এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক
AIIB logo.jpeg
সংক্ষেপেএআইআইবি
গঠিত
  • ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ (ব্যবসা শুরু)
  • ২৫ ডিসেম্বর ২০১৫ (চুক্তিবদ্ধ)
  • ২৪ অক্টোবর ২০১৪ (বহুপাক্ষিক অন্তর্বর্তীকালীন সচিবালয়)
ধরণআঞ্চলিক সংস্থা
আইনি অবস্থাচুক্তি
উদ্দেশ্যমূলধন
সদর দপ্তরবেইজিং, চীন
যে অঞ্চলে কাজ করে
এশিয়া ওশেনিয়া সহ
সদস্যপদ
৩০ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
দাপ্তরিক ভাষা
ইংরেজি[১]
মহাসচিব
Jin Liqun
প্রধান অঙ্গ
বহুপাক্ষিক অন্তর্বর্তী সচিবালয় (সচিবালয়)[২]
ওয়েবসাইটaiibank.org
এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক
সরলীকৃত চীনা 亚洲基础设施投资银行
ঐতিহ্যবাহী চীনা 亞洲基礎設施投資銀行
বিকল্প চীনা নাম
সরলীকৃত চীনা 亚投行
ঐতিহ্যবাহী চীনা 亞投行

এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) চীনের প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থ সহায়তা করাই এই বহুজাতিক উন্নয়ন ব্যাংকের উদ্দেশ্য। এআইআইবিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্ব ব্যাংকএশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বিকল্প মনে করা হচ্ছে কারণ এআইআইবি-র দৃষ্টিতে তারা উন্নত দেশ মুলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজাপান দ্বারা প্রভাবিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এআইআইবি গঠনের প্রথম খবর প্রকাশিত হয় অক্টোবর, ২০১৩ সালে। [৩] চীন, আমেরিকান ইউরোপীয় এবং জাপানি স্বার্থে পরিচালিত আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, বৃহত্তর প্রভাব ও মন্থর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় চীন হতাশা প্রকাশ করে।[৪] ২০১০- ২০১২ সালে এই অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে ৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন বলে দেখা গেছে।[৪][৫]

এই নতুন ব্যাংকের মাধ্যমে চীন এশীয় অঞ্চলে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করা হয়।[৬] ২০১৪ সালের জুন মাসে চীন ব্যাংকটির মুলধন ৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধির প্রস্তাব করে এবং ভারতকে যোগদানের আহবান জানায়।[৭][৮] ২৪ অক্টোবর, ২০১৪ সালে বেইজিং-এ সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে ব্যাংকটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ২১ টি দেশ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।[৯] আগ্রহ প্রকাশ করলেও মার্কিন চাপে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া চুক্তি স্বাক্ষর থেকে বিরত থেকেছে।[১০]

পরবর্তী পদক্ষেপ, ব্যাংকটির গঠনতন্ত্র তৈরি করা, যা ২০১৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।.[১১][১২]

সদস্য রাষ্ট্র[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য[সম্পাদনা]

সদস্য রাষ্ট্র সংযোজন তারিখ
 বাংলাদেশ ২০১৪
 ব্রুনেই ২০১৪
 কম্বোডিয়া ২০১৪
 চীন ২০১৪
 ভারত ২০১৪
 কাজাখস্তান ২০১৪
 কুয়েত ২০১৪
 লাওস ২০১৪
 মালয়েশিয়া ২০১৪
 মঙ্গোলিয়া ২০১৪
 মায়ানমার ২০১৪
   নেপাল ২০১৪
 ওমান ২০১৪
 পাকিস্তান ২০১৪
 ফিলিপাইন ২০১৪
 কাতার ২০১৪
 সিঙ্গাপুর ২০১৪
 শ্রীলঙ্কা ২০১৪
 থাইল্যান্ড ২০১৪
 উজবেকিস্তান ২০১৪
 ভিয়েতনাম ২০১৪

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Articles of Agreement – AIIB" (PDF)Asian Infrastructure Investment Bank। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  2. About: the Secretariat, aiibank.org.
  3. "An Asian infrastructure bank: Only connect", The Economist, 4 October 2013.
  4. Brant, Philippa (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Why Australia should join the Asian Infrastructure Investment Bank"http://www.lowyinterpreter.org/। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৪  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  5. Bhattacharyay, Biswa N. (৯ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "Estimating Demand for Infrastructure in Energy, Transport, Telecommunications, Water and Sanitation in Asia and the Pacific: 2010-2020"। ADB। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১০ 
  6. "The Guardian view on the Asian Infrastructure Bank: the US should work with it, not oppose it: It's no surprise that China is promoting a solution to the shortage of infrastructure capital in Asia"। The Guardian। ২৭ অক্টোবর ২০১৪। 
  7. Jamil Anderlini, "China expands plans for World Bank rival", The Financial Times, June 24, 2014.
  8. Atul Aneja, "China invites India to join Asian Infrastructure Investment Bank", The Hindu, June 30, 2014.
  9. "China, 20 other countries initiate new Asian bank", Mail Online, 24 October 2014.
  10. "China launches AIIB in Asia to counter World bank","Affairscloud" , 24 October 2014.
  11. Murray, Lisa (২৭ অক্টোবর ২০১৪)। "China leaves door open for Australian turnaround on Asia bank"The Australian Financial Review 
  12. "Three major nations absent as China launches W.Bank rival in Asia"। Reuters। ২৭ অক্টোবর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৪