চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর
Flag of the People's Republic of China.svg Flag of Pakistan.svg বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, শক্তি উৎপাদন, দ্রুত পরিবহণ
Road network CPEC.jpg
অবস্থানপাকিস্তান: বেলুচিস্তান, গিলগিত-বালতিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া, পাঞ্জাব, সিন্ধু
চীন: শিনচিয়াং
মালিকসরকারি ও বেসরকারি খাত
হু জিনতাও
শি জিনপিং
লি কেকিয়াং
দেশগণপ্রজাতন্ত্রী চীন, পাকিস্তান
প্রতিষ্ঠিত২২ মে ২০১৩ (2013-05-22)
বাজেটচীন উন্নয়ন ব্যাংক
এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক
সিল্ক রোড ফান্ড
এক্সিম ব্যাংক অফ চীন
চীনের শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক
অবস্থাআংশিক কর্মক্ষম
ওয়েবসাইটcpec.gov.pk

চীন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (চীনা: 中国-巴基斯坦经济走廊; উর্দু: پاكستان-چین اقتصادی راہداری‎‎; এছাড়াও সিপিইসি নামেও পরিচিত) হ'ল অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলির একটি সংগ্রহ, যা বর্তমানে পুরো পাকিস্তান জুড়ে নির্মাণাধীন রয়েছে।[২] মূলত $৪৬ বিলিয়ন মূল্যের সিপিইসি প্রকল্পগুলির মূল্য ২০১৭ সালের হিসাবে $৬২ বিলিয়ন।[৩][৪][৫] সিপিইসি দ্রুত পাকিস্তানি অবকাঠামোগত আধুনিকীকরণ এবং আধুনিক পরিবহন নেটওয়ার্ক, অসংখ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করছে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে।[৪][৫][৬][৭] ১৩ নভেম্বর ২০১৬ সালে সিপিইসি আংশিকভাবে চালু হয়, যখন সাম্প্রতিক সময়ে সামুদ্রিক পণ্য আফ্রিকাপশ্চিম এশিয়ায় পরিবাহিত করার জন্য চীনা মালামালকে গোয়াদার বন্দরের দ্বারা স্থানান্তরিত করা হয়,[৮] কিছু বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প ২০১৭ সালের শেষদিকে চালু হয়।[৯][১০][১১]

সিপিইসি প্রকল্পে হল চীনপাকিস্তান এর মধ্যে গড় ওঠা এক বিশেষ অর্থনৈতিক করিডর নির্মিত হয়েছে। করিডরটি চীনের প্রস্তাবিত ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড নীতির অন্তর্গত এবং এটি চীনের অর্থ সহায়তায় গড়ে তুলা হচ্ছে। এই করিডরটি মোট দৈর্ঘ্য হবে ২,০০০ কিলোমিটার (১,২০০ মা)।এটি পাকিস্তানএর গদর শহরের গদর বন্দর থেকে চীনের শিনচিয়াং প্রদেশের কাশগর পর্যন্ত নিরমান করা হবে। এই প্রকল্পে গদরকাশগর মহাসড়ক ,রেলপথ দ্বারা যুক্ত হবে। এছাড়া এই পথে অপটিকাল ফাইবার বসানো হবে দ্রুত যোগাযোগের জন্য। তেল ও গ্যাসের পাইপ লাইন এই পথে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।[১২] এই পকল্পে গদর ও কাশগর এর সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, লাহোরকরাচি যুক্ত হবে।করিডরের অংশ হিসাবে ১,১০০ কিলোমিটার করাচি থেকে লাহর পর্যন্ত মোটরওয় নির্মাণ করা হবে। রায়ালপিন্ডি থেকে কাশগর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১,৩০০ কিলোমিটার (৮১০ মা) কারাকোরাম মহাসড়ক। করাচি থেকে খাইবার পাক্তুন পর্যন্ত রেল পথকে আধুনিক করা হবে।করিডরের নির্মাণ কাজে যুক্ত রয়েছে ৭ হাজার চীনা কর্মী।[১৩] এই করিডরের পাশে প্রায় ১২ টির মত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়া হবে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৫০ সালে চীন সীমান্ত থেকে গদর পর্যন্ত করিডর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। এর পর ১৯৫৯ সালে ১,১০০ কিলোমিটার (৬৮০ মা) দীর্ঘ কারাকোরাম হাইওয়ে নির্মাণ শুরু হয়। এই হাইওয়ে চীনপাকিস্তানকে যুক্ত করেছে।এর পর চীন ১৯৯৮ সালে গদর বন্দর নির্মাণে আগ্রহ দেখায়। ২০০২ সালে গদর বন্দ নির্মাণ শুরু করে চীন এবং ২০০৬ সালে বন্দরটির নির্মাণ সম্পূর্ন হয়। চীন ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড নীতিতে গদর এর সঙ্গে কাশগরের সংযোগের কথা বলে।শেষে চীনপাকিস্তান এর সহযোগিতায় শুরু হয় চীন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর নির্মাণ। এই প্রকল্পটি চীন তার ত্রয়দশ পঞ্চবার্ষিকি পরিকল্পনাতে উল্লেখ করে। ২০১৫ সালে এই করিডর গড়ার জন্য চীন ও পাকিস্তান মৌ-স্বাক্ষর করে।বর্তমানে এর নিরমান কার্য চলছে।

সিপিইসি ঘোষণা[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের এপ্রিলে শি জিনপিংয়ের পাকিস্তানে সফরকালে তিনি একটি মুক্ত সম্পাদকীয়তে লিখেছেন: "এটি আমার প্রথম পাকিস্তান ভ্রমণ হবে, তবে আমার মনে হচ্ছে যেন আমি আমার নিজের ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছি।" ২০ এপ্রিল ২০১৫-তে, পাকিস্তানচীন $৪৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে কাজ শুরু করার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা পাকিস্তানের বার্ষিক জিডিপি'র প্রায় ২০%, [৪২] সঙ্গে ২৮ বিলিয়ন ডলারের দ্রুতগতি সম্পন্ন "আর্লি হারভেস্ট" প্রকল্পগুলি তৈরি করা হবে ২০১৮ সালের শেষের দিকে।[১৪][১৫]

পরবর্তী ঘটনাবলী[সম্পাদনা]

১২ আগস্ট ২০১৫ সালে, কারমায় শহরে চীনপাকিস্তান সিপিইসি-এর পরিসর এবং সুযোগ বাড়ানোর জন্য আরও ১.৬ বিলিয়ন ডলারের আরও ২০ টি চুক্তি স্বাক্ষর করে।[১৬] পরিকল্পনার বিবরণ অস্বচ্ছ,[১৭] তবে বলা হয় মূলত শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করা কথা।[১৮] চুক্তির অংশ হিসাবে, পাকিস্তান এবং চীন মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়।[১৯]

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে যুক্তরাজ্য সরকার সিপিইসি এর পরিপূরক সড়কপথ নির্মাণের জন্য পাকিস্তান সরকারকে দুটি পৃথক অনুদানের ঘোষণা দেয়।[২০][২১] ২০১৫ সালের নভেম্বরে চীন সিপিইসি'কে তার ১৩ তম পঞ্চবার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করে,[২২] ডিসেম্বর ২০১৫ সালে, চীনপাকিস্তান সিপিইসি প্রকল্পের অংশ হিসাবে তথ্য ও প্রযুক্তি পার্ক স্থাপনের জন্য আরও $১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিষয়ে একমত হয়।[২৩] ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল, শিনচিয়াংয়ের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান ঝাং চুনসিবিয়ান সফরের সময় শিনচিয়াংয়ের সংস্থাগুলিকে পাকিস্তানের সহযোগীদের সাথে $২ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত চুক্তি করেছে পরিকাঠামো, সৌর শক্তি ও সরবরাহ খাতে।[২৪]

চীন থেকে প্রথম বহর গদর পৌঁছায় ১৩ নভেম্বর, ২০১৬ সালে, সিপিইসি-র কার্যক্রমকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করা হয়।[২৫] ২ ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি রেলপথ এবং সমুদ্র পরিবহন পরিষেবা চালু করে প্রথম কার্গো ট্রেন ইউনান থেকে যাত্রা শুরু করে। ৫০০ টন পণ্যবাহী একটি কার্গো ট্রেন কুংমিং থেকে বন্দর নগরী গুয়াংজুয়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, যেখান থেকে পণ্যবাহী জাহাজে করে বোঝাই করে করাচিতে পৌঁছে দেওয়া হয়, নতুন রুটের উদ্বোধনের চিহ্ন হিসাবে।[২৬] নতুন রেল, সামুদ্রিক মালামাল পরিবহন ব্যয়'সহ রসদ ব্যয়কে ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেবে।[২৭]

২০১৬ সালের নভেম্বরে, চীন করাচী থেকে পেশোয়ারের পর্যন্ত পাকিস্তানের মূল রেলপথের ট্র্যাক, গতি এবং সংকেত ব্যবস্থার উন্নীতকরণ এবং বিদ্যুতের ঘাটতি দূর করতে সহায়তার জন্য একটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ট্রান্সমিশন লাইনগুলিতে ৪ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বরাদ্দ করে পাকিস্তানে অতিরিক্ত ৫.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করে।[২৮] ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে, পাকিস্তান ভ্রমণকাল মিশরীয় রাষ্ট্রদূত সিপিসিও সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।[২৯] জানুয়ারী ২০১৭ সালে, খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খট্টক জানিয়েছেন যে তিনি চীনা বিনিয়োগ সংস্থাগুলির কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছন, যে তারা প্রকল্পের জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।[৩০] মার্চ ২০১৭ সালে, প্রকল্পগুলির জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে: একটি $১.৫ বিলিয়ন ডলার তেল শোধনাগার, ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সেচ প্রকল্প এবং ডিআই খানের মধ্যে একটি ২ বিলিয়ন ডলার মোটরওয়ে এবং $৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের।[৩১]

সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত, ১৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রকল্পের কাজ চলছে।[৩২] মার্চ ২০১৮ সালে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে নির্মাণাধীন জ্বালানী প্রকল্পগুলির সমাপ্তির পরে, ভবিষ্যতের সিপিইসি-এর শক্তি প্রকল্পের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির নির্মাণের দিকে তাকাবে।[৩৩]

গদর বন্দর ও শহর প্রকল্প[সম্পাদনা]

গদর প্রমন্তরি এবং ইস্তামাস এর একটি দৃশ্য।

গাদর সিপিইসি প্রকল্পের মূল আংশ গঠন করে, কারণ এটি চীনের উচ্চাভিলাষী ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড প্রজেক্ট এবং তার সামুদ্রিক সিল্ক রোড প্রকল্পের মধ্যে সংযোগ ঘটাবে।[৩৪] সামগ্রিকভাবে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গবাদার বন্দর প্রকল্প প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর্থে গড়ে তোলা হবে।

গদর বন্দর চত্বর[সম্পাদনা]

গদর বন্দের দৃশ্য

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের গুরুত্ব পূর্ন অংশ হল গদর বন্দর। এটি গদর শহরের পাশে গদর উপসাগরএর তীরে গড়ে উঠেছে। ২০০২ সালে গদর বন্দরের প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে সম্পন্ন হয়, তবে গদর বন্দরটি উন্নয়ন এবং প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দরটির আধুনিকিকরনে চীন ১.৫৬ বিলিওন ডলারের অর্থ সাহায্য দেবে। এই বন্দরের গভীরতা ১৫ মিটার থেকে ১৮ মিটির পর্যন্ত। সিপিইসি চুক্তির আওতায়, গদর বন্দরকে প্রাথমিকভাবে বাড়ানো এবং আধুনিকিকরন করা হবে যাতে ৭০,০০০ টন[৩৫] পর্যন্ত মালবাহী বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজ, তেলের ট্যাঙ্কার বন্দরটিতে নোঙর করতে পারবে। এই বন্দরে খনিজ তেল জাহাজে করে এনে চীন নিজের দেশে পরিবহন করবে এই করিডর দ্বারা। উন্নততর পরিকল্পনাগুলির মধ্যে রয়েছে বন্দরের চারপাশে ১৩০ মিলিয়ন ডলার খরচে ব্রেকওয়াটার নির্মাণ,[৩৬] সেইসাথে প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট ক্ষমতার একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাসমান সুবিধা এবং গদর-নওয়াবশাহকে সংযুক্তকারী ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে।[৩৭]

গদর শহরে প্রকল্প[সম্পাদনা]

গদরে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করতে চীন পাকিস্তানকে ২৩০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে। মোট বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক সরকার নতুন ২৩০ মিলিয়ন ডলার গদর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ৪০০০ একর জায়গা নির্ধারণ করেছে, যার নির্মাণের জন্য আনুমানিক ৩০ মাস লাগবে,[৩৮] যে ব্যয়গুলি সম্পূর্ণরূপে চীনা সরকারের অনুদানের দ্বারা অর্থায়িত করা হবে, পাকিস্তান শোধ করতে বাধ্য হবে না।.[৩৯]

গদর শহরটি আরও উন্নত হচ্ছে ৩০০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, একটি ডেসালিনাইজেশন প্ল্যান্ট এবং একটি নতুন ৩০০ টি বিছানা হাসপাতাল নির্মাণ করে।[৪০] গদর শহরের জন্য পরিকল্পনাগুলিতে ইস্ট বে এক্সপ্রেসওয়েরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে - এটি ১৯ কিলোমিটার নিয়ন্ত্রিত-অ্যাক্সেস সড়ক যা গদর বন্দরকে মাকরান উপকূলীয় হাইওয়েতে সংযুক্ত করে।[৪১] এই অতিরিক্ত প্রকল্পগুলির জন্য $৮০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে এবং এটি ০% সুদের দ্বারা চীনের এক্সিম ব্যাংককে পাকিস্তানে প্রসারিত করতে সহায়তা করবে[৪০]

পূর্বোক্ত অবকাঠামোগত কাজগুলি ছাড়াও, পাকিস্তান সরকার সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে গাদ্দারে পাক-চীন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার কথা ঘোষণা করেছিল,[৪২] যা গদর বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ৯৯৩ মিলিয়ন রুপি ব্যয় দ্বারা করা হবে।[৪২] এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের বর্ধিত গদর বন্দরে পরিচালনা ও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদানের জন্য স্থাপন করা হয়েছে।[৪২]

২০১৭ সালের হিসাবে, গদর ও এর আশেপাশে চীন দ্বারা অর্থায়িত মোট ৯ টি প্রকল্প রয়েছে।[৪৩]

পাইপ লাইন[সম্পাদনা]

চীনের অর্থ সাহায্যে গদর থেকে কাশগর পর্যন্ত একটি তেল ও খ্যাসের পাইপ লাইন নির্মাণের প্যস্তাব রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল গদর বন্দর-এ এনে পরিষোধিত করে তা পাইপ লাইনের মধ্যমে চীনে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছার ইরান থেকে গ্যাস আনার জন্য ইরান-এর থেকে গদর পর্যন্ত একটি পাইপ লাইন নির্মাণ করা হবে।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Investment under CPEC rises to $62 billion: Zubair" 
  2. China Pakistan Economic Corridor. What is One Belt One Road? A Surplus Recycling Mechanism Approach. Social Science Research Network. Date Accessed 26 August 2017.
  3. "CPEC investment pushed from $55b to $62b - The Express Tribune"। ১২ এপ্রিল ২০১৭। 
  4. Hussain, Tom (১৯ এপ্রিল ২০১৫)। "China's Xi in Pakistan to cement huge infrastructure projects, submarine sales"। McClatchy News। Islamabad: mcclatchydc। 
  5. Kiani, Khaleeq (৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। "With a new Chinese loan, CPEC is now worth $62bn"Dawn। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 
  6. "CPEC: The devil is not in the details"। ২৩ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  7. "Economic corridor: Chinese official sets record straight"The Express Tribune। ২ মার্চ ২০১৫। 
  8. Ramachandran, Sudha (১৬ নভেম্বর ২০১৬)। "CPEC takes a step forward as violence surges in Balochistan"www.atimes.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 
  9. "PM inaugurates Port Qasim coal power plant's unit in Karachi - Pakistan - Dunya News"Dunya News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-২৭ 
  10. "Second unit of Sahiwal power plant being inaugurated today"The Nation (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-০২ 
  11. "Zonergy plugs in 300-MW solar park in Pakistan - report"Renewablesnow.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-০২ 
  12. "CPEC-Corridor of Uncertainty"Dawn। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  13. "চীনের ৭ হাজার কর্মীকে পাহারা দিচ্ছে ১৫ হাজার পাক সেনা", DD News, সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৬ 
  14. "Ministry of Planning, Development & Reforms" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। pc.gov.pk। 
  15. "Here's why Indian strategists should worry about China's $46 billion funding to Pakistan"। Firstpost। ২২ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৫ 
  16. "China, Pakistan Sign Deals Worth USD 1.6 Billion to Beef Up CPEC"Outlook India। ১২ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৫ 
  17. Tiezzi, Shannon (১৩ আগস্ট ২০১৬)। "The China-Pakistan Economic Corridor Gets Even More Ambitious"। The Diplomate। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  18. "China, Pakistan sign co-op agreements worth over 10 billion yuan"। Xinhua News Agency। ১২ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  19. "Pakistan, China to cooperate in space as part of Karamay declaration"Dawn। ১৯ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  20. Shahbaz Rana (১ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "UK to partner in CPEC, provide $121.6 million grant"The Express Tribune 
  21. Shahbaz Rana (২৩ অক্টোবর ২০১৫)। "Pakistan, ADB sign $178m agreement for M-4 section"The Express Tribune 
  22. "CPEC made part of China's 13th 5-year development plan: Weidong"Pakistan Today। ২৩ নভেম্বর ২০১৫। 
  23. "Pak-China 'Technology Park' on anvil"The Express Tribune। ২ ডিসেম্বর ২০১৫। 
  24. "China's Xinjiang seals Pakistan ties with $2 billion in deals – The Express Tribune"The Express Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-০৮ 
  25. "With Gwadar set to go operational, CPEC dreams come true"DAWN.COM। ২০১৬-১১-১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১১-১৩ 
  26. "Rail, sea freight service open with China - The Express Tribune"The Express Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-১২-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-০২ 
  27. "First cargo train under CPEC leaves China for Karachi"Daily Pakistan Global (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১২-০২ 
  28. Strohecker, Karin। "Pakistan says China to make extra $8.5 billion investments in rail, energy" 
  29. "Egypt Expresses Desire to Join CPEC"। New Indian Express। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৭ 
  30. "Chinese firms to invest $20b in KP: Khattak"। The News। ৭ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৭ 
  31. "Khyber Pakhtunkhwa inks deals worth $20bn with Chinese companies"। Dawn। ৩ মার্চ ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৭ 
  32. "Massive Chinese investment is a boon for Pakistan"The Economist। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  33. Kiani, Khaleeq (২০১৮-০৩-০৩)। "Energy investments under CPEC shifted to hydropower sector"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৩-০৩ 
  34. Saran, Shyam (১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "What China's One Belt and One Road Strategy Means for India, Asia and the World"। The Wire (India)। ১৮ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  35. "Industrial potential: Deep sea port in Gwadar would turn things around"The Express Tribune। ১৭ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৬ 
  36. Butt, Naveed (৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Economic Corridor: China to Extend Assistance at 1.6 Percent Interest Rate"Business Recorder। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  37. "Gwadar-Nawabshah LNG project part of CPEC"The Nation। ২৮ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৬ 
  38. "China to build Pakistan's largest airport at Gwadar"Daily Times। ১২ নভেম্বর ২০১৫। ১৪ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  39. "China converts $230m loan for Gwadar airport into grant"Geo.tv। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫। 
  40. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Geo TV নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  41. "China kick-starts Pakistan's Gwadar East Bay Expressway"। World Highway। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৬ 
  42. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Pakistan Today নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  43. Ranade, Jayadeva (২০১৭-০৬-৩০)। "Does the China-Pakistan Economic Corridor Really Help Pakistan?"Liberal Studies (ইংরেজি ভাষায়)। 2 (1): 33–41। আইএসএসএন 2688-9374 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]