার্গ, জন ইনভেরারিটি, এরিক ফ্রিম্যান, ইয়ান চ্যাপেল, নীল হক, পল শিহান, অ্যালেন কনলি, বব কাউপার, গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জিইয়ান রেডপাথ ছিলেন। তবে কোন টেস্ট খেলার সৌভাগ্য হয়নি তার। এ সফরে ৪১ উইকেট লাভ করেন। তন্মধ্যে প্রস্তুতিমূলক খেলায় এসেক্সের বিপক্ষে ৮/৭১ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম শেষে মাত্র ২৮ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটকে বিদেয় জানান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Australia in South Africa (1966 – 1967): Scorecard of first Test"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৮, ২০১৯ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]